Dhaka , Saturday, 30 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে ৮সহস্রাধিক গার্মেন্টস কর্মী ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ রূপগঞ্জে ৮সহস্রাধিক গার্মেন্টস কর্মী ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ রেড মিট ঝুঁকি কমিয়ে স্বাস্থ্যকরভাবে খাবার পরামর্শ রূপগঞ্জে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে লালমনিরহাটে একদিন আগেই পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন টিকিটের টাকা নিয়ে উধাও বাস মালিকরা, নারায়ণগঞ্জে যাত্রীদের বিক্ষোভ জনদুর্ভোগে এগিয়ে এলেন ছাত্রদল নেতা নাছির, নিজ টাকায় সড়ক মেরামত রামগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি জঙ্গল সলিমপুরে ‘ইয়াসিন-ফারুক সাম্রাজ্য’! পাহাড়ের গুহায় অস্ত্র কারখানা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতির অভিযোগ আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে সীমান্তে কঠোর অবস্থানে ১৫ বিজিবি: ফুলবাড়ীতে মাদক স্পটে অভিযানে ৬০ বোতল ইস্কাপ সিরাপ জব্দ ‘হাটগুলোতে স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে’: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত জমিয়তুল ফালাহ ময়দান: চসিক মেয়র ঈদের ছুটিতে একসঙ্গে ফিরছিলেন বাড়ি, এবার পাশাপাশি কবরে শায়িত তারা কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন: একদিন আগেও ছিল ঘর, আজ ফ্লাইওভারের নিচেই তাদের ঠিকানা সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হবে ঈদুল আজহার জামাত রায়পুরায় দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা নোয়াখালীতে নসিমন উল্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু মির্জাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মৃত্যু হাজরাপুর ইউনিয়নে তরুণদের আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাইমুম সিরাজ শোয়ার আগে যে কাজটি করতে ভোলেন না ক্যাটরিনা ইউরো জেতানো অধিনায়ককে ছাড়াই স্পেনের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা আঘাত বা ক্ষত যখন ক্যানসারে রূপ নেয়, যেসব লক্ষণ অবহেলা করা যাবে না গাছের তাল পাড়তে নিষেধ করায় প্রতিবেশীর বর্বরোচিত হামলা, বৃদ্ধ গুরুতর আহত ৬ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য চসিকের, নগরজুড়ে তদারকিতে থাকবেন মেয়র ডা. শাহাদাত রূপগঞ্জে ফল ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল পাইকগাছায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন; আইনগত ব্যবস্থার দাবি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে অপপ্রচারের প্রতিবাদে রূপগঞ্জে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে পেলেন ২০ কেজির কোরাল মাছ পাইকগাছায় কোরবানির পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঢাকা-৫ এর জলাবদ্ধতা নিরসনে এমপি কামাল হোসেন এর দ্রুত হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী

এসেছে হেমন্ত নবান্নের অপেক্ষায়।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 08:59:15 am, Saturday, 26 October 2024
  • 156 বার পড়া হয়েছে

এসেছে হেমন্ত, নবান্নের অপেক্ষায়

সি:স্টাফ রিপোর্টার- চট্টগ্রাম ব্যুরো।।
    
  
   
