Dhaka , Sunday, 31 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশকে গড়ে তুলতে প্রত্যেককে সচেতন হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রূপগঞ্জে ৮সহস্রাধিক গার্মেন্টস কর্মী ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ রূপগঞ্জে ৮সহস্রাধিক গার্মেন্টস কর্মী ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কোরবানির মাংস বিতরণ রেড মিট ঝুঁকি কমিয়ে স্বাস্থ্যকরভাবে খাবার পরামর্শ রূপগঞ্জে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে লালমনিরহাটে একদিন আগেই পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন টিকিটের টাকা নিয়ে উধাও বাস মালিকরা, নারায়ণগঞ্জে যাত্রীদের বিক্ষোভ জনদুর্ভোগে এগিয়ে এলেন ছাত্রদল নেতা নাছির, নিজ টাকায় সড়ক মেরামত রামগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি জঙ্গল সলিমপুরে ‘ইয়াসিন-ফারুক সাম্রাজ্য’! পাহাড়ের গুহায় অস্ত্র কারখানা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতির অভিযোগ আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে সীমান্তে কঠোর অবস্থানে ১৫ বিজিবি: ফুলবাড়ীতে মাদক স্পটে অভিযানে ৬০ বোতল ইস্কাপ সিরাপ জব্দ ‘হাটগুলোতে স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে’: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত জমিয়তুল ফালাহ ময়দান: চসিক মেয়র ঈদের ছুটিতে একসঙ্গে ফিরছিলেন বাড়ি, এবার পাশাপাশি কবরে শায়িত তারা কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন: একদিন আগেও ছিল ঘর, আজ ফ্লাইওভারের নিচেই তাদের ঠিকানা সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হবে ঈদুল আজহার জামাত রায়পুরায় দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা নোয়াখালীতে নসিমন উল্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু মির্জাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মৃত্যু হাজরাপুর ইউনিয়নে তরুণদের আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাইমুম সিরাজ শোয়ার আগে যে কাজটি করতে ভোলেন না ক্যাটরিনা ইউরো জেতানো অধিনায়ককে ছাড়াই স্পেনের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা আঘাত বা ক্ষত যখন ক্যানসারে রূপ নেয়, যেসব লক্ষণ অবহেলা করা যাবে না গাছের তাল পাড়তে নিষেধ করায় প্রতিবেশীর বর্বরোচিত হামলা, বৃদ্ধ গুরুতর আহত ৬ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য চসিকের, নগরজুড়ে তদারকিতে থাকবেন মেয়র ডা. শাহাদাত রূপগঞ্জে ফল ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল পাইকগাছায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন; আইনগত ব্যবস্থার দাবি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে অপপ্রচারের প্রতিবাদে রূপগঞ্জে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে পেলেন ২০ কেজির কোরাল মাছ

ইবির আইন বিভাগ থেকে সদ্য এলএলবি শেষে বার কাউন্সিল পরিক্ষায় অংশ নেওয়া ১১ জনে ১১ জনই উত্তীর্ণ: মোট ১৮০

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:07:42 pm, Friday, 20 March 2026
  • 75 বার পড়া হয়েছে

মো: মোসাদ্দেক হোসেন,

জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় কৃতিত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগ। আইন–৩১ ব্যাচ (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) থেকে ১১ জন অংশগ্রহণ করে সকলেই প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

গত রবিবার (১৫ মার্চ), বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বার কাউন্সিল কর্তৃক আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ৮,৫৯৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আইন অনুষদের অধীন তিনটি বিভাগ (আইন, আল ফিকহ অ্যান্ড ল, ও ল অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন) থেকে প্রায় ১৮০ জনের অধিক শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

আইন–৩১ ব্যাচের শিক্ষার্থী সরকার মো. মিলাদুজ্জামান বলেন, ন্যায়ের প্রতি অটল বিশ্বাস, সত্যের পথে চলার সংকল্প এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়েই এই পথচলা শুরু করেছিলাম। সেই পথ আজ আমাকে আইন পেশার দোরগোড়ায় এনে দাঁড় করিয়েছে। এই যাত্রায় পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দোয়া ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আইন ৩১ এর প্রতিটি শিক্ষার্থীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল আজ এই শতভাগ সাফল্য। ইনশাআল্লাহ বহুদূর এগিয়ে যাবে আমাদের আইন ৩১ ।

আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. শামীম হোসেন বলেন, আমাদের আইন–৩১ ব্যাচের অনার্সের পরীক্ষার রেজাল্ট দেয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে। একই মাসের পাঁচ দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট তুলে ইন্টিমেশন পেপার জমা দিতে পেরেছিলাম আমরা ১১ জন। কারণ এই পেপার জমা দেয়ার পর থেকে বার কাউন্সিলের সার্কুলার ডেট পর্যন্ত ছয় মাস পূর্ণ হতে হয়। মাস্টার্সের পরে স্বল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ১১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছি। আমাদের চারজনের একটি গ্রুপ ছিলো ‘পিচ্চি স্কোয়াড’। চারজন সহ আমার রুমমেট বন্ধু উদয় এই যাত্রায় সফল হয়েছি। আমাদের এই সফলতার পিছনে বিভাগের প্রফেসর ডা. শাহাজাহান মন্ডল স্যারের অবদান না বললেই নয়, কারণ ঐকান্তিক পরিশ্রমের ফলে খুবই অল্প সময়ে আমরা মাস্টার্সের পরীক্ষা শেষ করতে পেরেছিলাম। বিভাগের পরে ১৫-১৬ সেশনের আনোয়ার ভাইয়ের অবদান স্বীকার করবো। তিনি আমাদের সুন্দর গাইডলাইন দিয়েছেন, আইন বুঝতে সহায়তা করেছেন।

এ অর্জনে গৌরবান্বিত হয়ে আইন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. হালিমা খাতুন বলেন, শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান তুল্য। তাদের সফলতাই আমাদের সফলতা। তারা নিরলস পরিশ্রম করে এডভোকেট হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারায় আমরা আনন্দিত। আমরা প্রত্যাশা রাখি দেশ ও জাতির কল্যাণে তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাবে এবং বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিতে তাদের ভূমিকাই প্রমাণ করবে তাদেরকে পাঠদানে আমরা সফল হয়েছি।

উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়ে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীন আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আইন পেশা শুরু করার জন্য ছয় মাসের মধ্যে তাঁদের নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালে বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ইবির আইন বিভাগ থেকে সদ্য এলএলবি শেষে বার কাউন্সিল পরিক্ষায় অংশ নেওয়া ১১ জনে ১১ জনই উত্তীর্ণ: মোট ১৮০

আপডেট সময় : 07:07:42 pm, Friday, 20 March 2026

মো: মোসাদ্দেক হোসেন,

জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় কৃতিত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগ। আইন–৩১ ব্যাচ (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) থেকে ১১ জন অংশগ্রহণ করে সকলেই প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

গত রবিবার (১৫ মার্চ), বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বার কাউন্সিল কর্তৃক আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ৮,৫৯৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আইন অনুষদের অধীন তিনটি বিভাগ (আইন, আল ফিকহ অ্যান্ড ল, ও ল অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন) থেকে প্রায় ১৮০ জনের অধিক শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

আইন–৩১ ব্যাচের শিক্ষার্থী সরকার মো. মিলাদুজ্জামান বলেন, ন্যায়ের প্রতি অটল বিশ্বাস, সত্যের পথে চলার সংকল্প এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়েই এই পথচলা শুরু করেছিলাম। সেই পথ আজ আমাকে আইন পেশার দোরগোড়ায় এনে দাঁড় করিয়েছে। এই যাত্রায় পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দোয়া ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আইন ৩১ এর প্রতিটি শিক্ষার্থীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল আজ এই শতভাগ সাফল্য। ইনশাআল্লাহ বহুদূর এগিয়ে যাবে আমাদের আইন ৩১ ।

আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. শামীম হোসেন বলেন, আমাদের আইন–৩১ ব্যাচের অনার্সের পরীক্ষার রেজাল্ট দেয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে। একই মাসের পাঁচ দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট তুলে ইন্টিমেশন পেপার জমা দিতে পেরেছিলাম আমরা ১১ জন। কারণ এই পেপার জমা দেয়ার পর থেকে বার কাউন্সিলের সার্কুলার ডেট পর্যন্ত ছয় মাস পূর্ণ হতে হয়। মাস্টার্সের পরে স্বল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ১১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছি। আমাদের চারজনের একটি গ্রুপ ছিলো ‘পিচ্চি স্কোয়াড’। চারজন সহ আমার রুমমেট বন্ধু উদয় এই যাত্রায় সফল হয়েছি। আমাদের এই সফলতার পিছনে বিভাগের প্রফেসর ডা. শাহাজাহান মন্ডল স্যারের অবদান না বললেই নয়, কারণ ঐকান্তিক পরিশ্রমের ফলে খুবই অল্প সময়ে আমরা মাস্টার্সের পরীক্ষা শেষ করতে পেরেছিলাম। বিভাগের পরে ১৫-১৬ সেশনের আনোয়ার ভাইয়ের অবদান স্বীকার করবো। তিনি আমাদের সুন্দর গাইডলাইন দিয়েছেন, আইন বুঝতে সহায়তা করেছেন।

এ অর্জনে গৌরবান্বিত হয়ে আইন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. হালিমা খাতুন বলেন, শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান তুল্য। তাদের সফলতাই আমাদের সফলতা। তারা নিরলস পরিশ্রম করে এডভোকেট হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারায় আমরা আনন্দিত। আমরা প্রত্যাশা রাখি দেশ ও জাতির কল্যাণে তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাবে এবং বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিতে তাদের ভূমিকাই প্রমাণ করবে তাদেরকে পাঠদানে আমরা সফল হয়েছি।

উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়ে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীন আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আইন পেশা শুরু করার জন্য ছয় মাসের মধ্যে তাঁদের নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।