Dhaka , Thursday, 12 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে ঈদের আগে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধে শিল্প মালিকদের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের মতবিনিময় মাদকাসক্ত ছেলের হামলায় বাবা ও বড়ভাই একইসাথে টেটাবিদ্দ ঢাকা ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশন অব চন্দনাইশের ২০২৫-২৬ কার্যনির্বাহী কমিটি নোয়াখালীতে অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যা: ৩ দিনেও রহস্যের জট খুলেনি পাইকগাছা পৌরসভার শহর সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়িতে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ তিন ডাকাত আটক ঈদকে ঘিরে পাঁচবিবিতে জমে উঠেছে বেচাকেনা, ক্রেতাদের ভিড়ে সরগরম মার্কেটগুলো রূপগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মাসিক সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে পোশাক কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক অবরোধ রামুতে অপহৃত ৬ বছরের শিশু উদ্ধার : অপহরণকারী নূর হোসেন গ্রেফতার মধুপুরে শালবন ক্রিয়েশন পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান পাইকগাছায় স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জঙ্গল সলিমপুর–আলিপুর এলাকায় অস্থায়ী ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার অফিস ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা ও জমি দখল: লালমনিরহাটে পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকের বিরুদ্ধে মামলা লালমনিরহাট জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত পূর্ব বরকল সুন্নি কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন রায়পুর ১০নং ইউনিয়নে মেম্বার পদে লড়বেন মোক্তার হোসেন জুয়েল। মধুপুরে গারো পরিবারের ঘরবাড়ি ভাঙ্গার অভিযোগ ইউএনও’র ঘটনাস্থল পরিদর্শন সিএমপি’র অভিযানে বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের ০৩ সহযোগী গ্রেফতার লাঙ্গলবন্দে মহাঅষ্টমী পূণ্যস্নান উৎসব উপলক্ষে স্নানঘাট পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক চবি ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কে ইসলাম ফাহিমের উদ্যোগে এতিমখানায় ইফতার আয়োজন পাইকগাছায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত পাইকগাছায় সার ডিলারদের বিরুদ্ধে অভিযান; ৪ জনকে জরিমানা মুছাপুর রেগুলেটর না থাকায় এখন নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছেনা: বন ও পরিবেশ মন্ত্রী পাঁচবিবিতে পাম্পে মিলছে না তেল, কোথাও মিললেও বাইকে মাত্র ২ লিটার যানবাহনের দীর্ঘ সারি সীতাকুন্ডের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর সমন্বয়য়ে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম মধুপুরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ উদযাপন ট্রাসকো এপারেলস লি. শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে বৈঠক, মঙ্গলবার কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত ঈদে যাতায়াত নিরাপদ রাখতে নারায়ণগঞ্জে বিশেষ সভা সিদ্ধিরগঞ্জে ডিএনডি লেক থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

শরীয়তপুরে জমির বায়নায় নিয়ে প্রতারণা, বিপাকে নারীসহ অনেকে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:01:46 pm, Sunday, 2 November 2025
  • 111 বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

স্বপ্ন ছিল নিজের জমিতে ছোট্ট একটা ঘর তুলবেন। স্বামী-সন্তান নিয়ে শান্তিতে থাকবেন। সেই স্বপ্নকে বাস্তব করতে জীবনের সব সঞ্চয় তুলে দিয়েছিলেন স্থানীয় এক জমি বিক্রেতার হাতে। কিন্তু এখন সেই নারী অসহায় প্রতারিত হয়ে পথে বসার অবস্থা হয়েছে।

ঘটনাটি শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের পরাসদ্দী গ্রামে ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আঞ্জুমান ইসলাম বাদী হয়ে চার জনকে আসামী করে আংগারিয়া পুলিশ ফাঁড়ীতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন, আংগারিয়া ইউনিয়নের পরাসদ্দী গ্রামের রোকেয়া বেগম, মিন্টু ফরাজি, লিটন ফরাজি ও বেলায়েত সরদার।

শুধু ওই আঞ্জুমান ইসলাম নন, আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী রোকেয়া বেগমের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। রিনা বেগম, লাকি আক্তার,ইয়ারুন বেগম ও আলামিন মুন্সি সহ প্রায় ১৫ জনের সাথে জমি বিক্রির নামে রোকেয়া ও তার স্বামী মিন্টু ফরাজি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে তারা গা ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আংগারিয়া ইউনিয়নের মিন্টু ফরাজির স্ত্রী রোকেয়া বেগম ২০২২ সাথে একই এলাকার সেনা সদস্য এমদাদুল হকের স্ত্রী আঞ্জুমান ইসলামের কাছে জমি বিক্রির কথা বলে বায়না বাবদ প্রায় চল্লিশ লাখ টাকা নেন। এরপর অভিযুক্ত রোকেয়া ও স্বামী মিন্টু ফরাজি সেই টাকা দিয়ে দুটি ট্রাক কিনেন। কথা ছিলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমির দলিল রেজিস্ট্রি করে দিবেন রোকেয়া। তবে
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমি রেজিস্ট্রি না করে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন রোকেয়া ও মিন্টু । পরে জমি রেজিস্ট্রি অথবা টাকা ফেরত চাইলে শুরু হয় টালবাহানা। এনিয়ে স্থানীয় ভাবে ও আংগারিয়া পুলিশ ফাঁড়ীতে একাধিক বার মিমাংসা করার চেষ্টা করা হলে রোকেয়া বেগম সালিসির সময় টাকা ফেরত অথবা জমি লিখে দেওয়ার কথা বললেও তিন বছরে হলেও এখন টাকা কিংবা জমি বুঝিয়ে দিতে পারেন নি। এখন বায়না চুক্তি অনুযায়ী জমি হস্তান্তর না করায় আঞ্জুমান টাকা ফেরত চাইলে উল্টো অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে হুমকি পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও রিনা বেগমের কাছথেকে ১২ লাখ, লাকি আক্তারের থেকে ৫০ হাজার ও ইয়ারুন বেগমের থেকে কয়েক ভরি স্বর্ণ সহ প্রায় এক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বর্তমানে তারা গা ঢাকা দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী আঞ্জুমান ইসলাম বলেন,”জীবনের সব সঞ্চয় তুলে দিয়েছিলাম জমির বায়নায়। ভাবছিলাম নিজের একটা ঘর হবে। এখন মনে হয়, ভুল করে জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলাম। আমি প্রায় চার বছর ধরে আমার প্রতিবেশী রোকেয়া বেগমকে প্রায় চল্লিশ লাখ টাকা জমির বায়না দিয়েছি। রোকেয়া বলেছিল দ্রুত দলিল ও জমি বুঝিয়ে দিবে। এখন টাকাও দিচ্ছে না জমিও দিচ্ছে না। টা ফেরত চাইলে উল্টো হুমকি ধামকি দিচ্ছে। আমাদের হয়রানি করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিচ্ছে। আমাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাদের হয়রানি করছে। আমি প্রশাসনের কাছে ও আপনাদের কাছে ন্যায় বিচারক চাই।”

ভুক্তভোগী রিনা বেগম বলেন, “ আমার স্বামী একজন প্রবাসী। আমাকে জমি দিবে এটা বলে প্রায় ১২ লাখ টাকা নিয়েছে । যখন টাকা দিলাম, তখন ওরা খুব মিষ্টি কথা বলেছিল। বলেছিল দ্রুত রেজিস্ট্রি হবে। কিন্তু এখন টাকা ফেরত চাইলে উল্টো ভয় দেখায় বলে বেশি ঘাঁটলে দেখে নেবে। আমি আমার টাকা ফেরত চাই।”

ভুক্তভোগী ইয়ারুম বেগম বলেন,” রোকেয়া বেগম আমার পরিচিত। কিছুদিন আগে হটাৎ আমার বাসায় গিয়ে বলে আমি এক আত্মীয় বাড়ীতে বিয়ের দাওয়াতে যাবো আপনার গহনা গুলো আমাকে একটু দেন আমি এসে দিয়ে দিবো। এখন এতোদিন হয়ে গেলো এখনো আমার গহনা ফেরত দিচ্ছে না। আমি কয়েকবার নিতে এসেছি কিন্তু রোকেয়া বিভিন্ন টালবাহানা করে। আমি এখন পারিবারিক ঝামেলায় আছি। আমি আমার গহনা ফেরত চাই।”

লাকি আক্তার নামে আরও এক ভুক্তভোগী বলেন,”রোকেয়া আমার চাচাতো বোন হয়। আমার বাসায় গিয়ে রোকেয়া বলে একটু বিপদে আছি আমাকে পঞ্চাশ হাজার টাকা ধার দে আমি সরল মনে পঞ্চাশ হাজার টাকা ধার দিয়েছি । টাকা নেওয়ার সময় বলেছে সপ্তাহ খানেকের মধ্যে ফেরত দিয়ে দিবো। এখন দুই বছর হয়ে গেছে এখনো টাকা ফেরত দিচ্ছে না। এখন টাকা চাইতে আসলে আমাকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। আমাকে এখন রীতিমতো হয়রানি করছে। আমি চাই আমার টাকা ফেরত দেওয়ার হোক।”

এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত রোকেয়া বেগমের বাড়ীতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায় নি। তার ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

এ ব্যাপারে আংগারিয়া পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ বিকাশ চদ্র চৌধুরী বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযুক্ত রোকেয়া বেগম ও তার পরিবারের ছবি :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে ঈদের আগে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও বোনাস পরিশোধে শিল্প মালিকদের সঙ্গে উপজেলা প্রশাসনের মতবিনিময়

শরীয়তপুরে জমির বায়নায় নিয়ে প্রতারণা, বিপাকে নারীসহ অনেকে

আপডেট সময় : 04:01:46 pm, Sunday, 2 November 2025

শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

স্বপ্ন ছিল নিজের জমিতে ছোট্ট একটা ঘর তুলবেন। স্বামী-সন্তান নিয়ে শান্তিতে থাকবেন। সেই স্বপ্নকে বাস্তব করতে জীবনের সব সঞ্চয় তুলে দিয়েছিলেন স্থানীয় এক জমি বিক্রেতার হাতে। কিন্তু এখন সেই নারী অসহায় প্রতারিত হয়ে পথে বসার অবস্থা হয়েছে।

ঘটনাটি শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের পরাসদ্দী গ্রামে ঘটেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আঞ্জুমান ইসলাম বাদী হয়ে চার জনকে আসামী করে আংগারিয়া পুলিশ ফাঁড়ীতে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন, আংগারিয়া ইউনিয়নের পরাসদ্দী গ্রামের রোকেয়া বেগম, মিন্টু ফরাজি, লিটন ফরাজি ও বেলায়েত সরদার।

শুধু ওই আঞ্জুমান ইসলাম নন, আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী রোকেয়া বেগমের প্রতারণার শিকার হয়েছেন। রিনা বেগম, লাকি আক্তার,ইয়ারুন বেগম ও আলামিন মুন্সি সহ প্রায় ১৫ জনের সাথে জমি বিক্রির নামে রোকেয়া ও তার স্বামী মিন্টু ফরাজি লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। বর্তমানে তারা গা ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আংগারিয়া ইউনিয়নের মিন্টু ফরাজির স্ত্রী রোকেয়া বেগম ২০২২ সাথে একই এলাকার সেনা সদস্য এমদাদুল হকের স্ত্রী আঞ্জুমান ইসলামের কাছে জমি বিক্রির কথা বলে বায়না বাবদ প্রায় চল্লিশ লাখ টাকা নেন। এরপর অভিযুক্ত রোকেয়া ও স্বামী মিন্টু ফরাজি সেই টাকা দিয়ে দুটি ট্রাক কিনেন। কথা ছিলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমির দলিল রেজিস্ট্রি করে দিবেন রোকেয়া। তবে
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমি রেজিস্ট্রি না করে নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করেন রোকেয়া ও মিন্টু । পরে জমি রেজিস্ট্রি অথবা টাকা ফেরত চাইলে শুরু হয় টালবাহানা। এনিয়ে স্থানীয় ভাবে ও আংগারিয়া পুলিশ ফাঁড়ীতে একাধিক বার মিমাংসা করার চেষ্টা করা হলে রোকেয়া বেগম সালিসির সময় টাকা ফেরত অথবা জমি লিখে দেওয়ার কথা বললেও তিন বছরে হলেও এখন টাকা কিংবা জমি বুঝিয়ে দিতে পারেন নি। এখন বায়না চুক্তি অনুযায়ী জমি হস্তান্তর না করায় আঞ্জুমান টাকা ফেরত চাইলে উল্টো অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে হুমকি পাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও রিনা বেগমের কাছথেকে ১২ লাখ, লাকি আক্তারের থেকে ৫০ হাজার ও ইয়ারুন বেগমের থেকে কয়েক ভরি স্বর্ণ সহ প্রায় এক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে বর্তমানে তারা গা ঢাকা দিয়েছেন।

ভুক্তভোগী আঞ্জুমান ইসলাম বলেন,”জীবনের সব সঞ্চয় তুলে দিয়েছিলাম জমির বায়নায়। ভাবছিলাম নিজের একটা ঘর হবে। এখন মনে হয়, ভুল করে জীবনের সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলাম। আমি প্রায় চার বছর ধরে আমার প্রতিবেশী রোকেয়া বেগমকে প্রায় চল্লিশ লাখ টাকা জমির বায়না দিয়েছি। রোকেয়া বলেছিল দ্রুত দলিল ও জমি বুঝিয়ে দিবে। এখন টাকাও দিচ্ছে না জমিও দিচ্ছে না। টা ফেরত চাইলে উল্টো হুমকি ধামকি দিচ্ছে। আমাদের হয়রানি করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিচ্ছে। আমাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাদের হয়রানি করছে। আমি প্রশাসনের কাছে ও আপনাদের কাছে ন্যায় বিচারক চাই।”

ভুক্তভোগী রিনা বেগম বলেন, “ আমার স্বামী একজন প্রবাসী। আমাকে জমি দিবে এটা বলে প্রায় ১২ লাখ টাকা নিয়েছে । যখন টাকা দিলাম, তখন ওরা খুব মিষ্টি কথা বলেছিল। বলেছিল দ্রুত রেজিস্ট্রি হবে। কিন্তু এখন টাকা ফেরত চাইলে উল্টো ভয় দেখায় বলে বেশি ঘাঁটলে দেখে নেবে। আমি আমার টাকা ফেরত চাই।”

ভুক্তভোগী ইয়ারুম বেগম বলেন,” রোকেয়া বেগম আমার পরিচিত। কিছুদিন আগে হটাৎ আমার বাসায় গিয়ে বলে আমি এক আত্মীয় বাড়ীতে বিয়ের দাওয়াতে যাবো আপনার গহনা গুলো আমাকে একটু দেন আমি এসে দিয়ে দিবো। এখন এতোদিন হয়ে গেলো এখনো আমার গহনা ফেরত দিচ্ছে না। আমি কয়েকবার নিতে এসেছি কিন্তু রোকেয়া বিভিন্ন টালবাহানা করে। আমি এখন পারিবারিক ঝামেলায় আছি। আমি আমার গহনা ফেরত চাই।”

লাকি আক্তার নামে আরও এক ভুক্তভোগী বলেন,”রোকেয়া আমার চাচাতো বোন হয়। আমার বাসায় গিয়ে রোকেয়া বলে একটু বিপদে আছি আমাকে পঞ্চাশ হাজার টাকা ধার দে আমি সরল মনে পঞ্চাশ হাজার টাকা ধার দিয়েছি । টাকা নেওয়ার সময় বলেছে সপ্তাহ খানেকের মধ্যে ফেরত দিয়ে দিবো। এখন দুই বছর হয়ে গেছে এখনো টাকা ফেরত দিচ্ছে না। এখন টাকা চাইতে আসলে আমাকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে। আমাকে এখন রীতিমতো হয়রানি করছে। আমি চাই আমার টাকা ফেরত দেওয়ার হোক।”

এবিষয়ে জানতে অভিযুক্ত রোকেয়া বেগমের বাড়ীতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায় নি। তার ফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

এ ব্যাপারে আংগারিয়া পুলিশ ফাঁড়ীর ইনচার্জ বিকাশ চদ্র চৌধুরী বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযুক্ত রোকেয়া বেগম ও তার পরিবারের ছবি :