Dhaka , Tuesday, 17 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য রমজানের উপহার পাঠালেন আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন চন্দনাইশে ফসলি জমির টপসয়েল কাটায় প্রশাসনের অভিযান: এসকেভেটর জব্দ নগরীর বিভিন্ন মার্কেটে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করলেন সিএমপি কমিশনার পাইকগাছায় সমুদ্রগামী জেলেদের মাঝে লাইফ জ্যাকেট বিতরণ পাইকগাছায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইলচেয়ার বিতরণ পাইকগাছায় ভিজিএফ কার্ডের চাল বিতরণ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল ফোরকান রূপগঞ্জের শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে চাঁদপুর ও বরিশালগামী বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস চালু ॥ খুশি ঘরমুখো যাত্রীরা রূপগঞ্জের সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি থানায় জিডি রামগঞ্জের ‎ভাটরা ইউনিয়ন পরিষদে হামলা ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বিএএফ শাহীন হাজী আশ্রাফ আলী স্কুলে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডা. শাহাদাত হোসেন খাল পুনঃখনন হলে বদলে যাবে কৃষি ও অর্থনীতির চিত্র:- আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী গবেষনাধর্মী প্রকাশনী ‘বরুমতির বাঁকে’র লেখক পাঠক প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত আড়াইহাজারে প্রবাস ফেরত নারীকে ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেফতার নোয়াখালীতে কাভাড ভ্যান চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চালক আটক নোয়াখালীতে গৃহবধূ হত্যা: স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার বিশিষ্টজনদের সম্মানে রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত অপপ্রচারের প্রতিকার চেয়ে ব্যবসায়ী শাহ আলমের দাবি মাদক উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত নন তিনি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সংগঠন বরকল ইউনিয়ন প্রবাসী ফোরামের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ‘বিভ্রান্তিকর’ দাবি অভিনের নোয়াখালীতে ২০০জন হাফেজকে সংবর্ধনা দেন ইসলামী ছাত্রশিবির   মধুপুরে শহিদ ওসমান হাদি স্মরণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। মধুপুরে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস-২০২৬ উদযাপন রায়পুরে বাস কাউন্টার ও সিএনজিতে বিশেষ অভিযান: ৪০০০ টাকা জরিমানা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়পুরহাট জেলা স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন, ইফতার মাহফিল ও মাহমুদ স্মৃতি অলিম্পিয়াডের পুরস্কার বিতরণ পাইকারি ও খুচরা বাজারের মূল্য তারতম্য অনুসন্ধানে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী চসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য ১ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী নাগেশ্বরী সীমান্তে বিজিবির তৎপরতা: পাচারকারীর ফেলে যাওয়া ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার সিআইডি সদস্যদের জন্য আধুনিক ডিউটি ভেস্ট, যুক্ত হলো কিউআর কোড যাচাইকরণ

এখনো স্বাভাবিক নয় বরিশালের ট্রাফিক ব্যবস্থা- কথা শোনেনা বেশিরভাগ চালক।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:17:19 pm, Monday, 26 August 2024
  • 102 বার পড়া হয়েছে

এখনো স্বাভাবিক নয় বরিশালের ট্রাফিক ব্যবস্থা- কথা শোনেনা বেশিরভাগ চালক।।

আরিফ আহমেদ
বিশেষ প্রতিবেদক।।
এখনো স্বাভাবিক হয়নি বরিশাল তথা বাংলাদেশের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছাড়া ট্রাফিক পুলিশও দেখা যায়নি বরিশাল নগরীর কোথাও। সাধারণ মানুষের দাবী সন্ধ্যার পর কোনো ট্রাফিক পুলিশ দেখা যায়না সড়কে। আর ট্রাফিক সদস্যরা বলছেন- কি দাঁড়াবো ভাই? কেউই তো কথা শোনেনা। উল্টো বলে আপনার কাজ করেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদেরই ভূমিকা রাখতে হবে বলে জানালেন ট্রাফিক পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। এদিকে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্বীকার করে এ নিয়ে জরুরী বৈঠক করা হবে বলে  জানালেন বরিশালের সমন্বয়করা। 
সরজমিনে বরিশালের আমতলা মোড়- বাংলা বাজার তিনমাথা, জেলা স্কুল ও বাঁধ রোড এলাকার ব্যস্ত মোড়গুলোতে কোনো ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি দেখা যায়নি ২৬ আগস্ট সোমবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর তিনটা পর্যন্ত। হেঁটে হেঁটে নগরীর কাকলীর মোড়ে এসে দু’জন ট্রাফিক কনস্টেবল ও একজন সাব ইন্সপেক্টরের দেখা পাওয়া গেল। এখানে সদর রোডে ইজিবাইক ও অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ ছিলো আগে। এখন অনায়াসে তা চলাচল করতে দেখা গেছে। গতদিনও এখানে দুজন সাব ইন্সপেক্টর একজন ইন্সপেক্টর ছাড়াও চারজন কনস্টেবল দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু সোমবার দায়িত্বে আছেন মাত্র চারজন। কম কেন? উত্তরে একজন কনস্টেবল তৌহিদুল জানালেন, আমাদের লোকবল এই মুহূর্তে খুবই কম। তারউপর বেশিরভাগ রিকশাচালক ও অটোচালক কথা শোনেনা এখন আর। যেখানে সেখানে যত্রতত্র পার্কিং করলেও আমরা কিছু বললে উল্টো ধমক দেয় তারা। কনস্টেবল তৌহিদুল এর বক্তব্য শেষ হতে না হতেই তার কথার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেল একজন থ্রী – হুইলার অটোচালকের আচরণে। ঠিক ট্রাফিক বক্সের বিপরীতের মোড়ে দাঁড়িয়ে গেল এবং যাত্রী ওঠানামা করার পরও দাঁড়িয়ে থাকলো নতুন যাত্রীর অপেক্ষায়। পিছনে তখন তিন-চারটি অটোরিকশায় যানজট তৈরি হয়েছে। সাব ইন্সপেক্টর সবুজ এগিয়ে গিয়ে তাকে সরতে বলার সাথে সাথে সে এমন অঙ্গভঙ্গি করলো যে প্রতিবেদকেরই মনে হলো এজন্য তাকে কঠোর শাস্তি দেয়া উচিত। বিনয়ের সাথে থ্রী – হুইলার চালককে সরিয়ে দিয়ে সার্জেন্ট সজীব বললেন, ট্রেনিং সম্পন্ন করে গত ৩ আগস্ট বরিশালে দায়িত্ব পালনে এসেছি। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন আসলে এখনো কঠিন। নানারকম ভয় কাজ করে। যে কারণে সন্ধ্যার পর থাকাটা নিরাপদ মনে হয়না আমাদের। যদিও গতদিন অফিসিয়াল নির্দেশনা এসেছে রাত আটটা পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য। 
এ চিত্র শুধু বরিশালের নয়- বরিশাল বিভাগের ছয়জেলাসহ সারা বাংলাদেশের চিত্র এমনই বলে জানালেন বরিশালের সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও ষাটোর্ধ সিটিজেন ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি কাজী মিজানুর রহমান। তিনি বলেন- বরিশাল  নগরীর ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে কম হলেও ১৩ জন সার্জেন্ট ছাড়াও ৪৮ জন ট্রাফিক কনস্টেবল প্রয়োজন। নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল, রূপাতলী বাস টার্মিনালে আরো বেশি হলেই ভালো। কিন্তু আমি নিজেই দেখেছি- একজন রিকশাচালকও এখন উল্টো মেজাজে কথা বলে ট্রাফিক পুলিশের সাথে। রাস্তা আটকে দরজা খুলে রাখায় বাধা দিতে এলে একজন প্রাইভেট গাড়ির চালক একজন সার্জেন্টকে বলে- আপনার কাজ করেন গিয়ে। এমন সমস্যার সমাধান খুব জরুরী। 
তিনি বলেন,  এই পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে সমন্বয়ক লেভেলের শিক্ষার্থীদের এসে কয়েকদিন ট্রাফিক পুলিশের পাশে থাকতে হবে। স্কুল কলেজের ফাস্ট ইয়ার পড়ুয়া নয়- বড়রা এসে সমস্যার সমাধান করতে পারে। অন্যথায় রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা- রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সমন্বয়কদের একটা বৈঠক জরুরী বলে মনে করেন কাজী মিজানুর রহমান। 
বিষয়টি নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার তানভীর আরাফাত বললেন- স্বাভাবিক হতে আরেকটু সময়তো লাগবেই। সকলের মধ্যে একধরনের আতঙ্ক কাজ করছে। শিক্ষার্থী বা সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ আচরণের আতঙ্কও রয়েছে। তবে রাত আটটা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে ট্রাফিক। ইতিমধ্যেই আমরা গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বরিশালের সদর রোডে অটোরিকশা ও ইজিবাইক প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বরিশালের ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের সাথে বৈঠক জরুরী বলে মনে করেন তানভীর আরাফাত। 
এদিকে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ববি সমন্বয়ক সুজয় শুভ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আর ট্রাফিকে দেয়া হবে না- তাদের নিয়ে অনেকে অনেক অভিযোগ করেছেন। তাই আমরা সমন্বয়করা এ নিয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলবো। চেষ্টা করবো জরুরী একটা সমাধান বের করতে। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য রমজানের উপহার পাঠালেন আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন

এখনো স্বাভাবিক নয় বরিশালের ট্রাফিক ব্যবস্থা- কথা শোনেনা বেশিরভাগ চালক।।

আপডেট সময় : 01:17:19 pm, Monday, 26 August 2024
আরিফ আহমেদ
বিশেষ প্রতিবেদক।।
এখনো স্বাভাবিক হয়নি বরিশাল তথা বাংলাদেশের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। অতি গুরুত্বপূর্ণ স্থান ছাড়া ট্রাফিক পুলিশও দেখা যায়নি বরিশাল নগরীর কোথাও। সাধারণ মানুষের দাবী সন্ধ্যার পর কোনো ট্রাফিক পুলিশ দেখা যায়না সড়কে। আর ট্রাফিক সদস্যরা বলছেন- কি দাঁড়াবো ভাই? কেউই তো কথা শোনেনা। উল্টো বলে আপনার কাজ করেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদেরই ভূমিকা রাখতে হবে বলে জানালেন ট্রাফিক পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা। এদিকে বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্বীকার করে এ নিয়ে জরুরী বৈঠক করা হবে বলে  জানালেন বরিশালের সমন্বয়করা। 
সরজমিনে বরিশালের আমতলা মোড়- বাংলা বাজার তিনমাথা, জেলা স্কুল ও বাঁধ রোড এলাকার ব্যস্ত মোড়গুলোতে কোনো ট্রাফিক পুলিশের উপস্থিতি দেখা যায়নি ২৬ আগস্ট সোমবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর তিনটা পর্যন্ত। হেঁটে হেঁটে নগরীর কাকলীর মোড়ে এসে দু’জন ট্রাফিক কনস্টেবল ও একজন সাব ইন্সপেক্টরের দেখা পাওয়া গেল। এখানে সদর রোডে ইজিবাইক ও অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ ছিলো আগে। এখন অনায়াসে তা চলাচল করতে দেখা গেছে। গতদিনও এখানে দুজন সাব ইন্সপেক্টর একজন ইন্সপেক্টর ছাড়াও চারজন কনস্টেবল দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু সোমবার দায়িত্বে আছেন মাত্র চারজন। কম কেন? উত্তরে একজন কনস্টেবল তৌহিদুল জানালেন, আমাদের লোকবল এই মুহূর্তে খুবই কম। তারউপর বেশিরভাগ রিকশাচালক ও অটোচালক কথা শোনেনা এখন আর। যেখানে সেখানে যত্রতত্র পার্কিং করলেও আমরা কিছু বললে উল্টো ধমক দেয় তারা। কনস্টেবল তৌহিদুল এর বক্তব্য শেষ হতে না হতেই তার কথার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেল একজন থ্রী – হুইলার অটোচালকের আচরণে। ঠিক ট্রাফিক বক্সের বিপরীতের মোড়ে দাঁড়িয়ে গেল এবং যাত্রী ওঠানামা করার পরও দাঁড়িয়ে থাকলো নতুন যাত্রীর অপেক্ষায়। পিছনে তখন তিন-চারটি অটোরিকশায় যানজট তৈরি হয়েছে। সাব ইন্সপেক্টর সবুজ এগিয়ে গিয়ে তাকে সরতে বলার সাথে সাথে সে এমন অঙ্গভঙ্গি করলো যে প্রতিবেদকেরই মনে হলো এজন্য তাকে কঠোর শাস্তি দেয়া উচিত। বিনয়ের সাথে থ্রী – হুইলার চালককে সরিয়ে দিয়ে সার্জেন্ট সজীব বললেন, ট্রেনিং সম্পন্ন করে গত ৩ আগস্ট বরিশালে দায়িত্ব পালনে এসেছি। ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে স্বাভাবিক দায়িত্ব পালন আসলে এখনো কঠিন। নানারকম ভয় কাজ করে। যে কারণে সন্ধ্যার পর থাকাটা নিরাপদ মনে হয়না আমাদের। যদিও গতদিন অফিসিয়াল নির্দেশনা এসেছে রাত আটটা পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য। 
এ চিত্র শুধু বরিশালের নয়- বরিশাল বিভাগের ছয়জেলাসহ সারা বাংলাদেশের চিত্র এমনই বলে জানালেন বরিশালের সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও ষাটোর্ধ সিটিজেন ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি কাজী মিজানুর রহমান। তিনি বলেন- বরিশাল  নগরীর ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে কম হলেও ১৩ জন সার্জেন্ট ছাড়াও ৪৮ জন ট্রাফিক কনস্টেবল প্রয়োজন। নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল, রূপাতলী বাস টার্মিনালে আরো বেশি হলেই ভালো। কিন্তু আমি নিজেই দেখেছি- একজন রিকশাচালকও এখন উল্টো মেজাজে কথা বলে ট্রাফিক পুলিশের সাথে। রাস্তা আটকে দরজা খুলে রাখায় বাধা দিতে এলে একজন প্রাইভেট গাড়ির চালক একজন সার্জেন্টকে বলে- আপনার কাজ করেন গিয়ে। এমন সমস্যার সমাধান খুব জরুরী। 
তিনি বলেন,  এই পরিস্থিতি সামাল দিতে হলে সমন্বয়ক লেভেলের শিক্ষার্থীদের এসে কয়েকদিন ট্রাফিক পুলিশের পাশে থাকতে হবে। স্কুল কলেজের ফাস্ট ইয়ার পড়ুয়া নয়- বড়রা এসে সমস্যার সমাধান করতে পারে। অন্যথায় রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা- রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সমন্বয়কদের একটা বৈঠক জরুরী বলে মনে করেন কাজী মিজানুর রহমান। 
বিষয়টি নিয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন ট্রাফিক বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার তানভীর আরাফাত বললেন- স্বাভাবিক হতে আরেকটু সময়তো লাগবেই। সকলের মধ্যে একধরনের আতঙ্ক কাজ করছে। শিক্ষার্থী বা সরকারকে প্রশ্নবিদ্ধ আচরণের আতঙ্কও রয়েছে। তবে রাত আটটা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবে ট্রাফিক। ইতিমধ্যেই আমরা গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও বরিশালের সদর রোডে অটোরিকশা ও ইজিবাইক প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বরিশালের ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের সাথে বৈঠক জরুরী বলে মনে করেন তানভীর আরাফাত। 
এদিকে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ববি সমন্বয়ক সুজয় শুভ বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আর ট্রাফিকে দেয়া হবে না- তাদের নিয়ে অনেকে অনেক অভিযোগ করেছেন। তাই আমরা সমন্বয়করা এ নিয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলবো। চেষ্টা করবো জরুরী একটা সমাধান বের করতে।