Dhaka , Thursday, 5 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মাত্র ৬ মাসে কুরআনের হাফেজ ১০ বছরের সিদ্দিক কাঁঠালিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে দুইটি বসঘর পুড়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি  অসুস্থ বাবাকে দেখতে যাওয়ার পথে প্রাণ হারালেন ফায়ার ফাইটার রামুতে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদকর্মীদের উপর হামলা ফ্যাসিস্টদের দোসর কর্তৃক উপড়ে ফেলা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামফলক প্রেস ক্লাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠায় উদ্যোগ নেওয়ার আহবান তথ্যমন্ত্রীর পাইকগাছায় সামাজিক সচেতনতা ও প্রেরণামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চবটীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে হত্যা, আহত ১। বাংলাদেশ পল্লী চিকিৎসক সমিতি রূপগঞ্জ  উপজেলা শাখার ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ পল্লী চিকিৎসক সমিতি রূপগঞ্জ  উপজেলা শাখার উদ্যোগে নবনির্বাচিত এমপি মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়াকে ফুলের শুভেচ্ছা ও ইফতার ও দোয়া মাহফিল জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক মধুপুরে এক সেবনকারীকে দেড় বছরের কারাদণ্ড শ্রীপুরে ভিজিএফ তালিকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ শ্রীপুরে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ‘দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় আবির-রঙের উৎসবে দোলযাত্রা ও গৌড় পূর্ণিমা উদযাপন এলাকার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান-এমপি আবুল কালাম আজাদ ইবিতে শিক্ষিকাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, কর্মচারীর আত্মহত্যার চেষ্টা চবিতে ফ্যাসিস্টের দোসর সাইদ হোসেন এর বিতর্কিত পদোন্নতি : প্রশ্নবিদ্ধ প্রশাসন পবিপ্রবিতে ফ্যাকাল্টি অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশনের ডীন হলেন চবির ছাত্র প্রফেসর ড. মো: হাছান উদ্দীন টেকনাফে কোস্ট গার্ডের পৃথক দুটি অভিযানে প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ ইয়াবা জব্দ এবং ১ মাদক পাচারকারী আটক পলাশে মব সৃষ্টির অবসান ঘটিয়ে প্রধান শিক্ষক বরুণ চন্দ্র দাস স্বপদে বহাল রূপগঞ্জে নারীলোভী ভন্ড ও একাধিক পরকীয়াকারী মহিলাসহ হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার  কুলাঘাটে ফসলি জমিতে র‍্যাবের হানা; অভিনব কায়দায় লুকানো ৫৭ কেজি গাঁজাসহ আটক ১ কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র অভিযান: ৪৭ বোতল ভারতীয় ইস্কাফ সিরাপ জব্দ মৌলভীবাজারে পিকআপ–মোটরসাইকেল সংঘর্ষে চালক নিহত রাজধানীতে অনুমোদনহীন সাবান–তেল কারখানায় বিএসটিআইয়ের অভিযান, জরিমানা ও কারাদণ্ড ১০ নং রায়পুর ইউনিয়ন আওয়ামী প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ। সাংবাদিক আইয়ুব আলীর মৃত্যুতে সিআরএফ’র শোক ইদে ঘরমুখো মানুষের স্বস্তি ফেরাতে যানজটমুক্ত সড়ক নিশ্চিত করতে নির্দেশ : মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ঝালকাঠিতে অগ্নিকাণ্ডে ৬টি দোকান পুড়ে ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ফিরেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:11:23 pm, Thursday, 29 January 2026
  • 20 বার পড়া হয়েছে

