Dhaka , Sunday, 9 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
শরীয়তপুরে জমির বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে মারধর, নারীসহ আহত ৩ ক্রিকেট তারকার সঙ্গে অভিনেত্রীর প্রেমের গুঞ্জন মৃত্যুর আগে শেষ কথায় কী বলেছিলেন ম্যারাডোনা, বেরিয়ে এল নতুন তথ্য ইরানের সঙ্গে যুদ্ধেই কেন অস্ত্র নিয়ে চাপে যুক্তরাষ্ট্র? এটিএমে কার্ড স্পর্শ করেই তোলা যাবে টাকা, নেই আটকে যাওয়ার ভয় আমরা জাতির সঙ্গে কখনো বেইমানি করব না: কর্নেল অলি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর চরভদ্রাসনে শহিদুল ইসলাম বাবুল সংযোগ সেতু উদ্বোধনের পর মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত। হরিপুরে নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উদযাপিত নোয়াখালীতে পুকুরে পড়ে শিশুর মৃত্যু রাজাপুরের যুবলীগ নেতা রেজভী ভান্ডারিয়ায় গ্রেপ্তার নারায়ণগঞ্জের জন্য পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিত্ব দাবি চেম্বার নেতার রূপগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী পাতিল দৌড় প্রতিযোগিতা, হাজারো দর্শকের উচ্ছ্বাস গোলাবাড়ী উত্তরপাড়ায় দীর্ঘদিনের পানির সংকটের অবসান সোহেল মেম্বারের উদ্যোগে আব্দুল বাসেত ওরফে বাসু মিয়ার বাড়িতে স্থাপন করা হলো টিউবওয়েল চন্দনাইশে উত্তর বরকল তরুণ সমাজের উদ্যোগে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত বড় সাজ্জাদের ফুফাতো ভাই ও সহযোগী সন্ত্রাসী গোলাম সারোয়ার খানকে ঢাকার ডিবি পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার খেলাধুলা ও বই পড়ার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে আব্দুর রহমান খাঁন সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান মধুপুরে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ হাসপাতালে দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব শ্রীপুরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও আহ্বায়কের ওপর হামলার অভিযোগে যুবদল নেতা তোফানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাতে মাংস কম দেওয়া নিয়ে বিয়ের আসরে তুলকালাম, সংঘর্ষে আহত ৩ হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতায় মাগুরায় সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবিরের সারপ্রাইজ পরিদর্শন জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস: রূপগঞ্জে দীপু ভূঁইয়ার নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালি ও লাখো জনতার উল্লাস রূপগঞ্জে সাবেক সেনা কর্মকর্তার বসতবাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ভাংচুর লুটপাট রূপগঞ্জে ৮৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর কাল, প্রস্তুত সাত ভেন্যু প্রধানমন্ত্রীকে বরণে চউকের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি, স্ত্রীকে এক কাপড়ে ঘরছাড়া করার অভিযোগ ফতুল্লায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি, স্বর্ণালংকার ও সাড়ে ৭ লাখ টাকা লুট ফতুল্লায় বন্ধ গোডাউন থেকে গলিত লাশ উদ্ধার, আটক ২ মির্জাপুরে আর্ন এন্ড লিভের পক্ষ থেকে শাহাদতকে ৭ হাজার ৬ শত টাকার হুইলচেয়ার বিতরণ

শিক্ষকের ঘুমহীন রাত

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:43:02 pm, Monday, 15 December 2025
  • 95 বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার:

