Dhaka , Wednesday, 7 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
শরীরে বেঁধে গাঁজা পাচারকালে হাতীবান্ধায় দুই নারী আটক বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় লালমনিরহাটে ছাত্রদলের দিনব্যাপী কোরআন খতম, শোকসভা ও দোয়া মাহফিল চন্দনাইশের দোহাজারীতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা সরাইলে নির্বাচন অবহিত করণ সভায় গণভোট ও পোস্টাল ভোটে সকলকে অবহিত করণের আহবান জেলা প্রশাসক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া। শহিদ ওয়াসিমের কবর জিয়ারতে কক্সবাজারে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিসচা’র দেশসেরা শাখা সংগঠনের সম্মাননা পেল পাইকগাছা শাখা নোয়াখালীতে স্বাধীনবাংলা নিউক্লিয়াস প্রতিষ্ঠাতা সিরাজুল আলমের ৮৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত শীতে কষ্টে থাকা বিধবা আজিমন নেছাকে খাদ্য ও শীতবস্ত্র দিয়ে স্থায়ী ঘরের আশ্বাস দিলেন ইউএনও রিফাত আরা মৌরি লক্ষ্মীপুরে মাদ্রাসাছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার। মাদক ও অস্ত্রের বিরুদ্ধে তথ্য প্রদানকারীর পরিচয় লাগবে না: এসপি মাহবুবুর রহমান ‎মির্জাপুরে দুই অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট, ৬ লাখ টাকা জরিমানা সেন্ট মার্টিন আইল্যান্ড মাস্টার প্ল্যানে টুরিজমের আগে সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিতে হবে রূপগঞ্জে ডিআইজি’র ভাতিজা পরিচয়ে সাংবাদিককে হুমকি ইউপি সদস্যের ঝালকাঠি জেলা এনসিপির কমিটির আহ্বায়ক মান্না, সদস্য সচিব জুবায়ের বন্দর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল বাংলাদেশ রিপাবলিক পার্টির মতবিনিময় সভা ও সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত মধুপুরে অতিরিক্ত মূল্যে এলপি গ্যাস বিক্রির দায়ে জরিমানা পাইকগাছায় জাতীয় পাখি দিবস পালিত পাইকগাছার গড়ইখালীতে ডব্লিউএফপি’র দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস প্রকল্প পরিদর্শন নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের নেত্রকোণার দুর্গাপুর সীমান্ত থেকে বিজিবি কর্তৃক বিদেশী মদ জব্দ চরভদ্রাসনে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। লালমনিরহাটে বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের পৃথক শোকসভা চরভদ্রাসনে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে চরঅঞ্চলে গরিব, অসহায়দের মাঝে ইউএনও’র কম্বল বিতরণ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন আইডি দিয়ে মিথ্যা প্রচারের বিরুদ্ধে দুর্গাপুরে সংবাদ সম্মেলন রূপগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা জিয়া পরিষদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল মির্জাপুরে যুবলীগ নেতা আলী হোসেন গ্রেপ্তার রূপগঞ্জে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় মিলাদ দোয়া মাহফিল শোকসভা অনুষ্ঠিত রাজাপুরে কৃষকের দুই শতাধিক গাছ কেটে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ ঝালকাঠিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আটক

আবারও সিলেটে বন্যায় চোখ রাঙাচ্ছে- তলিয়ে যাচ্ছে শত শত গ্রাম।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:45:55 pm, Thursday, 22 August 2024
  • 109 বার পড়া হয়েছে

আবারও সিলেটে বন্যায় চোখ রাঙাচ্ছে- তলিয়ে যাচ্ছে শত শত গ্রাম।।

আবুল কাশেম রুমন- সিলেট।।

 

গত কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাসিদে সিলেটে বন্যায় আবারও নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে। প্রতিদিন বন্যার পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে শত শত গ্রাম। বাড়ছে সিলেটে বিভাগের সব কয়েকটি নদ-নদীর পানি। প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।
সিলেটে বৃস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শেষ ২৪ ঘন্টায় ৬৩ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আগের ২৪ ঘন্টার তুলনায় বৃষ্টি কমলেও বাড়ছে সিলেটের বিভিন্ন পয়েন্টের নদ-নদীর পানি। এর মধ্যে কুশিয়ারা নদীর তিন পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

