Dhaka , Saturday, 14 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় ৭৭টি মাদ্রাসায় সৌদি বাদশাহর উপহারের খেজুর বিতরণ ঝালকাঠিতে ১৬০টি গাছ কাটার পর স্থগিত প্রায় দুই হাজার গাছ কাটার প্রকল্প রাজাপুরে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক অভিযান মধুপুরে এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে সৌদির খেজুর বিতরণ রূপগঞ্জে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হবে : পানিসম্পদ মন্ত্রী। অফিসে সময়মতো উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, অন্যথায় শাস্তির হুঁশিয়ারি ত্রাণমন্ত্রীর তারাগঞ্জে আলোচিত জোড়া খুনের আসামি মজিদুল গ্রেফতার: র‍্যাবের ঝটিকা অভিযানে সাফল্য রূপগঞ্জে আগুনে চার দোকান পুড়ে ছাই ॥ অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি রূপগঞ্জে তিন মাদককারবারির আত্মসমর্পণ হাকিমপুরে জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল হিলিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ৫ টাকায় ৫০০ মানুষের ইফতার দিল উদ্দীপ্ত তরুণ আড়াইহাজারে ইফতার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ নেত্রকোণার দুই উপজেলায় বজ্রপাতে নিহত ২ দুর্গাপুরে সাংবাদিক সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ছাত্ররাজনীতি হতে হবে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে: ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল জাতীয়তাবাদী চেতনা শক্তিশালী করতে জাসাসকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে:- ব্যারিস্টার মীর হেলাল পাইকগাছায় মুক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে র‌্যালি ও আলোচনা সভা চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)’র কথিত ইফতার মাহফিলের আড়ালে আওয়ামী সমাবেশ আয়োজনের অপচেষ্টা রোধ ও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের আহ্বান। রামগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে খালেদা জিয়ার বিদ্রোহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল পাইকগাছায় অবৈধ জাল জব্দ; পোনা নদীতে অবমুক্ত ১০ কেজির বদলে ৮ কেজি: রূপগঞ্জে ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ বেগমগঞ্জের গোপালপুর ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  রাজাপুরে চাঁদাবাজির মামলার দুই আসামি গ্রেফতার আতঙ্কের সাম্রাজ্য ফারাজ করিম, মানবিকতার মুখোশে অভিযোগের পাহাড় চট্টগ্রামে পতেঙ্গা ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় থেকে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা মূল্যের ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ ০৫ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-৭,চট্টগ্রাম শ্রীপুরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার রামু গর্জনিয়ায় তাঁতীদলের আয়োজনে দোয়া ও মাহফিল ইফতার সম্পন্ন

নগরীর কল্পলোকে নির্মাণ শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা মজুরি না দিয়ে ভবন মালিক সরোয়ার ও নুর মোহাম্মদ উধাও

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:45:40 pm, Sunday, 7 September 2025
  • 163 বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিনিধি চট্টগ্রাম:
বাংলাদেশে নির্মাণ খাতে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ না করার অভিযোগ নতুন নয়, তবে সম্প্রতি একটি ঘটনা আবারো আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন (বি-২২০৫) এর সদস্য মোঃ ইসমাইল হোসেনের ন্যায্য পাওনা মজুরি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানাধীন কল্পলোক আবাসিক এলাকার প্লট নং-এ ৬ এর ভবন মালিক সরোয়ার ও নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে।
ফেডারেশন সূত্রে জানা যায়, মোঃ ইসমাইল হোসেন একটি নির্মাণাধীন ভবনের কাজ শেষ করার পর শ্রমিকদের পাওনা মেটাতে বারবার অনুরোধ করে মালিক পক্ষকে। কিন্তু ভবন মালিক সরোয়ার ও নুর মোহাম্মদ পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে হুমকি দেন, যে তিনি তাদের নামে মামলা করবেন।
পরবর্তীতে তিনি থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করেন।
পাওনার হিসাব নির্ধারণের জন্য থানার পক্ষ থেকে ভবনের ইঞ্জিনিয়ারের মাধ্যমে পরিমাপের সময় নির্ধারণ করা হলেও, সরোয়ার ও নুর মোহাম্মদ নিজেই সেই প্রক্রিয়া ব্যাহত করেন। পরে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, যে তার ইঞ্জিনিয়ারের মাধ্যমে সঠিক পরিমাপ করে পাওনা টাকা পরিশোধ করবেন। কিন্তু প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।
