Dhaka , Wednesday, 5 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
জুলাই-যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়াতে হবে :- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নারায়ণগঞ্জে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে শহিদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সংবর্ধনা রুমিন ফারহানার সভায় নেই বিএনপি বেতাগীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হাসিনাকে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে: চবিতে আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল  জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও চেতনায় চরভদ্রাসনে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। রামুতে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত পাইকগাছায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত প্রধানমন্ত্রীর বাঁশখালী সফর, প্রস্তুতি ও পুনর্বাসন ঘরের নির্মাণকাজ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক শহিদ পরিবারের আর্তনাদ শুনলে নিজেকে স্থির রাখতে পারি না’ :- চউক চেয়ারম্যান জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)’র শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এ দেশেই হবে, সে যত শক্তিশালীই হোক না কেন”:- চট্টগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল নরসিংদীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন নেতাকর্মীদের ওপর জামাত-শিবিরের মামলার প্রতিবাদে রূপগঞ্জে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল রূপগঞ্জে ১০২ বোতল বিদেশি মদ ও ৪ কেজি গাঁজসহ ১ জন গ্রেফতার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভায় অংশ নেয়নি ইবি ছাত্রদল অদম্য জুলাই মিছিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬: রাষ্ট্রীয় আয়োজনে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা, স্মারক তুলে দিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন, সংরক্ষিত হবে গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস বাংলাদেশকে চিরতরে ফ্যাসিস্টমুক্ত রাখতে পারলে শহিদদের প্রতি প্রকৃত সম্মান জানানো হবে: ইবি উপাচার্য স্বপ্নের সুরে এগিয়ে চলা মধুপুরের গীতিকার আমিনুল ইসলাম সেলিম জনআকাঙ্ক্ষা ও জুলাই সনদের আলোকে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ :- প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল জুলাই-আগস্টের শহীদরা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে :- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শিল্পকলায় আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জুলাইয়ে দলমত নির্বিশেষে সকলের অংশগ্রহণে স্বৈরাচারের বিদায় ঘন্টা বেজে ওঠে -জাহান্দার আলী এমপি মাদারীপুরে যথাযোগ্য শ্রদ্ধা ও মর্যাদায় পালিত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ৪৭ টি বুলেটের আঘাতের পরও আহতদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হননি রামগঞ্জের সিহাব জাফর ইকবালের সঙ্গে প্রেম নিয়ে যে তথ্য দিলেন ববিতা আয়ের দিক থেকে অনন্য উচ্চতায় রিয়াল মাদ্রিদ পদত্যাগের গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

ইবির আইন বিভাগ থেকে সদ্য এলএলবি শেষে বার কাউন্সিল পরিক্ষায় অংশ নেওয়া ১১ জনে ১১ জনই উত্তীর্ণ: মোট ১৮০

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:07:42 pm, Friday, 20 March 2026
  • 147 বার পড়া হয়েছে

মো: মোসাদ্দেক হোসেন,

জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় কৃতিত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগ। আইন–৩১ ব্যাচ (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) থেকে ১১ জন অংশগ্রহণ করে সকলেই প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

গত রবিবার (১৫ মার্চ), বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বার কাউন্সিল কর্তৃক আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ৮,৫৯৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আইন অনুষদের অধীন তিনটি বিভাগ (আইন, আল ফিকহ অ্যান্ড ল, ও ল অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন) থেকে প্রায় ১৮০ জনের অধিক শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

আইন–৩১ ব্যাচের শিক্ষার্থী সরকার মো. মিলাদুজ্জামান বলেন, ন্যায়ের প্রতি অটল বিশ্বাস, সত্যের পথে চলার সংকল্প এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়েই এই পথচলা শুরু করেছিলাম। সেই পথ আজ আমাকে আইন পেশার দোরগোড়ায় এনে দাঁড় করিয়েছে। এই যাত্রায় পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দোয়া ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আইন ৩১ এর প্রতিটি শিক্ষার্থীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল আজ এই শতভাগ সাফল্য। ইনশাআল্লাহ বহুদূর এগিয়ে যাবে আমাদের আইন ৩১ ।

আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. শামীম হোসেন বলেন, আমাদের আইন–৩১ ব্যাচের অনার্সের পরীক্ষার রেজাল্ট দেয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে। একই মাসের পাঁচ দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট তুলে ইন্টিমেশন পেপার জমা দিতে পেরেছিলাম আমরা ১১ জন। কারণ এই পেপার জমা দেয়ার পর থেকে বার কাউন্সিলের সার্কুলার ডেট পর্যন্ত ছয় মাস পূর্ণ হতে হয়। মাস্টার্সের পরে স্বল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ১১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছি। আমাদের চারজনের একটি গ্রুপ ছিলো ‘পিচ্চি স্কোয়াড’। চারজন সহ আমার রুমমেট বন্ধু উদয় এই যাত্রায় সফল হয়েছি। আমাদের এই সফলতার পিছনে বিভাগের প্রফেসর ডা. শাহাজাহান মন্ডল স্যারের অবদান না বললেই নয়, কারণ ঐকান্তিক পরিশ্রমের ফলে খুবই অল্প সময়ে আমরা মাস্টার্সের পরীক্ষা শেষ করতে পেরেছিলাম। বিভাগের পরে ১৫-১৬ সেশনের আনোয়ার ভাইয়ের অবদান স্বীকার করবো। তিনি আমাদের সুন্দর গাইডলাইন দিয়েছেন, আইন বুঝতে সহায়তা করেছেন।

