Dhaka , Sunday, 8 November 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
তার বিরুদ্ধে অনেকেই আমাকে নানা কথা বলেছিল: ফারাহ খান ৭ নভেম্বরের চেতনা থেকেই বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠার যাত্রা শুরু হয়েছিল :- ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি গোল্ডকাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, পাহাড়তলী “হাজী ক্যাম্প একাদশ ক্লাব”এর জার্সি উন্মোচন ৭ নভেম্বর সার্বভৌমত্ব, জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক চেতনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়: নাজিমুর রহমান অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা শ্রীপুরে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত পাইকগাছা হাসপাতালে রোগীদের উন্নত খাবার পরিবেশন মধুপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত মধুপুরে বাগবাড়ী মোড়-চাপড়িহাট সড়কের বেহাল দশা, ধুলাবালিতে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী ঋণের শেকলে দুবলার চরে ১০ হাজার জেলের জীবনযুদ্ধ ঈদগাঁওয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত রোনালদোর ৭ নম্বর জার্সি কি অবসরে পাঠাচ্ছে পর্তুগাল? ভোট চুরির পর এবার মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আরও এক চুরির অভিযোগ রাহুল গান্ধীর সরাইলে কৃষকদলের উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত কুড়িগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন সংস্কার হচ্ছে রেলপথ, নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন ৭ নভেম্বর ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? লংমার্চে নাহিদ ইসলাম অংশ না নেওয়ায় গুঞ্জন আরও ডালপালা মেলে ঢাকায় গ্রামপুলিশ মহাসমাবেশে আসার পথে অসুস্থ হয়ে ২ জনের মৃত্যু সোনারগাঁয়ে বৈষম্যবিরোধী মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার-১৫ সাতই নভেম্বর পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে নতুন যাত্রা শুরুর দিন: ডা. শাহাদাত হোসেন পাইকগাছায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত মধুপুরে মাদক মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত নারী গ্রেপ্তার মধুপুরে কথিত মাদক ব্যবসায়ী হাবুর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন দুর্গাপুরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত ​ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে দুর্গম চরাঞ্চলে ‘স্বাবলম্বী প্রজেক্ট’ এর মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম পরিদর্শিত যথাযোগ্য মর্যাদায় চরভদ্রাসনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত- বর্ণাঢ্য আয়োজন মুশফিকের রেকর্ড ভেঙে হৃদয়ের ২৪২, বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসে নতুন অধ্যায় গাইবান্ধায় এলজিইডির রাস্তার কাজ যথাযথভাবে বুঝে নিচ্ছেন কর্মকর্তা’রা কাউখালীতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

এসেছে হেমন্ত নবান্নের অপেক্ষায়।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 08:59:15 am, Saturday, 26 October 2024
  • 198 বার পড়া হয়েছে

এসেছে হেমন্ত, নবান্নের অপেক্ষায়

সি:স্টাফ রিপোর্টার- চট্টগ্রাম ব্যুরো।।
    
  
   