এই সময়ে ঠিকাদার ইসমাইল ও অন্যান্য শ্রমিকরা নানা ধরনের পুলিশি হয়রানির শিকার হন। পাওনা না পেয়ে ও অবিচারের কারণে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই বিষয়ে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এসআই আলামিনকে দায়িত্ব দেয় বলে প্রতিবেদককে যানান। এসআই আলআমিন উক্ত বিষয়ে কোন কাজ না করে শ্রমিকদের সাথে লুকোচুরি খেলা শুরু করেন অবশেষে শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন এই প্রতিনিধিকে জানান, তারা দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করে ও কোন প্রকার সুরাহা থানা কর্তৃপক্ষের কাছে না পেয়ে তারা অবশেষে পুলিশ কমিশনারের দ্বারস্থ হন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সহায়তায় ভবনের মালিকের বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানা একটি মামলা দায়ের করা হয় কিন্তু মামলা দায়ের করার একদিন পরেই বিল্ডিং এর সেন্টারিং কাজের সমস্ত মালামাল চুরি হয়ে যায় এ বিষয় নিয়ে শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দরা ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন পরে তারা বাকলিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাত করলে তিনি যেকোন ভাবে এ মামলা নিষ্পত্তি করে নির্মাণ শ্রমিকের পাওনা টাকা উদ্ধার করে দিবেন বলে আশ্বাস দেন।
আইনি প্রেক্ষাপট ও সম্ভাব্য অভিযোগ
ভবন মালিক সরোয়ার ও নুর মোহাম্মদ বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ উঠেছে, তাতে বেশ কিছু আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে,
১. শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলা
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৮) অনুযায়ী, শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করলে এটি একটি গুরুতর অপরাধ। এর জন্য জরিমানা ও কারাদণ্ড উভয়ই হতে পারে।
২. প্রতারণা মামলা
কাজ করিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে টাকা না দেওয়া এবং উল্টো ভুক্তভোগীকে হুমকি দেওয়া ফৌজদারি দণ্ডবিধি অনুযায়ী প্রতারণার শামিল।
৩. হুমকি ও ভয় দেখানোর অভিযোগ।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে মামলা করার হুমকি দেওয়া এবং পুলিশের মাধ্যমে হয়রানি করানো এটি ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারার আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
৪. চুক্তি ভঙ্গ মামলা
শ্রমিকদের সাথে মৌখিক বা লিখিত যে চুক্তি হয়েছে, তা ভঙ্গ করার অভিযোগ আনা সম্ভব।
সম্ভাব্য সাজা ও শাস্তি
যদি আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে-
শ্রম আইন লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা সহ সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
প্রতারণার জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে।
হুমকির জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
চুক্তি ভঙ্গের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের আদেশ আসতে পারে।
একজন শ্রমিক তার ঘামঝরা পরিশ্রমের মাধ্যমে ভবন নির্মাণে অবদান রাখেন। অথচ ন্যায্য পাওনা না পেয়ে উল্টো হয়রানির শিকার হওয়া কেবল শ্রমিকের জন্য নয়, পুরো সমাজের জন্য অপমানজনক। শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে। একইসাথে, ভবন মালিক সরোয়ার ও নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা না নিলে এই ধরণের ঘটনাকে উৎসাহিত করা হবে।
এ বিষয়ে একাধিক বার সরোয়ার ও নূর মোহাম্মদ এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও প্রতিবেদক তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় ৭৭টি মাদ্রাসায় সৌদি বাদশাহর উপহারের খেজুর বিতরণ

নগরীর কল্পলোকে নির্মাণ শ্রমিকের ন্যায্য পাওনা মজুরি না দিয়ে ভবন মালিক সরোয়ার ও নুর মোহাম্মদ উধাও

আপডেট সময় : 04:45:40 pm, Sunday, 7 September 2025
নিজস্ব প্রতিনিধি চট্টগ্রাম:
বাংলাদেশে নির্মাণ খাতে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ না করার অভিযোগ নতুন নয়, তবে সম্প্রতি একটি ঘটনা আবারো আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশ নির্মাণ শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশন (বি-২২০৫) এর সদস্য মোঃ ইসমাইল হোসেনের ন্যায্য পাওনা মজুরি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানাধীন কল্পলোক আবাসিক এলাকার প্লট নং-এ ৬ এর ভবন মালিক সরোয়ার ও নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে।
