
স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকায় কিশোরগঞ্জের বেসরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকেও বিষয়টি নিয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
সম্প্রতি ইউজিসি’র একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সময় পরেও বিশ্ববিদ্যালয়টি নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর হয়নি। এতে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানাগেছে, ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বর্তমানে ভাড়া করা ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০১০-এর পরিপন্থী।
ইউজিসি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেসব বিশ্ববিদ্যালয় সময়মতো স্থায়ী ক্যাম্পাসে না যায়, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইতিমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে এবং প্রয়োজন হলে ভর্তিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হতে পারে।
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিভাগের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব এ এস এম কাসেমের সই করা চিঠিতে বলা হয় , ১৬ টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাময়িক অনুমতির মেয়াদউত্তীর্ণ হওয়ার পরও শিক্ষা কার্যক্রম স্থায়ী ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করেনি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন , ২০১০- এর ধারা ১২ (১) অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হল
স্থানীয় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা বলছেন, উচ্চশিক্ষার মান নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়টির দ্রুত স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার বিকল্প নেই।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।