Dhaka , Sunday, 12 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে ফুটে উঠেছে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চিত্র:- ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী পাইকগাছায় খাস জমি দখলমুক্ত: অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান সাতকানিয়ার কৃতি সন্তান মোঃ ইছহাক বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি নির্বাচিত জিয়া সরণি খাল পুনরুদ্ধার ও আধুনিকায়নে ডিএসসিসি’র ব্যাপক উদ্যোগ: দ্রুত বাস্তবায়িত হচ্ছে ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প ওয়াসার সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে হবে: পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী ইসরাইলি বোমা হামলায় লেবাননে নিহত বাংলাদেশী নারী দিপালীর পরিবারে শোকের মাতম- শোকার্ত পরিবারের পাশে ইউএনও। নগরীতে আলোচিত হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন করার ঘটনায় প্রধান আসামী কুখ্যাত সন্ত্রাসী সবুজ রক্তমাখা ধামাসহ গ্রেফতার নোয়াখালীতে ৮ লাখ টাকার অবৈধ জ্বালানি জব্দ, আটক ৪ গাজীপুরে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল নোয়াখালীতে আগুনে পুড়ে ছাই ৭ দোকান কুড়িগ্রামে ট্রাক্টরের আঘাতে অটোচালক নুর আমিন নিহত, ৪ জন আহত কুড়িগ্রামের উলিপুরে ২৭.৫ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ১ টি সিএনজি জব্দ করেছে পুলিশ সরাইলে ডাঃ কামরুল হাসানের বদলী প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন শামসুর রহমান ও সিরাতুল হুদা ট্রাস্টের ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে হাজারো রোগীর চিকিৎসা হিলিতে উদ্ভাবনী চিন্তায় মুখর দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা বিজিবির অভিযানে রামুর খুনিয়াপালং থেকে ৬ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার কেঁচো সারে বদলে গেলো জীবন: লোহাগড়ার চুনতির কাইছারের সফলতার গল্প! প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর ঘিরে গাজীপুরে ব্যাপক প্রস্তুতি মধুপুরে ২ হাজার ৪শ কৃষকের মাঝে পাটবীজ বিতরণ আশ ফাউন্ডেশনের উপহার পৌছে গেল রাঙ্গামাটির দুর্গম অঞ্চলে চট্টগ্রামে ভোজ্যতেল, জ্বালানীতেলসহ নিত্যপণ্য নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজি বন্ধে ক্যাব এর মানববন্ধন অনুষ্টিত প্রাথমিক শনাক্তকরণই জীবন বাঁচায়, কোলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতার বিকল্প নেই :- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পতেঙ্গা ১৫ নম্বর ঘাট এলাকা হতে প্রায় ১৫ কোটি টাকা মূল্যের ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ ৯ জন মাদক কারবারি’কে আটক করেছে, র‌্যাব-৭ চট্টগ্রাম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির নেতৃত্বে সাকিব-রবিউল রূপগঞ্জে অটোরিকশা রাখাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতি, অটোরিকশা চালক নিহত, আটক -১ জাজিরায় পদ্মা নদীর তীর রক্ষাবাঁধে বিএনপি নেতার ঘোষণা, “এখানে কাজ করবে শুধু আমাদের লোক” কলমাকান্দায় রামনাথপুরে পানি নিষ্কাশন বন্ধ, জলাবদ্ধতায় বিপাকে কৃষকরা; মানববন্ধনে ক্ষোভ কচুরিপানায় ঢেকে যাচ্ছে শীতলক্ষ্যা নদী রূপগঞ্জে পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার লালমনিরহাটে কিশোর গ্যাংয়ের নৃংশসতা: ছুরিকাঘাতে পথচারীর গুরুতর আহত

কক্সবাজারে অসহায় পরিবারের জমি জবরদখল।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:18:14 am, Wednesday, 10 July 2024
  • 152 বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারে অসহায় পরিবারের জমি জবরদখল।।

তৌহিদ বেলাল
  
কক্সবাজার অফিস।।
পর্যটন নগরী কক্সবাজার শহরের কলাতলি সড়কের হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় অসহায় পরিবারের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি জবরদখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি ভূমিদস্যু চক্র। দুর্ধর্ষ জালিয়াত এই চক্রটি মালিকপক্ষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে প্রকৃত ওয়ারিশদের বঞ্চিত করতে নানা অপকৌশল ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। এবিষয়ে ভুক্তভোগী মালিকপক্ষ কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আর এতে করে সমাধানের আশায় বুক বেঁধেছেন ভুক্তভোগী রবিউল। তিনি কক্সবাজার পৌরসভার মধ্যম বাহারছড়ার মৃত আবুল কাশেমের পুত্র। বর্তমানে কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কলাতলির আদর্শ গ্রামে বসবাস করেন তিনি। 
দায়ের করা ওই অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- কক্সবাজার পৌরসভার ঝিলংজা মৌজার বন্দোবস্তি মামলা নং ২১২- ১৯৪৫-৪৬ মূলে বন্দোবস্তি খতিয়ান নং ১২২৪- ২৯২ এর ১.৫০ একর জায়গার মালিক হলেন- কক্সবাজার পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের মধ্যম বাহারছড়ার আবুল কাশেম ও তার অন্য ভাইবোন। আবুল কাশেমের মৃত্যুর পর তার ছেলেমেয়েরা ওই জমি থেকে আনুপাতিকহারে প্রায় ৬ গণ্ডা জায়গার মালিক হন। মালিকপক্ষের দাবি, বর্তমানে ওই জমির বাজারমূল্য প্রায় একশো কোটি টাকা। এখান থেকে রবিউল পাবেন ০.০১৯২ শতক জমি।
ওয়ারিশদের দাবি- আবুল কাশেমের মৃত্যুর পর তাদের অংশের জমি চাচা গিয়াসউদ্দিন জালিয়াতির মাধ্যমে জবরদখল ও অন্যত্র বিক্রির অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন। এ লক্ষে তিনি বিভিন্ন জাল দলিলও বানিয়েছেন।
আবুল কাশেমের ছেলে রবিউল জানান- তার চাচা গিয়াসউদ্দিন বিভিন্ন জাল দলিল তৈরি করে তাদের অংশসহ পুরো জমিটা ভোগদখলের জোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এজন্য গিয়াসউদ্দিন বিভিন্ন সন্ত্রাসী ভাড়া ও গণপূর্ত অধিদফতরকে ব্যবহার করে পুরো জমি গ্রাস করার নানা অপতৎপরতা চালিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। এছাড়া গিয়াসউদ্দিনের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীরা তাদের নিকট থেকে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করছে বলেও অভিযোগ তাদের। তা না হলে ওই জমিতে রবিউলদের প্রবেশ করতে দেবেনা বলেও প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে।
জানা যায়- বিরোধীয় জমিটির বিষয়ে রয়েছে হাইকোর্টের সিভিল রিভিশন মামলা ৫৫৭-২০১৯ ও ১৬১৮-২০১৮- যেটি আদার স্যুট ১৪৭-২০১১ হতে উদ্ভূত হয়েছে। উচ্চ আদালত ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর ওই জমির প্রকৃত মালিক রবিউলদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন।
    
রবিউলের দাবি- তারা নির্মাণকাজ করতে গেলে তাদের চাচা গিয়াসউদ্দিন ও তার ছেলেরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। এছাড়া প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অস্ত্রধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসী তাদের অপহরণ- খুন- গুমসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে ও নানানভাবে হয়রানি করে আসছে। 
জানা যায়- নিজেদের পৈত্রিক জমি থেকে উচ্ছেদ ও জবরদখল বিষয়ে আইনি প্রতিকার ও নিজেদের জানমালের সার্বিক নিরাপত্তা চেয়ে রবিউল গেল ৩ জানুয়ারি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। একই বিষয়ে তিনি ইতোপূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকটও লিখিত অভিযোগ দেন। 
জানা গেছে- ওই অভিযোগের ভিত্তিতে গেল ২৮ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারী কমিশনার মুনমুন পাল স্বাক্ষরিত এক আদেশে কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারী কমিশনারকে -ভূমি- অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশনা দেন। 
  
