Dhaka , Thursday, 26 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
দাওয়াত পাননি বীর প্রতীক আজিজুল হক: সাংস্কৃতিক কর্মীদের তীব্র ক্ষোভ ফতুল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় নারী গুরুতর আহত স্বাধীনতা দিবসে নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা মহান স্বাধীনতা দিবসে চট্টগ্রামে বীর শহীদদের প্রতি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের শ্রদ্ধা নিবেদন মধুপুরে ২৬মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত রাউজানের কদলপুর এলাকা হতে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ০১টি দেশীয় তৈরী রিভলবার ও ০২ রাউন্ড তাজা ১২ বোরের কার্তুজ উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম দীর্ঘ এক যুগ আগের তিন হত্যা মামলায় পাটগ্রাম পৌর জামায়াত আমীর গ্রেপ্তার: পাঠানো হলো কারাগারে মির্জাপুরে অগ্নিকান্ডে দুই পরিবারের বসতঘর মালামাল পুড়ে ছাই: ০৫ বান্ডেল ঢেউটিন বিতরণ রূপগঞ্জে যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত মৌলভীবাজারে ২৬ মার্চে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে: মেয়র ডা. শাহাদাত সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্ত। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হবে:- ডা. শাহাদাত হোসেন মধুপুরে যানজট নিরসনে রাস্তায় কাজ করছে ছাত্র দলের নেতৃবৃন্দ বাড়িতে গিয়ে জানলেন তিনি ২ সন্তানের জননী প্রেমিকের আত্মহত্যা পাইকগাছায় গণহত্যা দিবসে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি চমক হোটেলে মল ঢেলে তাণ্ডব ও ভাঙচুর: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচার না পেলে লালমনিরহাটে হোটেল ধর্মঘট নোয়াখালীতে শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়ল ২৪ দোকান কোম্পানীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৪ দোকান ইউনিয়নেই মিলবে প্রাথমিক চিকিৎসা, কমবে ভোগান্তি: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বর্জ্যের অব্যবস্থাপনায় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার নরসিংদীর ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে নয় মাস পর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু ফতুল্লায় টিনসেট বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, ৬ লাখ টাকার ক্ষতি ২৫ মার্চ গণহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কর্ণফুলীতে প্রেসক্লাবের আড়ালে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে স্বৈরাচারের দোসররা তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মূল্যায়িত হলে বিএনপি আরও শক্তিশালী হবে:- ডা. শাহাদাত হোসেন বাহুবলে আ.লীগ নেতার কারামুক্তির মিলাদে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সামছুল আলম বগুড়ার শাজাহানপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশি অভিযান, গ্রেপ্তার ৩ আসামী ৮৭ জন লাখো পর্যটকে টইটম্বুর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত রামগঞ্জে মাদক প্রতিরোধে মিনি ম্যারাথন ও ঈদ আনন্দ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

মৌমাছি চাষ দিনে দিনে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:07:54 pm, Saturday, 18 January 2025
  • 104 বার পড়া হয়েছে

মৌমাছি চাষ দিনে দিনে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে

অরবিন্দ রায়, স্টাফ রিপোর্টার

দেশে দিনে দিনে মৌমাছি চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। মৌমাছি চাষে খরচ কম- লাভ বেশি । মৌমাছি থেকে মধু সংগ্রহ করে অনেক মানুষের ভাগ্য বদলে গেছে । বাংলাদেশে বানিজ্যিক ভাবে মৌমাছি পালন করে মধু সংগ্রহ বেড়েছে। মৌমাছি থেকে  মধু সংগ্রহ করা  হাজার হাজার মানুষ  পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছে।  মৌমাছি পালন করতে আলাদা কোন জায়গার প্রয়োজন হয় না। সেই সাথে  মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্হার দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরন  হয়েছে।

দেশে মৌমাছি চাষ বৃদ্ধির  ফলে অধিক মধু উৎপাদনে মধ্য দিয়ে দেশে খাঁটি মধুর চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে । নিয়মিত বিশুদ্ধ মধু সেবনের মাধ্যমে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  মৌমাছি চাষের কারনে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরনের  পাশাপাশি  কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হযেছে। আধুনিক  প্রযুক্তি ব্যবহার করে মৌমাছি চাষ করে হাজার হাজার মানুষেমানুষের কর্মসংস্থানে ব্যবস্থা হয়েছে।  এক সময় মৌমাছি বনে- জঙ্গলে-গাছের ডাল- গাছের কোঠরে- মাটির দেওয়াল   সহ বিভিন্ন জায়গায় মৌচাক তৈরি করতো । বর্তমানে জ্ঞান-বিজ্ঞানে ফলে মৌমাছি পালন  সহজসাধ্য হয়েছে। কাঠের বাক্সে এখন মৌমাছি  পালন করা  হচ্ছে।

