
জেলা প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া,
সরাইল উপজেলা ক্রীড়াঙ্গনের এমন একজন মানুষ, যাঁর নাম উচ্চারণ করলেই ভেসে ওঠে নিবেদিতপ্রাণ এক সংগঠকের ছবি। মাঠের সীমানা ছাড়িয়ে তাঁর পরিচয় ছড়িয়ে পড়েছে পুরো জেলা ক্রীড়াপ্রেমী মানুষের হৃদয়ে।
শুধু তা-ই নয়, তিনি খেলাধুলার বাইরেও বিভিন্ন সামাজিক কাজে তার অবদান চোখে পরার মতো। যখনই কোনো অসহায় পথিক এসে তার শরণাপন্ন হয়, কখোনো এই ক্রীড়াপ্রেমীর কাজ থেকে শূন্য হস্তে ফেরেনি।
ক্রীড়াঙ্গনে নিবেদিত প্রাণ
মাঠের খেলা পরিচালনা থেকে শুরু করে তরুণ খেলোয়াড়দের তুলে আনা—সবকিছুতেই রয়েছে তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের ছাপ।
ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন ও খেলাধুলার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তিনি নিজের সময় ও শ্রম অকাতরে বিলিয়ে দেন।
জয় কিংবা পরাজয়, যেকোনো পরিস্থিতিতেই খেলার মূল স্পিরিটকে বাঁচিয়ে রাখতে তিনি সবসময় থাকেন সামনের সারিতে।
দূরদর্শী ও সামাজিক ব্যক্তিত্ব
কেবল একজন ক্রীড়াসংগঠক হিসেবেই নয়, একজন অনন্য সামাজিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেও এস এম,ফরিদ সর্বজনপ্রিয়।
সহযোগিতার হাত, উদীয়মান ও প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের উপযুক্ত সুযোগ সৃষ্টি এবং সহায়তায় তিনি কখনো কার্পণ্য করেন না।
বিনয়ী আচরণ: তাঁর অমায়িক ব্যবহার, শালীন সামাজিক মূল্যবোধ এবং সকলকে আপন করে নেওয়ার অসাধারণ ক্ষমতা তাঁকে সবার ভালোবাসার পাত্রে পরিণত করেছে।
তিনি দীর্ঘদিন যাবত সরাইল ক্রীড়াসংস্থার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব সুনামের সাথে পালন করে আসছেন।
খেলায় এবং খেলা পরিচালনার ক্ষেত্রে তার অনন্য অবদানের জন্য ইতিমধ্যে তাকে জেলা রেফারিজ এসোসিয়েশনের সন্মানিত সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করেন।
সংগঠক হিসেবে নেতৃত্ব, সামাজিক ও ক্রীড়া উৎসবগুলোতে তাঁর উপস্থিতি ও কর্মদক্ষতা যেকোনো আয়োজনকে সফল ও সার্থক করে তোলে।
বিভিন্ন জাতীয় দিবসগুলোতেও তার অদম্য চেষ্টা থাকে অনুষ্ঠান সফল ও সার্থক করার জন্য।
এস এম ফরিদ কেবল খেলার মাঠের একজন কর্মী নন, তিনি আমাদের ক্রীড়াঙ্গনের অনুপ্রেরণার বাতিঘর।
খেলাধুলার প্রতি তাঁর এই আত্মত্যাগ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা নতুন প্রজন্মের সংগঠক ও খেলোয়াড়দের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।