জানা যায়- নিজেদের ওই জমির নামজারি করতে মালিক রবিউল গত ১৩ ফেব্রুয়ারি অনলাইনে নামজারির আবেদন ফি জমা দেন। আবেদনের সঙ্গে তিনি মালিকানার সপক্ষে সকল কাগজপত্র দাখিল করেন। 
    
খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, নালিশি ওই জমির বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট -এডিএম- আদালতে এমআর মামলা ২০২০-২০২২ দায়ের করা হলেও তাতে গিয়াসউদ্দিন হাজির হননি। এছাড়া সরেজমিনে তদন্ত করে কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার -ভূমি- ‘র নিকট থেকে প্রতিবেদন চাওয়া হয়। কিন্তু চাচা গিয়াসউদ্দিন টাকার জোরে ওই তদন্ত প্রতিবেদন নিজের পক্ষে করে নিয়েছেন বলে দাবি রবিউলদের। ফলে এসিল্যান্ডের দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে এডিএম কোর্টে নারাজি আবেদন জানানো হয়েছে। 
   
ভুক্তভোগী রবিউলের দাবি- তাদের চাচা গিয়াসউদ্দিন মোটা অংকের বিনিময়ে আদালতে তার পক্ষের আইনজীবী ও সহকারীদের বশে নিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও প্রতারণা করছেন। 
  
রবিউল বলেন- ইতোপূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি এবিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে আদেশ দেন’। 
  
এবিষয়ে অভিযুক্ত গিয়াসউদ্দিন বলেন- ‘আমার পিতার ৬ ছেলে ও ১ কন্যা সন্তানের সকলেই ওই জমি দলিলমূলে হস্তান্তর করে ফেলেছে। সুতরাং এখন আমরা কেউ আর জমিটির মালিক নই।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে ফুটে উঠেছে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চিত্র:- ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

কক্সবাজারে অসহায় পরিবারের জমি জবরদখল।।

আপডেট সময় : 06:18:14 am, Wednesday, 10 July 2024
তৌহিদ বেলাল
  
কক্সবাজার অফিস।।
পর্যটন নগরী কক্সবাজার শহরের কলাতলি সড়কের হোটেল-মোটেল জোন এলাকায় অসহায় পরিবারের কয়েক কোটি টাকা মূল্যের জমি জবরদখল করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি ভূমিদস্যু চক্র। দুর্ধর্ষ জালিয়াত এই চক্রটি মালিকপক্ষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে প্রকৃত ওয়ারিশদের বঞ্চিত করতে নানা অপকৌশল ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছে। এবিষয়ে ভুক্তভোগী মালিকপক্ষ কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আর এতে করে সমাধানের আশায় বুক বেঁধেছেন ভুক্তভোগী রবিউল। তিনি কক্সবাজার পৌরসভার মধ্যম বাহারছড়ার মৃত আবুল কাশেমের পুত্র। বর্তমানে কক্সবাজার পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কলাতলির আদর্শ গ্রামে বসবাস করেন তিনি। 
দায়ের করা ওই অভিযোগ সূত্রে জানা যায়- কক্সবাজার পৌরসভার ঝিলংজা মৌজার বন্দোবস্তি মামলা নং ২১২- ১৯৪৫-৪৬ মূলে বন্দোবস্তি খতিয়ান নং ১২২৪- ২৯২ এর ১.৫০ একর জায়গার মালিক হলেন- কক্সবাজার পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের মধ্যম বাহারছড়ার আবুল কাশেম ও তার অন্য ভাইবোন। আবুল কাশেমের মৃত্যুর পর তার ছেলেমেয়েরা ওই জমি থেকে আনুপাতিকহারে প্রায় ৬ গণ্ডা জায়গার মালিক হন। মালিকপক্ষের দাবি, বর্তমানে ওই জমির বাজারমূল্য প্রায় একশো কোটি টাকা। এখান থেকে রবিউল পাবেন ০.০১৯২ শতক জমি।
ওয়ারিশদের দাবি- আবুল কাশেমের মৃত্যুর পর তাদের অংশের জমি চাচা গিয়াসউদ্দিন জালিয়াতির মাধ্যমে জবরদখল ও অন্যত্র বিক্রির অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন। এ লক্ষে তিনি বিভিন্ন জাল দলিলও বানিয়েছেন।
আবুল কাশেমের ছেলে রবিউল জানান- তার চাচা গিয়াসউদ্দিন বিভিন্ন জাল দলিল তৈরি করে তাদের অংশসহ পুরো জমিটা ভোগদখলের জোর অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। এজন্য গিয়াসউদ্দিন বিভিন্ন সন্ত্রাসী ভাড়া ও গণপূর্ত অধিদফতরকে ব্যবহার করে পুরো জমি গ্রাস করার নানা অপতৎপরতা চালিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। এছাড়া গিয়াসউদ্দিনের লেলিয়ে দেয়া সন্ত্রাসীরা তাদের নিকট থেকে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করছে বলেও অভিযোগ তাদের। তা না হলে ওই জমিতে রবিউলদের প্রবেশ করতে দেবেনা বলেও প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে।
জানা যায়- বিরোধীয় জমিটির বিষয়ে রয়েছে হাইকোর্টের সিভিল রিভিশন মামলা ৫৫৭-২০১৯ ও ১৬১৮-২০১৮- যেটি আদার স্যুট ১৪৭-২০১১ হতে উদ্ভূত হয়েছে। উচ্চ আদালত ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর ওই জমির প্রকৃত মালিক রবিউলদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেন।
    
রবিউলের দাবি- তারা নির্মাণকাজ করতে গেলে তাদের চাচা গিয়াসউদ্দিন ও তার ছেলেরা ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। এছাড়া প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অস্ত্রধারী চিহ্নিত সন্ত্রাসী তাদের অপহরণ- খুন- গুমসহ বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে ও নানানভাবে হয়রানি করে আসছে। 
জানা যায়- নিজেদের পৈত্রিক জমি থেকে উচ্ছেদ ও জবরদখল বিষয়ে আইনি প্রতিকার ও নিজেদের জানমালের সার্বিক নিরাপত্তা চেয়ে রবিউল গেল ৩ জানুয়ারি কক্সবাজারের জেলা প্রশাসকের নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। একই বিষয়ে তিনি ইতোপূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকটও লিখিত অভিযোগ দেন। 
জানা গেছে- ওই অভিযোগের ভিত্তিতে গেল ২৮ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের জেএম শাখার সহকারী কমিশনার মুনমুন পাল স্বাক্ষরিত এক আদেশে কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারী কমিশনারকে -ভূমি- অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশনা দেন। 
  
জানা যায়- নিজেদের ওই জমির নামজারি করতে মালিক রবিউল গত ১৩ ফেব্রুয়ারি অনলাইনে নামজারির আবেদন ফি জমা দেন। আবেদনের সঙ্গে তিনি মালিকানার সপক্ষে সকল কাগজপত্র দাখিল করেন। 
    
খোঁজ নিয়ে আরও জানা গেছে, নালিশি ওই জমির বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট -এডিএম- আদালতে এমআর মামলা ২০২০-২০২২ দায়ের করা হলেও তাতে গিয়াসউদ্দিন হাজির হননি। এছাড়া সরেজমিনে তদন্ত করে কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার -ভূমি- ‘র নিকট থেকে প্রতিবেদন চাওয়া হয়। কিন্তু চাচা গিয়াসউদ্দিন টাকার জোরে ওই তদন্ত প্রতিবেদন নিজের পক্ষে করে নিয়েছেন বলে দাবি রবিউলদের। ফলে এসিল্যান্ডের দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে এডিএম কোর্টে নারাজি আবেদন জানানো হয়েছে। 
   
ভুক্তভোগী রবিউলের দাবি- তাদের চাচা গিয়াসউদ্দিন মোটা অংকের বিনিময়ে আদালতে তার পক্ষের আইনজীবী ও সহকারীদের বশে নিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি ও প্রতারণা করছেন। 
  
রবিউল বলেন- ইতোপূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি এবিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজারের পুলিশ সুপারকে আদেশ দেন’। 
  
এবিষয়ে অভিযুক্ত গিয়াসউদ্দিন বলেন- ‘আমার পিতার ৬ ছেলে ও ১ কন্যা সন্তানের সকলেই ওই জমি দলিলমূলে হস্তান্তর করে ফেলেছে। সুতরাং এখন আমরা কেউ আর জমিটির মালিক নই।