Dhaka , Sunday, 29 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
আমরা যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে না তারাই তবে কিভাবে মন্ত্রণালয়কে মুক্ত করবো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন রাজাপুরে নানা অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষিকার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুদিন পর ডোবায় ইটভাটা শ্রমিকের লাশ নোয়াখালীতে গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার গোসল করতে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক বাপ্পী ফতুল্লায় বক্তাবলী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী স্বৈরাচারের দোসর ইউপি সদস্য ইমরানের হুমকি ও অপপ্রচার, বাধাগ্রস্ত হচ্ছে পরিষদের কার্যক্রম কালীগঞ্জে রেললাইনে প্রাণ গেল বৃদ্ধের: ট্রেনের নিচে পড়ে নিথর দেহ উদ্ধার কালীগঞ্জ ও ভুরুঙ্গামারী সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র ঝটিকা অভিযান: বিপুল মাদকসহ চোরাচালান পণ্য জব্দ আদিতমারীতে র‍্যাবের হানা: শয়নকক্ষের খাটের নিচে মিলল ৬২৭ বোতল মাদক, কারবারি গ্রেপ্তার লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র সাফল্য: ১১ লাখ টাকার কসমেটিকস ও শাড়িসহ মাদক জব্দ লালমনিরহাটে সংখ্যালঘু পরিবারের পৈতৃক জমি দখল ও লুটপাটের অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর দাবি রাজাপুরে ঢাকা-চট্টগ্রামগামী বাসে বাড়তি ভাড়া, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ঝালকাঠিতে গাবখান নদীতে গোসল করতে নেমে মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ শয়ন কক্ষে মদের আস্তানা, ৩৯ বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ৩ শরীয়তপুরের জাজিরায় জমি বিরোধে শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা পাইকগাছায় জমি বিরোধের ইতি; মালিকের হাতে ফিরলো দখল মধ্যরাতের কালবৈশাখীতে লন্ডভণ্ড লালমনিরহাট: শিলার আঘাতে ছিন্নভিন্ন টিনের চালা, ফসলের ব্যাপক ক্ষতি ভাড়া ১৫০ টাকা বেশি নেয়ায় জরিমানা ৫০ হাজার টাকা     কুড়িগ্রাম ভুরুঙ্গামারীতে ইয়াবা সহ মাদক কারবারি গ্রেফতার সাংবাদিকদের কল্যাণে নতুন নতুন উদ্যোগের পরিকল্পনা করছে সরকার:- বাছির জামাল খুলেই বন্ধ হিলি স্থলবন্দর কাস্টমস কর্মকর্তার মৃত্যুতে থমকে আমদানি-রপ্তানি শ্রীপুরে অবৈধভাবে মজুদ রাখা জ্বালানি তেল জব্দ, বিক্রিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা বিদেশ গমন উপলক্ষে ছাত্রনেতা রিয়াদ ইসলামকে সংবর্ধনা আড়াইহাজারে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মাদকবিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ নারায়ণগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে নিরাপত্তাকর্মীর আত্মহত্যা ইবি শিক্ষক ড. সাইফুল ইসলামের শিক্ষা ও গবেষণায় গৌরবময় ৩৫ বছর লালমনিরহাটকে ‘আলোকিত জেলা’ গড়তে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী দুলু কলা গাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা!

লালমনিরহাটে সংখ্যালঘু পরিবারের পৈতৃক জমি দখল ও লুটপাটের অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর দাবি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:38:52 pm, Sunday, 29 March 2026
  • 4 বার পড়া হয়েছে

 

চঞ্চল,

কোনো প্রকার আইনি নোটিশ কিংবা পুলিশের উপস্থিতি ছাড়াই পৈতৃক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ, হামলা ও নির্মাণসামগ্রী লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন লালমনিরহাটের এক সংখ্যালঘু পরিবার। শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে লালমনিরহাটের ‘গল্পকথা মৃধাবাড়ি’তে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী গোবিন্দ চন্দ্র সরকার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ তোলেন।

মৃত গঙ্গামোহন সরকারের পুত্র গোবিন্দ চন্দ্র সরকার লিখিত বক্তব্যে জানান, গত শুক্রবার বিকেলে সদর ইউএনও মনোনীতা দাস কোনো আগাম ঘোষণা ছাড়াই তাঁর মালিকানাধীন জমিতে প্রবেশ করেন। অভিযোগ করা হয়, ইউএনও’র সাথে মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন এবং স্থানীয় বিএনপি নেতা শুকুরউদ্দীনসহ প্রায় ৫০-৬০ জনের একটি দল ছিল। কোনো আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই সেখানে স্থাপনা ভাঙচুর এবং নির্মাণাধীন মার্কেটের প্রায় ১০ হাজার ইট, ১০০ বস্তা সিমেন্ট ও ২ লক্ষ টাকার রড লুটপাট করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

