Dhaka , Monday, 3 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছা-কয়রাকে আধুনিক ও বাসযোগ্য অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবো-এমপি ফাহমিদা হক মতলব উত্তরে থামছেই না চুরি, এক রাতে উধাও আরও ৪ ট্রান্সফরমার বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করল আশা সিমেন্ট গাজীপুরে রোটারি ক্লাব অব ভাওয়ালের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি নোয়াখালীতে পিকআপের সঙ্গে সংঘর্ষে অটোচালকের মৃত্যু নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে পুকুর থেকে অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ উদ্ধার  ইবিতে শহীদ আনাসের লেখা চিঠির স্মৃতিফলক উন্মোচন এমপি লুৎফুর রহমান কাজলের সঙ্গে রামু ব্রিকফিল্ড মালিক সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ কাউখালীতে গাঁজা-ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, কাউখালীতে ৩০ কেজি নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ, এতিমখানায় বিতরণ বস্তুনিষ্ঠতাই সঠিক সাংবাদিকতার মানদণ্ড: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী সংসদীয় গণতন্ত্র শক্তিশালী হলেই জুলাই শহীদদের আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসী চক্রে বড় আঘাত; আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসীর সহযোগীসহ গ্রেফতার ০২, উদ্ধার বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও গুলি গ্যাসের স্বল্পচাপে উৎপাদন ব্যাহত, রান্নার চুলা নিভু নিভু টক্সিকে যশ–কিয়ারার ঘনিষ্ঠতা নিয়ে সমালোচনা, কড়া জবাব হুমা কুরেশির ভারতীয় দলে ডাক পাওয়া কে এই আকিব নবি জ্বালানির দাম বাড়তেই যুক্তরাজ্যে চুরির হিড়িক, প্রতিদিন উধাও ৩ কোটি টাকার তেল জনতাসহ সরকারি সব ব্যাংকে নিয়মিত পদোন্নতির দাবি বিরোধী দল শেখ হাসিনার ভাষায় কথা বলছে: মির্জা ফখরুল দুবাইয়ে বেনজীরের জামিন নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় আত্মগোপনে থেকেও শেষ রক্ষা হয়নি; চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার মূল আসামি গ্রেফতার, উদ্ধার হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র চন্দনাইশে মাদকসহ আটক দুই তরুণকে রাজনৈতিক মামলায় চালান ​পীরগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযান: মাদক ও যানবাহনসহ গ্রেফতার ১, পলাতকদের খোঁজে তৎপরতা মধুপুরের ব্যস্ততম সাথী সিনেমা হল সড়ক এখন মরণফাঁদ, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ ও ব্যবসায়ীরা চট্টগ্রামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী দলের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রামু গর্জনিয়াতে শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ করলেন ইউএনও জিল্লুর রহমান রামুতে ইট প্রস্তুতকারক সমিতির নতুন কমিটি গঠন; সভাপতি রফিক, সম্পাদক জামাল লোহাগাড়ায় সাদিয়া-ইভার প্রাইভেটকারে গোপন চেম্বারে তল্লাশি চালিয়ে ১৬ হাজার ইয়াবা; আটক ৪ রূপগঞ্জের নারী শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র সহিতুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজে নতুন অধ্যক্ষের যোগদান

“মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:08:16 pm, Tuesday, 24 March 2026
  • 86 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম:

মঙ্গলবার বিকালে সংস্কৃতি মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে এটিকে ধ্বংস করা এবং ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। গত ১৬ বছরে এ জাদুঘর রক্ষায় আমরা আন্দোলন, মানববন্ধন, সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছি।

তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য পর্যন্ত কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল এবং দর্শনার্থীদের প্রবেশেও বাধা দেওয়া হয়েছে, যাতে মানুষ তাঁর সম্পর্কে জানতে না পারে। এমনকি একসময় এটি সরিয়ে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। আমরা তখন এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণার দাবিতে বারবার সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি এবং সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং জাদুঘরটিকে ধীরে ধীরে জীর্ণ অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”

জাদুঘর সংরক্ষণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্যোগের অভাবের সমালোচনা করে মেয়র বলেন, “গত ১৬ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারকেও আমরা বারবার বিষয়টি জানিয়েছি। সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাও পরিদর্শনে এসেছেন, কিন্তু বাস্তব কোনো কাজ শুরু হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন সেক্টর কমান্ডার, স্বাধীনতার ঘোষক এবং চট্টগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। ১৯৮১ সালের ৩০ মে এই সার্কিট হাউজেই তিনি শহীদ হন। তাঁর স্মৃতিকে সংরক্ষণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।”

