Dhaka , Friday, 21 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে আবাসিক হোটেলে ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ১২   মোটরসাইকেল যোগে ইয়াবা পাচার কালে রামুতে ৪০ হাজার পিস ইয়াবাসহ লোহাগড়ার মো. জসিম ও মো. আলমগীর আটক কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির মতবিনিময় সভা পাইকগাছা চৌকি আদালতে ফ্রেন্ডশিপ অনলাইন বিরোধ নিষ্পত্তি কেন্দ্রের উদ্বোধন রূপগঞ্জে ছাদবাগান ও নার্সারির বিস্তারে নীরব বিপ্লব ঘটছে \ ব্যবসা সফল পাইকগাছা-কয়রার মানুষের সেবা নিশ্চিত করাই আমার লক্ষ্য: বাপ্পি রূপগঞ্জে আরাফাত ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা ও পুরুষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকে হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ গোলাপগঞ্জে সাংবাদিক খালেদকে হেনস্তা ও হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন রায়পুরে জিপিএ প্রাপ্ত ৭০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা লাউফুলা হাটের জায়গা থেকে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ সড়ক দুর্ঘটনায় প্যারালাইজড মন্টু মোল্লার পাশে এডুব্রিজ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ জানুয়ারিতে ঢাবির সমাবর্তন, প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ উপাচার্যের শেষ হলো বহুল প্রতীক্ষিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচন মুরগি চুরির অপবাদে প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ১ কাউখালীতে টহল শেষে ফেরার পথে নৌ পুলিশের ওপর হামলা, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার বিয়ের প্রলোভনে লক্ষ্মীপুরে গৃহবধূকে নৌকায় নিয়ে ধর্ষণ “চলো যাই যুদ্ধে,, মাদকের বিরুদ্ধে” রামগঞ্জে র‍্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ এলাকায় টেক্সি-মাইক্রো স্ট্যান্ড স্থাপনের প্রতিবাদে স্মারকলিপি গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ছড়িয়ে দিতে লালমনিরহাটে বিতর্ক ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ইউএসটিসিতে আপসাইক্লিং ও সার্কুলার ইকোনমি নিয়ে TriRE-এর হাতে-কলমে কর্মশালা বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের ৫৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী কাউখালীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের বৃক্ষরোপণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন পুঁজি ছাড়াই লাভজনক এনসিটি যাচ্ছে ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে ফতুল্লায় উচ্ছেদ অভিযানে বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি মাদক ব্যবসায়ীদের সামাজিকভাবে বয়কট করুন: গর্জনিয়ায় রামুর ওসি ফজলুল হক মার্কস অলরাউন্ডার প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় রূপগঞ্জের সহিতুন্নেছা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী হাদিকা হানিফ হিমি ঢাকা বিভাগে দ্বিতীয় কালিয়াকৈরের ঐতিহ্যবাহী বড়ইবাড়ী এ কে ইউ ইনস্টিটিউশন এন্ড কলেজের সভাপতি হলেন ভিপি ইব্রাহিম নকশাবহির্ভূত ভবনের বিরুদ্ধে চউকের অভিযান অব্যাহত, সাবেক মেয়র রেজাউল করিমের ভবনসহ ৭টিতে ২৭ লাখ টাকা জরিমানা পাইকগাছায় অবৈধ জাল জব্দ; আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট

শুভ মহালয়া দেবীর আগমনী বার্তা।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:52:27 pm, Tuesday, 1 October 2024
  • 870 বার পড়া হয়েছে

শুভ মহালয়া দেবীর আগমনী বার্তা।।

অরবিন্দ রায়

স্টাফ রিপোর্টার।।

   

