Dhaka , Sunday, 28 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক সংস্কারহীন; চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী চন্দনাইশ প্রবাসী সমিতি-দাম্মাম এর সহযোগিতায় বরকল এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান কিশোর বয়সে প্রেমের বিয়ে, ৮ মাস পর রহস্যজনক মৃত্যু অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আশেকানে গাউছিয়া সুলতানপুরী পরিষদ রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িঘরে হামলা, ভাংচুর লুটপাট ও জমি দখলের চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন মধুপুরে পরিত্যক্ত গর্ত থেকে ছাগল তুলতে গিয়ে বাবা-ছেলে – মামা সহ প্রাণ গেল ৪ জনের রায়পুরে বর্ণমালা একাডেমীতে ফল উৎসব ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি। তারুণ্যের মেধা ও প্রযুক্তির শক্তিতেই গড়ে উঠবে সুখী-সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ: ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কঠিন সময়ে সতীর্থকে পাশে পাচ্ছেন রোনালদো ইরানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যা করছে, তা ‘বিশ্বকাপের ইতিহাসে কালো অধ্যায়’ মোহাম্মদপুরের অপরাধীদের নির্মূল করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে খুশি করতে মিথ্যা সংবাদ লেখার প্রয়োজন নেই: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ব্রাজিলের ‘হেক্সা’ স্বপ্নের নিউক্লিয়াস বদলে যাওয়া ভিনি নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির অভিযানে ৩ কোটি টাকার বেশি মূল্যের ইয়াবা উদ্ধার সরাইলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষিই উন্নয়নের চাবিকাঠি: ড. মঈন খান সাতকানিয়ার আমিলাইশে রাতের অন্ধকারে বাড়িতে আগুন নন্দিনী হত্যার বিচার হবে দ্রুততম সময়ে, ফলিমারীতে নিহতের পরিবারকে সান্ত্বনা ও আর্থিক সহায়তা দিয়ে ত্রাণমন্ত্রী দুলুর ঘোষণা ক্যাবের চরভদ্রাসন উপজেলা শাখার পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। মির্জাপুরের গোড়াই শিল্পাঞ্চলে বিশেষ অভিযান বিপুল পরিমাণ অবৈধ তিতাস গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন মধুপুরে কারিতাসের দিনব্যাপী কৃষি ও খাদ্য মেলা অনুষ্ঠিত মধুপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ মধুপুরে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ মধুপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা জেল, জরিমানা ঘাটাইলে ব্র্যাকের বিশেষ প্রশিক্ষণ শেষে হাঁসের বাচ্চা বিতরণ রূপগঞ্জের অপহৃত ব্যবসায়ী ১৫ দিনেও উদ্ধার হয়নি রূপগঞ্জ বালু নদের কায়েতপাড়া-নগরপাড়া সেতু আগামী এক বছরের মধ্যে চালু করা হবে – প্রতিমন্ত্রী নারী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র ঐতিহ্যবাহী সহিতুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় রূপগঞ্জে মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মা সমাবেশ রূপগঞ্জে অপহৃত ব্যবসায়ী উদ্ধারের দাবিতে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন খুনিয়াপালংয়ের ছাদিরকাঠার সড়ক বর্ষায় চলাচলের অনুপযোগী, দুর্ভোগে পথচারীরা

কক্সবাজার সদর থানায় ওসি প্রত্যাহার –  গায়েবি মামলার নথি গায়েব!