ষড়ঋতুর চতুর্থ ঋতু হেমন্ত। হেমন্ত এলে বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয় খুশির আমেজ। সকালের হিমশীতল বাতাস- মেঘমালার ন্যায় কুহেলি জানিয়ে দেয় শীতের আগমনী বার্তা। কৃষকের হৃদয় জুড়ে শুরু হয় উল্লাস। কৃষক যেন প্রাণ ফিরে পায়। ধান কাটার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে নিজেদের ঝংধরা কাস্তেগুলো চকচকে ধারালো করার জন্য নিয়ে যায় কর্মকারের কাছে। অপেক্ষার অবসান ঘটে শুরু হয় ধান কাটার পালা। কৃষক গানের সুর তুলে সোনারাঙ্গা ধান কাটায় অতিবাহিত করে দিনের সবটুকু সময়। তবুও যেন তাদের ক্লান্তি নেই। খুশি মনে সারা দিন রোদে পুড়ে ধান কাটে। ধান কাটা শেষে চলে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। বাংলার বুক জুড়ে শুরু হয় নবান্ন উৎসবের আমেজ।
আর নতুন ফসল ঘরে তুলতে পেরে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা যায়। এ সময় গ্রামবাংলার ঘরে-ঘরে আবহমান বাংলার শস্যভিত্তিক লোকউৎসব নবান্নের আমেজ লেগে থাকে। হেমন্তের ফসল কাটাকে কেন্দ্র করেই নবান্ন উৎসবের সূচনা হয়। নব অর্থ নতুন আর অন্ন অর্থ ভাত। অর্থাৎ হেমন্তকালীন নতুন ধান কাটার পর নতুন চালের পিঠা-পুলি-পায়েস প্রভৃতি খাওয়ার উৎসব বা পার্বণবিশেষ-যা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মহোৎসব- পল্লী গাঁয়ের লোকেদের প্রাণের উৎসব। বাংলাদেশসহ দুই বাংলাতেই প্রতি বছরই নবান্ন এলে গ্রামে-গঞ্জে মেলা বসে। এসব মেলায় নানা ধরনের খেলনা- মিষ্টান্ন- গৃহস্থালি পণ্যসামগ্রীসহ নানা জিনিসের সমাহার ঘটে। তা ছাড়া ঐতিহ্যবাহী দেশীয় নৃত্য- গান-বাজনা- খেলাধুলাসহ আবহমান বাংলার লোকজ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উদযাপন হয়।
নবান্নের এই ঋতু বাংলা সাহিত্যে কবি-শিল্পীদের ধরা দেয় নানা মাত্রায়, নানা আঙ্গিকে। দুই বাংলার কবি-সাহিত্যিকেরা যুগে-যুগে হেমন্তের নবান্ন উৎসব- পাকা ধানের ম-ম গন্ধ- শুষ্ক অনুজ্জ্বল শান্ত প্রকৃতির ভাবচ্ছবি নানাভাবে তাদের রচনায় তুলে ধরেছেন। অনেকেই আবেগে মন পুড়িয়ে হেমন্তকে পুঁজি করে লিখেছেন কবিতা- গান- নাটক- উপন্যাস বা গল্প। 
পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের কবিতায় হেমন্ত প্রকৃতিতে গ্রামীণ জীবনের নিখুঁত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন-‘আশ্বিন গেল কার্তিক মাসে পাকিল ক্ষেতের ধান- সারা মাঠ ভরি গাহিছে কে যেন হলদি কোটার গান।-ধানে ধান লাগি বাজিছে বাজনা-গন্ধ উড়ায় বায়ু- কলমি লতায় দোলন লেগেছে- ফুরাল ফুলের আয়ু।
হেমন্তের মনোহারি রূপে মুগ্ধ হয়ে জীবনানন্দ দাশ আরও লেখেন-‘আবার আসিব ফিরে- ধানসিঁড়িটির তীরে- এই বাংলায়- কার্তিকের নবান্নের দেশে- কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এই কাঁঠাল ছায়ায়।
কবি বেগম সুফিয়া কামাল গ্রামবাংলার অনবদ্য রূপ-সৌন্দর্যে বিমুগ্ধ। পল্লী প্রকৃতির সহজ-সরল ও স্বাভাবিক রূপ তার কাব্যে উপজীব্য হয়ে উঠেছে। তিনি লিখেছেন- হেমন্তের কবি আমি- হিমাচ্ছন্ন ধূসর সন্ধ্যায়- গৈরিক উত্তরীয় টানি মিশাইয়া রহি কুয়াশায়। আবার কখনো তিনি হেমন্তকে চিঠি লিখে বাংলার সবুজ-শ্যামল প্রকৃতিতে আবির্ভূত হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তার -হেমন্ত- কবিতায়- সবুজ পাতার খামের ভেতর- হলুদ গাঁদা চিঠি লেখে- কোন পাথারের ওপার থেকে- আনল ডেকে হেমন্তকে?- আনল ডেকে মটরশুঁটি- খেসারি আর কলাই ফুলে- আনল ডেকে কুয়াশাকে- সাঁঝ সকালে নদীর কূলে।- সকাল বেলা শিশির ভেজা-ঘাসের ওপর চলতে গিয়ে-হালকা মধুর শীতের ছোঁয়ায়- শরীর ওঠে শিরশিরিয়ে।
বৈচিত্র্যে ভরা বাংলার প্রতিটি ঋতুরই রয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও অপার সৌন্দর্য। সে-মতে হেমন্তের সৌন্দর্য হলো তার শান্ত-সুনিবিড় সোনালি প্রকৃতি এবং ঐতিহ্যে লালিত নবান্ন উৎসব। তার সঙ্গে রয়েছে হিম শীতল বাতাস- সোনার ধানে ভরা সোনালি প্রান্তর-সব মিলিয়ে প্রকৃতিতে অপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা করে- যা গ্রামগঞ্জ- শহরে বসবাসরত প্রতিটি নাগরিককে আনন্দ দেয়- উৎফুল্ল করে। হেমন্ত যেমন মানবমনকে আবিষ্ট করে রেখেছে যুগের পর যুগ ধরে- তেমনি কবি-সাহিত্যিকেরাও হেমন্তের চিরায়ত রূপ-সৌন্দর্য অমর পঙ্ক্তিমালায় সযতনে ফুটিয়ে তুলেছেন তাদের কলমের আঁচড়ে। সেই প্রাচীনকাল থেকে আজও তা প্রবহমান।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে ৮সহস্রাধিক গার্মেন্টস কর্মী ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ

এসেছে হেমন্ত নবান্নের অপেক্ষায়।।

আপডেট সময় : 08:59:15 am, Saturday, 26 October 2024
সি:স্টাফ রিপোর্টার- চট্টগ্রাম ব্যুরো।।
    
  
   
ষড়ঋতুর চতুর্থ ঋতু হেমন্ত। হেমন্ত এলে বাঙালির ঘরে ঘরে শুরু হয় খুশির আমেজ। সকালের হিমশীতল বাতাস- মেঘমালার ন্যায় কুহেলি জানিয়ে দেয় শীতের আগমনী বার্তা। কৃষকের হৃদয় জুড়ে শুরু হয় উল্লাস। কৃষক যেন প্রাণ ফিরে পায়। ধান কাটার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে নিজেদের ঝংধরা কাস্তেগুলো চকচকে ধারালো করার জন্য নিয়ে যায় কর্মকারের কাছে। অপেক্ষার অবসান ঘটে শুরু হয় ধান কাটার পালা। কৃষক গানের সুর তুলে সোনারাঙ্গা ধান কাটায় অতিবাহিত করে দিনের সবটুকু সময়। তবুও যেন তাদের ক্লান্তি নেই। খুশি মনে সারা দিন রোদে পুড়ে ধান কাটে। ধান কাটা শেষে চলে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। বাংলার বুক জুড়ে শুরু হয় নবান্ন উৎসবের আমেজ।
আর নতুন ফসল ঘরে তুলতে পেরে কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক দেখা যায়। এ সময় গ্রামবাংলার ঘরে-ঘরে আবহমান বাংলার শস্যভিত্তিক লোকউৎসব নবান্নের আমেজ লেগে থাকে। হেমন্তের ফসল কাটাকে কেন্দ্র করেই নবান্ন উৎসবের সূচনা হয়। নব অর্থ নতুন আর অন্ন অর্থ ভাত। অর্থাৎ হেমন্তকালীন নতুন ধান কাটার পর নতুন চালের পিঠা-পুলি-পায়েস প্রভৃতি খাওয়ার উৎসব বা পার্বণবিশেষ-যা পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মহোৎসব- পল্লী গাঁয়ের লোকেদের প্রাণের উৎসব। বাংলাদেশসহ দুই বাংলাতেই প্রতি বছরই নবান্ন এলে গ্রামে-গঞ্জে মেলা বসে। এসব মেলায় নানা ধরনের খেলনা- মিষ্টান্ন- গৃহস্থালি পণ্যসামগ্রীসহ নানা জিনিসের সমাহার ঘটে। তা ছাড়া ঐতিহ্যবাহী দেশীয় নৃত্য- গান-বাজনা- খেলাধুলাসহ আবহমান বাংলার লোকজ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উদযাপন হয়।
নবান্নের এই ঋতু বাংলা সাহিত্যে কবি-শিল্পীদের ধরা দেয় নানা মাত্রায়, নানা আঙ্গিকে। দুই বাংলার কবি-সাহিত্যিকেরা যুগে-যুগে হেমন্তের নবান্ন উৎসব- পাকা ধানের ম-ম গন্ধ- শুষ্ক অনুজ্জ্বল শান্ত প্রকৃতির ভাবচ্ছবি নানাভাবে তাদের রচনায় তুলে ধরেছেন। অনেকেই আবেগে মন পুড়িয়ে হেমন্তকে পুঁজি করে লিখেছেন কবিতা- গান- নাটক- উপন্যাস বা গল্প। 
পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের কবিতায় হেমন্ত প্রকৃতিতে গ্রামীণ জীবনের নিখুঁত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি বলেন-‘আশ্বিন গেল কার্তিক মাসে পাকিল ক্ষেতের ধান- সারা মাঠ ভরি গাহিছে কে যেন হলদি কোটার গান।-ধানে ধান লাগি বাজিছে বাজনা-গন্ধ উড়ায় বায়ু- কলমি লতায় দোলন লেগেছে- ফুরাল ফুলের আয়ু।
হেমন্তের মনোহারি রূপে মুগ্ধ হয়ে জীবনানন্দ দাশ আরও লেখেন-‘আবার আসিব ফিরে- ধানসিঁড়িটির তীরে- এই বাংলায়- কার্তিকের নবান্নের দেশে- কুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এই কাঁঠাল ছায়ায়।
কবি বেগম সুফিয়া কামাল গ্রামবাংলার অনবদ্য রূপ-সৌন্দর্যে বিমুগ্ধ। পল্লী প্রকৃতির সহজ-সরল ও স্বাভাবিক রূপ তার কাব্যে উপজীব্য হয়ে উঠেছে। তিনি লিখেছেন- হেমন্তের কবি আমি- হিমাচ্ছন্ন ধূসর সন্ধ্যায়- গৈরিক উত্তরীয় টানি মিশাইয়া রহি কুয়াশায়। আবার কখনো তিনি হেমন্তকে চিঠি লিখে বাংলার সবুজ-শ্যামল প্রকৃতিতে আবির্ভূত হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তার -হেমন্ত- কবিতায়- সবুজ পাতার খামের ভেতর- হলুদ গাঁদা চিঠি লেখে- কোন পাথারের ওপার থেকে- আনল ডেকে হেমন্তকে?- আনল ডেকে মটরশুঁটি- খেসারি আর কলাই ফুলে- আনল ডেকে কুয়াশাকে- সাঁঝ সকালে নদীর কূলে।- সকাল বেলা শিশির ভেজা-ঘাসের ওপর চলতে গিয়ে-হালকা মধুর শীতের ছোঁয়ায়- শরীর ওঠে শিরশিরিয়ে।
বৈচিত্র্যে ভরা বাংলার প্রতিটি ঋতুরই রয়েছে স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ও অপার সৌন্দর্য। সে-মতে হেমন্তের সৌন্দর্য হলো তার শান্ত-সুনিবিড় সোনালি প্রকৃতি এবং ঐতিহ্যে লালিত নবান্ন উৎসব। তার সঙ্গে রয়েছে হিম শীতল বাতাস- সোনার ধানে ভরা সোনালি প্রান্তর-সব মিলিয়ে প্রকৃতিতে অপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা করে- যা গ্রামগঞ্জ- শহরে বসবাসরত প্রতিটি নাগরিককে আনন্দ দেয়- উৎফুল্ল করে। হেমন্ত যেমন মানবমনকে আবিষ্ট করে রেখেছে যুগের পর যুগ ধরে- তেমনি কবি-সাহিত্যিকেরাও হেমন্তের চিরায়ত রূপ-সৌন্দর্য অমর পঙ্ক্তিমালায় সযতনে ফুটিয়ে তুলেছেন তাদের কলমের আঁচড়ে। সেই প্রাচীনকাল থেকে আজও তা প্রবহমান।