ফেডারেশন সূত্রে জানা যায়, মোঃ ইসমাইল হোসেন একটি নির্মাণাধীন ভবনের কাজ শেষ করার পর শ্রমিকদের পাওনা মেটাতে বারবার অনুরোধ করে মালিক পক্ষকে। কিন্তু ভবন মালিক সরোয়ার ও নুর মোহাম্মদ পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে হুমকি দেন, যে তিনি তাদের নামে মামলা করবেন।
পরবর্তীতে তিনি থানায় একটি অভিযোগও দায়ের করেন।
পাওনার হিসাব নির্ধারণের জন্য থানার পক্ষ থেকে ভবনের ইঞ্জিনিয়ারের মাধ্যমে পরিমাপের সময় নির্ধারণ করা হলেও, সরোয়ার ও নুর মোহাম্মদ নিজেই সেই প্রক্রিয়া ব্যাহত করেন। পরে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, যে তার ইঞ্জিনিয়ারের মাধ্যমে সঠিক পরিমাপ করে পাওনা টাকা পরিশোধ করবেন। কিন্তু প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।
এই সময়ে ঠিকাদার ইসমাইল ও অন্যান্য শ্রমিকরা নানা ধরনের পুলিশি হয়রানির শিকার হন। পাওনা না পেয়ে ও অবিচারের কারণে তারা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। এই বিষয়ে বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি এসআই আলামিনকে দায়িত্ব দেয় বলে প্রতিবেদককে যানান। এসআই আলআমিন উক্ত বিষয়ে কোন কাজ না করে শ্রমিকদের সাথে লুকোচুরি খেলা শুরু করেন অবশেষে শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন এই প্রতিনিধিকে জানান, তারা দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষা করে ও কোন প্রকার সুরাহা থানা কর্তৃপক্ষের কাছে না পেয়ে তারা অবশেষে পুলিশ কমিশনারের দ্বারস্থ হন, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের সহায়তায় ভবনের মালিকের বিরুদ্ধে বাকলিয়া থানা একটি মামলা দায়ের করা হয় কিন্তু মামলা দায়ের করার একদিন পরেই বিল্ডিং এর সেন্টারিং কাজের সমস্ত মালামাল চুরি হয়ে যায় এ বিষয় নিয়ে শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দরা ভবনের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেন পরে তারা বাকলিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাত করলে তিনি যেকোন ভাবে এ মামলা নিষ্পত্তি করে নির্মাণ শ্রমিকের পাওনা টাকা উদ্ধার করে দিবেন বলে আশ্বাস দেন।
আইনি প্রেক্ষাপট ও সম্ভাব্য অভিযোগ
ভবন মালিক সরোয়ার ও নুর মোহাম্মদ বিরুদ্ধে যে ধরনের অভিযোগ উঠেছে, তাতে বেশ কিছু আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে,
১. শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলা
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (সংশোধিত ২০১৮) অনুযায়ী, শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নির্ধারিত সময়ে পরিশোধ না করলে এটি একটি গুরুতর অপরাধ। এর জন্য জরিমানা ও কারাদণ্ড উভয়ই হতে পারে।
২. প্রতারণা মামলা
কাজ করিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে টাকা না দেওয়া এবং উল্টো ভুক্তভোগীকে হুমকি দেওয়া ফৌজদারি দণ্ডবিধি অনুযায়ী প্রতারণার শামিল।
৩. হুমকি ও ভয় দেখানোর অভিযোগ।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে মামলা করার হুমকি দেওয়া এবং পুলিশের মাধ্যমে হয়রানি করানো এটি ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারার আওতায় অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।
৪. চুক্তি ভঙ্গ মামলা
শ্রমিকদের সাথে মৌখিক বা লিখিত যে চুক্তি হয়েছে, তা ভঙ্গ করার অভিযোগ আনা সম্ভব।
সম্ভাব্য সাজা ও শাস্তি
যদি আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে-
শ্রম আইন লঙ্ঘনের জন্য জরিমানা সহ সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
প্রতারণার জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড ও জরিমানা হতে পারে।
হুমকির জন্য সর্বোচ্চ ২ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।
চুক্তি ভঙ্গের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণের আদেশ আসতে পারে।
একজন শ্রমিক তার ঘামঝরা পরিশ্রমের মাধ্যমে ভবন নির্মাণে অবদান রাখেন। অথচ ন্যায্য পাওনা না পেয়ে উল্টো হয়রানির শিকার হওয়া কেবল শ্রমিকের জন্য নয়, পুরো সমাজের জন্য অপমানজনক। শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষায় কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নিতে হবে। একইসাথে, ভবন মালিক সরোয়ার ও নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা না নিলে এই ধরণের ঘটনাকে উৎসাহিত করা হবে।
এ বিষয়ে একাধিক বার সরোয়ার ও নূর মোহাম্মদ এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও প্রতিবেদক তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি।