
চঞ্চল,
চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে যারা ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন, তাদের দেখতে ছুটে গিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালে পৌঁছে তিনি দগ্ধদের শয্যাপাশে বেশ কিছু সময় কাটান এবং তাদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে ব্রিফিংয়ের সময় ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, “গ্যাস লিকেজ থেকে সারাবছরই কোথাও না কোথাও দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামের হালিশহরে গতকাল একটি মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। আমরা এই ধরনের দুর্ঘটনাকে কমিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে চাই। এ লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়—এই তিনটি মন্ত্রণালয় একসঙ্গে বসে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব কীভাবে টেকনিক্যাল বিষয়গুলো সমাধান করে এই দুর্ঘটনাকে কমিয়ে আনা যায়।”
মন্ত্রী সাংবাদিকদের আরও জানান, “এই ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক, কারণ এতে শিশু ও নারীরা মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন। আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সব ধরনের সাপোর্ট দেওয়া হবে। আমি চিকিৎসকদের সাথে কথা বলেছি, দগ্ধদের সর্বোচ্চ সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।”
এ সময় উপস্থিত স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, দগ্ধদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের আইসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। বার্ন ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দীন জানান, রোগীদের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধ ও জনবলের কোনো সংকট নেই এবং সরকারের উচ্চপর্যায়ের এই তদারকি চিকিৎসকদের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে।
ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু পুনরায় আশ্বস্ত করেন যে, এই মর্মান্তিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সাপোর্ট বা সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
























