Dhaka , Saturday, 18 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মধুপুটে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড বিতরণের শুভ উদ্বোধন মিষ্টির দোকানে অনিয়ম ও ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন: রায়পুরে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা। শ্রীপুরে ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের অভিযোগ, ভিডিও করায় সাংবাদিককে মারধর করা পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার পাইকগাছায় নারীদের মাঝে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ পাইকগাছায় নতুন মৎস্য আড়ৎ উদ্বোধন; কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত পাঁচলাইশ চসিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে ডা. শাহাদাত হোসেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পাহাড়ে ভূমিদস্যুদের থাবা, নির্বিকার কর্তৃপক্ষ, লড়ছে পরিবেশ অধিদপ্তর আড়াইহাজারে শিক্ষকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ জাতীয় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন সফল করতে পাঁচবিবিতে সমন্বয় সভা ৩ লক্ষ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দিবে চসিক:- মেয়র ডা. শাহাদাত মখলেছুর রহমান চৌধুরী- আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত চরভদ্রাসনে ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন : ইউএনও’র পরিদর্শন। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের অনাগ্রহ, বেড়েছে অনুপস্থিতি রামগঞ্জে ১৬১ প্রাথমিকবিদ্যালয়ের ৯২ টিতেই প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য  নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আপেল, সম্পাদক বাবু বসত বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হলো ১২শত লিটার পেট্রোল, গ্রেপ্তার-৩ হযরত খাজা গরীব উল্লাহ শাহ্ (রঃ) মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন “স্মার্ট, পরিচ্ছন্ন ও শিক্ষাবান্ধব চট্টগ্রাম গড়তে কাজ করছি”: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন কাউখালীতে খাল পুর্ন-খনন কাজের উদ্বোধন করলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন এমপি মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’:- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম কর্তৃক প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এর কেন্দ্র পরিদর্শন জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় বর্ষার আগে বিশেষ পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম শুরু করছে চসিক দুর্গাপুর সংবর্ধিত হলেন কণ্ঠশিল্পী মিজানুর রহমান কাঞ্চন লালমনিরহাটে দুই উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা; প্রধান অতিথি মমিনুল হক নিরাপত্তা বলয়ে পাইকগাছায় বৃত্তি পরীক্ষা শুরু; ইউএনও’র কেন্দ্র পরিদর্শন উচ্চশিক্ষার পথে বাধা দূর করল জেলা প্রশাসন: ঢাবি-জবিতে ভর্তির সুযোগ পেল ৬ অসচ্ছল মেধাবী বিগত ১৭ বছরে কিছু লোক এসেছিল তারা খেলার নামে রং তামাশা করেছে: মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু ভাড়া বাসায় মদের কারবার,বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার-১ নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় পেছাল

জগন্নাথপুরে সেই ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙনের বাঁধ আবারো ধসে গেল

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:44:43 pm, Monday, 21 March 2022
  • 234 বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুরে সেই ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙনের বাঁধ আবারো ধসে গেল

 

 

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধের সেই আলোচিত ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙনের অংশ আবারো ধসে গেছে। এ নিয়ে পরপর ৩ বার ধসে যাওয়ার ঘটনায় পিআইসি ও শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। বাঁধ রক্ষায় দেয়া হয়েছে অতিরিক্ত বরাদ্দ। তবুও শঙ্কা পিছু ছাড়ছে না। চলছে দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও শিরণি বিতরণ।
জানাগেছে, জগন্নাথপুর উপজেলার মইয়ার হাওরের মধ্য স্থানে কলইকাটা নামক স্থানে পাশাপাশি দুইটি গভীর খাদ (স্থানীয় ভাষায় ডহর) রয়েছে। এসব ডহরে কমপক্ষে ৪০ থেকে ৬০ ফুট পানি আছে বলে স্থানীয় মৎস্য শিকারিরা জানান। এ দুই ডহরের মধ্যস্থান দিয়ে এবার বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ চলছে।
নলুয়ার হাওর পোল্ডার-১ এলাকার অন্তর্ভূক্ত ১৬ ও ১৭ নং দুইটি পিআইসি কমিটির মাধ্যমে গত ১০ জানুয়ারি থেকে মাটি ভরাট কাজ শুরু হয়। মাত্র ২৫০ ফুট ভাঙনে বাঁধ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৩২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।
দীর্ঘ প্রায় আড়াই মাস ধরে দিনরাত কাজ করেও এখন পর্যন্ত এ ভাঙ্গনের কাজ শেষ করা যাচ্ছে না। বারবার ধসে যাওয়ায় রীতিমতো বেকায়কায় পড়ে যান সংশ্লিষ্টরা। এখানে আদৌ বাঁধ ঠিকবে কি না এ নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা। এখানে বাঁধ না থাকলে পুরো নলুয়ার হাওর ও মইয়ার হাওর থাকবে অরক্ষিত। কাটা নদীতে পানি আসলেই ঢুকে পড়বে হাওরে। এমন অভিমত স্থানীয় কৃষকদের।
২১ মার্চ সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙনের একাংশ গাছের বল্লি ও বাঁশের আড় নিয়ে ধসে পড়েছে গভীর ডহরে। ভাঙন এলাকায় চলছে শিরণি বিতরণের প্রস্তুতি। শিরণি বিতরণের পর পুনরায় কাজ শুরু হবে বলে ১৭ নং পিআইসি কমিটির সভাপতি সাজিদুর রহমান খলিল জানান। তিনি বলেন, এই ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙনে বাঁধ নির্মাণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর আগে বাঁশের আড় ও বেড়া নিয়ে পরপর ২ বার মাটি ধসে গেছে। পরে গাছের বল্লি বসিয়ে দুই দিক থেকে ৩ সুতা রড দিয়ে টানা দিয়ে আড় বানানো হয়। এ আড়ের ভেতরে বাঁশের আড় ও বাঁশের বেড়া দেয়া হয়। ফেলা হয় মাটি ভর্তি প্রায় ৭ হাজার বস্তা। এর পর মাটি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এতে আমাদের মাটি কাটার কাজ প্রায় শেষ হয়ে যায়।
এর মধ্যে গত ১৯ মার্চ শনিবার দুপুর ও সন্ধ্যায় দুই দফায় সব কিছু নিয়ে আবারো বাঁধ ধসে পড়েছে। তৃতীয় বার ধসে পড়ার ঘটনায় আমি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছি। বাঁধ ধসে পড়ার চিত্র দেখে শ্রমিকরা আর কাজ করতে চাইছে না। তারা রীতিমতো ভয় পেয়ে গেছে। যে কারণে আবার কাজ শুরুর আগে দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও শিরণি বিতরণের আয়োজন করেছি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এবার যদি বাঁধ ঠিকে, তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই কাজ শেষ হয়ে যাবে।
এ সময় হাওরে থাকা অন্যান্য কৃষক ও গরু রাখাল সহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি আফসোস প্রকাশ করে বলেন, এসব বড় বড় ডহরের মাঝখান দিয়ে না নিয়ে ডহর ঘুরিয়ে বাঁধ দিলে হয়তো এ সমস্যা হতো না।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জগন্নাথপুর উপজেলা উপ-সহকারি প্রকৌশলী (এসও) হাসান গাজী জানান, বাঁধ ধসে পড়ার খবর পেয়ে আমাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করেছেন। এখানে আবারো মাটি ভরাট কাজ চলছে। এতে ভয়ের কোন কারণ নেই। আশা করছি, কয়েক দিনের মধ্যেই কাজ শেষ হয়ে যাবে। #

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুপুটে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড বিতরণের শুভ উদ্বোধন

জগন্নাথপুরে সেই ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙনের বাঁধ আবারো ধসে গেল

আপডেট সময় : 07:44:43 pm, Monday, 21 March 2022

 

 

