Dhaka , Saturday, 25 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে ইসলামী মহা-সমাবেশ সফল করতে মতবিনিময় সভা বিসিকের হাল ধরলেন বেনজীর আহমেদ টিটো নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে সরকারের উদ্যোগ অব্যাহত: বাণিজ্য মন্ত্রী রূপগঞ্জে সাবেক এমপির বিরুদ্ধে মাদ্রাসার জমি দখলের অভিযোগ, উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। অবশেষে যাত্রামুড়ায় ঈদগাহ ও জানাজার মাঠ পেল ৫ হাজার বাসিন্দা রূপগঞ্জে শত বছরের কাঞ্চন বাজারে ২০ বছর পর ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির নির্বাচন : উৎসবমুখর পরিবেশ পার্কিং অবমুক্তে উদ্যোগের আশ্বাস চউক চেয়ারম্যানের, ট্যাগ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় কেবল শিক্ষাই জেলে পল্লীর ভাগ্য বদলাতে পারে:- ডিসি জাহিদ নারায়ণগঞ্জে লেবার পার্টির প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত শিখা অনির্বাণে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম বানভাসিদের পাশে ইউসিএফ ও পথশিশু আশ্রয় কেন্দ্র, চিকিৎসাসেবা-নগদ সহায়তা-বস্ত্র বিতরণ বর্ষাকাল এলেই সরগরম পাইকগাছার নার্সারি; শত কোটি টাকার চারা বিক্রির সম্ভাবনা পাইকগাছায় উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত সিলেট নগরীর শিববাড়ি এলাকার বাসিন্দা বিপাশা দে (দিয়া) নামে এক কলেজছাত্রী নিখোঁজ হয়েছেন। আশুলিয়ার বাইপাইলে আবাসিক হোটেলে অভিযান, অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে ৮ জন আটক নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ করছে বিএনপি সরকার – এমপি খোকন তালুকদার মাদারীপুরে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষ মেলা উদ্বোধন অব্যবস্থাপনা ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করে সড়ক নির্মাণ করায় রূপগঞ্জে জলাবদ্ধতায় নগরপাড়া বাজারে কেনাবেচা বন্ধ \ দুর্ভোগে পাঁচ গ্রামের মানুষ পাইকগাছায় স্পটে হাটবাজারের চান্দিনা ভিটি লাইসেন্স নবায়ন; রাজস্ব আদায় ত্বরান্বিত ১৮তম নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ভাইস এডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম কেন ইনস্টাগ্রামে বার্তা আদান-প্রদানে বিভ্রাট দেখা দিয়েছিল? স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান নিয়ে ইসলাম কী বলে চায়ের সঙ্গে বিস্কুটের মতো সাধারণ অভ্যাসেই লুকিয়ে আছে বড় স্বাস্থ্য ঝুঁকি! দেশের তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে আমি গর্বিত: টুইঙ্কেল খান্না গার্দিওলার ইতালির কোচ হওয়া নিয়ে যা জানা গেল যন্তর মন্তর অভিমুখে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের আটকে দিচ্ছে দিল্লি পুলিশ ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক লেনদেন সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক রাষ্ট্রপতির ‘পদত্যাগ’ নিয়ে যা বললেন আসিফ মাহমুদ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে শেখ হাসিনার ফোনালাপ, যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীতে ইনোভারের বিজনেস মিট ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন হুমকিতে বসতবাড়ি।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:05:58 am, Monday, 23 September 2024
  • 198 বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন হুমকিতে বসতবাড়ি।।

