Dhaka , Wednesday, 11 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় ৮৮ ভোট কেন্দ্র, ৪৮৮ বুথ; ৭৭ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন রামগঞ্জে এসএইচটিসি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সেলাই মেশিন বিতরণ রাজাপুরে বিএনপির বিরুদ্ধে জামায়াতের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলন ভোটের ছুটিতে সাভার-আশুলিয়া ছাড়ছেন পোশাক শ্রমিকরা, বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ সন্ত্রাসীকে সন্ত্রাস, কাবিখা টাকা ভাগ করে খাওয়ার জন্য নির্বাচনে আসি নাই: রফিকুল ইসলাম জামাল মধুপুরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর  সংবাদ সম্মেলন নির্বাচনের নিরাপত্তা জোরদারে ঢাকায় যৌথবাহিনীর ফুট পেট্রোল মহড়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা মৌলভীবাজারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের প্রেস ব্রিফিং নিরাপত্তার অঙ্গীকার: লালমনিরহাটে ৫ সহস্রাধিক আনসার-ভিডিপি সদস্যের নির্বাচনী প্রস্তুতি সমাবেশ শ্রীপুরে উপজেলা জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতির বিএনপিতে যোগদান ৬ মাসেই অক্সিজেনের ভাঙা সেতু পুননির্মাণ করেছে চসিক:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম–৯ আসনে আবু সুফিয়ান’র সমর্থনে সনাতনী র‍্যালি রংপুর বিভাগে নির্বাচন ঘিরে র‍্যাব ও যৌথ বাহিনীর বিশেষ মহড়া কিশোরগঞ্জে উপজেলা পর্যায়ে কড়া নিরাপত্তায় ব্যালট পেপার পাঠানো শুরু করেছে এনসিটি ইস্যুতে শ্রমিকদের গ্রেফতার-নিপীড়নে উদ্বেগ পেশাজীবি পরিষদের জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে কালিগঞ্জে জাতীয় পার্টির বিশাল জনসভা ঝালকাঠি-১ আসনে হাতপাখার ইব্রাহিম আল হাদীর নির্বাচনী গণমিছিল বেগমগঞ্জে র‍্যাবের রোবাস্ট পেট্রোল মহড়া ও চেকপোস্ট স্থাপন এবং আকস্মিক তল্লাশি অভিযান জোরদার ঢাকা-১৯ আসনে জমজমাট লড়াই, ভোটের অপেক্ষায় ভোটাররা বিএনপি প্রার্থী মেয়র মজিবর রহমানের সহধর্মিণী মুন্নীর  উঠান বৈঠকে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি  ঝালকাঠি-১ আসনের রাজাপুরে জামায়াত প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের নির্বাচনী গণমিছিল  ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় পার্টির জিয়াউল হক মৃধা জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে চন্দনাইশ উপজেলা মাদ্রাসা “শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান প্রধান” নির্বাচিত হয়েছেন মোজাহেরুল কাদের। রূপগঞ্জে বিএনপির ৩০ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান নরসিংদীর ৫টি আসনের ৬৬৩ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩৯৩টি ঝুঁকিপূর্ণ দাঁড়িপাল্লা বিজয়ী হলে দুর্নীতির জায়গা থাকবে না; মাওঃ আবুল কালাম আজাদ পাইকগাছায় গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ রূপগঞ্জ পূর্বাচলে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবদল নেতা নিহত ॥ আহত এক রূপগঞ্জে নির্বাচনের হালচাল ভোটাররাই পাল্টে দিবেন নির্বাচনী সমীকরণ 

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ফিরেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:11:23 pm, Thursday, 29 January 2026
  • 13 বার পড়া হয়েছে