মোঃ আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আধুনিক ও বিদেশি পণ্যের ভিড়ের মধ্যেও আলাদা করে নজর কাড়ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি গৃহস্থালি ও শৌখিন সামগ্রী। রঙিন প্যাভিলিয়ন আর ঝলমলে পণ্যের ভিড়েও মৃৎশিল্পের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ প্রমাণ করছে-মাটির জিনিসের চাহিদা এখনও ফুরিয়ে যায়নি। মাটির তৈরি নানা গৃহস্থালি সামগ্রী ও ঘর সাজানোর নান্দনিক উপকরণে সাজানো এই প্যাভিলিয়নে সারাক্ষণই ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে।
মেলার মূল ভবনের দক্ষিণ-পশ্চিম কর্ণারের শাহপরান মৃৎশিল্পের প্যাভিলিয়নটি ক্রেতাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এখানে রয়েছে মাটির তৈরি নানা রকমের গৃহস্থালি ও সাজসজ্জার সামগ্রী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্যাভিলিয়নের দেয়ালজুড়ে স্তরে স্তরে সাজানো রয়েছে মাটির তৈরি সাধারণ প্লেট, বিরিয়ানির প্লেট, কাপ-পিরিচ, গ্লাস, ডিনার সেট, হাঁড়ি, গামলা, ফুলদানি, ব্যাংক, ওয়ালমেট, মোমদানি, ল্যাম্প, পুতুল, শোপিস ও নানা ধরণের গিফট আইটেম। নানান রঙ, নকশা ও আকৃতির এসব পণ্য ক্রেতা-দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। অনেকেই পছন্দ অনুযায়ী কিনে নিচ্ছেন প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
একসময় গ্রামবাংলার দৈনন্দিন জীবনে মাটির তৈরি জিনিসপত্রই ছিল গৃহস্থালির প্রধান অনুষঙ্গ। যখন সময়ের পরিবর্তনে প্লাস্টিক ও মেলামাইন পণ্যের দখলে তখন মাটির তৈরি পণ্যে মানুষের মন জয় করছে। এখনো মানুষের মনে মাটির জিনিসের প্রতি আলাদা টান রয়েছে। বাণিজ্যমেলায় ক্রেতাদের এসব পণ্য কেনার বড় সুযোগ হয়ে উঠেছে।
মাটির তৈরি কাপ-পিরিচ প্রতি পিস ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, থালা ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, ফুলদানি ১২০ থেকে ২০০ টাকা, ব্যাংক ৪০ থেকে ২০০ টাকা, ওয়ালমেট ২০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং মাটির হাঁড়ি ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মেলায় মাটির তৈরি পণ্য কিনতে আসা গৃহবধূ হাসিনা আক্তার বলেন, আধুনিকতার কারণে এখন মাটির জিনিসপত্রের ব্যবহার অনেক কমে গেছে। তবে প্লাস্টিক বা মেলামাইনের তুলনায় মাটির তৈরি সামগ্রী বেশি স্বাস্থ্যকর। পাশাপাশি দেখতে সুন্দর এবং দামও তুলনামূলক কম। এসব কারণেই তিনি মাটির তৈজসপত্র কিনছেন।
একই প্যাভিলিয়ন থেকে কেনাকাটা করছিলেন স্কুলশিক্ষক সাইফুল ইসলাম । তিনি বলেন, ঘর সাজাতে সবচেয়ে বেশি দরকার রুচিবোধ।

অল্প খরচেই মাটির তৈরি জিনিসপত্র দিয়ে ঘরকে সুন্দরভাবে সাজানো যায়। মাটির পুতুল, ফুলদানি, মোমদানি কিংবা ল্যাম্প ঘরের পরিবেশকে সহজেই আকর্ষণীয় করে তোলে। তাই ভিন্ন ধাঁচের কিছু শোপিস কিনেছেন তিনি।
শাহপরান মৃৎশিল্পের স্বত্বাধিকারী শাহপরান বলেন, তিনি ২০ বছরের বেশি সময় ধরে মাটির তৈরি গৃহস্থালি ও শৌখিন পণ্য নিয়ে কাজ করছেন। তার তৈরি পণ্যগুলো ৮৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পোড়ানো হয়, ফলে এগুলো কাচের কাচের সামগ্রীর চেয়েও বেশি টেকসই।

বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে মাটির তৈরি এসব পণ্যের চাহিদা বেশি বলে জানান তিনি। মেলার প্রথম দিকে বিক্রি তুলনাকূলক কম ছিল। তবে এখন ক্রেতাদের ভিড় ও বিক্রি বাড়ছে। এখনও অনেক মানুষের কাছে মাটির তৈরি গৃহস্থালি সামগ্রীর আলাদা কদর রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাত্র ৬ মাসে কুরআনের হাফেজ ১০ বছরের সিদ্দিক

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ফিরেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য

