
চঞ্চল,
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় বিশেষ সাড়াশি অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ, ফেন্সিডিল ও গাঁজা উদ্ধার করেছে। এ সময় একজন আসামীকেও আটক করা হয়।
বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত কুড়িগ্রামের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় একাধিক বিশেষ টহল অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি।
বিজিবি জানায়, রামখানা বিওপি’র আওতাধীন মাঠপাড়া এলাকায় (থানা-নাগেশ্বরী, জেলা-কুড়িগ্রাম) অভিযান চালিয়ে ৩৫০ বোতল ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ ও একটি বাইসাইকেল জব্দ করা হয়।
একই বিওপি’র আওতাধীন পূর্ব রামখানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিলসহ আসামি নুরুল ইসলাম (৩২) কে আটক করা হয়। তিনি ভুরুঙ্গামারী উপজেলার দক্ষিণ শিংঝাড় গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে।
অন্যদিকে গংগারহাট বিওপি’র আওতাধীন মধ্য বিদ্যাবাগিস এলাকায় (থানা-ফুলবাড়ী, জেলা-কুড়িগ্রাম) অভিযান চালিয়ে ৪৩ বোতল ভারতীয় ফেন্সিডিল, ৬ কেজি গাঁজা এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
সব মিলিয়ে উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে—৩৫০ বোতল ইস্কাফ সিরাপ, ৫৮ বোতল ফেন্সিডিল, ৬ কেজি গাঁজা, ১টি মোটরসাইকেল ও ২টি বাইসাইকেল। যার বাজারমূল্য প্রায় ৩ লাখ ৮৬ হাজার ২০০ টাকা।
আটককৃত আসামির বিরুদ্ধে নাগেশ্বরী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্য অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদকদ্রব্য ও যানবাহনও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি) এর কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম, পিএসসি বলেন—
“দেশের যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে বিজিবি সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করে গোয়েন্দা নজরদারি ও টহল কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।”
তিনি স্থানীয় জনগণকে মাদকবিরোধী অভিযানে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান এবং গোপন তথ্য প্রদানকারীদের পরিচয় গোপন রাখার নিশ্চয়তা দেন।
এই অভিযানে বিজিবির সাহসিকতা ও কৌশলগত দক্ষতা প্রশংসার দাবিদার, যা মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

