এর মধ্যে কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট- অমলশিদ ও শেরপুর পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। তবে অন্য কোনো নদ-নদীর পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিপদসীমা অতিক্রম না করলেও বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে। কুশিয়ারা নদীর  ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ১০ দশমিক ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর ওই পয়েন্টে বিপদসীমা ৯ দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার।
কুশিয়ারা নদীর অমলশিদ পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় পানি বিপদসীমার ১৫ দশমিক ৪৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর ওই পয়েন্টে পানির বিপদসীমা ১৫ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার। কুশিয়ারা নদীর শেরপুর পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় বিপদসীমার ৮ দশমিক ৫৮ ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর ওই পয়েন্টে বিপদসীমা ৮ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার। সে সব পয়েন্টে আর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এছাড়া বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে কুশিয়ারা নদীর শেওলা, সুরমা নদীর সিলেট ও কানাইঘাট পয়েন্ট। বৃষ্টি না কমলে আজকের মধ্যে এসব পয়েন্ট বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, সিলেটে বৃষ্টিপাত কমে এলেও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। সিলেটের বৃষ্টিপাতের ওপর এই অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নির্ভর করে না। মূলত ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় পাহাড়ি ঢলের ফলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, চলতি সময়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কম হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর শুক্রবার পর্যন্ত সিলেটসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে হালকা  থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ইতিমধ্যে  দেশের মধ্যাঞ্চল ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান করছে।
সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপসহকারী আবহাওয়াবিদ অমর চন্দ্র তালুকদার বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে এসেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ধরা হয়। আবার ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে ভারী বৃষ্টিপাত ধরা হয়।
 মৌলভীবাজার তলিয়ে গেছে শতাধিক গ্রাম-
টানা বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে আসা ঢলে মৌলভীবাজার জেলার ৫টি নদ-নদীর পানি বিপদসামীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদী, মনু, ধলাই ও জুড়ী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। এতে জেলা সদর, রাজনগর, কুলাউড়া, কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া, জুড়ী এবং বড়লেখা উপজেলায় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে হাজার-হাজার ঘরবাড়ি। কয়েক দিনের টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং উজান থেকে নেমে আসা পানিতে জেলার সবকটি নদ-নদীতে পানি বাড়ছে বলে জানিয়েছে মৌলভীবাজারের পাউবো। সংশ্লিষ্টরা জানান, টানা বর্ষণে মনু ও ধলাই নদীর অন্তত পাঁচটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

  
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জেলার মনু নদী -রেলওয়ে ব্রিজ- বিপদসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার চাঁদনীঘাট এলাকায় ৭০ সেন্টিমিটার- ধলাই নদীতে ৮  সেন্টিমিটার ও জুড়ী নদীতে বিপদসীমার ১৭৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর পানিও বিপদসীমা স্পর্শ করেছে। বন্যা কবলিত মানুষরা বলছেন- স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও প্রশাসন মাঠে না থাকায় বিগত বন্যার মতো তারা সহযোগিতা পাচ্ছেন না। অনেক নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারছেন না। মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন  বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল বলেন- ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে আটটি স্থান দিয়ে বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। মনু নদীরও বাঁধও ভেঙে গেছে। ভারতের ত্রিপুরায় বৃষ্টি হওয়াতে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টি কমে গেলে পানি নেমে যাবে। এছাড়া যে সব স্থানে বাঁধ ভেঙেছে সেগুলোতে কাজ চলছে বলে তিনি জানান। এদিকে সিলেট বিভাগ জুড়ে সময় যথ গড়াচ্ছে তাতে বন্যার পানি বাড়তেছে তীব্র গতিতে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শরীরে বেঁধে গাঁজা পাচারকালে হাতীবান্ধায় দুই নারী আটক

আবারও সিলেটে বন্যায় চোখ রাঙাচ্ছে- তলিয়ে যাচ্ছে শত শত গ্রাম।।

আপডেট সময় : 12:45:55 pm, Thursday, 22 August 2024

আবুল কাশেম রুমন- সিলেট।।

 