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:57:48 pm, Wednesday, 27 November 2024
  • 206 বার পড়া হয়েছে

 

শওকত আলম , কক্সবাজার।।

কক্সবাজার সদর মডেল থানা থেকে সদ্য প্রত্যাহার হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজুল আজিম নোমানের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা রেকর্ড করে এজাহারে বাদীকে স্বাক্ষর করানো এবং গায়েবি মামলার নথি দীর্ঘদিন গায়েব করার অভিযোগ উঠেছে।

মামলা নিয়ে বাণিজ্য, গ্রেফতার বাণিজ্য সহ বিভিন্ন অভিযোগে একমাস ২৮ দিনের মাথায় কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গত ১৭ নভেম্বর তাকে প্রত্যাহারের আদেশ দিয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আহসান হাবিব পলাশ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কক্সবাজার সদর মডেল থানা ওসি ফয়জুল আজিমকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হলো। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ।
গায়েবী মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৩১ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় শৈবাল হোটেলের সামনে অর্ন্তঘাতমুলক কর্মকান্ড সৃষ্টি করে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাইয়া ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা জ্বালিয়ে দিয়ে জনমনে ভীতি সঞ্চার সৃষ্টি করে সরকারী সম্পদ নষ্ট করার অপরাধে
বিশেষ ক্ষমতা আইনে গত ৫ নভেম্বর কক্সবাজার সদর মডেল থানার মামলা নং ১৩, জিআর-৭১২ মামলাটি রেকর্ড করা হয়।
এই মামলায় প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিআইপি, রাজনৈতিক নেতা, পিপি, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে আসামী করা হয়।এজাহারে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৫০-৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে দেখানো হয়েছে।
সদর মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ফয়জুল আজওম নোমান দায়িত্বে থাকাকালিন এই মামলার নথি কিছুদিন গোপন করে রেখেছিলেন ওসি। পরে তাকে সদর মডেল থানা থেকে প্রত্যাহার করার পর নথিটি প্রকাশ্যে আসে।
মামলার নথি অনুসারে ওই ৫ই নভেম্বর রাত ১২টা ৫ মিনিটে মামলাটি সদর থানায় রেকর্ড করা হয়। তবে এজাহার জমা দেওয়া হয়েছিল দিনের বেলায়। দ্রুত এজাহার প্রস্তুত করে থানার মামলা নং-১০, জিআর-৭১২ নম্বর মামলা হিসেবে রেকর্ড করেন ওসি নোমান।
বাদী হিসেবে দেখানো হয়েছে কক্সবাজার পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ড বাহারছড়ার বাসিন্দা মো. নুরুল আমিনের ছেলে ওমর ফারুক নামের একজনকে। যিনি ২৪ আগষ্ট থানায় রেকর্ড হওয়া (কক্সবাজার থানার মামলা নং- ৩২, জিআর- ৫৩৩/২৪) নিয়মিত মামলার পলাতক ২নং আসামী।
থানায় ৫ই নভেম্বর রেকর্ড হওয়া
বিশেষ ক্ষমতা ও বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় আসামী করা হয় গত ৫ই আগষ্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে পলাতক ও আত্মগোপনে থাকা জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা, প্রবীণ নেতাদের। এছাড়াও আসামী করা হয় বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের।
এদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য আসামীরা
হলেন, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও আওয়ামীলীগের প্রবীন নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিআইপি। এছাড়াও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্র লীগ, কৃষক লীগ, ২ জন সাংবাদিক, ২ জন সাবেক পিপি, প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা ও ব্যবসায়ী রয়েছে আসামী।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সুত্রে জানাগেছে, ওই দিন ৩১ অক্টোবর এই ধরনে কোন মিছিল ও ঘটনা ঘটেনি, কোন সংবাদ মাধ্যমে প্রচার হয়নি, কোন গোয়েন্দা সংস্থাও অবগত নয় এবং কোন স্বাক্ষ্য প্রমানও নাই। অথচ ৫ আগস্টের পর থেকে এজাহারের উল্লেখিত আসামীগণ দেশে ও বিদেশে আত্মগোপনে রয়েছে বলে জানা যায়।
ওসি ফয়জুল আজিম নোমান কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মামলা বানিজ্য, গ্রেফতার বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অভিযোগ তার বিরুদ্ধে উত্থাপন হয়ে আসছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ তাকে কক্সবাজার সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করেন।
ভুক্তভোগিরা অভিযোগ করছেন, মামলা বানিজ্য করার জন্য জনৈক ওমর ফারুককে বাদী সাজিয়ে তড়িগড়ি করে এই গায়েবী মামলাটি রেকর্ড করেন। যদি এই মালার বাদী একজন নিয়মিত মামলার পলাতক আসামী।
ভুক্তভোগিরা জানান, একদিকে স্বরাস্ট্র উপদেষ্ঠা মিথ্যা ও গায়েবী মামলা করার জন্য অফিসিয়ালি নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন, অন্য দিকে ওসি নোমানের মত পুলিশ কর্মকর্তা মিথ্যা গায়েবী মামলা রুজু করে মামলা বানিজ্য ও নিরীহ মানুষকে হয়রানি করে যাচ্ছেন । তাই তারা এই মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক ওসি নোমানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এম জামাল উদদীন চৌধুরী বলেন, মামলা তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তের পর আসল রহস্য বুঝা যাবে।
এব্যাপারে নবাগত কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইলিয়াস খান বলেন, মামলা তদন্ত চলছে। কোন নিরীহ মানুষ হয়রানী হবে না। তদন্তে মামলার সুস্পষ্ট তথ্য উপাত্ত না থাকলে এটার ফাইনাল রিপোর্ট যাবে। উর্ববতন কর্তৃপক্ষের ক্লিয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

কক্সবাজার পুলিশ সুপার (এসপি) রহমত উল্লাহ জানান, ওসি ফয়জুল আজিম নোমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ায় তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় জনগুরুত্বপূর্ণ বাইনতলা-খড়িয়া সড়ক সংস্কারহীন; চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

কক্সবাজার সদর থানায় ওসি প্রত্যাহার –  গায়েবি মামলার নথি গায়েব!

আপডেট সময় : 04:57:48 pm, Wednesday, 27 November 2024

 

শওকত আলম , কক্সবাজার।।

কক্সবাজার সদর মডেল থানা থেকে সদ্য প্রত্যাহার হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজুল আজিম নোমানের বিরুদ্ধে গায়েবি মামলা রেকর্ড করে এজাহারে বাদীকে স্বাক্ষর করানো এবং গায়েবি মামলার নথি দীর্ঘদিন গায়েব করার অভিযোগ উঠেছে।

মামলা নিয়ে বাণিজ্য, গ্রেফতার বাণিজ্য সহ বিভিন্ন অভিযোগে একমাস ২৮ দিনের মাথায় কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি ফয়জুল আজিম নোমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গত ১৭ নভেম্বর তাকে প্রত্যাহারের আদেশ দিয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. আহসান হাবিব পলাশ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কক্সবাজার সদর মডেল থানা ওসি ফয়জুল আজিমকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চট্টগ্রাম ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হলো। বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ।
গায়েবী মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৩১ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার সময় শৈবাল হোটেলের সামনে অর্ন্তঘাতমুলক কর্মকান্ড সৃষ্টি করে যান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাইয়া ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা জ্বালিয়ে দিয়ে জনমনে ভীতি সঞ্চার সৃষ্টি করে সরকারী সম্পদ নষ্ট করার অপরাধে
বিশেষ ক্ষমতা আইনে গত ৫ নভেম্বর কক্সবাজার সদর মডেল থানার মামলা নং ১৩, জিআর-৭১২ মামলাটি রেকর্ড করা হয়।
এই মামলায় প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিআইপি, রাজনৈতিক নেতা, পিপি, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে আসামী করা হয়।এজাহারে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ৫০-৬০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে দেখানো হয়েছে।
সদর মডেল থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ফয়জুল আজওম নোমান দায়িত্বে থাকাকালিন এই মামলার নথি কিছুদিন গোপন করে রেখেছিলেন ওসি। পরে তাকে সদর মডেল থানা থেকে প্রত্যাহার করার পর নথিটি প্রকাশ্যে আসে।
মামলার নথি অনুসারে ওই ৫ই নভেম্বর রাত ১২টা ৫ মিনিটে মামলাটি সদর থানায় রেকর্ড করা হয়। তবে এজাহার জমা দেওয়া হয়েছিল দিনের বেলায়। দ্রুত এজাহার প্রস্তুত করে থানার মামলা নং-১০, জিআর-৭১২ নম্বর মামলা হিসেবে রেকর্ড করেন ওসি নোমান।
বাদী হিসেবে দেখানো হয়েছে কক্সবাজার পৌরসভার ১১ নং ওয়ার্ড বাহারছড়ার বাসিন্দা মো. নুরুল আমিনের ছেলে ওমর ফারুক নামের একজনকে। যিনি ২৪ আগষ্ট থানায় রেকর্ড হওয়া (কক্সবাজার থানার মামলা নং- ৩২, জিআর- ৫৩৩/২৪) নিয়মিত মামলার পলাতক ২নং আসামী।
থানায় ৫ই নভেম্বর রেকর্ড হওয়া
বিশেষ ক্ষমতা ও বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় আসামী করা হয় গত ৫ই আগষ্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে পলাতক ও আত্মগোপনে থাকা জেলা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা, প্রবীণ নেতাদের। এছাড়াও আসামী করা হয় বিভিন্ন ব্যবসায়ীদের।
এদের মধ্যে উল্লেখ যোগ্য আসামীরা
হলেন, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও আওয়ামীলীগের প্রবীন নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদ সিআইপি। এছাড়াও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্র লীগ, কৃষক লীগ, ২ জন সাংবাদিক, ২ জন সাবেক পিপি, প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা ও ব্যবসায়ী রয়েছে আসামী।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সুত্রে জানাগেছে, ওই দিন ৩১ অক্টোবর এই ধরনে কোন মিছিল ও ঘটনা ঘটেনি, কোন সংবাদ মাধ্যমে প্রচার হয়নি, কোন গোয়েন্দা সংস্থাও অবগত নয় এবং কোন স্বাক্ষ্য প্রমানও নাই। অথচ ৫ আগস্টের পর থেকে এজাহারের উল্লেখিত আসামীগণ দেশে ও বিদেশে আত্মগোপনে রয়েছে বলে জানা যায়।
ওসি ফয়জুল আজিম নোমান কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে মামলা বানিজ্য, গ্রেফতার বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অভিযোগ তার বিরুদ্ধে উত্থাপন হয়ে আসছিল। পরবর্তীতে বিভিন্ন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ তাকে কক্সবাজার সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত করেন।
ভুক্তভোগিরা অভিযোগ করছেন, মামলা বানিজ্য করার জন্য জনৈক ওমর ফারুককে বাদী সাজিয়ে তড়িগড়ি করে এই গায়েবী মামলাটি রেকর্ড করেন। যদি এই মালার বাদী একজন নিয়মিত মামলার পলাতক আসামী।
ভুক্তভোগিরা জানান, একদিকে স্বরাস্ট্র উপদেষ্ঠা মিথ্যা ও গায়েবী মামলা করার জন্য অফিসিয়ালি নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন, অন্য দিকে ওসি নোমানের মত পুলিশ কর্মকর্তা মিথ্যা গায়েবী মামলা রুজু করে মামলা বানিজ্য ও নিরীহ মানুষকে হয়রানি করে যাচ্ছেন । তাই তারা এই মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তপূর্বক ওসি নোমানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জানান।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এম জামাল উদদীন চৌধুরী বলেন, মামলা তদন্ত চলমান রয়েছে। তদন্তের পর আসল রহস্য বুঝা যাবে।
এব্যাপারে নবাগত কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইলিয়াস খান বলেন, মামলা তদন্ত চলছে। কোন নিরীহ মানুষ হয়রানী হবে না। তদন্তে মামলার সুস্পষ্ট তথ্য উপাত্ত না থাকলে এটার ফাইনাল রিপোর্ট যাবে। উর্ববতন কর্তৃপক্ষের ক্লিয়ার নির্দেশনা রয়েছে।

কক্সবাজার পুলিশ সুপার (এসপি) রহমত উল্লাহ জানান, ওসি ফয়জুল আজিম নোমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ায় তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন।