Dhaka , Friday, 15 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
আম গাছ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু নিখোঁজের ২৭ ঘণ্টা পর নদী থেকে হোসেন’র মরদেহ উদ্ধার সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সঙ্গে বনদস্যুদের বন্দুকযুদ্ধ, আটক  ফেনীতে যুবদলে বিতর্কের ঝড়, অস্বস্তিতে বিএনপি জনগণের কল্যাণেই সব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চবি’র ছাত্র অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন হলেন নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য  মোংলায় ট্রলার থেকে পড়ে যুবক নিখোঁজ মধুপুর শিল্প ও বণিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন সরকার শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত প্রতিভা বিকাশের ধারা শক্তিশালী করতে চায়:- প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল তিস্তা সেতু দিয়ে পাচারকালে দুই কোটি টাকার ডলারসহ কুড়িগ্রামের যুবক গ্রেপ্তার বিদেশ ফেরত ক্ষতিগ্রস্ত নারী অভিবাসী কর্মীদের মাঝে- আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ওকাপের ছাগল বিতরণ। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে :- ডা. শাহাদাত হোসেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশাররফ হোসেনের জানাজার পর কোতোয়ালীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের ঝটিকা মিছিল, যুবলীগ নেতাসহ ১৯ জন গ্রেফতার, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হালিশহরে শীর্ষ ‘মাদক সম্রাজ্ঞী’ পাখির আস্তানা গুড়িয়ে দিল র‍্যাব ৭ চট্টগ্রাম মীরসরাই থানা পুলিশের অভিযানে ৮২ কেজি গাঁজাসহ ১ জন গ্রেফতার জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও জেলা বিশেষ শাখার কর্মকর্তাদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রামকে পরিবেশবান্ধব নগরীতে রূপান্তরে বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধান খোঁজা প্রয়োজন:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন পাইকগাছায় উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে পৌর প্রশাসক পাইকগাছায় আধুনিক প্লান্টে মনুষ্য বর্জ্য পরিশোধন শুরু; কার্যক্রম মনিটরিংয়ে ইউএনও পাইকগাছায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গরুর খামার পরিচালনা; খামারিকে জরিমানা পাইকগাছায় ভূমিহীনদের বসতভিটা দখলচেষ্টার অভিযোগে ইউএনও’র কাছে আবেদন জামায়াত আমির ও ইইউ রাষ্ট্রদূতের মধ্যে কী আলোচনা হলো হামে আক্রান্ত যমজ শিশু হাসান-হোসেনের পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী টঙ্গীতে হোটেলে ককটেল বিস্ফোরণ, আহত ৬ গ্যাস বিস্ফোরণে বাবার পর একে একে মারা গেল ৩ ভাইবোন প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে জেলায় রাজাপুরের বালক-বালিকা দল চ্যাম্পিয়ন অফিসে সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়াচ্ছেন ৬০ শতাংশের বেশি মানুষ অভিযোগের ৬ ঘণ্টার মধ্যে ৩৫ লাখ টাকার চুরি যাওয়া থ্রি-পিস উদ্ধার ১৬ বছর পর বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড, ঘোষণা করল দল হান্টা ভাইরাসে আক্রান্ত ৮ জনের শরীরে অ্যান্ডিজ ভাইরাস শনাক্ত: ডব্লিউএইচও

ইবির আইন বিভাগ থেকে সদ্য এলএলবি শেষে বার কাউন্সিল পরিক্ষায় অংশ নেওয়া ১১ জনে ১১ জনই উত্তীর্ণ: মোট ১৮০

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:07:42 pm, Friday, 20 March 2026
  • 61 বার পড়া হয়েছে

মো: মোসাদ্দেক হোসেন,

জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় কৃতিত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগ। আইন–৩১ ব্যাচ (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) থেকে ১১ জন অংশগ্রহণ করে সকলেই প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

গত রবিবার (১৫ মার্চ), বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বার কাউন্সিল কর্তৃক আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ৮,৫৯৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আইন অনুষদের অধীন তিনটি বিভাগ (আইন, আল ফিকহ অ্যান্ড ল, ও ল অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন) থেকে প্রায় ১৮০ জনের অধিক শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

আইন–৩১ ব্যাচের শিক্ষার্থী সরকার মো. মিলাদুজ্জামান বলেন, ন্যায়ের প্রতি অটল বিশ্বাস, সত্যের পথে চলার সংকল্প এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়েই এই পথচলা শুরু করেছিলাম। সেই পথ আজ আমাকে আইন পেশার দোরগোড়ায় এনে দাঁড় করিয়েছে। এই যাত্রায় পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দোয়া ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আইন ৩১ এর প্রতিটি শিক্ষার্থীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল আজ এই শতভাগ সাফল্য। ইনশাআল্লাহ বহুদূর এগিয়ে যাবে আমাদের আইন ৩১ ।

আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. শামীম হোসেন বলেন, আমাদের আইন–৩১ ব্যাচের অনার্সের পরীক্ষার রেজাল্ট দেয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে। একই মাসের পাঁচ দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট তুলে ইন্টিমেশন পেপার জমা দিতে পেরেছিলাম আমরা ১১ জন। কারণ এই পেপার জমা দেয়ার পর থেকে বার কাউন্সিলের সার্কুলার ডেট পর্যন্ত ছয় মাস পূর্ণ হতে হয়। মাস্টার্সের পরে স্বল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ১১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছি। আমাদের চারজনের একটি গ্রুপ ছিলো ‘পিচ্চি স্কোয়াড’। চারজন সহ আমার রুমমেট বন্ধু উদয় এই যাত্রায় সফল হয়েছি। আমাদের এই সফলতার পিছনে বিভাগের প্রফেসর ডা. শাহাজাহান মন্ডল স্যারের অবদান না বললেই নয়, কারণ ঐকান্তিক পরিশ্রমের ফলে খুবই অল্প সময়ে আমরা মাস্টার্সের পরীক্ষা শেষ করতে পেরেছিলাম। বিভাগের পরে ১৫-১৬ সেশনের আনোয়ার ভাইয়ের অবদান স্বীকার করবো। তিনি আমাদের সুন্দর গাইডলাইন দিয়েছেন, আইন বুঝতে সহায়তা করেছেন।

এ অর্জনে গৌরবান্বিত হয়ে আইন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. হালিমা খাতুন বলেন, শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান তুল্য। তাদের সফলতাই আমাদের সফলতা। তারা নিরলস পরিশ্রম করে এডভোকেট হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারায় আমরা আনন্দিত। আমরা প্রত্যাশা রাখি দেশ ও জাতির কল্যাণে তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাবে এবং বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিতে তাদের ভূমিকাই প্রমাণ করবে তাদেরকে পাঠদানে আমরা সফল হয়েছি।

উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়ে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীন আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আইন পেশা শুরু করার জন্য ছয় মাসের মধ্যে তাঁদের নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আম গাছ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

ইবির আইন বিভাগ থেকে সদ্য এলএলবি শেষে বার কাউন্সিল পরিক্ষায় অংশ নেওয়া ১১ জনে ১১ জনই উত্তীর্ণ: মোট ১৮০

আপডেট সময় : 07:07:42 pm, Friday, 20 March 2026

মো: মোসাদ্দেক হোসেন,

জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় কৃতিত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগ। আইন–৩১ ব্যাচ (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) থেকে ১১ জন অংশগ্রহণ করে সকলেই প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

গত রবিবার (১৫ মার্চ), বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বার কাউন্সিল কর্তৃক আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ৮,৫৯৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আইন অনুষদের অধীন তিনটি বিভাগ (আইন, আল ফিকহ অ্যান্ড ল, ও ল অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন) থেকে প্রায় ১৮০ জনের অধিক শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

আইন–৩১ ব্যাচের শিক্ষার্থী সরকার মো. মিলাদুজ্জামান বলেন, ন্যায়ের প্রতি অটল বিশ্বাস, সত্যের পথে চলার সংকল্প এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়েই এই পথচলা শুরু করেছিলাম। সেই পথ আজ আমাকে আইন পেশার দোরগোড়ায় এনে দাঁড় করিয়েছে। এই যাত্রায় পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দোয়া ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আইন ৩১ এর প্রতিটি শিক্ষার্থীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল আজ এই শতভাগ সাফল্য। ইনশাআল্লাহ বহুদূর এগিয়ে যাবে আমাদের আইন ৩১ ।

আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. শামীম হোসেন বলেন, আমাদের আইন–৩১ ব্যাচের অনার্সের পরীক্ষার রেজাল্ট দেয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে। একই মাসের পাঁচ দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট তুলে ইন্টিমেশন পেপার জমা দিতে পেরেছিলাম আমরা ১১ জন। কারণ এই পেপার জমা দেয়ার পর থেকে বার কাউন্সিলের সার্কুলার ডেট পর্যন্ত ছয় মাস পূর্ণ হতে হয়। মাস্টার্সের পরে স্বল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ১১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছি। আমাদের চারজনের একটি গ্রুপ ছিলো ‘পিচ্চি স্কোয়াড’। চারজন সহ আমার রুমমেট বন্ধু উদয় এই যাত্রায় সফল হয়েছি। আমাদের এই সফলতার পিছনে বিভাগের প্রফেসর ডা. শাহাজাহান মন্ডল স্যারের অবদান না বললেই নয়, কারণ ঐকান্তিক পরিশ্রমের ফলে খুবই অল্প সময়ে আমরা মাস্টার্সের পরীক্ষা শেষ করতে পেরেছিলাম। বিভাগের পরে ১৫-১৬ সেশনের আনোয়ার ভাইয়ের অবদান স্বীকার করবো। তিনি আমাদের সুন্দর গাইডলাইন দিয়েছেন, আইন বুঝতে সহায়তা করেছেন।

এ অর্জনে গৌরবান্বিত হয়ে আইন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. হালিমা খাতুন বলেন, শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান তুল্য। তাদের সফলতাই আমাদের সফলতা। তারা নিরলস পরিশ্রম করে এডভোকেট হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারায় আমরা আনন্দিত। আমরা প্রত্যাশা রাখি দেশ ও জাতির কল্যাণে তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাবে এবং বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিতে তাদের ভূমিকাই প্রমাণ করবে তাদেরকে পাঠদানে আমরা সফল হয়েছি।

উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়ে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীন আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আইন পেশা শুরু করার জন্য ছয় মাসের মধ্যে তাঁদের নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।