শ্রেণী কার্যক্রম বন্ধ শিক্ষকদের রাত জেগে খাতা দেখা শুরু করেছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি থাকলেও শিক্ষকরা মানুষিক ও পেশাগত ভাবে সব সময় সক্রিয় থাকেন। নির্বাচনী ও বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষার্থীদের হাতে দেবার পূর্ব পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও শিক্ষকের দায়িত্ব কখনো বন্ধ থাকে না। স্কুল বন্ধ থাকলেও শিক্ষকদের কাজের কোন শেষ নেই। নির্বাচনী, বার্ষিক পরীক্ষার খাতা
মূল্যায়ন ও ফলাফল তৈরি করে শিক্ষকরা রাত জেগে নিরব পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। শিক্ষকদের এ সব পরিশ্রম কেউ দেখেন না, উপলব্ধি করেন না। অনেকই মনে করে থাকেন স্কুল বন্ধ, শিক্ষকদের কোন কাজ নেই। এ সব কথা শিক্ষকতার পরিশ্রমকে ছোট করে ফেলা হয়। স্কুল বন্ধ থাকলেও শিক্ষকের দায়িত্ব কখনো বন্ধ থাকে না। শিক্ষকেরা রাত জেগে খাতা দেখে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য গড়ার জন্য দিন, রাত পরিশ্রম করছেন।
পাঁচদোনা স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্ত স্কুল এন্ড কলেজের গনিতের শিক্ষক আনোয়ার হোসেন জানান, শিক্ষকদের গভীর রাত পর্যন্ত জেগে খাতার মূল্যায়ন করতে হয়। খাতা মূল্যায়নের সময় শিক্ষার্থীদের কোথায় ভুল করেছে তা চিহ্নিত করতে হয়।
ইংরেজি শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শিক্ষকরা শুধু খাতা মূল্যায়ন ও ফলাফল প্রকাশ করেন না। সেই সাথে সঠিক নাম লিখা, রোল নম্বর লেখা, গড় নম্বর বের করা, গ্রেড নির্ধারন করে ফলাফল প্রকাশের জন্য নথি তৈরী করতে হয়।
পলাশ থানা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সবিতা রানী সূএধর জানান, পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে যায় কিন্তু আমি রাত জেগে খাতা দেখি। আমার ছোট মেয়ে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। শিক্ষককে খাতা দেখার দায়িত্ববোধের কারনে কমপক্ষে এক সপ্তাহ আমার মেয়ে আদর থেকে বঞ্চিত।
হিসাব বিজ্ঞানের শিক্ষক নাজমুল শাহীন জানান, পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে যায় কিন্তু আমাকে রাত জেগে খাতা দেখতে হয়। খাতা দেখে সময়মত স্কুলে ফলাফল জমা দিতে হবে । শিক্ষকদের স্কুল বন্ধের মধ্যে ও এ রকম মানুষিক চাপ অন্য পেশার মানুষ বুঝে না। সবাই মনে করেন স্কুল বন্ধ শিক্ষকদের কোন কাজ নেই।
নির্বাচনী পরীক্ষা কিংবা বার্ষিক পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন কাগজে কলমে যত সহজ মনে হয় কিন্তু বাস্তবে তার চেয়েও কঠিন। শিক্ষক কিভাবে নিজের সন্তনকে সময় না দিয়ে রাত জেগে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কাজ করছেন। একজন শিক্ষক কমপক্ষে ৫ শত খাতা থেকে শুরু করে সাড়ে ৬ শত খাতা দেখে থাকেন। যে সকল স্কুলের শিক্ষার্থী সংখ্যা এক হাজার থেকে দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী সেই সকল স্কুলে শিক্ষার্থীর চাপ বেশি থাকে।
মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে স্কুলে আলোচনা সভা,১৬ ডিসেম্বর স্কুলে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা, ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর সাপ্তাহিক বন্ধ, শীতকালীন অবকাশ, যিশু খিষ্ট্রের জন্মদিন ছাড়াও এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষা ও বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল তৈরি করতে বন্ধের মধ্যে কমপক্ষে ২ দিন স্কুলে যেতে হয়। কাগজে কলমে স্কুল বন্ধ থাকলেও এ সময় শিক্ষকের ব্যস্ততা,পরিশ্রম বেশী হয়।
শিক্ষকের সম্মান জাতির অগ্রগতির
জন্য অপরিহার্য। শিক্ষক একটি জাতিকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলেন। ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার, প্রকৌশলী, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ শিক্ষকের কাছেই শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। অথচ সেই শিক্ষকের সম্মান দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। শিক্ষকরাই পারে জাতির উন্নয়ন নিশ্চিত করতে। স্কুল বন্ধ মানেই শিক্ষা বন্ধ নয়। স্কুল বন্ধ মানেই শিক্ষকের দায়িত্ব শেষ নয়। কাগজে কলমেই শুধু শিক্ষকের বন্ধ। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞান, নৈতিকতা, মনুষ্যত্ববোধ তৈরি করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শরীয়তপুরে জমির বাঁশ কাটাকে কেন্দ্র করে মারধর, নারীসহ আহত ৩

শিক্ষকের ঘুমহীন রাত

আপডেট সময় : 05:43:02 pm, Monday, 15 December 2025

স্টাফ রিপোর্টার:

