Dhaka , Sunday, 18 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
গাজীপুরে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিলো প্রশাসন- কনের বাবাকে কারাদণ্ড খালেদা জিয়া ছিলেন জাতির ঐক্যের আহ্বায়ক: সাভারে আমান উল্লাহ আমান পাইকগাছায় বাসস চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীনের উদ্যোগে তিন সহস্রাধিক দুস্থদের মাঝে কম্বল বিতরণ পাইকগাছায় সড়ক উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করলেন পৌর প্রশাসক পাইকগাছায় ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত মির্জাপুরে কাঠ বোঝাই ভ্যান উল্টে চালক নিহত নোয়াখালীতে পিকআপ–অটোরিকশা সংঘর্ষে শিশু নিহত, আহত ৩ চন্দনাইশে জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা কক্সবাজারে কৃষিখাতে প্রণোদনার নামে লুটপাট  শব্দদূষণ রোধে অকারণে হর্ন বাজানো বন্ধের আহ্বান: উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান সিদ্ধিরগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতৃবৃন্দের জুলাই শহীদ আদিলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও গণসংযোগ কালিয়াকৈরে উপজেলা ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে মারকাযুর নূর তাহ্ফিজুল কুরআন মাদ্রাসায় হাফেজদের দস্তারবন্দী সম্মেলন অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরর দৃষ্টি প্রতিবন্ধীর মাঝে শীতবস্ত্র ও সাদাছড়ি বিতরণ গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকার পরিবারগুলোর পাশে থাকার অঙ্গীকার বিএনপির: তারেক রহমান নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের সিংলাবো ব্রিজ এলাকায় ডাকাতি প্রস্ততিকালে ৭ ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। ঈদগাঁও বাজারে ভোক্তা অধিকার অভিযান: কাপড়ের দোকানে ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা একটি হারানো সংবাদ নলছিটিতে সুগন্ধা নদী ভাঙন রোধে কার্যকর উদ্যোগের দাবিতে মানববন্ধন কাঁঠালিয়ার তালগাছিয়া পীর সাহেবের কবর জিয়ারত ও দোয়ার মধ্যে দিয়ে গোলাম আজম সৈকতের নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু  ঠাকুরগাঁওয়ে লংকাবাংলা ফাউন্ডেশনের মানবিক উষ্ণতা: কম্বল পেল ৩০০ পরিবার নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল-পিকআপ সংঘর্ষে ২ তরুণের মৃত্যু রূপগঞ্জে শারিরিক প্রতিবন্ধীকে হুইল চেয়ার উপহার রূপগঞ্জে যৌথ বাহিনীর বিশাল অভিযান দেড় কোটি টাকার মাদকসহ আটক ৩ কালিয়াকৈরে উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ শরীয়তপুরে জানাজার আগে ককটেল আতঙ্ক, স্ট্রোকে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যু তারুণ্যের পিঠা উৎসব শেষে মাঠ পরিচ্ছন্নতায় জেন-জি’র চমৎকার দৃষ্টান্ত আদিতমারীতে বসতঘরে র‍্যাবের হানা: বিপুল মাদকসহ নারী কারবারি গ্রেফতার বিচারহীনতার বিরুদ্ধে রাজপথে ইনকিলাব মঞ্চ, হাদি হত্যাকাণ্ডে প্রতিবাদ