গত কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাসিদে সিলেটে বন্যায় আবারও নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে। প্রতিদিন বন্যার পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে শত শত গ্রাম। বাড়ছে সিলেটে বিভাগের সব কয়েকটি নদ-নদীর পানি। প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।
সিলেটে বৃস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শেষ ২৪ ঘন্টায় ৬৩ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আগের ২৪ ঘন্টার তুলনায় বৃষ্টি কমলেও বাড়ছে সিলেটের বিভিন্ন পয়েন্টের নদ-নদীর পানি। এর মধ্যে কুশিয়ারা নদীর তিন পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

এর মধ্যে কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট- অমলশিদ ও শেরপুর পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। তবে অন্য কোনো নদ-নদীর পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিপদসীমা অতিক্রম না করলেও বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে। কুশিয়ারা নদীর  ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ১০ দশমিক ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর ওই পয়েন্টে বিপদসীমা ৯ দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার।
কুশিয়ারা নদীর অমলশিদ পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় পানি বিপদসীমার ১৫ দশমিক ৪৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর ওই পয়েন্টে পানির বিপদসীমা ১৫ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার। কুশিয়ারা নদীর শেরপুর পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় বিপদসীমার ৮ দশমিক ৫৮ ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর ওই পয়েন্টে বিপদসীমা ৮ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার। সে সব পয়েন্টে আর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এছাড়া বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে কুশিয়ারা নদীর শেওলা, সুরমা নদীর সিলেট ও কানাইঘাট পয়েন্ট। বৃষ্টি না কমলে আজকের মধ্যে এসব পয়েন্ট বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, সিলেটে বৃষ্টিপাত কমে এলেও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। সিলেটের বৃষ্টিপাতের ওপর এই অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নির্ভর করে না। মূলত ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় পাহাড়ি ঢলের ফলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, চলতি সময়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কম হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর শুক্রবার পর্যন্ত সিলেটসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে হালকা  থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ইতিমধ্যে  দেশের মধ্যাঞ্চল ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান করছে।
সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপসহকারী আবহাওয়াবিদ অমর চন্দ্র তালুকদার বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে এসেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ধরা হয়। আবার ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে ভারী বৃষ্টিপাত ধরা হয়।
 মৌলভীবাজার তলিয়ে গেছে শতাধিক গ্রাম-
টানা বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে আসা ঢলে মৌলভীবাজার জেলার ৫টি নদ-নদীর পানি বিপদসামীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদী, মনু, ধলাই ও জুড়ী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। এতে জেলা সদর, রাজনগর, কুলাউড়া, কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া, জুড়ী এবং বড়লেখা উপজেলায় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে হাজার-হাজার ঘরবাড়ি। কয়েক দিনের টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং উজান থেকে নেমে আসা পানিতে জেলার সবকটি নদ-নদীতে পানি বাড়ছে বলে জানিয়েছে মৌলভীবাজারের পাউবো। সংশ্লিষ্টরা জানান, টানা বর্ষণে মনু ও ধলাই নদীর অন্তত পাঁচটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

  
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জেলার মনু নদী -রেলওয়ে ব্রিজ- বিপদসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার চাঁদনীঘাট এলাকায় ৭০ সেন্টিমিটার- ধলাই নদীতে ৮  সেন্টিমিটার ও জুড়ী নদীতে বিপদসীমার ১৭৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর পানিও বিপদসীমা স্পর্শ করেছে। বন্যা কবলিত মানুষরা বলছেন- স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও প্রশাসন মাঠে না থাকায় বিগত বন্যার মতো তারা সহযোগিতা পাচ্ছেন না। অনেক নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারছেন না। মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন  বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল বলেন- ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে আটটি স্থান দিয়ে বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। মনু নদীরও বাঁধও ভেঙে গেছে। ভারতের ত্রিপুরায় বৃষ্টি হওয়াতে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টি কমে গেলে পানি নেমে যাবে। এছাড়া যে সব স্থানে বাঁধ ভেঙেছে সেগুলোতে কাজ চলছে বলে তিনি জানান। এদিকে সিলেট বিভাগ জুড়ে সময় যথ গড়াচ্ছে তাতে বন্যার পানি বাড়তেছে তীব্র গতিতে।