ষড়ঋতুর চতুর্থ ঋতু হেমন্ত। হেমন্ত এলে বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয় খুশির আমেজ। সকালের হিমশীতল বাতাস- মেঘমালার ন্যায় কুহেলি জানিয়ে দেয় শীতের আগমনী বার্তা। কৃষকের হৃদয় জুড়ে শুরু হয় উল্লাস। কৃষক যেন প্রাণ ফিরে পায়। ধান কাটার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে নিজেদের ঝংধরা কাস্তেগুলো চকচকে ধারালো করার জন্য নিয়ে যায় কর্মকারের কাছে। অপেক্ষার অবসান ঘটে শুরু হয় ধান কাটার পালা। কৃষক গানের সুর তুলে সোনারাঙ্গা ধান কাটায় অতিবাহিত করে দিনের সবটুকু সময়। তবুও যেন তাদের ক্লান্তি নেই। খুশি মনে সারা দিন রোদে পুড়ে ধান কাটে। ধান কাটা শেষে চলে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। বাংলার বুক জুড়ে শুরু হয় নবান্ন উৎসবের আমেজ।
আর নতুন ফসল ঘরে তুলতে পেরে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা যায়। এ সময় গ্রামবাংলার ঘরে-ঘরে আবহমান বাংলার শস্যভিত্তিক লোকউৎসব নবান্নের আমেজ লেগে থাকে। হেমন্তের ফসল কাটাকে কেন্দ্র করেই নবান্ন উৎসবের সূচনা হয়। নব অর্থ নতুন আর অন্ন অর্থ ভাত। অর্থাৎ হেমন্তকালীন নতুন ধান কাটার পর নতুন চালের পিঠা-পুলি-পায়েস প্রভৃতি খাওয়ার উৎসব বা পার্বণবিশেষ-যা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মহোৎসব- পল্লী গাঁয়ের লোকেদের প্রাণের উৎসব। বাংলাদেশসহ দুই বাংলাতেই প্রতি বছরই নবান্ন এলে গ্রামে-গঞ্জে মেলা বসে। এসব মেলায় নানা ধরনের খেলনা- মিষ্টান্ন- গৃহস্থালি পণ্যসামগ্রীসহ নানা জিনিসের সমাহার ঘটে। তা ছাড়া ঐতিহ্যবাহী দেশীয় নৃত্য- গান-বাজনা- খেলাধুলাসহ আবহমান বাংলার লোকজ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উদযাপন হয়।
নবান্নের এই ঋতু বাংলা সাহিত্যে কবি-শিল্পীদের ধরা দেয় নানা মাত্রায়, নানা আঙ্গিকে। দুই বাংলার কবি-সাহিত্যিকেরা যুগে-যুগে হেমন্তের নবান্ন উৎসব- পাকা ধানের ম-ম গন্ধ- শুষ্ক অনুজ্জ্বল শান্ত প্রকৃতির ভাবচ্ছবি নানাভাবে তাদের রচনায় তুলে ধরেছেন। অনেকেই আবেগে মন পুড়িয়ে হেমন্তকে পুঁজি করে লিখেছেন কবিতা- গান- নাটক- উপন্যাস বা গল্প। 
পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের কবিতায় হেমন্ত প্রকৃতিতে গ্রামীণ জীবনের নিখুঁত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন-‘আশ্বিন গেল কার্তিক মাসে পাকিল ক্ষেতের ধান- সারা মাঠ ভরি গাহিছে কে যেন হলদি কোটার গান।-ধানে ধান লাগি বাজিছে বাজনা-গন্ধ উড়ায় বায়ু- কলমি লতায় দোলন লেগেছে- ফুরাল ফুলের আয়ু।
হেমন্তের মনোহারি রূপে মুগ্ধ হয়ে জীবনানন্দ দাশ আরও লেখেন-‘আবার আসিব ফিরে- ধানসিঁড়িটির তীরে- এই বাংলায়- কার্তিকের নবান্নের দেশে- কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এই কাঁঠাল ছায়ায়।
কবি বেগম সুফিয়া কামাল গ্রামবাংলার অনবদ্য রূপ-সৌন্দর্যে বিমুগ্ধ। পল্লী প্রকৃতির সহজ-সরল ও স্বাভাবিক রূপ তার কাব্যে উপজীব্য হয়ে উঠেছে। তিনি লিখেছেন- হেমন্তের কবি আমি- হিমাচ্ছন্ন ধূসর সন্ধ্যায়- গৈরিক উত্তরীয় টানি মিশাইয়া রহি কুয়াশায়। আবার কখনো তিনি হেমন্তকে চিঠি লিখে বাংলার সবুজ-শ্যামল প্রকৃতিতে আবির্ভূত হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তার -হেমন্ত- কবিতায়- সবুজ পাতার খামের ভেতর- হলুদ গাঁদা চিঠি লেখে- কোন পাথারের ওপার থেকে- আনল ডেকে হেমন্তকে?- আনল ডেকে মটরশুঁটি- খেসারি আর কলাই ফুলে- আনল ডেকে কুয়াশাকে- সাঁঝ সকালে নদীর কূলে।- সকাল বেলা শিশির ভেজা-ঘাসের ওপর চলতে গিয়ে-হালকা মধুর শীতের ছোঁয়ায়- শরীর ওঠে শিরশিরিয়ে।
বৈচিত্র্যে ভরা বাংলার প্রতিটি ঋতুরই রয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও অপার সৌন্দর্য। সে-মতে হেমন্তের সৌন্দর্য হলো তার শান্ত-সুনিবিড় সোনালি প্রকৃতি এবং ঐতিহ্যে লালিত নবান্ন উৎসব। তার সঙ্গে রয়েছে হিম শীতল বাতাস- সোনার ধানে ভরা সোনালি প্রান্তর-সব মিলিয়ে প্রকৃতিতে অপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা করে- যা গ্রামগঞ্জ- শহরে বসবাসরত প্রতিটি নাগরিককে আনন্দ দেয়- উৎফুল্ল করে। হেমন্ত যেমন মানবমনকে আবিষ্ট করে রেখেছে যুগের পর যুগ ধরে- তেমনি কবি-সাহিত্যিকেরাও হেমন্তের চিরায়ত রূপ-সৌন্দর্য অমর পঙ্ক্তিমালায় সযতনে ফুটিয়ে তুলেছেন তাদের কলমের আঁচড়ে। সেই প্রাচীনকাল থেকে আজও তা প্রবহমান।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