বুধবার ২ অক্টোবর ২০২৪ শুভ মহালয়া। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা  মহালয়ার  মধ্য দিয়ে শুরু হয়।  ভোরে শ্রী শ্রী  চণ্ডীপাঠে মর্ত্যলোকে  দেবী দূর্গাকে  আমন্ত্রণ জানানো হবে।   শুরু হবে দেবীপক্ষ।  আশ্বিন  মাসের শুক্লপক্ষ তিথিকে বলা হয় দেবীপক্ষ।  হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী,  মহালয়ার দিন কৈলাসে শ্বশুরালয় ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে পৃথিবীতে আসেন দেবী দুর্গা।   এ দিন থেকে দুর্গাপূজার ক্ষনগণনাও শুরু হয়।
মহালয়া হল পিতৃপক্ষ এবং দেবী পক্ষের সন্ধিক্ষণ।  মহালয়ার মাধ্যমে দুর্গাপূজার সূচনা হয়। দেবী দুর্গা  এই দিনে পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন বলে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ বিশ্বাস করেন।
মহালয়া শব্দটির অর্থ মহান যে আলয় বা আশ্রয়।  মহালয়া স্ত্রীলিঙ্গ বাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।  মহালয়ার দিনে পিতৃপক্ষের অবসান হয় ও আমাবস্যার  অন্ধকার দূর হয়ে আলোকময় দেবিপক্ষে শুরু হয়।
পুরানে বলা আছে মহালয়ার দিন  দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করার দায়িত্ব পান । ব্রক্ষার  বরপ্রাপ্ত কোনো মানুষ বা দেবতার পক্ষে মহিষাসুরকে বধ করা সম্ভব ছিল না।  অসীম ক্ষমতাশালী মহিষাসুর তার ক্ষমতার দম্ভে মদমত্ত হয়ে ওঠে । একে একে দেবতাদের স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করে। ব্রক্ষা,  বিষ্ণু ও শিব এয়ী তখন বাধ্য হয়ে  মিলিতভাবে মহামায়া রূপে অমোঘ  নারী শক্তি সৃষ্টি করলেন।  দেবতাদের দান করা ১০ টি অস্ত্রে সিংহবাহিনী দেবী দুর্গা  সুসজ্জিত হয়ে উঠেন।  ৯  দিন ব্যাপী ঘোরতর  যুদ্ধে মহিষাসুরকে পরাজিত ও হত্যা করলেন। 
মহালয়ার দিনে দেবী দুর্গা এই মর্ত্যে   অবতরণ করেছেন বলে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন।  পিতৃপুরুষের অবসান  দেবীপক্ষের সূচনার দিনটিকেই মহালয়া হিসেবে উদযাপন করা হয়।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা গঙ্গায় গিয়ে তিন পুরুষের আত্মার শান্তি কামনায় জল ও তেল দিতে হয়।  মহালয়া  থেকে শুরু হয় প্রতিবদ,  প্রথমা, দ্বিতীয়া,  তৃতীয়া,  এরপর থেকে দেবীর অকাল  বোধন।
পুরাণ অনুযায়ী- জীবিত ব্যক্তির পূর্বের তিন পুরুষ পর্যন্ত পিতৃলোকে বাস করেন। 
স্বর্গ ও মর্ত্যের মাঝামাঝি স্হানে অবস্হিত।
পিতৃলোকের শাসক হলেও মৃত্যু দেবতা যম।
পরবর্তী প্রজন্মে একজনের  মৃত্যু হলে পূর্ববর্তী  প্রজন্মের একজন পিতৃলোক  ছেড়ে স্বর্গে গমন করেন। পরমাত্মা নীল  হন   এবং এই প্রক্রিয়ায় তিনি শ্রদ্ধানুষ্ঠানের উর্ধ্বে উঠে যান।
পুরান মতে, ব্রক্ষার  নির্দেশে পিতৃপুরুষেরা   ১৫ দিন মনুষ্যলোকের  কাছাকাছি চলে আসেন। সত্যি এজন্য গোটা পক্ষকাল ধরে পিতৃপুরুষদের স্মরণ ও মাননের তর্পন করা হয়।
মহিষাসুরকে বধ  করে  অশুভ শক্তি ও শুভ শক্তি আরাধনায়  মহালয়ার গুরুত্ব অপরিসীম।  মহালয়া মানে তিন পুরুষের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ দিন। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা প্রতিবছর অধীর আগ্রহে মহালয়ার  দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। 
বিশ্বের সমস্ত  অশুভ শক্তির বিনাশ হয়ে শুভ শক্তির উদয় হোক। সবাইকে শুভ মহালয়ার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে আবাসিক হোটেলে ডিবির অভিযানে গ্রেপ্তার ১২  

শুভ মহালয়া দেবীর আগমনী বার্তা।।

আপডেট সময় : 02:52:27 pm, Tuesday, 1 October 2024

অরবিন্দ রায়

স্টাফ রিপোর্টার।।

   

বুধবার ২ অক্টোবর ২০২৪ শুভ মহালয়া। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা  মহালয়ার  মধ্য দিয়ে শুরু হয়।  ভোরে শ্রী শ্রী  চণ্ডীপাঠে মর্ত্যলোকে  দেবী দূর্গাকে  আমন্ত্রণ জানানো হবে।   শুরু হবে দেবীপক্ষ।  আশ্বিন  মাসের শুক্লপক্ষ তিথিকে বলা হয় দেবীপক্ষ।  হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী,  মহালয়ার দিন কৈলাসে শ্বশুরালয় ছেড়ে সন্তানদের নিয়ে পৃথিবীতে আসেন দেবী দুর্গা।   এ দিন থেকে দুর্গাপূজার ক্ষনগণনাও শুরু হয়।
মহালয়া হল পিতৃপক্ষ এবং দেবী পক্ষের সন্ধিক্ষণ।  মহালয়ার মাধ্যমে দুর্গাপূজার সূচনা হয়। দেবী দুর্গা  এই দিনে পৃথিবীতে অবতরণ করেছিলেন বলে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ বিশ্বাস করেন।
মহালয়া শব্দটির অর্থ মহান যে আলয় বা আশ্রয়।  মহালয়া স্ত্রীলিঙ্গ বাচক শব্দ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।  মহালয়ার দিনে পিতৃপক্ষের অবসান হয় ও আমাবস্যার  অন্ধকার দূর হয়ে আলোকময় দেবিপক্ষে শুরু হয়।
পুরানে বলা আছে মহালয়ার দিন  দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করার দায়িত্ব পান । ব্রক্ষার  বরপ্রাপ্ত কোনো মানুষ বা দেবতার পক্ষে মহিষাসুরকে বধ করা সম্ভব ছিল না।  অসীম ক্ষমতাশালী মহিষাসুর তার ক্ষমতার দম্ভে মদমত্ত হয়ে ওঠে । একে একে দেবতাদের স্বর্গ থেকে বিতাড়িত করে। ব্রক্ষা,  বিষ্ণু ও শিব এয়ী তখন বাধ্য হয়ে  মিলিতভাবে মহামায়া রূপে অমোঘ  নারী শক্তি সৃষ্টি করলেন।  দেবতাদের দান করা ১০ টি অস্ত্রে সিংহবাহিনী দেবী দুর্গা  সুসজ্জিত হয়ে উঠেন।  ৯  দিন ব্যাপী ঘোরতর  যুদ্ধে মহিষাসুরকে পরাজিত ও হত্যা করলেন। 
মহালয়ার দিনে দেবী দুর্গা এই মর্ত্যে   অবতরণ করেছেন বলে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন।  পিতৃপুরুষের অবসান  দেবীপক্ষের সূচনার দিনটিকেই মহালয়া হিসেবে উদযাপন করা হয়।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা গঙ্গায় গিয়ে তিন পুরুষের আত্মার শান্তি কামনায় জল ও তেল দিতে হয়।  মহালয়া  থেকে শুরু হয় প্রতিবদ,  প্রথমা, দ্বিতীয়া,  তৃতীয়া,  এরপর থেকে দেবীর অকাল  বোধন।
পুরাণ অনুযায়ী- জীবিত ব্যক্তির পূর্বের তিন পুরুষ পর্যন্ত পিতৃলোকে বাস করেন। 
স্বর্গ ও মর্ত্যের মাঝামাঝি স্হানে অবস্হিত।
পিতৃলোকের শাসক হলেও মৃত্যু দেবতা যম।
পরবর্তী প্রজন্মে একজনের  মৃত্যু হলে পূর্ববর্তী  প্রজন্মের একজন পিতৃলোক  ছেড়ে স্বর্গে গমন করেন। পরমাত্মা নীল  হন   এবং এই প্রক্রিয়ায় তিনি শ্রদ্ধানুষ্ঠানের উর্ধ্বে উঠে যান।
পুরান মতে, ব্রক্ষার  নির্দেশে পিতৃপুরুষেরা   ১৫ দিন মনুষ্যলোকের  কাছাকাছি চলে আসেন। সত্যি এজন্য গোটা পক্ষকাল ধরে পিতৃপুরুষদের স্মরণ ও মাননের তর্পন করা হয়।
মহিষাসুরকে বধ  করে  অশুভ শক্তি ও শুভ শক্তি আরাধনায়  মহালয়ার গুরুত্ব অপরিসীম।  মহালয়া মানে তিন পুরুষের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ দিন। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা প্রতিবছর অধীর আগ্রহে মহালয়ার  দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। 
বিশ্বের সমস্ত  অশুভ শক্তির বিনাশ হয়ে শুভ শক্তির উদয় হোক। সবাইকে শুভ মহালয়ার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।