মোঃ আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আধুনিক ও বিদেশি পণ্যের ভিড়ের মধ্যেও আলাদা করে নজর কাড়ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি গৃহস্থালি ও শৌখিন সামগ্রী। রঙিন প্যাভিলিয়ন আর ঝলমলে পণ্যের ভিড়েও মৃৎশিল্পের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ প্রমাণ করছে-মাটির জিনিসের চাহিদা এখনও ফুরিয়ে যায়নি। মাটির তৈরি নানা গৃহস্থালি সামগ্রী ও ঘর সাজানোর নান্দনিক উপকরণে সাজানো এই প্যাভিলিয়নে সারাক্ষণই ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে।
মেলার মূল ভবনের দক্ষিণ-পশ্চিম কর্ণারের শাহপরান মৃৎশিল্পের প্যাভিলিয়নটি ক্রেতাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এখানে রয়েছে মাটির তৈরি নানা রকমের গৃহস্থালি ও সাজসজ্জার সামগ্রী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্যাভিলিয়নের দেয়ালজুড়ে স্তরে স্তরে সাজানো রয়েছে মাটির তৈরি সাধারণ প্লেট, বিরিয়ানির প্লেট, কাপ-পিরিচ, গ্লাস, ডিনার সেট, হাঁড়ি, গামলা, ফুলদানি, ব্যাংক, ওয়ালমেট, মোমদানি, ল্যাম্প, পুতুল, শোপিস ও নানা ধরণের গিফট আইটেম। নানান রঙ, নকশা ও আকৃতির এসব পণ্য ক্রেতা-দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। অনেকেই পছন্দ অনুযায়ী কিনে নিচ্ছেন প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
একসময় গ্রামবাংলার দৈনন্দিন জীবনে মাটির তৈরি জিনিসপত্রই ছিল গৃহস্থালির প্রধান অনুষঙ্গ। যখন সময়ের পরিবর্তনে প্লাস্টিক ও মেলামাইন পণ্যের দখলে তখন মাটির তৈরি পণ্যে মানুষের মন জয় করছে। এখনো মানুষের মনে মাটির জিনিসের প্রতি আলাদা টান রয়েছে। বাণিজ্যমেলায় ক্রেতাদের এসব পণ্য কেনার বড় সুযোগ হয়ে উঠেছে।
মাটির তৈরি কাপ-পিরিচ প্রতি পিস ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, থালা ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, ফুলদানি ১২০ থেকে ২০০ টাকা, ব্যাংক ৪০ থেকে ২০০ টাকা, ওয়ালমেট ২০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং মাটির হাঁড়ি ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মেলায় মাটির তৈরি পণ্য কিনতে আসা গৃহবধূ হাসিনা আক্তার বলেন, আধুনিকতার কারণে এখন মাটির জিনিসপত্রের ব্যবহার অনেক কমে গেছে। তবে প্লাস্টিক বা মেলামাইনের তুলনায় মাটির তৈরি সামগ্রী বেশি স্বাস্থ্যকর। পাশাপাশি দেখতে সুন্দর এবং দামও তুলনামূলক কম। এসব কারণেই তিনি মাটির তৈজসপত্র কিনছেন।
একই প্যাভিলিয়ন থেকে কেনাকাটা করছিলেন স্কুলশিক্ষক সাইফুল ইসলাম । তিনি বলেন, ঘর সাজাতে সবচেয়ে বেশি দরকার রুচিবোধ।

অল্প খরচেই মাটির তৈরি জিনিসপত্র দিয়ে ঘরকে সুন্দরভাবে সাজানো যায়। মাটির পুতুল, ফুলদানি, মোমদানি কিংবা ল্যাম্প ঘরের পরিবেশকে সহজেই আকর্ষণীয় করে তোলে। তাই ভিন্ন ধাঁচের কিছু শোপিস কিনেছেন তিনি।
শাহপরান মৃৎশিল্পের স্বত্বাধিকারী শাহপরান বলেন, তিনি ২০ বছরের বেশি সময় ধরে মাটির তৈরি গৃহস্থালি ও শৌখিন পণ্য নিয়ে কাজ করছেন। তার তৈরি পণ্যগুলো ৮৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পোড়ানো হয়, ফলে এগুলো কাচের কাচের সামগ্রীর চেয়েও বেশি টেকসই।

বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে মাটির তৈরি এসব পণ্যের চাহিদা বেশি বলে জানান তিনি। মেলার প্রথম দিকে বিক্রি তুলনাকূলক কম ছিল। তবে এখন ক্রেতাদের ভিড় ও বিক্রি বাড়ছে। এখনও অনেক মানুষের কাছে মাটির তৈরি গৃহস্থালি সামগ্রীর আলাদা কদর রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় ৮৮ ভোট কেন্দ্র, ৪৮৮ বুথ; ৭৭ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন

আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ফিরেছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য

আপডেট সময় : 06:11:23 pm, Thursday, 29 January 2026

মোঃ আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় আধুনিক ও বিদেশি পণ্যের ভিড়ের মধ্যেও আলাদা করে নজর কাড়ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী মাটির তৈরি গৃহস্থালি ও শৌখিন সামগ্রী। রঙিন প্যাভিলিয়ন আর ঝলমলে পণ্যের ভিড়েও মৃৎশিল্পের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ প্রমাণ করছে-মাটির জিনিসের চাহিদা এখনও ফুরিয়ে যায়নি। মাটির তৈরি নানা গৃহস্থালি সামগ্রী ও ঘর সাজানোর নান্দনিক উপকরণে সাজানো এই প্যাভিলিয়নে সারাক্ষণই ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে।
মেলার মূল ভবনের দক্ষিণ-পশ্চিম কর্ণারের শাহপরান মৃৎশিল্পের প্যাভিলিয়নটি ক্রেতাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এখানে রয়েছে মাটির তৈরি নানা রকমের গৃহস্থালি ও সাজসজ্জার সামগ্রী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্যাভিলিয়নের দেয়ালজুড়ে স্তরে স্তরে সাজানো রয়েছে মাটির তৈরি সাধারণ প্লেট, বিরিয়ানির প্লেট, কাপ-পিরিচ, গ্লাস, ডিনার সেট, হাঁড়ি, গামলা, ফুলদানি, ব্যাংক, ওয়ালমেট, মোমদানি, ল্যাম্প, পুতুল, শোপিস ও নানা ধরণের গিফট আইটেম। নানান রঙ, নকশা ও আকৃতির এসব পণ্য ক্রেতা-দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে। অনেকেই পছন্দ অনুযায়ী কিনে নিচ্ছেন প্রয়োজনীয় সামগ্রী।
একসময় গ্রামবাংলার দৈনন্দিন জীবনে মাটির তৈরি জিনিসপত্রই ছিল গৃহস্থালির প্রধান অনুষঙ্গ। যখন সময়ের পরিবর্তনে প্লাস্টিক ও মেলামাইন পণ্যের দখলে তখন মাটির তৈরি পণ্যে মানুষের মন জয় করছে। এখনো মানুষের মনে মাটির জিনিসের প্রতি আলাদা টান রয়েছে। বাণিজ্যমেলায় ক্রেতাদের এসব পণ্য কেনার বড় সুযোগ হয়ে উঠেছে।
মাটির তৈরি কাপ-পিরিচ প্রতি পিস ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, থালা ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, ফুলদানি ১২০ থেকে ২০০ টাকা, ব্যাংক ৪০ থেকে ২০০ টাকা, ওয়ালমেট ২০০ থেকে ৩০০ টাকা এবং মাটির হাঁড়ি ২০০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মেলায় মাটির তৈরি পণ্য কিনতে আসা গৃহবধূ হাসিনা আক্তার বলেন, আধুনিকতার কারণে এখন মাটির জিনিসপত্রের ব্যবহার অনেক কমে গেছে। তবে প্লাস্টিক বা মেলামাইনের তুলনায় মাটির তৈরি সামগ্রী বেশি স্বাস্থ্যকর। পাশাপাশি দেখতে সুন্দর এবং দামও তুলনামূলক কম। এসব কারণেই তিনি মাটির তৈজসপত্র কিনছেন।
একই প্যাভিলিয়ন থেকে কেনাকাটা করছিলেন স্কুলশিক্ষক সাইফুল ইসলাম । তিনি বলেন, ঘর সাজাতে সবচেয়ে বেশি দরকার রুচিবোধ।

অল্প খরচেই মাটির তৈরি জিনিসপত্র দিয়ে ঘরকে সুন্দরভাবে সাজানো যায়। মাটির পুতুল, ফুলদানি, মোমদানি কিংবা ল্যাম্প ঘরের পরিবেশকে সহজেই আকর্ষণীয় করে তোলে। তাই ভিন্ন ধাঁচের কিছু শোপিস কিনেছেন তিনি।
শাহপরান মৃৎশিল্পের স্বত্বাধিকারী শাহপরান বলেন, তিনি ২০ বছরের বেশি সময় ধরে মাটির তৈরি গৃহস্থালি ও শৌখিন পণ্য নিয়ে কাজ করছেন। তার তৈরি পণ্যগুলো ৮৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় পোড়ানো হয়, ফলে এগুলো কাচের কাচের সামগ্রীর চেয়েও বেশি টেকসই।

বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে মাটির তৈরি এসব পণ্যের চাহিদা বেশি বলে জানান তিনি। মেলার প্রথম দিকে বিক্রি তুলনাকূলক কম ছিল। তবে এখন ক্রেতাদের ভিড় ও বিক্রি বাড়ছে। এখনও অনেক মানুষের কাছে মাটির তৈরি গৃহস্থালি সামগ্রীর আলাদা কদর রয়েছে।