তিনি বলেন, শুধু জিয়া জাদুঘর নয়, চট্টগ্রামের অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থাপনাও সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। খুলশীর বধ্যভূমি সংরক্ষণ এবং বিপ্লব উদ্যানে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যেখান থেকে ২৫ মার্চের কালরাতে শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

মেয়র আশা প্রকাশ করে বলেন, “জিয়া স্মৃতি জাদুঘর যেহেতু সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে, তাই মন্ত্রণালয় দ্রুত উদ্যোগ নিলে এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এটিকে হেরিটেজ ঘোষণার কথা জানিয়েছেন। আমরা চাই জাদুঘরটি সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্মুক্ত করা হোক, যাতে তারা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারে।”

জিয়া শিশু পার্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জিয়া শিশু পার্কটি নতুনভাবে নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করা হবে। পূর্বে এটি সেনাবাহিনীর অধীনে ছিল, তবে আলোচনা করে আমরা জায়গাটি পুনরুদ্ধার করেছি। এখানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে একটি আধুনিক, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব ইকো পার্ক গড়ে তোলা হবে। কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা থাকবে না—এটি হবে একটি ‘গ্রিন ইকো পার্ক’, যেখানে শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সবাই নির্মল বিনোদনের সুযোগ পাবে।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছা-কয়রাকে আধুনিক ও বাসযোগ্য অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবো-এমপি ফাহমিদা হক

“মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

আপডেট সময় : 07:08:16 pm, Tuesday, 24 March 2026

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম:

মঙ্গলবার বিকালে সংস্কৃতি মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে এটিকে ধ্বংস করা এবং ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। গত ১৬ বছরে এ জাদুঘর রক্ষায় আমরা আন্দোলন, মানববন্ধন, সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছি।

তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য পর্যন্ত কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল এবং দর্শনার্থীদের প্রবেশেও বাধা দেওয়া হয়েছে, যাতে মানুষ তাঁর সম্পর্কে জানতে না পারে। এমনকি একসময় এটি সরিয়ে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। আমরা তখন এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণার দাবিতে বারবার সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি এবং সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং জাদুঘরটিকে ধীরে ধীরে জীর্ণ অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”

জাদুঘর সংরক্ষণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্যোগের অভাবের সমালোচনা করে মেয়র বলেন, “গত ১৬ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারকেও আমরা বারবার বিষয়টি জানিয়েছি। সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাও পরিদর্শনে এসেছেন, কিন্তু বাস্তব কোনো কাজ শুরু হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন সেক্টর কমান্ডার, স্বাধীনতার ঘোষক এবং চট্টগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। ১৯৮১ সালের ৩০ মে এই সার্কিট হাউজেই তিনি শহীদ হন। তাঁর স্মৃতিকে সংরক্ষণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।”

তিনি বলেন, শুধু জিয়া জাদুঘর নয়, চট্টগ্রামের অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থাপনাও সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। খুলশীর বধ্যভূমি সংরক্ষণ এবং বিপ্লব উদ্যানে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যেখান থেকে ২৫ মার্চের কালরাতে শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

মেয়র আশা প্রকাশ করে বলেন, “জিয়া স্মৃতি জাদুঘর যেহেতু সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে, তাই মন্ত্রণালয় দ্রুত উদ্যোগ নিলে এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এটিকে হেরিটেজ ঘোষণার কথা জানিয়েছেন। আমরা চাই জাদুঘরটি সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্মুক্ত করা হোক, যাতে তারা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারে।”

জিয়া শিশু পার্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জিয়া শিশু পার্কটি নতুনভাবে নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করা হবে। পূর্বে এটি সেনাবাহিনীর অধীনে ছিল, তবে আলোচনা করে আমরা জায়গাটি পুনরুদ্ধার করেছি। এখানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে একটি আধুনিক, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব ইকো পার্ক গড়ে তোলা হবে। কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা থাকবে না—এটি হবে একটি ‘গ্রিন ইকো পার্ক’, যেখানে শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সবাই নির্মল বিনোদনের সুযোগ পাবে।”