তার বিরুদ্ধে অনেকেই আমাকে নানা কথা বলেছিল: ফারাহ খান

এসেছে হেমন্ত নবান্নের অপেক্ষায়।।

আপডেট সময় : 08:59:15 am, Saturday, 26 October 2024
সি:স্টাফ রিপোর্টার- চট্টগ্রাম ব্যুরো।।
    
  
   
ষড়ঋতুর চতুর্থ ঋতু হেমন্ত। হেমন্ত এলে বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয় খুশির আমেজ। সকালের হিমশীতল বাতাস- মেঘমালার ন্যায় কুহেলি জানিয়ে দেয় শীতের আগমনী বার্তা। কৃষকের হৃদয় জুড়ে শুরু হয় উল্লাস। কৃষক যেন প্রাণ ফিরে পায়। ধান কাটার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে নিজেদের ঝংধরা কাস্তেগুলো চকচকে ধারালো করার জন্য নিয়ে যায় কর্মকারের কাছে। অপেক্ষার অবসান ঘটে শুরু হয় ধান কাটার পালা। কৃষক গানের সুর তুলে সোনারাঙ্গা ধান কাটায় অতিবাহিত করে দিনের সবটুকু সময়। তবুও যেন তাদের ক্লান্তি নেই। খুশি মনে সারা দিন রোদে পুড়ে ধান কাটে। ধান কাটা শেষে চলে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। বাংলার বুক জুড়ে শুরু হয় নবান্ন উৎসবের আমেজ।
আর নতুন ফসল ঘরে তুলতে পেরে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা যায়। এ সময় গ্রামবাংলার ঘরে-ঘরে আবহমান বাংলার শস্যভিত্তিক লোকউৎসব নবান্নের আমেজ লেগে থাকে। হেমন্তের ফসল কাটাকে কেন্দ্র করেই নবান্ন উৎসবের সূচনা হয়। নব অর্থ নতুন আর অন্ন অর্থ ভাত। অর্থাৎ হেমন্তকালীন নতুন ধান কাটার পর নতুন চালের পিঠা-পুলি-পায়েস প্রভৃতি খাওয়ার উৎসব বা পার্বণবিশেষ-যা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মহোৎসব- পল্লী গাঁয়ের লোকেদের প্রাণের উৎসব। বাংলাদেশসহ দুই বাংলাতেই প্রতি বছরই নবান্ন এলে গ্রামে-গঞ্জে মেলা বসে। এসব মেলায় নানা ধরনের খেলনা- মিষ্টান্ন- গৃহস্থালি পণ্যসামগ্রীসহ নানা জিনিসের সমাহার ঘটে। তা ছাড়া ঐতিহ্যবাহী দেশীয় নৃত্য- গান-বাজনা- খেলাধুলাসহ আবহমান বাংলার লোকজ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উদযাপন হয়।
নবান্নের এই ঋতু বাংলা সাহিত্যে কবি-শিল্পীদের ধরা দেয় নানা মাত্রায়, নানা আঙ্গিকে। দুই বাংলার কবি-সাহিত্যিকেরা যুগে-যুগে হেমন্তের নবান্ন উৎসব- পাকা ধানের ম-ম গন্ধ- শুষ্ক অনুজ্জ্বল শান্ত প্রকৃতির ভাবচ্ছবি নানাভাবে তাদের রচনায় তুলে ধরেছেন। অনেকেই আবেগে মন পুড়িয়ে হেমন্তকে পুঁজি করে লিখেছেন কবিতা- গান- নাটক- উপন্যাস বা গল্প। 
পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের কবিতায় হেমন্ত প্রকৃতিতে গ্রামীণ জীবনের নিখুঁত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন-‘আশ্বিন গেল কার্তিক মাসে পাকিল ক্ষেতের ধান- সারা মাঠ ভরি গাহিছে কে যেন হলদি কোটার গান।-ধানে ধান লাগি বাজিছে বাজনা-গন্ধ উড়ায় বায়ু- কলমি লতায় দোলন লেগেছে- ফুরাল ফুলের আয়ু।
হেমন্তের মনোহারি রূপে মুগ্ধ হয়ে জীবনানন্দ দাশ আরও লেখেন-‘আবার আসিব ফিরে- ধানসিঁড়িটির তীরে- এই বাংলায়- কার্তিকের নবান্নের দেশে- কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এই কাঁঠাল ছায়ায়।
কবি বেগম সুফিয়া কামাল গ্রামবাংলার অনবদ্য রূপ-সৌন্দর্যে বিমুগ্ধ। পল্লী প্রকৃতির সহজ-সরল ও স্বাভাবিক রূপ তার কাব্যে উপজীব্য হয়ে উঠেছে। তিনি লিখেছেন- হেমন্তের কবি আমি- হিমাচ্ছন্ন ধূসর সন্ধ্যায়- গৈরিক উত্তরীয় টানি মিশাইয়া রহি কুয়াশায়। আবার কখনো তিনি হেমন্তকে চিঠি লিখে বাংলার সবুজ-শ্যামল প্রকৃতিতে আবির্ভূত হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তার -হেমন্ত- কবিতায়- সবুজ পাতার খামের ভেতর- হলুদ গাঁদা চিঠি লেখে- কোন পাথারের ওপার থেকে- আনল ডেকে হেমন্তকে?- আনল ডেকে মটরশুঁটি- খেসারি আর কলাই ফুলে- আনল ডেকে কুয়াশাকে- সাঁঝ সকালে নদীর কূলে।- সকাল বেলা শিশির ভেজা-ঘাসের ওপর চলতে গিয়ে-হালকা মধুর শীতের ছোঁয়ায়- শরীর ওঠে শিরশিরিয়ে।
বৈচিত্র্যে ভরা বাংলার প্রতিটি ঋতুরই রয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও অপার সৌন্দর্য। সে-মতে হেমন্তের সৌন্দর্য হলো তার শান্ত-সুনিবিড় সোনালি প্রকৃতি এবং ঐতিহ্যে লালিত নবান্ন উৎসব। তার সঙ্গে রয়েছে হিম শীতল বাতাস- সোনার ধানে ভরা সোনালি প্রান্তর-সব মিলিয়ে প্রকৃতিতে অপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা করে- যা গ্রামগঞ্জ- শহরে বসবাসরত প্রতিটি নাগরিককে আনন্দ দেয়- উৎফুল্ল করে। হেমন্ত যেমন মানবমনকে আবিষ্ট করে রেখেছে যুগের পর যুগ ধরে- তেমনি কবি-সাহিত্যিকেরাও হেমন্তের চিরায়ত রূপ-সৌন্দর্য অমর পঙ্ক্তিমালায় সযতনে ফুটিয়ে তুলেছেন তাদের কলমের আঁচড়ে। সেই প্রাচীনকাল থেকে আজও তা প্রবহমান।