
মোঃনেয়াজুর রহমান নয়ন চন্দনাইশ প্রতিনিধি:
চন্দনাইশে টাকা না পেয়ে নিজের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নাম মুক্তা আক্তার (২৬)। বেধম মারধরের পর ওষুধ খাইয়ে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ ভিকটিম মুক্তার পরিবারের।
গত ৩১ শে আগষ্ট ( রবিবার) রাতে উপজেলার সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড পলিয়ার পাড়ার নদ্দিয়ার বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ওইদিন রাত ১১টার দিকে ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ।
ঘটনার পরপর নিহতের স্বামী মোঃপারভেজ (৩৬) ও শাশুড়ি জাহানারা খাতুন (৫৪) পলাতক রয়েছে।
নিহত গৃহবধূ মুক্তা আক্তার উপজেলার হাশিমপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ হাশিমপুর গ্রামের ভান্ডারী পাড়ার নাছির উদ্দিনের কন্যা। বিগত ৬ বছর পূর্বে সামাজিকভাবে মুক্তা ও পারভেজের বিয়ে হয়।
নিহত মুক্তা আক্তারের চাচাতো ভাই সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ২০১৯ সালে আমার চাচাতো বোনের সাথে প্রবাসী মো. পারভেজের পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। বিয়ের কয়েক মাস পর তার স্বামী মধ্যপ্রাচ্যের ওমান চলে যায়। ইতিমধ্যে তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। স্থানীয়দের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায় শুশুর বাড়ির লোকজন গৃহবধূকে বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন চালিয়ে আসতেছে। ঘটনার দিন গৃহবধূকে অমানবিক নির্যাতনের পর হত্যা করে স্বামী ও শাশুড়ী পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় স্বামী ও শাশুড়ীর শাস্তির দাবি জানাই

