গোবিন্দ চন্দ্র সরকার দাবি করেন, এই জমি কোনো সরকারি খাস বা কলোনির জায়গা নয়। ১৯৪৩ সালে তাঁর পিতা প্রায় ১৭.৫ একর জমি ক্রয় করেন, যার মধ্যে ২ একর ১৭ শতাংশ জমি ১৯৬২ সালে তাঁর পিতার নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। এই জমির একটি অংশ তিনি ইতিমধ্যে স্থানীয় স্কুল ও মন্দিরে দান করেছেন এবং অবশিষ্ট বৈধ জমিতেই তিনি মার্কেট নির্মাণ করছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ১৯৪০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল বৈধ দলিল ও কাগজপত্র সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপনের জন্য তিনি প্রস্তুত আছেন বলে জানান।

অত্যন্ত আবেগপ্লুত হয়ে গোবিন্দ চন্দ্র সরকার বলেন, “আমি একজন আইন মান্যকারী নাগরিক। আমার যদি কোনো ত্রুটি থাকতো, তবে আমাকে কাগজপত্র দেখানোর সুযোগ দেওয়া কিংবা আইনি নোটিশ দেওয়া যেতো। কিন্তু ইউএনও মহোদয় কোনো পুলিশ ছাড়াই স্থানীয় একদল ব্যক্তিকে নিয়ে যেভাবে হামলা চালিয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও বেআইনি।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং ঘটনার ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহলে এই ঘটনাটি নিয়ে লালমনিরহাট জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে না তারাই তবে কিভাবে মন্ত্রণালয়কে মুক্ত করবো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন

লালমনিরহাটে সংখ্যালঘু পরিবারের পৈতৃক জমি দখল ও লুটপাটের অভিযোগ: সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর দাবি

আপডেট সময় : 02:38:52 pm, Sunday, 29 March 2026

 

চঞ্চল,

কোনো প্রকার আইনি নোটিশ কিংবা পুলিশের উপস্থিতি ছাড়াই পৈতৃক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ, হামলা ও নির্মাণসামগ্রী লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন লালমনিরহাটের এক সংখ্যালঘু পরিবার। শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে লালমনিরহাটের ‘গল্পকথা মৃধাবাড়ি’তে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী গোবিন্দ চন্দ্র সরকার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং স্থানীয় কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ তোলেন।

মৃত গঙ্গামোহন সরকারের পুত্র গোবিন্দ চন্দ্র সরকার লিখিত বক্তব্যে জানান, গত শুক্রবার বিকেলে সদর ইউএনও মনোনীতা দাস কোনো আগাম ঘোষণা ছাড়াই তাঁর মালিকানাধীন জমিতে প্রবেশ করেন। অভিযোগ করা হয়, ইউএনও’র সাথে মোগলহাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান দুলাল হোসেন এবং স্থানীয় বিএনপি নেতা শুকুরউদ্দীনসহ প্রায় ৫০-৬০ জনের একটি দল ছিল। কোনো আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই সেখানে স্থাপনা ভাঙচুর এবং নির্মাণাধীন মার্কেটের প্রায় ১০ হাজার ইট, ১০০ বস্তা সিমেন্ট ও ২ লক্ষ টাকার রড লুটপাট করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

গোবিন্দ চন্দ্র সরকার দাবি করেন, এই জমি কোনো সরকারি খাস বা কলোনির জায়গা নয়। ১৯৪৩ সালে তাঁর পিতা প্রায় ১৭.৫ একর জমি ক্রয় করেন, যার মধ্যে ২ একর ১৭ শতাংশ জমি ১৯৬২ সালে তাঁর পিতার নামে রেকর্ডভুক্ত হয়। এই জমির একটি অংশ তিনি ইতিমধ্যে স্থানীয় স্কুল ও মন্দিরে দান করেছেন এবং অবশিষ্ট বৈধ জমিতেই তিনি মার্কেট নির্মাণ করছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ১৯৪০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল বৈধ দলিল ও কাগজপত্র সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপনের জন্য তিনি প্রস্তুত আছেন বলে জানান।

অত্যন্ত আবেগপ্লুত হয়ে গোবিন্দ চন্দ্র সরকার বলেন, “আমি একজন আইন মান্যকারী নাগরিক। আমার যদি কোনো ত্রুটি থাকতো, তবে আমাকে কাগজপত্র দেখানোর সুযোগ দেওয়া কিংবা আইনি নোটিশ দেওয়া যেতো। কিন্তু ইউএনও মহোদয় কোনো পুলিশ ছাড়াই স্থানীয় একদল ব্যক্তিকে নিয়ে যেভাবে হামলা চালিয়েছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয় ও বেআইনি।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং ঘটনার ভিডিও ধারণে বাধা দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সচেতন মহলে এই ঘটনাটি নিয়ে লালমনিরহাট জেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।