Dhaka , Wednesday, 2 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কাউখালীতে প্রতিমন্ত্রী সোহেল মনজুর ত্রাণ বিতরণ, বৃক্ষরোপণ ও পোনা মাছ অবমুক্ত করেন ধর্মপাশায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন রাজনগরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল র‍্যালি নেপাল নিয়ে বিদেশিদের যে অনুরোধ মনীষার আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির স্মরণীয় ১০ অধ্যায় ২০২৭ সালের রোজা শুরু কবে থেকে, জানা গেল মাদারীপুরে মসজিদের ইমামের ঘরে বিস্ফোরণ আগস্টের ৩০ দিনে প্রবাসী আয় ৩৪৮০৯ কোটি টাকা বিএনপির ৪৮ বছরের ৪৮ অর্জন তুলে ধরলেন মাহদী আমিন তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে: ট্রাম্প বিমান বাহিনীর জিপ দুর্ঘটনায় ৩ সদস্য নিহত, আহত ৪ আইন অমান্য করে পুকুরের ওপর দোতলা ভবন, গুঁড়িয়ে দিচ্ছে প্রশাসন বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী:দুর্গাপুরে পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কলমাকান্দায় নানা আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ‘শহীদ জিয়ার বহুদলীয় গণতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত রাখতে বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাচ্ছে’: ব্যারিস্টার মীর হেলাল বালুমহল নিয়ে হরিরামপুরে বিএনপির দুই পক্ষের মিছিল, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দূর্যোগ মোকাবেলায় প্রতিটি খাদ্য গুদামে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছেঃ মানিকগঞ্জে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম সাটুরিয়ায় নারী হত্যার রহস্য উদঘাটন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল ঘাতক গ্রেফতার পাইকগাছায় ২৪ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধিত বিগত সরকার বিদ্যুতের কথা বলে লাখ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে: এমপি সাঈদ আসলাম বক্তাবলীতে জয়নাল ও তার দুই ছেলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন মধুপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মৌলভীবাজারে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি হাটহাজারীতে দেশীয় পেনগানসহ ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার; অস্ত্র সরবরাহকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার টঙ্গীতে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মাদকের হটস্পট হাজির মাজার বস্তি দুর্গাপুরের জনমনে একটাই সুর,চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আনোয়ার হোসেন আজাদ সুর, কবিতা ও আলোচনায় দুর্গাপুরে জাতীয় কবিকে স্মরণ অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর: নারায়ণগঞ্জ ভূমি অফিসের এ অনিয়মে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর অসন্তোষ প্রকাশ প্লাস্টিক বর্জ্য দিলেই চিড়িয়াখানায় বিনা মূল্যে প্রবেশ, ডিসি জাহিদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পরনিন্দা করে লাভ নাই তারেক রহমান রাতের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী নয় – মাদারীপুরে এমপি খোকন তালুকদার

রাজাপুরে সরকারি ৫টি গাছ বি’ক্রির অ’ভিযো’গ স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তার বি’রু’দ্ধে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:33:51 pm, Wednesday, 2 July 2025
  • 104 বার পড়া হয়েছে
মো. নাঈম হাসান ঈমন ঝালকাঠি প্রতিনিধি,