এ অর্জনে গৌরবান্বিত হয়ে আইন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. হালিমা খাতুন বলেন, শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান তুল্য। তাদের সফলতাই আমাদের সফলতা। তারা নিরলস পরিশ্রম করে এডভোকেট হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারায় আমরা আনন্দিত। আমরা প্রত্যাশা রাখি দেশ ও জাতির কল্যাণে তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাবে এবং বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিতে তাদের ভূমিকাই প্রমাণ করবে তাদেরকে পাঠদানে আমরা সফল হয়েছি।

উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়ে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীন আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আইন পেশা শুরু করার জন্য ছয় মাসের মধ্যে তাঁদের নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই-যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়াতে হবে :- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

ইবির আইন বিভাগ থেকে সদ্য এলএলবি শেষে বার কাউন্সিল পরিক্ষায় অংশ নেওয়া ১১ জনে ১১ জনই উত্তীর্ণ: মোট ১৮০

আপডেট সময় : 07:07:42 pm, Friday, 20 March 2026

মো: মোসাদ্দেক হোসেন,

জুডিশিয়ারি পরীক্ষায় কৃতিত্বের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষায়ও উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন বিভাগ। আইন–৩১ ব্যাচ (২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ) থেকে ১১ জন অংশগ্রহণ করে সকলেই প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

গত রবিবার (১৫ মার্চ), বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এই ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বার কাউন্সিল কর্তৃক আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ৮,৫৯৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আইন অনুষদের অধীন তিনটি বিভাগ (আইন, আল ফিকহ অ্যান্ড ল, ও ল অ্যান্ড ল্যান্ড এডমিনিস্ট্রেশন) থেকে প্রায় ১৮০ জনের অধিক শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।

আইন–৩১ ব্যাচের শিক্ষার্থী সরকার মো. মিলাদুজ্জামান বলেন, ন্যায়ের প্রতি অটল বিশ্বাস, সত্যের পথে চলার সংকল্প এবং মানুষের অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর প্রত্যয় নিয়েই এই পথচলা শুরু করেছিলাম। সেই পথ আজ আমাকে আইন পেশার দোরগোড়ায় এনে দাঁড় করিয়েছে। এই যাত্রায় পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও দোয়া ছিল আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।
আইন ৩১ এর প্রতিটি শিক্ষার্থীর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল আজ এই শতভাগ সাফল্য। ইনশাআল্লাহ বহুদূর এগিয়ে যাবে আমাদের আইন ৩১ ।

আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. শামীম হোসেন বলেন, আমাদের আইন–৩১ ব্যাচের অনার্সের পরীক্ষার রেজাল্ট দেয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখে। একই মাসের পাঁচ দিনের মধ্যে সার্টিফিকেট তুলে ইন্টিমেশন পেপার জমা দিতে পেরেছিলাম আমরা ১১ জন। কারণ এই পেপার জমা দেয়ার পর থেকে বার কাউন্সিলের সার্কুলার ডেট পর্যন্ত ছয় মাস পূর্ণ হতে হয়। মাস্টার্সের পরে স্বল্প সময়ের প্রস্তুতি নিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমরা ১১ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছি। আমাদের চারজনের একটি গ্রুপ ছিলো ‘পিচ্চি স্কোয়াড’। চারজন সহ আমার রুমমেট বন্ধু উদয় এই যাত্রায় সফল হয়েছি। আমাদের এই সফলতার পিছনে বিভাগের প্রফেসর ডা. শাহাজাহান মন্ডল স্যারের অবদান না বললেই নয়, কারণ ঐকান্তিক পরিশ্রমের ফলে খুবই অল্প সময়ে আমরা মাস্টার্সের পরীক্ষা শেষ করতে পেরেছিলাম। বিভাগের পরে ১৫-১৬ সেশনের আনোয়ার ভাইয়ের অবদান স্বীকার করবো। তিনি আমাদের সুন্দর গাইডলাইন দিয়েছেন, আইন বুঝতে সহায়তা করেছেন।

এ অর্জনে গৌরবান্বিত হয়ে আইন বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. হালিমা খাতুন বলেন, শিক্ষার্থীরা আমাদের সন্তান তুল্য। তাদের সফলতাই আমাদের সফলতা। তারা নিরলস পরিশ্রম করে এডভোকেট হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারায় আমরা আনন্দিত। আমরা প্রত্যাশা রাখি দেশ ও জাতির কল্যাণে তারা নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাবে এবং বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিতে তাদের ভূমিকাই প্রমাণ করবে তাদেরকে পাঠদানে আমরা সফল হয়েছি।

উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ মার্চ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়ে অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এখন দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীন আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। উত্তীর্ণ প্রার্থীদের আইন পেশা শুরু করার জন্য ছয় মাসের মধ্যে তাঁদের নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।