মির্জাপুরের রামপুর, গাজেশ্বরী এলাকায়  মৌমাছির পালন  করে স্বাবলম্বী হয়েছেন ঠান্ডু মিয়া।    মৌমাছি পালন করে সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করছেন। ঠান্ডু মিয়া বিশ বছর ধরে মৌমাছি পালন করে মধু সংগ্রহ করে যাচ্ছেন । সরিষা চাষের সময় মির্জাপুর এলাকায় বসবাস করেন। কালীজিরা চাষের সময় শরীয়তপুর এলাকায়, লিচুর সময় রাজশাহী, নাটোর ও গাজীপুরের একাংশ মৌমাছি নিয়ে মধু সংগ্রহের জন্য তিনি চলে যায়। ঠান্ডু মিয়ার বর্তমানে ১২০ টি বক্স আছে। ঠান্ডু মিয়ার সাথে ৫/৬ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্হা করেছে। ঠান্ডু মিয়া জানান, এক স্হান থেকে অন্য স্হানে বক্সে করে মৌমাছি নিয়ে  যাবার সময় পুলিশের হয়রানি স্বীকার হতে হয়।
মির্জাপুরের গাজেশ্বরী মৌমাছি পালনকারী  জালাল মিয়া, তরফপুর গ্রামে মৌমাছি পালন কারী রাকিব হোসেন মৌমাছি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। অনেক সময় সরিষা চাষির মনে করেন মৌমাছি সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহ করলে তাদের উৎপাদন কম হবে। পরাগায়নের কারনে ফসলের উৎপাদন বাড়ে। কৃষকেরা এ সব তথ্য না জানার ফলে অনেক কৃষক সরিষা ক্ষেতের কাছে মৌমাছির বক্স বসাতে আপওি করেন।

দেশে মৌমাছি চাষ বৃদ্ধির  ফলে অধিক মধু উৎপাদনের  মধ্য দিয়ে দেশে খাঁটি মধুর চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে । নিয়মিত বিশুদ্ধ মধু সেবনের মাধ্যমে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  মৌমাছি চাষের কারনে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরনের  পাশাপাশি  কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হযেছে। আধুনিক  প্রযুক্তি ব্যবহার করে মৌমাছি চাষ করে হাজার হাজার  মানুষের কর্মসংস্থানে ব্যবস্থা হয়েছে।  এক সময় মৌমাছি বনে, জঙ্গলে, গাছের ডাল,  গাছের কোঠরে, মাটির দেওয়াল   সহ বিভিন্ন জায়গায় মৌচাক তৈরি করত । বর্তমানে জ্ঞান-বিজ্ঞানে ফলে মৌমাছি চাষ সহজসাধ্য হয়েছে। কাঠের বাক্সে এখন মৌমাছি  পালন করা  হচ্ছে।
ড. চিওরঞ্জন রায়  জানান, মৌমাছি চাষীদের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশিক্ষনের ব্যবস্হা করা, মৌমাছির উন্নত জাত সরবরাহ করা,  ঋণের ব্যবস্হা করা, মধুর বাজারজাত করনের ব্যবস্হা করে বেকার সমস্যার সমাধান ও কর্মসংস্থানে সৃষ্টি হবে। মৌমাছি চাষ করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক  সম্ভাবনার ক্ষেএ তৈরি হতে পারে।

সাংবাদিক উৎপল রক্ষিত জানান, মৌমাছি চাষ করলে পুজি কম লাগে, লাভ বেশি হয়। মধুর চাহিদা বৃদ্ধির ফলে দেশে মৌমাছি পালন বৃদ্ধি পেয়েছে।
অল্প বিনিয়োগে ও ফসল ক্ষেতে  মৌমাছি চাষ করে অনেক মানুষ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছে।  অল্প খরচে মধু উৎপাদন করে বেশি দামে মধু  বিক্রি করা যায়। মধু বিভিন্ন ওষুধ তৈরিতেও ব্যবহার করা হয়।   মৌমাছি চাষ করে দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি  সম্ভব।  পরিকল্পিতভাবে মৌমাছির চাষ  করে অনেকে মানুষ লাভবান  হচ্ছে। এতে অর্থনীতির গুরুত্ব বৃদ্ধি পাশাপাশি  বেকার সমস্যা সমাধান ও  কর্মসংস্হান সৃষ্টির সুযোগ হয়েছে। মৌমাছির চাষ নতুন অর্থনৈতিক  খাত হিসেবে গণ্য হচ্ছে।  বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি সম্ভাবনার  ক্ষেত্র হিসেবে মৌমাছি চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের  অনেক বেকার যুবক মৌমাছি  চাষ করে নিজের কর্মসংস্থানের  সৃষ্টি করছে। 
দেশের মানুষের খাঁটি মধু  খেতে পারছেন। বাজারে যে সব মধু  বিক্রি হয় সেখানে প্রায় ভেজাল ও চিনি মিশ্রিত মধু বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশে ভারতীয় জাতের মৌমাছি ও অ্যাপিল মেলিফেরা প্রজাতির মৌমাছি বেশি পালন করা হয়। বংশ বৃদ্ধিকালে বাচ্চা ঘরে নতুন ফ্রেম দিতে হবে। ক্রুটিপুর্ন রাণী  মৌমাছি সরিয়ে নতুন রাণী মৌমাছি সংযোজন করতে হবে। মৌমাছির সংখ্য বেশি হলে বাক্সের সংখ্যা বাড়াতে হবে।