শ্রেণী কার্যক্রম বন্ধ শিক্ষকদের রাত জেগে খাতা দেখা শুরু করেছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি থাকলেও শিক্ষকরা মানুষিক ও পেশাগত ভাবে সব সময় সক্রিয় থাকেন। নির্বাচনী ও বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল শিক্ষার্থীদের হাতে দেবার পূর্ব পর্যন্ত প্রতিটি ধাপেই শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও শিক্ষকের দায়িত্ব কখনো বন্ধ থাকে না। স্কুল বন্ধ থাকলেও শিক্ষকদের কাজের কোন শেষ নেই। নির্বাচনী, বার্ষিক পরীক্ষার খাতা
মূল্যায়ন ও ফলাফল তৈরি করে শিক্ষকরা রাত জেগে নিরব পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। শিক্ষকদের এ সব পরিশ্রম কেউ দেখেন না, উপলব্ধি করেন না। অনেকই মনে করে থাকেন স্কুল বন্ধ, শিক্ষকদের কোন কাজ নেই। এ সব কথা শিক্ষকতার পরিশ্রমকে ছোট করে ফেলা হয়। স্কুল বন্ধ থাকলেও শিক্ষকের দায়িত্ব কখনো বন্ধ থাকে না। শিক্ষকেরা রাত জেগে খাতা দেখে হাজার হাজার শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য গড়ার জন্য দিন, রাত পরিশ্রম করছেন।
পাঁচদোনা স্যার কৃষ্ণ গোবিন্দ গুপ্ত স্কুল এন্ড কলেজের গনিতের শিক্ষক আনোয়ার হোসেন জানান, শিক্ষকদের গভীর রাত পর্যন্ত জেগে খাতার মূল্যায়ন করতে হয়। খাতা মূল্যায়নের সময় শিক্ষার্থীদের কোথায় ভুল করেছে তা চিহ্নিত করতে হয়।
ইংরেজি শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, শিক্ষকরা শুধু খাতা মূল্যায়ন ও ফলাফল প্রকাশ করেন না। সেই সাথে সঠিক নাম লিখা, রোল নম্বর লেখা, গড় নম্বর বের করা, গ্রেড নির্ধারন করে ফলাফল প্রকাশের জন্য নথি তৈরী করতে হয়।
পলাশ থানা মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সবিতা রানী সূএধর জানান, পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে যায় কিন্তু আমি রাত জেগে খাতা দেখি। আমার ছোট মেয়ে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। শিক্ষককে খাতা দেখার দায়িত্ববোধের কারনে কমপক্ষে এক সপ্তাহ আমার মেয়ে আদর থেকে বঞ্চিত।
হিসাব বিজ্ঞানের শিক্ষক নাজমুল শাহীন জানান, পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে যায় কিন্তু আমাকে রাত জেগে খাতা দেখতে হয়। খাতা দেখে সময়মত স্কুলে ফলাফল জমা দিতে হবে । শিক্ষকদের স্কুল বন্ধের মধ্যে ও এ রকম মানুষিক চাপ অন্য পেশার মানুষ বুঝে না। সবাই মনে করেন স্কুল বন্ধ শিক্ষকদের কোন কাজ নেই।
নির্বাচনী পরীক্ষা কিংবা বার্ষিক পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন কাগজে কলমে যত সহজ মনে হয় কিন্তু বাস্তবে তার চেয়েও কঠিন। শিক্ষক কিভাবে নিজের সন্তনকে সময় না দিয়ে রাত জেগে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কাজ করছেন। একজন শিক্ষক কমপক্ষে ৫ শত খাতা থেকে শুরু করে সাড়ে ৬ শত খাতা দেখে থাকেন। যে সকল স্কুলের শিক্ষার্থী সংখ্যা এক হাজার থেকে দুই হাজারের বেশি শিক্ষার্থী সেই সকল স্কুলে শিক্ষার্থীর চাপ বেশি থাকে।
মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে স্কুলে আলোচনা সভা,১৬ ডিসেম্বর স্কুলে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা, ১২ ও ১৩ ডিসেম্বর সাপ্তাহিক বন্ধ, শীতকালীন অবকাশ, যিশু খিষ্ট্রের জন্মদিন ছাড়াও এসএসসি নির্বাচনী পরীক্ষা ও বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল তৈরি করতে বন্ধের মধ্যে কমপক্ষে ২ দিন স্কুলে যেতে হয়। কাগজে কলমে স্কুল বন্ধ থাকলেও এ সময় শিক্ষকের ব্যস্ততা,পরিশ্রম বেশী হয়।
শিক্ষকের সম্মান জাতির অগ্রগতির
জন্য অপরিহার্য। শিক্ষক একটি জাতিকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলেন। ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার, প্রকৌশলী, সাংবাদিক সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ শিক্ষকের কাছেই শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। অথচ সেই শিক্ষকের সম্মান দিনে দিনে কমে যাচ্ছে। শিক্ষকরাই পারে জাতির উন্নয়ন নিশ্চিত করতে। স্কুল বন্ধ মানেই শিক্ষা বন্ধ নয়। স্কুল বন্ধ মানেই শিক্ষকের দায়িত্ব শেষ নয়। কাগজে কলমেই শুধু শিক্ষকের বন্ধ। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞান, নৈতিকতা, মনুষ্যত্ববোধ তৈরি করেন।