রোযা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহারের শরয়ী বিধান- আল্লামা মুফতি জসিমুদ্দীন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:42:36 pm, Tuesday, 25 March 2025
  • 68 বার পড়া হয়েছে

রোযা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহারের শরয়ী বিধান- আল্লামা মুফতি জসিমুদ্দীন

মোঃ আবু তৈয়ব, হাটহাজারী প্রতিনিধি 
হাঁপানী বা শ্বাসকষ্ট অত্যন্ত কষ্টদায়ক একটি রোগ। এই রোগের চিকিৎসা হিসেবে গ্যাসজাতীয় অতি সূক্ষ্ণ একটি ঔষধি পদার্থ আবিষ্কার করা হয়েছে। ব্যবহারের সুবিধার্থে কোম্পানী অষুধটিকে স্প্রে যন্ত্রের ভেতর রাখে, যাকে ইনহেলারও বলা হয়।
ব্যবহার পদ্ধতি: হাঁপানী রোগী যন্ত্রের সামনের দিকটি মুখের ভেতরে রেখে যথাসম্ভব মুখ বন্ধ করে, অত:পর স্প্রে করে ঢোক গিলতে থাকেন। ফলে শ্বাসরুদ্ধকর স্থানটি প্রশস্ত হয়ে শ্বাস চলাচল স্বাভাকি হয়ে যায় এবং শ্বাসজণিত কষ্টও লাঘব হয়।
বলাবাহুল্য, অষুধটি স্প্রে করার সময় যদিও তা গ্যাসের মত মনে হয়, প্রকৃতপক্ষে তা হলো- অবয়ব বিশিষ্ট তরল পদার্থ। আর এই তরল পদার্থ যখন মুখ দিয়ে প্রবেশ করে, তখন তা পেটে পৌঁছে যায়। তাই রোযা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহার করলে রোযা ভেঙ্গে যাবে।
আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী (রাহ.) বলেন- “যদি কেউ কণ্ঠনালীতে ধোঁয়া প্রবেশ করায়, তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। তাই যদি ধুপ দ্বারা সুবাসিত হয় এবং সেই ধুপ পেটের দিকে টেনে আনে এবং রোযা স্মরণ থাকা সত্ত্বেও ঘ্রাণ নেয়, তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। কারণ, তা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব”। -ফাতাওয়ায়ে শামী- ৩-৩৬৬ পৃষ্ঠা, মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ-।
ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়াতে উল্লেখ আছে- “ইনহেলার ব্যবহার করলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। আর যদি রোযা অবস্থায় একান্ত অপারগতায় তা ব্যবহার করতে হয়, তাহলে রমযানের পরে শুধু ওই দিনের রোযা কাযা করলেই হবে। কাফফারা দিতে হবে না। আর যদি রোগীর অবস্থা এমন মারাত্মক হয় যে, ইনহেলার ব্যবহার ছাড়া থাকতে পারে না, তাহলে কাযা করারও প্রয়োজন নেই, বরং রোযার ফিদিয়া দিবে”। -ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়া- ৪-১৭০ পৃষ্ঠা, জামিয়া দারুল উলূম হক্কানিয়্যাহ, পাকিস্তান; জামেউল ফাতাওয়া- ৩-৩১৯ পৃষ্ঠা-।
মোট কথা, কোনো পদার্থ, তরল হোক বা ধোঁয়া জাতীয় হোক, পেটে পৌঁছলেই রোযা ভেঙ্গে যাবে।
ডাক্তারি পরামর্শ
বিজ্ঞ চিকিৎসকগণ হাঁপানী রোগীকে সাধারণত দিনে দুইবার ইনহেলার ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাই রোগী যদি সাহরীতে একবার ও ইফতারের পর একবার ইনহেলার ব্যবহার করেন এবং এতে শ্বাসজণিত কোন সমস্যা না হয়, বিশেষত: ছোট দিনগুলোতে, তাহলে এই পদ্ধতিতে ইনহেলার গ্রহণ করে রোযা রাখবে।
অপারগদের করণীয়
যদি রোগ মারাত্ম ক আকার ধারণ করে এবং ইফতার পর্যন্ত অপেক্ষা করা সম্ভব না হয়, তাহলে শরীয়ত তাকে রোযা রাখতে বাধ্য করেনি। যেমনটি পূর্বে ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়ার উদ্ধৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, “রোগীর জন্যে কোন দোষ নেই”। -সূরা নূর- ৬১ আয়াত-।
অন্য এক স্থানে ইরশাদ করেছেন- “আল্লাহ তাআলা কাউকে তার সাধ্যাতীত মকোনো কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার ওপর বর্তায় যা সে করে। -সূরা বাক্বারাহ- ২৮৬ আয়াত-।
পরে যদি রোগী সুস্থ হয় বা ছোট দিনগুলোতে তার জন্যে রোযা রাখা সম্ভব হয়, তাহলে শুধু ক্বাযা করে নিবে, কাফফারা দিতে হবে না। আর যদি রোগীর অবস্থা এতটা নাজুক হয়ে যায় যে, ভাল হওয়ার সম্ভাবনা নেই এবং ইনহেলার ব্যবহার করা ছাড়া সে খেতে পারে না, তাহলে শরীয়ত তাকে রোযা না রেখে ফিদিয়া দেয়ার সুযোগ দিয়েছে। যেমন আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন-
“গণনার কয়েকটি দিনের জন্যে। অত:পর তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোযা পূরণ করে নিতে হবে। আর এটি যাদের জন্যে অত্যনস্ত কষ্টদায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকিনকে খানা দিয়ে ফিদিয়া আদায় করবে। যে ব্যক্তি খুশির সাথে সৎকর্ম করে, তা তার জন্যে কল্যাণকর হয়। আর যদি রোযা রাখো, তবে তা তোমাদের জন্যে বিশেষ কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে পারে”। -সূরা বাক্বারাহ- ১৮৪ আয়াত-।
হ্যাঁ, যদি মৃত্যুর পূর্বে কখনো সুস্থ হয় এবং রোযা রাখতে সক্ষম হয়, তাহলে রোযা রাখবে।
লেখক: মুফতি, মুহাদ্দিস ও মুফাসসির- আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরে বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিলো প্রশাসন- কনের বাবাকে কারাদণ্ড

রোযা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহারের শরয়ী বিধান- আল্লামা মুফতি জসিমুদ্দীন

আপডেট সময় : 03:42:36 pm, Tuesday, 25 March 2025
মোঃ আবু তৈয়ব, হাটহাজারী প্রতিনিধি 
হাঁপানী বা শ্বাসকষ্ট অত্যন্ত কষ্টদায়ক একটি রোগ। এই রোগের চিকিৎসা হিসেবে গ্যাসজাতীয় অতি সূক্ষ্ণ একটি ঔষধি পদার্থ আবিষ্কার করা হয়েছে। ব্যবহারের সুবিধার্থে কোম্পানী অষুধটিকে স্প্রে যন্ত্রের ভেতর রাখে, যাকে ইনহেলারও বলা হয়।
ব্যবহার পদ্ধতি: হাঁপানী রোগী যন্ত্রের সামনের দিকটি মুখের ভেতরে রেখে যথাসম্ভব মুখ বন্ধ করে, অত:পর স্প্রে করে ঢোক গিলতে থাকেন। ফলে শ্বাসরুদ্ধকর স্থানটি প্রশস্ত হয়ে শ্বাস চলাচল স্বাভাকি হয়ে যায় এবং শ্বাসজণিত কষ্টও লাঘব হয়।
বলাবাহুল্য, অষুধটি স্প্রে করার সময় যদিও তা গ্যাসের মত মনে হয়, প্রকৃতপক্ষে তা হলো- অবয়ব বিশিষ্ট তরল পদার্থ। আর এই তরল পদার্থ যখন মুখ দিয়ে প্রবেশ করে, তখন তা পেটে পৌঁছে যায়। তাই রোযা অবস্থায় ইনহেলার ব্যবহার করলে রোযা ভেঙ্গে যাবে।
আল্লামা ইবনে আবেদীন শামী (রাহ.) বলেন- “যদি কেউ কণ্ঠনালীতে ধোঁয়া প্রবেশ করায়, তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। তাই যদি ধুপ দ্বারা সুবাসিত হয় এবং সেই ধুপ পেটের দিকে টেনে আনে এবং রোযা স্মরণ থাকা সত্ত্বেও ঘ্রাণ নেয়, তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। কারণ, তা থেকে বেঁচে থাকা সম্ভব”। -ফাতাওয়ায়ে শামী- ৩-৩৬৬ পৃষ্ঠা, মাকতাবায়ে যাকারিয়া, দেওবন্দ-।
ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়াতে উল্লেখ আছে- “ইনহেলার ব্যবহার করলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। আর যদি রোযা অবস্থায় একান্ত অপারগতায় তা ব্যবহার করতে হয়, তাহলে রমযানের পরে শুধু ওই দিনের রোযা কাযা করলেই হবে। কাফফারা দিতে হবে না। আর যদি রোগীর অবস্থা এমন মারাত্মক হয় যে, ইনহেলার ব্যবহার ছাড়া থাকতে পারে না, তাহলে কাযা করারও প্রয়োজন নেই, বরং রোযার ফিদিয়া দিবে”। -ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়া- ৪-১৭০ পৃষ্ঠা, জামিয়া দারুল উলূম হক্কানিয়্যাহ, পাকিস্তান; জামেউল ফাতাওয়া- ৩-৩১৯ পৃষ্ঠা-।
মোট কথা, কোনো পদার্থ, তরল হোক বা ধোঁয়া জাতীয় হোক, পেটে পৌঁছলেই রোযা ভেঙ্গে যাবে।
ডাক্তারি পরামর্শ
বিজ্ঞ চিকিৎসকগণ হাঁপানী রোগীকে সাধারণত দিনে দুইবার ইনহেলার ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তাই রোগী যদি সাহরীতে একবার ও ইফতারের পর একবার ইনহেলার ব্যবহার করেন এবং এতে শ্বাসজণিত কোন সমস্যা না হয়, বিশেষত: ছোট দিনগুলোতে, তাহলে এই পদ্ধতিতে ইনহেলার গ্রহণ করে রোযা রাখবে।
অপারগদের করণীয়
যদি রোগ মারাত্ম ক আকার ধারণ করে এবং ইফতার পর্যন্ত অপেক্ষা করা সম্ভব না হয়, তাহলে শরীয়ত তাকে রোযা রাখতে বাধ্য করেনি। যেমনটি পূর্বে ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়ার উদ্ধৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, “রোগীর জন্যে কোন দোষ নেই”। -সূরা নূর- ৬১ আয়াত-।
অন্য এক স্থানে ইরশাদ করেছেন- “আল্লাহ তাআলা কাউকে তার সাধ্যাতীত মকোনো কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার ওপর বর্তায় যা সে করে। -সূরা বাক্বারাহ- ২৮৬ আয়াত-।
পরে যদি রোগী সুস্থ হয় বা ছোট দিনগুলোতে তার জন্যে রোযা রাখা সম্ভব হয়, তাহলে শুধু ক্বাযা করে নিবে, কাফফারা দিতে হবে না। আর যদি রোগীর অবস্থা এতটা নাজুক হয়ে যায় যে, ভাল হওয়ার সম্ভাবনা নেই এবং ইনহেলার ব্যবহার করা ছাড়া সে খেতে পারে না, তাহলে শরীয়ত তাকে রোযা না রেখে ফিদিয়া দেয়ার সুযোগ দিয়েছে। যেমন আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন-
“গণনার কয়েকটি দিনের জন্যে। অত:পর তোমাদের মধ্যে যে অসুস্থ থাকবে অথবা সফরে থাকবে, তার পক্ষে অন্য সময়ে সে রোযা পূরণ করে নিতে হবে। আর এটি যাদের জন্যে অত্যনস্ত কষ্টদায়ক হয়, তারা এর পরিবর্তে একজন মিসকিনকে খানা দিয়ে ফিদিয়া আদায় করবে। যে ব্যক্তি খুশির সাথে সৎকর্ম করে, তা তার জন্যে কল্যাণকর হয়। আর যদি রোযা রাখো, তবে তা তোমাদের জন্যে বিশেষ কল্যাণকর, যদি তোমরা তা বুঝতে পারে”। -সূরা বাক্বারাহ- ১৮৪ আয়াত-।
হ্যাঁ, যদি মৃত্যুর পূর্বে কখনো সুস্থ হয় এবং রোযা রাখতে সক্ষম হয়, তাহলে রোযা রাখবে।
লেখক: মুফতি, মুহাদ্দিস ও মুফাসসির- আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মুঈনুল ইসলাম, হাটহাজারী, চট্টগ্রাম।