শীতকালে সরিষা ফুল ফুটে। ফলে শীতকালে বেশী মধু উৎপাদন হয়। শীতকালে বাক্সের উপর পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা প্রয়োজন।
বর্তমানে মৌমাছি চাষ বেশ লাভ জনক।  অল্প সময়ে দ্রুত আয় করতে মৌমাছি চাষ ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে মৌমাছি পালন করে মধু সংগ্রহ করে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভর।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দাওয়াত পাননি বীর প্রতীক আজিজুল হক: সাংস্কৃতিক কর্মীদের তীব্র ক্ষোভ

মৌমাছি চাষ দিনে দিনে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে

আপডেট সময় : 05:07:54 pm, Saturday, 18 January 2025

অরবিন্দ রায়, স্টাফ রিপোর্টার

দেশে দিনে দিনে মৌমাছি চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। মৌমাছি চাষে খরচ কম- লাভ বেশি । মৌমাছি থেকে মধু সংগ্রহ করে অনেক মানুষের ভাগ্য বদলে গেছে । বাংলাদেশে বানিজ্যিক ভাবে মৌমাছি পালন করে মধু সংগ্রহ বেড়েছে। মৌমাছি থেকে  মধু সংগ্রহ করা  হাজার হাজার মানুষ  পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছে।  মৌমাছি পালন করতে আলাদা কোন জায়গার প্রয়োজন হয় না। সেই সাথে  মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্হার দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরন  হয়েছে।

দেশে মৌমাছি চাষ বৃদ্ধির  ফলে অধিক মধু উৎপাদনে মধ্য দিয়ে দেশে খাঁটি মধুর চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে । নিয়মিত বিশুদ্ধ মধু সেবনের মাধ্যমে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  মৌমাছি চাষের কারনে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরনের  পাশাপাশি  কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হযেছে। আধুনিক  প্রযুক্তি ব্যবহার করে মৌমাছি চাষ করে হাজার হাজার মানুষেমানুষের কর্মসংস্থানে ব্যবস্থা হয়েছে।  এক সময় মৌমাছি বনে- জঙ্গলে-গাছের ডাল- গাছের কোঠরে- মাটির দেওয়াল   সহ বিভিন্ন জায়গায় মৌচাক তৈরি করতো । বর্তমানে জ্ঞান-বিজ্ঞানে ফলে মৌমাছি পালন  সহজসাধ্য হয়েছে। কাঠের বাক্সে এখন মৌমাছি  পালন করা  হচ্ছে।

মির্জাপুরের রামপুর, গাজেশ্বরী এলাকায়  মৌমাছির পালন  করে স্বাবলম্বী হয়েছেন ঠান্ডু মিয়া।    মৌমাছি পালন করে সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করছেন। ঠান্ডু মিয়া বিশ বছর ধরে মৌমাছি পালন করে মধু সংগ্রহ করে যাচ্ছেন । সরিষা চাষের সময় মির্জাপুর এলাকায় বসবাস করেন। কালীজিরা চাষের সময় শরীয়তপুর এলাকায়, লিচুর সময় রাজশাহী, নাটোর ও গাজীপুরের একাংশ মৌমাছি নিয়ে মধু সংগ্রহের জন্য তিনি চলে যায়। ঠান্ডু মিয়ার বর্তমানে ১২০ টি বক্স আছে। ঠান্ডু মিয়ার সাথে ৫/৬ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্হা করেছে। ঠান্ডু মিয়া জানান, এক স্হান থেকে অন্য স্হানে বক্সে করে মৌমাছি নিয়ে  যাবার সময় পুলিশের হয়রানি স্বীকার হতে হয়।
মির্জাপুরের গাজেশ্বরী মৌমাছি পালনকারী  জালাল মিয়া, তরফপুর গ্রামে মৌমাছি পালন কারী রাকিব হোসেন মৌমাছি চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। অনেক সময় সরিষা চাষির মনে করেন মৌমাছি সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহ করলে তাদের উৎপাদন কম হবে। পরাগায়নের কারনে ফসলের উৎপাদন বাড়ে। কৃষকেরা এ সব তথ্য না জানার ফলে অনেক কৃষক সরিষা ক্ষেতের কাছে মৌমাছির বক্স বসাতে আপওি করেন।