শরীয়তপুর প্রতিনিধি।।
   
   
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার কীর্তিনাশা ও হোগলা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করছেন একটি চক্র। এতে হুমকিতে পড়েছে নদী তীরবর্তী বসতবাড়ি ও ফসলি জমিসহ বিভিন্ন এলাকার বেড়িবাঁধ। এ ছাড়া কৃষি জমি থেকে বালু উত্তলনের ফলে প্রতি বছরই কমে যাচ্ছে আবাদি জমির পরিমাণ।
জানা গেছে, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার প্রায় ৩০ টি পয়েন্ট থেকে কয়েকটি ড্রেজার দিয়ে কীর্তিনাশা ও হোগলা নদীর তীর থেকে প্রতিদিন কয়েক লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এ ছাড়া রামভদ্রপুর ইউনিয়ন ডলির মার খামার- চরসেনসাস ইউনিয়নের নতুন বালার বাজার, ডিএমখালি ইউনিয়নের হকপুর- আরশি নগর ইউনিয়নের ফেলুরচর বাজার, ছয়গাও ইউনিয়নের আনন্দ বাজার- টেকের বাজার- চরভাগা ইউনিয়নের ছুরিরচর সহ প্রায় ৩০ টি পয়েন্টে রাতদিন সমানতালে অবৈধভাবে নদী ও কৃষি জমি থেকে বালু উত্তলন করা হচ্ছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। নদী তীরবর্তী ড্রেজার প্রতি সংশ্লিষ্টদের মাসোহারা দিতে হয় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। এবং কৃষিজমি কাটার জন্য গুনতে হয় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
হারুন পাটোয়ারী নামে এক ড্রেজার ব্যবসায়ী বলেন- আমি ও মিজান সিকদার এই দুটি ড্রেজারের পরিচালনা করি। প্রশাসনকে ম্যানেজ না করে এ অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব না। সংশ্লিষ্টদের মাসোহারা মোটা অংকের টাকা দেওয়ার পরই মৌখিকভাবে আমাদের ব্যবসা পরিচালনা করার সুযোগ করে দেন। মাটি ও বালু মহালের চাঁদার টাকা নিচ থেকে উপর মহল সবখানে পৌঁছানোর পরে এ ব্যবসা পরিচালনা করা যায়।
স্থানীয়রা জানান, ড্রেজার দিয়ে বালু মাটি উত্তোলন অব্যাহত থাকলে এ বর্ষায় নদীর পাড় এলাকার ফসলি জমি- ঘর-বাড়িসহ সরকারি স্থাপনা মারাত্মকভাবে নদী ভাঙনের কবলে পড়বে। এসব বালু মাটি ব্যবসায়ীরা স্থানীয় এবং প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কোনো প্রতিবাদ করার সাহস পায় না।
বালার বাজার এলাকার বাসিন্দা আমেনা আক্তার বলেন- সব সময় নদীর নিচু এলাকা দিয়েই পানির প্রবাহ বইতে থাকে। তাই বর্ষার সময় পানির প্রবল স্রোতে নদীর পাড় এলাকায় ভাঙন দেখা দিতে পারে। একবার ভাঙন শুরু হলে আশপাশের গ্রামগুলো নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ফেলুরচর এলাকার বাসিন্দা নুর আলম বলেন- ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার কারণে বর্ষা এলেই নদীর পাড়ে ভাঙন শুরু হয়। তখন আমাদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায়। স্থানীয় হারুন পাটোয়ারী ও মিজান সিকদার প্রভাব খাটিয়ে নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করছে। ভয়ে সাধারণ লোকজন তাদেরকে কিছুই বলতে সাহস পায় না।
নদী রক্ষা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো বলছেন ‘অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে যেভাবে নদী থেকে মাটি কাটা হচ্ছে তাতে বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙনের সম্ভাবনা রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে এসব বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা -ইউএনও- মো. রাজিবুল ইসলাম বলেন- আমাদের চেষ্টা বা আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই। অবৈধ ড্রেজারগুলো বন্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স। যেখানে অভিযোগ পাচ্ছি সেখানে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে ইসলামী মহা-সমাবেশ সফল করতে মতবিনিময় সভা

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন হুমকিতে বসতবাড়ি।।

আপডেট সময় : 09:05:58 am, Monday, 23 September 2024
শরীয়তপুর প্রতিনিধি।।
   
   
শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার কীর্তিনাশা ও হোগলা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করছেন একটি চক্র। এতে হুমকিতে পড়েছে নদী তীরবর্তী বসতবাড়ি ও ফসলি জমিসহ বিভিন্ন এলাকার বেড়িবাঁধ। এ ছাড়া কৃষি জমি থেকে বালু উত্তলনের ফলে প্রতি বছরই কমে যাচ্ছে আবাদি জমির পরিমাণ।
জানা গেছে, শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার প্রায় ৩০ টি পয়েন্ট থেকে কয়েকটি ড্রেজার দিয়ে কীর্তিনাশা ও হোগলা নদীর তীর থেকে প্রতিদিন কয়েক লাখ ঘনফুট বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এ ছাড়া রামভদ্রপুর ইউনিয়ন ডলির মার খামার- চরসেনসাস ইউনিয়নের নতুন বালার বাজার, ডিএমখালি ইউনিয়নের হকপুর- আরশি নগর ইউনিয়নের ফেলুরচর বাজার, ছয়গাও ইউনিয়নের আনন্দ বাজার- টেকের বাজার- চরভাগা ইউনিয়নের ছুরিরচর সহ প্রায় ৩০ টি পয়েন্টে রাতদিন সমানতালে অবৈধভাবে নদী ও কৃষি জমি থেকে বালু উত্তলন করা হচ্ছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। নদী তীরবর্তী ড্রেজার প্রতি সংশ্লিষ্টদের মাসোহারা দিতে হয় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। এবং কৃষিজমি কাটার জন্য গুনতে হয় ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত।
হারুন পাটোয়ারী নামে এক ড্রেজার ব্যবসায়ী বলেন- আমি ও মিজান সিকদার এই দুটি ড্রেজারের পরিচালনা করি। প্রশাসনকে ম্যানেজ না করে এ অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব না। সংশ্লিষ্টদের মাসোহারা মোটা অংকের টাকা দেওয়ার পরই মৌখিকভাবে আমাদের ব্যবসা পরিচালনা করার সুযোগ করে দেন। মাটি ও বালু মহালের চাঁদার টাকা নিচ থেকে উপর মহল সবখানে পৌঁছানোর পরে এ ব্যবসা পরিচালনা করা যায়।
স্থানীয়রা জানান, ড্রেজার দিয়ে বালু মাটি উত্তোলন অব্যাহত থাকলে এ বর্ষায় নদীর পাড় এলাকার ফসলি জমি- ঘর-বাড়িসহ সরকারি স্থাপনা মারাত্মকভাবে নদী ভাঙনের কবলে পড়বে। এসব বালু মাটি ব্যবসায়ীরা স্থানীয় এবং প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ কোনো প্রতিবাদ করার সাহস পায় না।
বালার বাজার এলাকার বাসিন্দা আমেনা আক্তার বলেন- সব সময় নদীর নিচু এলাকা দিয়েই পানির প্রবাহ বইতে থাকে। তাই বর্ষার সময় পানির প্রবল স্রোতে নদীর পাড় এলাকায় ভাঙন দেখা দিতে পারে। একবার ভাঙন শুরু হলে আশপাশের গ্রামগুলো নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনায় এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ফেলুরচর এলাকার বাসিন্দা নুর আলম বলেন- ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার কারণে বর্ষা এলেই নদীর পাড়ে ভাঙন শুরু হয়। তখন আমাদের রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায়। স্থানীয় হারুন পাটোয়ারী ও মিজান সিকদার প্রভাব খাটিয়ে নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কেটে বিক্রি করছে। ভয়ে সাধারণ লোকজন তাদেরকে কিছুই বলতে সাহস পায় না।
নদী রক্ষা নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলো বলছেন ‘অবৈধভাবে ড্রেজার বসিয়ে যেভাবে নদী থেকে মাটি কাটা হচ্ছে তাতে বর্ষা মৌসুমে নদী ভাঙনের সম্ভাবনা রয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে এসব বন্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।
ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা -ইউএনও- মো. রাজিবুল ইসলাম বলেন- আমাদের চেষ্টা বা আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই। অবৈধ ড্রেজারগুলো বন্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স। যেখানে অভিযোগ পাচ্ছি সেখানে ব্যবস্থা নিচ্ছি।