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে হাওরের ফসল রক্ষা বেড়িবাঁধের সেই আলোচিত ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙনের অংশ আবারো ধসে গেছে। এ নিয়ে পরপর ৩ বার ধসে যাওয়ার ঘটনায় পিআইসি ও শ্রমিকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। বাঁধ রক্ষায় দেয়া হয়েছে অতিরিক্ত বরাদ্দ। তবুও শঙ্কা পিছু ছাড়ছে না। চলছে দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও শিরণি বিতরণ।
জানাগেছে, জগন্নাথপুর উপজেলার মইয়ার হাওরের মধ্য স্থানে কলইকাটা নামক স্থানে পাশাপাশি দুইটি গভীর খাদ (স্থানীয় ভাষায় ডহর) রয়েছে। এসব ডহরে কমপক্ষে ৪০ থেকে ৬০ ফুট পানি আছে বলে স্থানীয় মৎস্য শিকারিরা জানান। এ দুই ডহরের মধ্যস্থান দিয়ে এবার বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ চলছে।
নলুয়ার হাওর পোল্ডার-১ এলাকার অন্তর্ভূক্ত ১৬ ও ১৭ নং দুইটি পিআইসি কমিটির মাধ্যমে গত ১০ জানুয়ারি থেকে মাটি ভরাট কাজ শুরু হয়। মাত্র ২৫০ ফুট ভাঙনে বাঁধ নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৩২ লাখ ৪৮ হাজার টাকা।
দীর্ঘ প্রায় আড়াই মাস ধরে দিনরাত কাজ করেও এখন পর্যন্ত এ ভাঙ্গনের কাজ শেষ করা যাচ্ছে না। বারবার ধসে যাওয়ায় রীতিমতো বেকায়কায় পড়ে যান সংশ্লিষ্টরা। এখানে আদৌ বাঁধ ঠিকবে কি না এ নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকরা। এখানে বাঁধ না থাকলে পুরো নলুয়ার হাওর ও মইয়ার হাওর থাকবে অরক্ষিত। কাটা নদীতে পানি আসলেই ঢুকে পড়বে হাওরে। এমন অভিমত স্থানীয় কৃষকদের।
২১ মার্চ সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙনের একাংশ গাছের বল্লি ও বাঁশের আড় নিয়ে ধসে পড়েছে গভীর ডহরে। ভাঙন এলাকায় চলছে শিরণি বিতরণের প্রস্তুতি। শিরণি বিতরণের পর পুনরায় কাজ শুরু হবে বলে ১৭ নং পিআইসি কমিটির সভাপতি সাজিদুর রহমান খলিল জানান। তিনি বলেন, এই ঝুঁকিপূর্ণ ভাঙনে বাঁধ নির্মাণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর আগে বাঁশের আড় ও বেড়া নিয়ে পরপর ২ বার মাটি ধসে গেছে। পরে গাছের বল্লি বসিয়ে দুই দিক থেকে ৩ সুতা রড দিয়ে টানা দিয়ে আড় বানানো হয়। এ আড়ের ভেতরে বাঁশের আড় ও বাঁশের বেড়া দেয়া হয়। ফেলা হয় মাটি ভর্তি প্রায় ৭ হাজার বস্তা। এর পর মাটি ভরাট করে বাঁধ নির্মাণ করা হয়। এতে আমাদের মাটি কাটার কাজ প্রায় শেষ হয়ে যায়।
এর মধ্যে গত ১৯ মার্চ শনিবার দুপুর ও সন্ধ্যায় দুই দফায় সব কিছু নিয়ে আবারো বাঁধ ধসে পড়েছে। তৃতীয় বার ধসে পড়ার ঘটনায় আমি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছি। বাঁধ ধসে পড়ার চিত্র দেখে শ্রমিকরা আর কাজ করতে চাইছে না। তারা রীতিমতো ভয় পেয়ে গেছে। যে কারণে আবার কাজ শুরুর আগে দোয়া, মিলাদ মাহফিল ও শিরণি বিতরণের আয়োজন করেছি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এবার যদি বাঁধ ঠিকে, তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই কাজ শেষ হয়ে যাবে।
এ সময় হাওরে থাকা অন্যান্য কৃষক ও গরু রাখাল সহ বেশ কয়েকজন ব্যক্তি আফসোস প্রকাশ করে বলেন, এসব বড় বড় ডহরের মাঝখান দিয়ে না নিয়ে ডহর ঘুরিয়ে বাঁধ দিলে হয়তো এ সমস্যা হতো না।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জগন্নাথপুর উপজেলা উপ-সহকারি প্রকৌশলী (এসও) হাসান গাজী জানান, বাঁধ ধসে পড়ার খবর পেয়ে আমাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পরিদর্শন করেছেন। এখানে আবারো মাটি ভরাট কাজ চলছে। এতে ভয়ের কোন কারণ নেই। আশা করছি, কয়েক দিনের মধ্যেই কাজ শেষ হয়ে যাবে। #