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পেছনের সরকারি জমিতে রোপণ করা অন্তত পাঁচটি মূল্যবান গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি)-এর কর্মকর্তা ও ডেভেলপমেন্ট ফেসিলিটেটর (ইউডিএফ) মো. ইমরান আলীর বিরুদ্ধে। বিষয়টি ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করলেও, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি – যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্র ও একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার পেছনের সরকারি জমিতে রোপণ করা চারটি মেহগনি ও একটি রেন্ট্রি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলায় প্রশাসন নানা চাপের মুখে ছিল। সেই সুযোগে গাছগুলো উপজেলার শহরের একটি স-মিলে রেখে দেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা মো. ইমরান আলী। পরে, আওয়ামী লীগের পতন হওয়াতে ইমরান আলী আওয়ামী পন্থী হওয়ায় ৫ আগস্টের সময় পরিস্থিতি গরম হলে তিনি কর্মস্থল ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তিনি পুনরায় কর্মস্থলে ফিরে আসেন। অভিযোগ রয়েছে, তখনই গাছগুলো স-মিল থেকে কেটে কিছু কাঠ ব্যক্তিগত ফার্নিচার তৈরির জন্য স্থানীয় দোকানে নিয়ে আসেন, কিছু কাঠ পার্শ্ববর্তী কাউখালী উপজেলায় বিক্রি করেন এবং কিছু কাঠ স্থানীয় ফার্নিচারের দোকানেই বিক্রি করে দেন।
স-মিল মালিক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন,
“ইমরান আলী ভাই ওই গাছগুলো মিলে রেখে দেন দুই-তিন মাস। পরে এসে বলেন, অফিসের ফার্নিচার বানাতে হবে, দ্রুত কেটে দিতে। আমরা তো সরকারি অফিসের জন্যই ভাবছিলাম। আমরা তো জানতাম না তিনি ব্যক্তিগত কাজে নেবেন। পরে শুনি উনি নিজের জন্যই গাছগুলো ব্যবহার করছেন।”
মারুফ ফার্নিচার দোকানদারও একই কথা বলছেন। তার দাবি, “উপজেলার কর্মকর্তা ইমরান আলী তার বাড়ির জন্য ফার্নিচার বানাতে আমার দোকানে কিছু কাঠ এনেছিলেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ফার্নিচার না বানিয়ে কিছু কাঠ আমার কাছেই বিক্রি করেন, আর কিছু কাঠ কাউখালী নিয়ে গিয়ে বিক্রি করেন।”
তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানা ইয়াসমিন বিষয়টি জানলেও, বদলির কারণে আর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি বলে জানা যায়। বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও রাহুল চন্দ অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলেও স্থানীয়রা জানান, তবে এ পর্যন্ত কোনো ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ আরও ঘনীভূত হয়েছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউডিএফ কর্মকর্তা মো. ইমরান আলী সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা। আমি কোনো গাছ কাটি নাই বা নেই নাই।”
সরকারি গাছ কাটা, বিক্রি, অথবা সরানো – প্রতিটি ক্ষেত্রেই জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের অনুমতি আবশ্যক। তবে কার অনুমতিতে এই পাঁচটি গাছ কাটা হলো? বিক্রির টাকা কোথায় গেল? প্রশাসন কেন নীরব? এ নিয়ে একাধিক স্থানীয় নেতা ও সচেতন নাগরিক বলেছেন, “একজন কর্মকর্তা চাইলে সরকারি গাছ কেটে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতে পারে – এমন নজির তৈরি হলে দেশে পরিবেশ রক্ষার সব উদ্যোগই প্রশ্নের মুখে পড়বে।”
এ বিষয়ে জানতে রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহুল চন্দের অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে দুইদিনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি তার হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠালে মেসেজটি দেখেও দুই দিন পর্যন্ত কোনো উত্তর দেননি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের শাস্তি, এবং গাছ বিক্রির অর্থ সরকারের রাজস্ব তহবিলে ফেরতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
১। ক্যাপশনঃ অভিযুক্ত ডেভেলপমেন্ট ফেসিলিটেটর (ইউডিএফ) কর্মকর্তা মো. ইমরান আলী।
২। ক্যাপশনঃ উপজেলা পরিষদের পিছন যেখান থেকে গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজাপুরে সরকারি ৫টি গাছ বি’ক্রির অ’ভিযো’গ স্থানীয় সরকার বিভাগের কর্মকর্তার বি’রু’দ্ধে

আপডেট সময় : 02:33:51 pm, Wednesday, 2 July 2025
মো. নাঈম হাসান ঈমন ঝালকাঠি প্রতিনিধি,
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পেছনের সরকারি জমিতে রোপণ করা অন্তত পাঁচটি মূল্যবান গাছ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্প (ইউজিডিপি)-এর কর্মকর্তা ও ডেভেলপমেন্ট ফেসিলিটেটর (ইউডিএফ) মো. ইমরান আলীর বিরুদ্ধে। বিষয়টি ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসতে শুরু করলেও, প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি – যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্র ও একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার পেছনের সরকারি জমিতে রোপণ করা চারটি মেহগনি ও একটি রেন্ট্রি গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে দেশজুড়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলায় প্রশাসন নানা চাপের মুখে ছিল। সেই সুযোগে গাছগুলো উপজেলার শহরের একটি স-মিলে রেখে দেন অভিযুক্ত কর্মকর্তা মো. ইমরান আলী। পরে, আওয়ামী লীগের পতন হওয়াতে ইমরান আলী আওয়ামী পন্থী হওয়ায় ৫ আগস্টের সময় পরিস্থিতি গরম হলে তিনি কর্মস্থল ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় তিনি পুনরায় কর্মস্থলে ফিরে আসেন। অভিযোগ রয়েছে, তখনই গাছগুলো স-মিল থেকে কেটে কিছু কাঠ ব্যক্তিগত ফার্নিচার তৈরির জন্য স্থানীয় দোকানে নিয়ে আসেন, কিছু কাঠ পার্শ্ববর্তী কাউখালী উপজেলায় বিক্রি করেন এবং কিছু কাঠ স্থানীয় ফার্নিচারের দোকানেই বিক্রি করে দেন।
স-মিল মালিক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন,
“ইমরান আলী ভাই ওই গাছগুলো মিলে রেখে দেন দুই-তিন মাস। পরে এসে বলেন, অফিসের ফার্নিচার বানাতে হবে, দ্রুত কেটে দিতে। আমরা তো সরকারি অফিসের জন্যই ভাবছিলাম। আমরা তো জানতাম না তিনি ব্যক্তিগত কাজে নেবেন। পরে শুনি উনি নিজের জন্যই গাছগুলো ব্যবহার করছেন।”
মারুফ ফার্নিচার দোকানদারও একই কথা বলছেন। তার দাবি, “উপজেলার কর্মকর্তা ইমরান আলী তার বাড়ির জন্য ফার্নিচার বানাতে আমার দোকানে কিছু কাঠ এনেছিলেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ফার্নিচার না বানিয়ে কিছু কাঠ আমার কাছেই বিক্রি করেন, আর কিছু কাঠ কাউখালী নিয়ে গিয়ে বিক্রি করেন।”
তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানা ইয়াসমিন বিষয়টি জানলেও, বদলির কারণে আর কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেননি বলে জানা যায়। বর্তমানে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইউএনও রাহুল চন্দ অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলেও স্থানীয়রা জানান, তবে এ পর্যন্ত কোনো ধরনের প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ আরও ঘনীভূত হয়েছে।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত ইউডিএফ কর্মকর্তা মো. ইমরান আলী সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা। আমি কোনো গাছ কাটি নাই বা নেই নাই।”
সরকারি গাছ কাটা, বিক্রি, অথবা সরানো – প্রতিটি ক্ষেত্রেই জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের অনুমতি আবশ্যক। তবে কার অনুমতিতে এই পাঁচটি গাছ কাটা হলো? বিক্রির টাকা কোথায় গেল? প্রশাসন কেন নীরব? এ নিয়ে একাধিক স্থানীয় নেতা ও সচেতন নাগরিক বলেছেন, “একজন কর্মকর্তা চাইলে সরকারি গাছ কেটে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতে পারে – এমন নজির তৈরি হলে দেশে পরিবেশ রক্ষার সব উদ্যোগই প্রশ্নের মুখে পড়বে।”
এ বিষয়ে জানতে রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহুল চন্দের অফিসে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে দুইদিনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। এমনকি তার হোয়াটসঅ্যাপে ক্ষুদে বার্তা পাঠালে মেসেজটি দেখেও দুই দিন পর্যন্ত কোনো উত্তর দেননি। ফলে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয়দের দাবি দ্রুত এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের শাস্তি, এবং গাছ বিক্রির অর্থ সরকারের রাজস্ব তহবিলে ফেরতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
১। ক্যাপশনঃ অভিযুক্ত ডেভেলপমেন্ট ফেসিলিটেটর (ইউডিএফ) কর্মকর্তা মো. ইমরান আলী।
২। ক্যাপশনঃ উপজেলা পরিষদের পিছন যেখান থেকে গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে।