Dhaka , Tuesday, 5 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মধুপুরের আউশনারা ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় শিকির বিল খাল খনন কাজের উদ্বোধন পাইকগাছায় প্রস্তাবিত ফায়ার স্টেশন নির্মাণস্থল পরিদর্শন জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় কঠোর অবস্থানে চসিক মেয়র লালমনিরহাট বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে নতুন আঙ্গিকে শ্রেণীকক্ষ ও প্লে স্টেশনের উদ্বোধন কালভার্ট নির্মাণে বিকল্প সড়ক নেই দুর্ভোগে দুই ইউনিয়নের হাজারো মানুষ মধুপুরে পল্লী মঙ্গল কর্মসূচীর ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত নগরীতে নিষিদ্ধ সংগঠনের গোপন বৈঠকে নাশকতার পরিকল্পনা,১৪ জন গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ: নাছিরকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা, ১০ নেতার পদত্যাগ রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিজেই যেন রোগী, গত দুই দশকে স্বাস্থ্য সেবার বেহাল অবস্থা ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে ৬ কি.মি. খাল খনন কর্মসূচী উদ্বোধন সম্পন্ন। ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন সাজ্জাদ হোসেন শাওন   টাঙ্গাইলের মধুপুরে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত নারীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেন আজিজুল হক আজিজ নীরবতা নয়, প্রতিবাদ-পাইকগাছায় ইভটিজিং বিরোধী সচেতনতা সভা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত… স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত খুললো চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবা :- আবু সুফিয়ান এমপি শ্রীপুরের আমতৈল গ্রামের সহিংসতা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে মাগুরা এক আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খানঃ শান্তি বজায় রাখার আহ্বান নোয়াখালীতে মায়ের সামনে ড্রামট্রাকের নিচে প্রাণ গেল শিশুর রাজাপুরে ইয়াবাসহ বিএনপি সভাপতির ছেলে আটক টিসিবির পণ্য গুদামে, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নোয়াখালীতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস: স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যের আহ্বান সাবেক এমপিকে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট: সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাসেল, সম্পাদক রাহান কাউখালীতে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, তিন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রূপগঞ্জে মাদক সেবনকালে আটক ২ ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের কারাদণ্ড মধুপুর ফুলবাগচালা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন মাসুদ রানা লক্ষ্মীপুরে ১৪ মাস পর কৃষক দল নেতার লাশ উত্তোলন হাতীবান্ধা ও ফুলবাড়ী সীমান্তে ১৫ বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান: বিপুল পরিমাণ মাদক ও ভারতীয় পণ্য জব্দ “জলাবদ্ধতা নিরসনে নাগরিক সচেতনতার বিকল্প নেই” :- চসিক মেয়র

ইবির আইন বিভাগ থেকে সদ্য এলএলবি শেষে বার কাউন্সিল পরিক্ষায় অংশ নেওয়া ১১ জনে ১১ জনই উত্তীর্ণ: মোট ১৮০

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:07:42 pm, Friday, 20 March 2026
  • 48 বার পড়া হয়েছে

মো: মোসাদ্দেক হোসেন,

জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় কৃতিত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগ। আইন–৩১ ব্যাচ (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) থেকে ১১ জন অংশগ্রহণ করে সকলেই প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

গত রবিবার (১৫ মার্চ), বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বার কাউন্সিল কর্তৃক আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ৮,৫৯৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আইন অনুষদের অধীন তিনটি বিভাগ (আইন, আল ফিকহ অ্যান্ড ল, ও ল অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন) থেকে প্রায় ১৮০ জনের অধিক শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

আইন–৩১ ব্যাচের শিক্ষার্থী সরকার মো. মিলাদুজ্জামান বলেন, ন্যায়ের প্রতি অটল বিশ্বাস, সত্যের পথে চলার সংকল্প এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়েই এই পথচলা শুরু করেছিলাম। সেই পথ আজ আমাকে আইন পেশার দোরগোড়ায় এনে দাঁড় করিয়েছে। এই যাত্রায় পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দোয়া ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আইন ৩১ এর প্রতিটি শিক্ষার্থীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল আজ এই শতভাগ সাফল্য। ইনশাআল্লাহ বহুদূর এগিয়ে যাবে আমাদের আইন ৩১ ।

আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. শামীম হোসেন বলেন, আমাদের আইন–৩১ ব্যাচের অনার্সের পরীক্ষার রেজাল্ট দেয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে। একই মাসের পাঁচ দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট তুলে ইন্টিমেশন পেপার জমা দিতে পেরেছিলাম আমরা ১১ জন। কারণ এই পেপার জমা দেয়ার পর থেকে বার কাউন্সিলের সার্কুলার ডেট পর্যন্ত ছয় মাস পূর্ণ হতে হয়। মাস্টার্সের পরে স্বল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ১১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছি। আমাদের চারজনের একটি গ্রুপ ছিলো ‘পিচ্চি স্কোয়াড’। চারজন সহ আমার রুমমেট বন্ধু উদয় এই যাত্রায় সফল হয়েছি। আমাদের এই সফলতার পিছনে বিভাগের প্রফেসর ডা. শাহাজাহান মন্ডল স্যারের অবদান না বললেই নয়, কারণ ঐকান্তিক পরিশ্রমের ফলে খুবই অল্প সময়ে আমরা মাস্টার্সের পরীক্ষা শেষ করতে পেরেছিলাম। বিভাগের পরে ১৫-১৬ সেশনের আনোয়ার ভাইয়ের অবদান স্বীকার করবো। তিনি আমাদের সুন্দর গাইডলাইন দিয়েছেন, আইন বুঝতে সহায়তা করেছেন।

এ অর্জনে গৌরবান্বিত হয়ে আইন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. হালিমা খাতুন বলেন, শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান তুল্য। তাদের সফলতাই আমাদের সফলতা। তারা নিরলস পরিশ্রম করে এডভোকেট হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারায় আমরা আনন্দিত। আমরা প্রত্যাশা রাখি দেশ ও জাতির কল্যাণে তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাবে এবং বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিতে তাদের ভূমিকাই প্রমাণ করবে তাদেরকে পাঠদানে আমরা সফল হয়েছি।

উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়ে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীন আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আইন পেশা শুরু করার জন্য ছয় মাসের মধ্যে তাঁদের নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুপুরের আউশনারা ইউনিয়নে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

ইবির আইন বিভাগ থেকে সদ্য এলএলবি শেষে বার কাউন্সিল পরিক্ষায় অংশ নেওয়া ১১ জনে ১১ জনই উত্তীর্ণ: মোট ১৮০

আপডেট সময় : 07:07:42 pm, Friday, 20 March 2026

মো: মোসাদ্দেক হোসেন,

জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় কৃতিত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগ। আইন–৩১ ব্যাচ (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) থেকে ১১ জন অংশগ্রহণ করে সকলেই প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

গত রবিবার (১৫ মার্চ), বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বার কাউন্সিল কর্তৃক আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ৮,৫৯৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আইন অনুষদের অধীন তিনটি বিভাগ (আইন, আল ফিকহ অ্যান্ড ল, ও ল অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন) থেকে প্রায় ১৮০ জনের অধিক শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

আইন–৩১ ব্যাচের শিক্ষার্থী সরকার মো. মিলাদুজ্জামান বলেন, ন্যায়ের প্রতি অটল বিশ্বাস, সত্যের পথে চলার সংকল্প এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়েই এই পথচলা শুরু করেছিলাম। সেই পথ আজ আমাকে আইন পেশার দোরগোড়ায় এনে দাঁড় করিয়েছে। এই যাত্রায় পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দোয়া ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আইন ৩১ এর প্রতিটি শিক্ষার্থীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল আজ এই শতভাগ সাফল্য। ইনশাআল্লাহ বহুদূর এগিয়ে যাবে আমাদের আইন ৩১ ।

আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. শামীম হোসেন বলেন, আমাদের আইন–৩১ ব্যাচের অনার্সের পরীক্ষার রেজাল্ট দেয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে। একই মাসের পাঁচ দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট তুলে ইন্টিমেশন পেপার জমা দিতে পেরেছিলাম আমরা ১১ জন। কারণ এই পেপার জমা দেয়ার পর থেকে বার কাউন্সিলের সার্কুলার ডেট পর্যন্ত ছয় মাস পূর্ণ হতে হয়। মাস্টার্সের পরে স্বল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ১১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছি। আমাদের চারজনের একটি গ্রুপ ছিলো ‘পিচ্চি স্কোয়াড’। চারজন সহ আমার রুমমেট বন্ধু উদয় এই যাত্রায় সফল হয়েছি। আমাদের এই সফলতার পিছনে বিভাগের প্রফেসর ডা. শাহাজাহান মন্ডল স্যারের অবদান না বললেই নয়, কারণ ঐকান্তিক পরিশ্রমের ফলে খুবই অল্প সময়ে আমরা মাস্টার্সের পরীক্ষা শেষ করতে পেরেছিলাম। বিভাগের পরে ১৫-১৬ সেশনের আনোয়ার ভাইয়ের অবদান স্বীকার করবো। তিনি আমাদের সুন্দর গাইডলাইন দিয়েছেন, আইন বুঝতে সহায়তা করেছেন।

এ অর্জনে গৌরবান্বিত হয়ে আইন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. হালিমা খাতুন বলেন, শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান তুল্য। তাদের সফলতাই আমাদের সফলতা। তারা নিরলস পরিশ্রম করে এডভোকেট হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারায় আমরা আনন্দিত। আমরা প্রত্যাশা রাখি দেশ ও জাতির কল্যাণে তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাবে এবং বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিতে তাদের ভূমিকাই প্রমাণ করবে তাদেরকে পাঠদানে আমরা সফল হয়েছি।

উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়ে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীন আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আইন পেশা শুরু করার জন্য ছয় মাসের মধ্যে তাঁদের নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।