Dhaka , Tuesday, 25 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে সেলাই মেশিন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করলেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বিয়া দিপু রূপগঞ্জে মহাসড়কের পাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ ও ময়লার ভাগার অপসারণের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কাউখালীতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ মীরগঞ্জে অবৈধ সার মজুত, খুচরা ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক উঠান বৈঠক ও বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর রূপগঞ্জে যুবতীকে সাতদিন আটকে রেখে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৩ বাগদান সারলেন অভিনেতা, কাকে মন দিলেন বড় সুখবর পেল বাংলাদেশ বিশ্ব ব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লক্ষ্মীপুরের কৃতি সন্তান আব্দুর রহমান খাঁন পাইকগাছায় বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে চলন্ত ফ্যান খুলে পড়ে ছাত্রী আহত শিপইয়ার্ডে ‘শূন্য প্রাণহানি’ নিশ্চিতের তাগিদ চট্টগ্রাম’র ডিসির সরকারের অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে চট্টগ্রামে রিফাইনারি নির্মাণ করছে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল রাহুলের সভায় ১০ কোটি রুপি খরচের অভিযোগ বিজেপির মধুপুরে প্রিমিয়ার সিমেন্ট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত ড. মঈন খান মন্ত্রী হয়ে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন শ্রীপুরে চরমহেশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন অ্যাডহক কমিটির সভাপতিকে বরণ ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংকের ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক’ আবদুর রহমান খান পবিত্র ওমরাহ পালন করলেন আসিফ মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া রূপরেখা ও নীতিমালা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেব: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী চবির আলাওল হলে শহিদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটের বিশ্বনাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় একমাত্র আসামি ‘রবিউল ইসলাম’ গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জে যুবদল নেতাকে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নের দাবিতে সমাবেশ মাদকমুক্ত সরাইল গড়ার প্রত্যয়ে রাজপথে সরাইল থানাপুলিশের মাদকবিরোধী র‍্যালি মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চট্টগ্রামে সুধী সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনা ‘টেররিস্ট’, দেড় হাজার মানুষ হত্যার পর ভারতে পালিয়েছেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন কারিনার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন, মুখ খুললেন সাইফের বোন এক দিনে ১৮ উইকেট পতনের কারণ জানালেন স্টার্ক

কক্সবাজারে স্বামীর দাপটে অফিস করেন না তানজিনা! 

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:44:57 pm, Sunday, 18 January 2026
  • 82 বার পড়া হয়েছে
কক্সবাজার অফিস:
এতিম ও দুস্থ শিশুদের আশ্রয়ের শেষ ঠিকানা সরকারি শিশু পরিবার। কিন্তু কক্সবাজার সমাজসেবা কার্যালয়ের অধীনস্থ খরুলিয়ার সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) যেন ব্যক্তিগত ইচ্ছায় পরিচালিত হচ্ছে। এখানকার উপ-তত্ত্বাবধায়ক তানজিনা আফরিন মাসের অধিকাংশ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। দীর্ঘ চার মাসের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তানজিনা আফরিন মাসে মাত্র ৩ থেকে ৪ দিন অফিসে আসেন এবং অবস্থান করেন বড়জোর ৩০ থেকে ৬০ মিনিট।
অভিযোগ উঠেছে, তাঁর স্বামী কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নিজাম উদ্দীন আহমেদ জেলা প্রশাসনের উচ্চপদে থাকায় ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন তানজিনা। গত সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সরেজমিনে অন্তত ২০ বার ওই কার্যালয়ে গিয়েও তানজিনা আফরিনের দেখা পাওয়া যায়নি।
হাজিরা খাতা ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি সপ্তাহে একদিনও নিয়মিত অফিস করেন না। মাঝেমধ্যে বিকেল ৫টার পর ব্যক্তিগত গাড়িতে করে এসে কিছু সময়ের জন্য সই-স্বাক্ষরেরকাজ সেরে আবার বেরিয়ে যান। প্রতিবেদক বারবার তাঁর সাথে দেখা করার চেষ্টা করলেও তিনি ‘শিশুদের জন্য বাজার করছেন’ এমন অযুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে গেছেন। পরে জানা যায়, দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিনি শিখিয়ে দিয়েছেন যাতে কেউ তাঁর খোঁজ করলে ‘বাজারের কাজে বাইরে আছেন’ বলে জানানো হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মচারী জানান, তানজিনা আফরিন যোগদানের পর থেকেই এই অনিয়ম নিয়মে পরিণত হয়েছে। কেউ কিছু বললে তিনি দাম্ভিকতার সুরে বলেন, ‘মানুষের ৩০-৩৫ বছর চাকরি করে যে অভিজ্ঞতা হয়, আমার তার চেয়ে বেশি আছে। সুতরাং আমার নিয়মিত অফিস করার দরকার নেই।’
এমনকি সমাজসেবা কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে অবগত থাকলেও এডিসি নিজাম উদ্দীনের রোষানলে পড়ার ভয়ে কেউ ব্যবস্থা নিতে সাহস পাচ্ছেন না।
জানা গেছে, একবার অনুপস্থিতি নিয়ে কথা বললে এডিসি নিজাম উদ্দীন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন। সরকারি শিশু পরিবারে ১০০ জন বালিকার বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৯৫ জন। প্রত্যেকের জন্য মাসে খাবার বাবদ ৪ হাজার এবং শিক্ষা উপকরণের জন্য ১ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকে। এছাড়া বিভিন্ন এনজিও থেকেও নিয়মিত বড় অংকের অনুদান আসে।
অভিযোগ রয়েছে, এই বিশাল অংকের অর্থের সঠিক হিসাব রাখা হয় না। নিয়ম অনুযায়ী ৬-৯বছর বয়সী এতিম ও অতি অসচ্ছল বালিকাদের ভর্তির কথা থাকলেও, বাস্তবে সচ্ছল ও বাবা-মা জীবিত আছে এমন শিশুদেরও এখানে ভর্তি রাখা হয়েছে।
সূত্র বলছে, এনজিওর অনুদান দিয়েই অনেক খরচ চালানো হলেও সরকারি বরাদ্দের বড় একটি অংশ তছরুপ হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-তত্ত্বাবধায়ক তানজিনা আফরিন দাবি করেন, তিনি প্রায়শই দাপ্তরিক কাজ ‘বাসায় বসে’ সম্পাদন করেন এবং বাকি সময় হোস্টেলের বাজার ও মিটিংয়ের কাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁকে কার্যালয়ে পাওয়া যায় না।
তবে সরেজমিনে তাঁর এই দাবির কোনো সত্যতা মেলেনি; বরং অনুসন্ধানে দেখা গেছে তিনি মাঝেমধ্যে কেবল বিকেল ৫টার পর নামমাত্র সময়ের জন্য দপ্তরে আসেন। তাঁর এই রহস্যজনক অনুপস্থিতির বিষয়ে বক্তব্য নিতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে একাধিকবার সরাসরি ও মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সুকৌশলে তা এড়িয়ে গেছেন: এমনকি পূর্বনির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী তাঁর আমন্ত্রণে দপ্তরে গিয়েও তাঁকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম জানান, সরকারি শিশু পরিবারের হোস্টেলগুলোতে সপ্তাহে ৭ দিনই কর্মঘণ্টা নির্ধারিত। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মস্থলে থাকা বাধ্যতামূলক। এর ব্যত্যয় ঘটা সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করার শামিল।
অন্যদিকে, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সফি উদ্দিন বলেন, ‘একজন উপ-তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল। কেউ যদি মাসে মাত্র ৪-৫দিন অফিস করেন, তবে সেটি গুরুতর অপরাধ। আমরা এই অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বিধি-অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেব।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে সেলাই মেশিন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করলেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বিয়া দিপু

কক্সবাজারে স্বামীর দাপটে অফিস করেন না তানজিনা! 

আপডেট সময় : 06:44:57 pm, Sunday, 18 January 2026
কক্সবাজার অফিস:
এতিম ও দুস্থ শিশুদের আশ্রয়ের শেষ ঠিকানা সরকারি শিশু পরিবার। কিন্তু কক্সবাজার সমাজসেবা কার্যালয়ের অধীনস্থ খরুলিয়ার সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) যেন ব্যক্তিগত ইচ্ছায় পরিচালিত হচ্ছে। এখানকার উপ-তত্ত্বাবধায়ক তানজিনা আফরিন মাসের অধিকাংশ সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকেন। দীর্ঘ চার মাসের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তানজিনা আফরিন মাসে মাত্র ৩ থেকে ৪ দিন অফিসে আসেন এবং অবস্থান করেন বড়জোর ৩০ থেকে ৬০ মিনিট।
অভিযোগ উঠেছে, তাঁর স্বামী কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) নিজাম উদ্দীন আহমেদ জেলা প্রশাসনের উচ্চপদে থাকায় ধরাকে সরা জ্ঞান করছেন তানজিনা। গত সেপ্টেম্বর ২০২৪ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সরেজমিনে অন্তত ২০ বার ওই কার্যালয়ে গিয়েও তানজিনা আফরিনের দেখা পাওয়া যায়নি।
হাজিরা খাতা ও স্থানীয় কর্মকর্তাদের বর্ণনা অনুযায়ী, তিনি সপ্তাহে একদিনও নিয়মিত অফিস করেন না। মাঝেমধ্যে বিকেল ৫টার পর ব্যক্তিগত গাড়িতে করে এসে কিছু সময়ের জন্য সই-স্বাক্ষরেরকাজ সেরে আবার বেরিয়ে যান। প্রতিবেদক বারবার তাঁর সাথে দেখা করার চেষ্টা করলেও তিনি ‘শিশুদের জন্য বাজার করছেন’ এমন অযুহাত দেখিয়ে এড়িয়ে গেছেন। পরে জানা যায়, দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের তিনি শিখিয়ে দিয়েছেন যাতে কেউ তাঁর খোঁজ করলে ‘বাজারের কাজে বাইরে আছেন’ বলে জানানো হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মচারী জানান, তানজিনা আফরিন যোগদানের পর থেকেই এই অনিয়ম নিয়মে পরিণত হয়েছে। কেউ কিছু বললে তিনি দাম্ভিকতার সুরে বলেন, ‘মানুষের ৩০-৩৫ বছর চাকরি করে যে অভিজ্ঞতা হয়, আমার তার চেয়ে বেশি আছে। সুতরাং আমার নিয়মিত অফিস করার দরকার নেই।’
এমনকি সমাজসেবা কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে অবগত থাকলেও এডিসি নিজাম উদ্দীনের রোষানলে পড়ার ভয়ে কেউ ব্যবস্থা নিতে সাহস পাচ্ছেন না।
জানা গেছে, একবার অনুপস্থিতি নিয়ে কথা বললে এডিসি নিজাম উদ্দীন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়েন। সরকারি শিশু পরিবারে ১০০ জন বালিকার বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে রয়েছে ৯৫ জন। প্রত্যেকের জন্য মাসে খাবার বাবদ ৪ হাজার এবং শিক্ষা উপকরণের জন্য ১ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকে। এছাড়া বিভিন্ন এনজিও থেকেও নিয়মিত বড় অংকের অনুদান আসে।
অভিযোগ রয়েছে, এই বিশাল অংকের অর্থের সঠিক হিসাব রাখা হয় না। নিয়ম অনুযায়ী ৬-৯বছর বয়সী এতিম ও অতি অসচ্ছল বালিকাদের ভর্তির কথা থাকলেও, বাস্তবে সচ্ছল ও বাবা-মা জীবিত আছে এমন শিশুদেরও এখানে ভর্তি রাখা হয়েছে।
সূত্র বলছে, এনজিওর অনুদান দিয়েই অনেক খরচ চালানো হলেও সরকারি বরাদ্দের বড় একটি অংশ তছরুপ হচ্ছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপ-তত্ত্বাবধায়ক তানজিনা আফরিন দাবি করেন, তিনি প্রায়শই দাপ্তরিক কাজ ‘বাসায় বসে’ সম্পাদন করেন এবং বাকি সময় হোস্টেলের বাজার ও মিটিংয়ের কাজে ব্যস্ত থাকায় তাঁকে কার্যালয়ে পাওয়া যায় না।
তবে সরেজমিনে তাঁর এই দাবির কোনো সত্যতা মেলেনি; বরং অনুসন্ধানে দেখা গেছে তিনি মাঝেমধ্যে কেবল বিকেল ৫টার পর নামমাত্র সময়ের জন্য দপ্তরে আসেন। তাঁর এই রহস্যজনক অনুপস্থিতির বিষয়ে বক্তব্য নিতে প্রতিবেদকের পক্ষ থেকে একাধিকবার সরাসরি ও মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সুকৌশলে তা এড়িয়ে গেছেন: এমনকি পূর্বনির্ধারিত শিডিউল অনুযায়ী তাঁর আমন্ত্রণে দপ্তরে গিয়েও তাঁকে কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম জানান, সরকারি শিশু পরিবারের হোস্টেলগুলোতে সপ্তাহে ৭ দিনই কর্মঘণ্টা নির্ধারিত। সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মস্থলে থাকা বাধ্যতামূলক। এর ব্যত্যয় ঘটা সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করার শামিল।
অন্যদিকে, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক মো. সফি উদ্দিন বলেন, ‘একজন উপ-তত্ত্বাবধায়কের দায়িত্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল। কেউ যদি মাসে মাত্র ৪-৫দিন অফিস করেন, তবে সেটি গুরুতর অপরাধ। আমরা এই অভিযোগগুলো খতিয়ে দেখে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি বিধি-অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেব।