Dhaka , Thursday, 30 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সদরপুরে হত্যা চেষ্টা মামলায় বিতর্ক, আসামি তালিকা নিয়ে প্রশ্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র রূপগঞ্জে মাদকসেবীদের হামলায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিদ্যালয়ের চাল উড়ে গেল, পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক ইউপি সদস্যসহ ২ জন কারাগারে ভারতের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জনের সাথে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাইকগাছায় রাতে দোকান খোলা রাখায় জরিমানা পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত গাজীপুরে ৬৪ কেজি গাঁজা ও ১২ বোতল বিদেশি মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা: গৃহশিক্ষকের ফাঁসির আদেশ গণসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে শব্দদূষণ প্রতিরোধ সম্ভব : বিভাগীয় কমিশনার নরসিংদী বৃষ্টির মধ্যে হাঁটু পানির নিচে সড়ক ঢালাই, এলাকাবাসীর ক্ষোভ শিট না আনায় ক্লাস থেকে বের করে দেয় শিক্ষক, প্যানিক অ্যাটাকে মেডিকেলে এক শিক্ষার্থী নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে রামু থেকে ৩২ লাখ টাকা চুরি ও অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেনের দ্রুত পদক্ষেপে জলাবদ্ধতা কমে স্বস্তি ফিরেছে নগরীতে রাজনগরে বন্যায় প্লাবিত দুই গ্রাম, দুর্ভোগে মানুষ চন্দনাইশে মমতা’র আয়োজনে উত্তম ব্যবস্থাপনায় নিরাপদ প্রাণিসম্পদ উৎপাদন প্রশিক্ষণ বারবার স্থগিত চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনী ভাগ্য কোন পথে? গাজীপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে আটক ৩০ কক্সবাজারে ডিএসকে’র উদ্যোগে যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত নরসিংদী পারিবারিক কলহের জেরে ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ কালীগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যানের বন্ধ কক্ষ থেকে সরকারি সম্পদ উধাও: তোলপাড় রূপগঞ্জে স্কুল ফিডিং প্রকল্পে নিম্নমানের বাসি দুর্গন্ধযুক্ত খাবার পরিবেশনে অনিয়মের অভিযোগ \ শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামে ১৫ বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান: সাড়ে ৪ লাখ টাকার মাদক ও মালামাল জব্দ মধুপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাইক বাজিয়ে আ.লীগের স্লোগান, সেই যুবক আটক কালীগঞ্জে র‍্যাবের জালে ৩ মাদক কারবারি: ঘর তল্লাশি করে ৬১১ বোতল মাদক উদ্ধার রূপগঞ্জে ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গ্রাহকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের ৫ম দিন পালিত রূপগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণ অভিযান নাইক্ষ্যংছড়িতে ইয়াবা নিয়ে সিএনজি চালক জান্নাত উল্লাহ সাঈদ আটক : গাড়ি জব্দ

ঝিনাইগাতির বোর চাষিরা আকাশে মেঘ দেখলেই হতাশায় পরে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:49:01 pm, Tuesday, 21 March 2023
  • 128 বার পড়া হয়েছে

মোঃ রাকিবুল হাসান

 শেরপুর প্রতিনিধি।।

 

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার সিংহভাগ লোক কৃষক তাই তাদের উৎপাদন হলো নানা জাতের কৃষি ফসল। তার মধ্যে প্রধান উৎপাদিত ফসল ধান। এছাড়াও অন্যান্য কৃষি ফসল উৎপাদন করে কৃষকেরা। তাই এই অঞ্চলের আয়ের প্রধান উৎস হলো কৃষি পণ্য। অধিকাংশ পরিবার কৃষি ফসলের উপর নির্ভরশীল। কৃষকরা নিজেদের খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে বারতি ফসল দেশের অভ্যান্তরে রপ্তানি করে। যদি কোন কারনে কৃষকের উৎপাদিত কৃষি ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাহলে দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের অন্য কোন আয়ের পথ না থাকায় কৃষকরা দিশেরাহা হয়ে পরে। উল্লেখ্য অত্র ঝিনাইগাতি উপজেলা নদী বেষ্টিত এলাকা। উক্ত উপজেলার মধ্য দিয়ে ভারতের মেঘালয় ও আসাম থেকে নেমে আসা মাঝারি ৫টি নদী ও কয়েকটি ছোট ঝুরা/নদী এই উপজেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের অভ্যান্তরে প্রবেশ করেছে। মাঝারি নদী গুলো হলো মহারশি, কালঘুষা, সমেশ্বরী, কর্ণঝুড়া ও ভোগাই। এই নদী গুলির নাব্যতা হারানোর ফলে বর্ষা মৌসুমে অতিবর্ষন ও ঢলের পানি নদী দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে না। যে কারনে গত বর্ষা মৌসুমে উক্ত নদী গুলির দু-পাড় ভেঙ্গে বহু ফসলি জমির ফসল ও আবাদি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়। চলতি বোর মৌসুম চাষাবাদ করেছে কৃষকেরা। উৎপাদিত বোর ফসলও ভালো হয়েছে। গত ৩ দিন হালকা ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি পাত হয়েছে। এতে বোর ফসলের জন্য ভালো হলেও দুশ্চিন্তায় পরেছে নদী ভাঙ্গন এলাকার বোর চাষিরা। কারন বড় ধরনের বৃষ্টিপাত হলেই নদীর ভাঙ্গন দিয়ে বর্ষন ও ঢলের পানি প্রবাহিত হলে তাদের কষ্টে অর্জিত বোর ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তাই নদী ভাঙ্গন এলাকায় বোর চাষিরা আকাশের কালো মেঘ দেখলেই দুশ্চিন্তায় পরে যায়। গত বর্ষার মৌসুমে নদী ভাঙ্গনের ৭/৮ মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত নদীর অনেক ভাঙ্গন এখনো মেরামত করা হয়নি। তাই নদী ভাঙ্গন এলাকা সহ নিম্ন অঞ্চলের কৃষকের উৎপাদিত ফসল নিয়ে হতাশার মধ্যে দিয়ে দিন কাটছে। যদি বোর ধান পাকার আগে নদী ভাঙ্গন গুলি দ্রুত সময়ে মেরামত করা হতো তাহলে নদী ভাঙ্গন ও নিম্ন অঞ্চলের বোর চাষিরা এতটা হতাশার মধ্যে থাকতো না। প্রকাশ থাকে যে গত বছরের তুলনায় এ বছর বোর চাষ করতে দ্বিগুন খরচ হয়েছে। কৃষকেরা ধার দেনা করে তাদের জমি গুলি বোর ধান চাষ করেছে। যদি এই চলতি বোর ফসল নদী ভাঙ্গার কারনে বন্যার পানি ভাঙ্গন দিয়ে প্রবাহের ফলে ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাহলে অনেক দরিদ্র কৃষকের না খেয়ে মরতে হবে। এতে একদিকে যেমন কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে অপরদিকে খাদ্য উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিবে। চলতি বোর মৌসুমের ফসল কাটতে আরো বাকি প্রায় ১ মাস। যদি এই ১ মাসের মধ্যে বড় ধরনের বৃষ্টিপাত বা বন্যা হয়। তাহলে নদী ভাঙ্গন এলাকা সহ নিম্নাঞ্চলে বোর ফসল রক্ষা করা সম্ভব হবে না। কারন ভাঙ্গন দিয়ে পানি প্রবেশ করে ভাঙ্গন এলাকা ও নিম্ন অঞ্চল পানিতে ডুবে ফসলের ক্ষতি সাধিত হবে। ঝিনাইগাতি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন দিলদারের সাথে নদী ভাঙ্গন বিষয়ে কথা হলে ঘটনার সত্যতা আছে বলে জানান। এছাড়াও গত বন্যায় নদীর উভয় পাড় ভাঙ্গনের ব্যাপারে শেরপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে মুঠফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সদরপুরে হত্যা চেষ্টা মামলায় বিতর্ক, আসামি তালিকা নিয়ে প্রশ্ন

ঝিনাইগাতির বোর চাষিরা আকাশে মেঘ দেখলেই হতাশায় পরে

আপডেট সময় : 04:49:01 pm, Tuesday, 21 March 2023

মোঃ রাকিবুল হাসান

 শেরপুর প্রতিনিধি।।

 

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার সিংহভাগ লোক কৃষক তাই তাদের উৎপাদন হলো নানা জাতের কৃষি ফসল। তার মধ্যে প্রধান উৎপাদিত ফসল ধান। এছাড়াও অন্যান্য কৃষি ফসল উৎপাদন করে কৃষকেরা। তাই এই অঞ্চলের আয়ের প্রধান উৎস হলো কৃষি পণ্য। অধিকাংশ পরিবার কৃষি ফসলের উপর নির্ভরশীল। কৃষকরা নিজেদের খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে বারতি ফসল দেশের অভ্যান্তরে রপ্তানি করে। যদি কোন কারনে কৃষকের উৎপাদিত কৃষি ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাহলে দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের অন্য কোন আয়ের পথ না থাকায় কৃষকরা দিশেরাহা হয়ে পরে। উল্লেখ্য অত্র ঝিনাইগাতি উপজেলা নদী বেষ্টিত এলাকা। উক্ত উপজেলার মধ্য দিয়ে ভারতের মেঘালয় ও আসাম থেকে নেমে আসা মাঝারি ৫টি নদী ও কয়েকটি ছোট ঝুরা/নদী এই উপজেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের অভ্যান্তরে প্রবেশ করেছে। মাঝারি নদী গুলো হলো মহারশি, কালঘুষা, সমেশ্বরী, কর্ণঝুড়া ও ভোগাই। এই নদী গুলির নাব্যতা হারানোর ফলে বর্ষা মৌসুমে অতিবর্ষন ও ঢলের পানি নদী দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে না। যে কারনে গত বর্ষা মৌসুমে উক্ত নদী গুলির দু-পাড় ভেঙ্গে বহু ফসলি জমির ফসল ও আবাদি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়। চলতি বোর মৌসুম চাষাবাদ করেছে কৃষকেরা। উৎপাদিত বোর ফসলও ভালো হয়েছে। গত ৩ দিন হালকা ও মাঝারি ধরনের বৃষ্টি পাত হয়েছে। এতে বোর ফসলের জন্য ভালো হলেও দুশ্চিন্তায় পরেছে নদী ভাঙ্গন এলাকার বোর চাষিরা। কারন বড় ধরনের বৃষ্টিপাত হলেই নদীর ভাঙ্গন দিয়ে বর্ষন ও ঢলের পানি প্রবাহিত হলে তাদের কষ্টে অর্জিত বোর ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তাই নদী ভাঙ্গন এলাকায় বোর চাষিরা আকাশের কালো মেঘ দেখলেই দুশ্চিন্তায় পরে যায়। গত বর্ষার মৌসুমে নদী ভাঙ্গনের ৭/৮ মাস অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত নদীর অনেক ভাঙ্গন এখনো মেরামত করা হয়নি। তাই নদী ভাঙ্গন এলাকা সহ নিম্ন অঞ্চলের কৃষকের উৎপাদিত ফসল নিয়ে হতাশার মধ্যে দিয়ে দিন কাটছে। যদি বোর ধান পাকার আগে নদী ভাঙ্গন গুলি দ্রুত সময়ে মেরামত করা হতো তাহলে নদী ভাঙ্গন ও নিম্ন অঞ্চলের বোর চাষিরা এতটা হতাশার মধ্যে থাকতো না। প্রকাশ থাকে যে গত বছরের তুলনায় এ বছর বোর চাষ করতে দ্বিগুন খরচ হয়েছে। কৃষকেরা ধার দেনা করে তাদের জমি গুলি বোর ধান চাষ করেছে। যদি এই চলতি বোর ফসল নদী ভাঙ্গার কারনে বন্যার পানি ভাঙ্গন দিয়ে প্রবাহের ফলে ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তাহলে অনেক দরিদ্র কৃষকের না খেয়ে মরতে হবে। এতে একদিকে যেমন কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে অপরদিকে খাদ্য উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিবে। চলতি বোর মৌসুমের ফসল কাটতে আরো বাকি প্রায় ১ মাস। যদি এই ১ মাসের মধ্যে বড় ধরনের বৃষ্টিপাত বা বন্যা হয়। তাহলে নদী ভাঙ্গন এলাকা সহ নিম্নাঞ্চলে বোর ফসল রক্ষা করা সম্ভব হবে না। কারন ভাঙ্গন দিয়ে পানি প্রবেশ করে ভাঙ্গন এলাকা ও নিম্ন অঞ্চল পানিতে ডুবে ফসলের ক্ষতি সাধিত হবে। ঝিনাইগাতি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন দিলদারের সাথে নদী ভাঙ্গন বিষয়ে কথা হলে ঘটনার সত্যতা আছে বলে জানান। এছাড়াও গত বন্যায় নদীর উভয় পাড় ভাঙ্গনের ব্যাপারে শেরপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে মুঠফোনে যোগাযোগ করা হলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।