আপডেট সময় : 06:11:23 pm, Thursday, 29 January 2026

মোঃ আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আধুনিক ও বিদেশি পণ্যের ভিড়ের মধ্যেও আলাদা করে নজর কাড়ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি গৃহস্থালি ও শৌখিন সামগ্রী। রঙিন প্যাভিলিয়ন আর ঝলমলে পণ্যের ভিড়েও মৃৎশিল্পের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ প্রমাণ করছে-মাটির জিনিসের চাহিদা এখনও ফুরিয়ে যায়নি। মাটির তৈরি নানা গৃহস্থালি সামগ্রী ও ঘর সাজানোর নান্দনিক উপকরণে সাজানো এই প্যাভিলিয়নে সারাক্ষণই ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে।
মেলার মূল ভবনের দক্ষিণ-পশ্চিম কর্ণারের শাহপরান মৃৎশিল্পের প্যাভিলিয়নটি ক্রেতাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এখানে রয়েছে মাটির তৈরি নানা রকমের গৃহস্থালি ও সাজসজ্জার সামগ্রী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্যাভিলিয়নের দেয়ালজুড়ে স্তরে স্তরে সাজানো রয়েছে মাটির তৈরি সাধারণ প্লেট, বিরিয়ানির প্লেট, কাপ-পিরিচ, গ্লাস, ডিনার সেট, হাঁড়ি, গামলা, ফুলদানি, ব্যাংক, ওয়ালমেট, মোমদানি, ল্যাম্প, পুতুল, শোপিস ও নানা ধরণের গিফট আইটেম। নানান রঙ, নকশা ও আকৃতির এসব পণ্য ক্রেতা-দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। অনেকেই পছন্দ অনুযায়ী কিনে নিচ্ছেন প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
একসময় গ্রামবাংলার দৈনন্দিন জীবনে মাটির তৈরি জিনিসপত্রই ছিল গৃহস্থালির প্রধান অনুষঙ্গ। যখন সময়ের পরিবর্তনে প্লাস্টিক ও মেলামাইন পণ্যের দখলে তখন মাটির তৈরি পণ্যে মানুষের মন জয় করছে। এখনো মানুষের মনে মাটির জিনিসের প্রতি আলাদা টান রয়েছে। বাণিজ্যমেলায় ক্রেতাদের এসব পণ্য কেনার বড় সুযোগ হয়ে উঠেছে।
মাটির তৈরি কাপ-পিরিচ প্রতি পিস ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, থালা ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, ফুলদানি ১২০ থেকে ২০০ টাকা, ব্যাংক ৪০ থেকে ২০০ টাকা, ওয়ালমেট ২০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং মাটির হাঁড়ি ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মেলায় মাটির তৈরি পণ্য কিনতে আসা গৃহবধূ হাসিনা আক্তার বলেন, আধুনিকতার কারণে এখন মাটির জিনিসপত্রের ব্যবহার অনেক কমে গেছে। তবে প্লাস্টিক বা মেলামাইনের তুলনায় মাটির তৈরি সামগ্রী বেশি স্বাস্থ্যকর। পাশাপাশি দেখতে সুন্দর এবং দামও তুলনামূলক কম। এসব কারণেই তিনি মাটির তৈজসপত্র কিনছেন।
একই প্যাভিলিয়ন থেকে কেনাকাটা করছিলেন স্কুলশিক্ষক সাইফুল ইসলাম । তিনি বলেন, ঘর সাজাতে সবচেয়ে বেশি দরকার রুচিবোধ।

অল্প খরচেই মাটির তৈরি জিনিসপত্র দিয়ে ঘরকে সুন্দরভাবে সাজানো যায়। মাটির পুতুল, ফুলদানি, মোমদানি কিংবা ল্যাম্প ঘরের পরিবেশকে সহজেই আকর্ষণীয় করে তোলে। তাই ভিন্ন ধাঁচের কিছু শোপিস কিনেছেন তিনি।
শাহপরান মৃৎশিল্পের স্বত্বাধিকারী শাহপরান বলেন, তিনি ২০ বছরের বেশি সময় ধরে মাটির তৈরি গৃহস্থালি ও শৌখিন পণ্য নিয়ে কাজ করছেন। তার তৈরি পণ্যগুলো ৮৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পোড়ানো হয়, ফলে এগুলো কাচের কাচের সামগ্রীর চেয়েও বেশি টেকসই।

বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে মাটির তৈরি এসব পণ্যের চাহিদা বেশি বলে জানান তিনি। মেলার প্রথম দিকে বিক্রি তুলনাকূলক কম ছিল। তবে এখন ক্রেতাদের ভিড় ও বিক্রি বাড়ছে। এখনও অনেক মানুষের কাছে মাটির তৈরি গৃহস্থালি সামগ্রীর আলাদা কদর রয়েছে।