দেশে মৌমাছি চাষ বৃদ্ধির  ফলে অধিক মধু উৎপাদনের  মধ্য দিয়ে দেশে খাঁটি মধুর চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে । নিয়মিত বিশুদ্ধ মধু সেবনের মাধ্যমে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।  মৌমাছি চাষের কারনে মানুষের পুষ্টির চাহিদা পূরনের  পাশাপাশি  কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হযেছে। আধুনিক  প্রযুক্তি ব্যবহার করে মৌমাছি চাষ করে হাজার হাজার  মানুষের কর্মসংস্থানে ব্যবস্থা হয়েছে।  এক সময় মৌমাছি বনে, জঙ্গলে, গাছের ডাল,  গাছের কোঠরে, মাটির দেওয়াল   সহ বিভিন্ন জায়গায় মৌচাক তৈরি করত । বর্তমানে জ্ঞান-বিজ্ঞানে ফলে মৌমাছি চাষ সহজসাধ্য হয়েছে। কাঠের বাক্সে এখন মৌমাছি  পালন করা  হচ্ছে।
ড. চিওরঞ্জন রায়  জানান, মৌমাছি চাষীদের আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রশিক্ষনের ব্যবস্হা করা, মৌমাছির উন্নত জাত সরবরাহ করা,  ঋণের ব্যবস্হা করা, মধুর বাজারজাত করনের ব্যবস্হা করে বেকার সমস্যার সমাধান ও কর্মসংস্থানে সৃষ্টি হবে। মৌমাছি চাষ করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক  সম্ভাবনার ক্ষেএ তৈরি হতে পারে।

সাংবাদিক উৎপল রক্ষিত জানান, মৌমাছি চাষ করলে পুজি কম লাগে, লাভ বেশি হয়। মধুর চাহিদা বৃদ্ধির ফলে দেশে মৌমাছি পালন বৃদ্ধি পেয়েছে।
অল্প বিনিয়োগে ও ফসল ক্ষেতে  মৌমাছি চাষ করে অনেক মানুষ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হয়েছে।  অল্প খরচে মধু উৎপাদন করে বেশি দামে মধু  বিক্রি করা যায়। মধু বিভিন্ন ওষুধ তৈরিতেও ব্যবহার করা হয়।   মৌমাছি চাষ করে দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি  সম্ভব।  পরিকল্পিতভাবে মৌমাছির চাষ  করে অনেকে মানুষ লাভবান  হচ্ছে। এতে অর্থনীতির গুরুত্ব বৃদ্ধি পাশাপাশি  বেকার সমস্যা সমাধান ও  কর্মসংস্হান সৃষ্টির সুযোগ হয়েছে। মৌমাছির চাষ নতুন অর্থনৈতিক  খাত হিসেবে গণ্য হচ্ছে।  বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি সম্ভাবনার  ক্ষেত্র হিসেবে মৌমাছি চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের  অনেক বেকার যুবক মৌমাছি  চাষ করে নিজের কর্মসংস্থানের  সৃষ্টি করছে। 
দেশের মানুষের খাঁটি মধু  খেতে পারছেন। বাজারে যে সব মধু  বিক্রি হয় সেখানে প্রায় ভেজাল ও চিনি মিশ্রিত মধু বিক্রির অভিযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশে ভারতীয় জাতের মৌমাছি ও অ্যাপিল মেলিফেরা প্রজাতির মৌমাছি বেশি পালন করা হয়। বংশ বৃদ্ধিকালে বাচ্চা ঘরে নতুন ফ্রেম দিতে হবে। ক্রুটিপুর্ন রাণী  মৌমাছি সরিয়ে নতুন রাণী মৌমাছি সংযোজন করতে হবে। মৌমাছির সংখ্য বেশি হলে বাক্সের সংখ্যা বাড়াতে হবে।

শীতকালে সরিষা ফুল ফুটে। ফলে শীতকালে বেশী মধু উৎপাদন হয়। শীতকালে বাক্সের উপর পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা প্রয়োজন।
বর্তমানে মৌমাছি চাষ বেশ লাভ জনক।  অল্প সময়ে দ্রুত আয় করতে মৌমাছি চাষ ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে মৌমাছি পালন করে মধু সংগ্রহ করে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভর।