Dhaka , Saturday, 6 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বিএনপি সকল ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করবে : মজিবুর রহমান এমপি পাইকগাছায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও চারা বিতারণ পাইকগাছায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত; র‍্যালি, বৃক্ষরোপণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ​রূপগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ওপর হামলা, দোকানে লুটপাট ও হত্যার হুমকি মাদারীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক রেলি শহীদ জিয়ার আদর্শে দেশ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাতের চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর দ্রুত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে খালে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে :- ডা. শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবে না সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী জি-মেইল হ্যাক, ব্যাংক হিসাব থেকে বিকাশ/নগদে মানি ট্রান্সফার, পরে অনলাইন জুয়া ও গরু ব্যবসায় বিনিয়োগ, প্রতারক চক্রের মূলহোতা ইকবালসহ গ্রেপ্তার ২ রংপুর সেক্টরের সকল সীমান্তে বিজিবির কঠোর নজরদারি: ১৫ ও ৬১ ব্যাটালিয়নের তৎপরতায় অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ কালীগঞ্জে ৫ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি বরাত হাতীবান্ধায় গ্রেফতার: র‍্যাব-১৩ এর অভিযান যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন মাইনুল ইসলাম ফরাজী মধুপুরে ডেঙ্গু রোধে জন সচেতনতা বিষয়ক র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইলের মধুপুরে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের ডাকে কলম বিরতি পালিত রূপগঞ্জের গণমানুষের নেতা জননেতা মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপু-কে জন্মদিনের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন পাহাড়তলীতে হামলা ও হত্যাচেষ্টার মামলায় আদালতে জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে মাদক কারবারি আলমগীর স্থানীয় এমপির নির্দেশনায় রুপগঞ্জের গোলাকান্দাইল এশিয়ান হাইওয়ের ময়লার ভাগাড় পরিষ্কার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন এজমল হোসেন পাইলট নানার বাড়ি থেকে ফেরার পর নিখোঁজ, খালে মিলল যুবকের লাশ লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ বি১-এর ক্যাবিনেট সেক্রেটারি নির্বাচিত হলেন ড. মুহিবুল্লাহ শাহিন গণহত্যার দায়ে জামায়াত-আ.লীগ একই সূত্রে গাঁথা: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক মেকানিক দোকানেই চলছিল মাদক কারবার, গ্রেপ্তার-১ মধুপুরে মাদকাসক্ত ১ জনকে এক বছরের কারাদণ্ড ২৬ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে ‘জেল খাটা’ গোলাম কিবরিয়া এবার সাময়িক বরখাস্ত হত্যাসহ একাধিক মামলায় আত্মসমর্পণ, আওয়ামী লীগের ১৪ নেতা কারাগারে কুমির সরিয়ে নেওয়ায় ক্ষোভ খাদেমের, মাজারের দিঘিতে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ৩৮ বছর পর ফিরলেন স্বামী, রাগ ভাঙছে না স্ত্রীর বিহারের হাসপাতালে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৪ জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে পথসভায় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় করলেন পুলিশ সুপার

সুন্দরগঞ্জে বিশুদ্ধ পানি চিকিৎসা সেবা ও পশুখাদ্য সংকটে বানভাসিরা।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:49:50 pm, Friday, 5 July 2024
  • 110 বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জে বিশুদ্ধ পানি চিকিৎসা সেবা ও পশুখাদ্য সংকটে বানভাসিরা।।

হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ -গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
সুন্দরগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তীত রয়েছে। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের পানিবন্ধি পরিবারের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।  বানভাসিদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ, যোগাযোগ ব্যবস্থা-চিকিৎসা সেবা ও পশু খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারিভাবে এ পর্যন্ত পানিবন্ধি পরিবারের জন্য বরাদ্দ মিলেছে ৩০ মেট্রিকটন চাল ও  ৪০০ প্যাকেট শুকনা খাবার। পানিবন্ধি পরিবারগুলো ইতিমধ্যে উচু স্থানে-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে-পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধে এবং আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছে। গৃহপালিত পশুপাখি-বৃদ্ধ-বৃদ্ধা-শিশু ও প্রসুতি নারীদের নিয়ে নিদারুন কষ্টে রয়েছে চরবাসি।  পানি বাড়ায় চরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না। 
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর-বেলকা- হরিপুর-চন্ডিপুর-শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকালেও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তীত রয়েছে। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের সবগুলো চর ডুবে গিয়ে কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। সেই সাথে চরের সবগুলো ফসলের ক্ষেত ডুবে গেছে। বন্যা আসলে তিস্তার শাখা নদীর আশপাশ ডুবে যায় পানিতে। বন্যা আসলেই শুরু হয় নদী ভাঙন। চলতে থাকে বছর ব্যাপী।  নদী পাড়ের মানুষের দাবি- স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ দিনেও স্থায়ী ভাবে নদী ভাঙন রোধ- ড্রেজিং- নদী খনন- ও সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেনি সরকার। যার কারনে প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি- হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।
           
কাপাসিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম জানান, বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তীত থাকলেও বানভাসিদের কষ্ট বেড়েছে। সরকারি ভাবে যে বরাদ্দ পাওয়া গেছে তা একেবারেই অপ্রতুল। অনেকে ঘরের টুইয়ের মধ্যে বসবাস করছে। চরের মানুষ বিশেষ করে গৃহপালিত পশুপাখি নিয়ে চরম বিপাকে রয়েছে।
হরিপুর ইউনিয়নের মঞ্জু মিয়া বলেন, পানি বাড়ার সাথে সাথে চরের মানুষ কষ্ট বাড়তে শুরু করে। হরিপুর ইউনিয়নের কমপক্ষে ১২ হাজার মানুষ পানিবান্ধ হয়ে পড়েছে। গোটা চরাঞ্চল এখন পানিতে থৈ থৈ করছে। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থার চরমভাবে বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। পানিবন্ধি বেশিভাগ পরিবার আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে এখনও  বসতবাড়ি ছেড়ে যায়নি। ঘরের চকির উপর এবং টুইয়ের মধ্যে বসবাস করছে। 
 হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোজাহারুল ইসলাম জানান- পানি বাড়ায় তার গোটা ইউনিয়ন প্রায় ডুবে গেছে। উপজেলা নিবার্হী অফিসার এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে বন্যা দুর্গত মানুষের তালিকা দেয়া হয়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তা অপ্রতুল। বানভাসি মানুষের বিশুদ্ধ পানি, গো-খাদ্য, চিকিৎসা সেবার অভাব দেখা দিয়েছে। 
         
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান- বন্যা কবলিত ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের তর্থ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে ৪ হাজার ৯০০ পরিবারের ২০ হাজার মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। বেশিরভাগ পরিবার উচু স্থান- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- বাঁধে এবং আশ্রয় কেন্দ্রে চলে গেছে। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে ৩০ মেট্রিকটন চাল ও ৪০০ প্যাকেট শুকনা খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ পাওয়া গেছে। 
 উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. তরিকুল ইসলাম জানান, সার্বক্ষনিক বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করা হয়েছে। স্থানীয় ভাবে সকল প্রকার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বানভাসিদের মাঝে সরকারি বরাদ্দ ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

বিএনপি সকল ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করবে : মজিবুর রহমান এমপি

সুন্দরগঞ্জে বিশুদ্ধ পানি চিকিৎসা সেবা ও পশুখাদ্য সংকটে বানভাসিরা।।

আপডেট সময় : 02:49:50 pm, Friday, 5 July 2024
হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ -গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
সুন্দরগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তীত রয়েছে। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের পানিবন্ধি পরিবারের সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।  বানভাসিদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি, ওষুধ, যোগাযোগ ব্যবস্থা-চিকিৎসা সেবা ও পশু খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারিভাবে এ পর্যন্ত পানিবন্ধি পরিবারের জন্য বরাদ্দ মিলেছে ৩০ মেট্রিকটন চাল ও  ৪০০ প্যাকেট শুকনা খাবার। পানিবন্ধি পরিবারগুলো ইতিমধ্যে উচু স্থানে-শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে-পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধে এবং আশ্রয় কেন্দ্রে উঠেছে। গৃহপালিত পশুপাখি-বৃদ্ধ-বৃদ্ধা-শিশু ও প্রসুতি নারীদের নিয়ে নিদারুন কষ্টে রয়েছে চরবাসি।  পানি বাড়ায় চরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না। 
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর-বেলকা- হরিপুর-চন্ডিপুর-শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকালেও বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তীত রয়েছে। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের সবগুলো চর ডুবে গিয়ে কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। সেই সাথে চরের সবগুলো ফসলের ক্ষেত ডুবে গেছে। বন্যা আসলে তিস্তার শাখা নদীর আশপাশ ডুবে যায় পানিতে। বন্যা আসলেই শুরু হয় নদী ভাঙন। চলতে থাকে বছর ব্যাপী।  নদী পাড়ের মানুষের দাবি- স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ দিনেও স্থায়ী ভাবে নদী ভাঙন রোধ- ড্রেজিং- নদী খনন- ও সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেনি সরকার। যার কারনে প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি- হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।
           
কাপাসিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম জানান, বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তীত থাকলেও বানভাসিদের কষ্ট বেড়েছে। সরকারি ভাবে যে বরাদ্দ পাওয়া গেছে তা একেবারেই অপ্রতুল। অনেকে ঘরের টুইয়ের মধ্যে বসবাস করছে। চরের মানুষ বিশেষ করে গৃহপালিত পশুপাখি নিয়ে চরম বিপাকে রয়েছে।
হরিপুর ইউনিয়নের মঞ্জু মিয়া বলেন, পানি বাড়ার সাথে সাথে চরের মানুষ কষ্ট বাড়তে শুরু করে। হরিপুর ইউনিয়নের কমপক্ষে ১২ হাজার মানুষ পানিবান্ধ হয়ে পড়েছে। গোটা চরাঞ্চল এখন পানিতে থৈ থৈ করছে। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থার চরমভাবে বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। পানিবন্ধি বেশিভাগ পরিবার আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে এখনও  বসতবাড়ি ছেড়ে যায়নি। ঘরের চকির উপর এবং টুইয়ের মধ্যে বসবাস করছে। 
 হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোজাহারুল ইসলাম জানান- পানি বাড়ায় তার গোটা ইউনিয়ন প্রায় ডুবে গেছে। উপজেলা নিবার্হী অফিসার এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে বন্যা দুর্গত মানুষের তালিকা দেয়া হয়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তা অপ্রতুল। বানভাসি মানুষের বিশুদ্ধ পানি, গো-খাদ্য, চিকিৎসা সেবার অভাব দেখা দিয়েছে। 
         
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান- বন্যা কবলিত ইউনিয়নের চেয়ারম্যানদের তর্থ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে ৪ হাজার ৯০০ পরিবারের ২০ হাজার মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। বেশিরভাগ পরিবার উচু স্থান- শিক্ষা প্রতিষ্ঠান- বাঁধে এবং আশ্রয় কেন্দ্রে চলে গেছে। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে ৩০ মেট্রিকটন চাল ও ৪০০ প্যাকেট শুকনা খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ পাওয়া গেছে। 
 উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. তরিকুল ইসলাম জানান, সার্বক্ষনিক বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করা হয়েছে। স্থানীয় ভাবে সকল প্রকার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বানভাসিদের মাঝে সরকারি বরাদ্দ ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে।