Dhaka , Wednesday, 20 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
জাজিরায় মাদক ও চুরির বিরুদ্ধে মানববন্ধন, খলিল-লাকি দম্পতির বিচারের দাবি আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম ক্ষেত্র হল জনবান্ধব ভূমিসেবা: বিভাগীয় কমিশনার সিলেট টেস্টে ভালো অবস্থানে আছে বাংলাদেশ : শন টেইট ওয়ানডে ফরম্যাট দিয়ে জাতীয় দলে ফিরতে চান সাব্বির অসামাজিক কার্যকলাপে যুক্ত হাবিপ্রবির ৪ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার চট্টগ্রামে রেস্টুরেন্ট-হোটেলে অভিযান, জরিমানা ৮০ হাজার দেশের স্বার্থে শিক্ষার্থীদের ছাত্ররাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়া প্রয়োজন দূতাবা‌সের সহায়তায় কুয়েত থে‌কে নারী কর্মী‌র দে‌শে প্রত‌্যাবর্তন ‌“শিক্ষার্থীদের মানবিক ও প্রযুক্তিনির্ভর নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে” :- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন রামগঞ্জে ভূমিসেবা মেলার উদ্ভোধন নিরাপদ কর্মস্থল ও চিকিৎসক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবিতে ড্যাব চট্টগ্রাম এর মানববন্ধন: শ্রীপুরে ৩ দিন ব্যাপী কৃষি ও প্রযুক্তি মেলা অনুষ্ঠিত হয় তথ্য অধিকার আইন সাংবাদিকদের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার:- উপপ্রধান তথ্য অফিসার রামুতে তিন দিনব্যাপী ভূমিসেবা মেলার উদ্বোধন মধুপুরে ভূমিসেবা মেলা ২০২৬ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রামগঞ্জে আগুনে পুড়ে বসতঘর ছাই পাইকগাছায় তিনদিনব্যাপী ভূমিমেলা ২০২৬-এর উদ্বোধন রূপগঞ্জে সালিশ বৈঠকে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে জখম সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে না পারলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত- এনসিপি নেতা নাসির উদ্দীন পাটোয়ারী কাউখালীতে ভূমি সেবা মেলা ২০২৬ উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত ‘রাগ করলা’ নিয়ে মাতামাতি, রুচির দুর্ভিক্ষ বললেন নিলয় ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ‘মাথার দাম’ নির্ধারণ করল ইরান দুই সপ্তাহ ধরে দই ভাত খেলে শরীরে যা ঘটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান, কুড়িগ্রাম চিলমারীতে ১২ কেজি গাঁজাসহ নারী আটক। পাইকগাছায় জেলা পরিষদের উদ্যোগে শিক্ষার্থী ও দুঃস্থদের মাঝে সহায়তা প্রদান পাইকগাছায় গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন ফায়ার ফাইটাররা দেশের মানুষের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক: নারায়ণগঞ্জের পূর্বাচলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ মাদক ও কিশোরগ্যাং প্রতিরোধ সভায় চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী! ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। জিলহজের প্রথম ১০ দিন যে ১০ আমলে গুরুত্ব দেবেন কও বিসমিল্লাহ,কও সুবাহানআল্লাহ, রাগ করলা-?

দুর্গাপুরে নৌকায় নদী পারাপারে দুইগুণ বাড়তি টাকা আদায় ক্ষুব্ধ যাত্রীরা।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:42:16 pm, Wednesday, 4 September 2024
  • 113 বার পড়া হয়েছে

দুর্গাপুরে নৌকায় নদী পারাপারে দুইগুণ বাড়তি টাকা আদায় ক্ষুব্ধ যাত্রীরা।।

পলাশ সাহা
দুর্গাপুর -নেত্রকোনা- প্রতিনিধি।।
  
   
  
নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার শেষ সীমানাস্থল ঘেঁষে কংস নদ। আর এই নদের ডেওটুকোন ফেরিঘাটে নৌকায় পারি দিয়ে প্রতিদিনই জেলাশহরে বিভিন্ন কাজে যেতে হয় এ উপজেলার বাসিন্দাদের। তবে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিবাদ ও সমালোচনা।
যাত্রীদের অভিযোগ,একবার নৌকায় উঠলেই আগের চেয়ে দুইগুণ বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে। পারাপারে  নির্ধারিত ভাড়া আদায়ের চার্ট টানানো নেই ফেরিঘাটে। বাড়তি টাকার বিষয়টি প্রতিবাদ করলে মাঝির বাগবিতণ্ডার রোষানলে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। অপরদিকে ঘাটের ইজারাদার বলেছেন,বেশি টাকায় ফেরিঘাট ইজারা নেওয়া হয়েছে। তাই নেওয়া হচ্ছে বেশি টাকা।
সূত্র জানায়- কংস নদের ডেওটুকোন ফেরিঘাট পারাপারের ইজারা পরিচালনা করছেন নেত্রকোনা জেলা পরিষদ। প্রতিবছর বাংলা সনের চৈত্র মাসের শেষ দিকে নতুন করে ইজারা মূল্য নির্ধারণ করা হয়। কার্যকর করা হয় পহেলা বৈশাখের প্রথম দিন থেকে। পূর্বের সময়ে নৌকায় পারাপারে সঠিকভাবে ভাড়া আদায় করলেও এ বছর পারাপারে ইজারাদার বাড়তি টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
জানা গেছে- প্রতিনিয়ত জেলায় দাপ্তরিক কাজ,কোর্ট-কাচারি- ব্যবসা-বাণিজ্য,কলেজসহ বিভিন্ন কাজে এই ডেওটুকোন ফেরিঘাট পার হয়ে সার্বক্ষণিক যাওয়া-আসা করতে হয় দুর্গাপুর উপজেলার বাসিন্দাদের। প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াত হয়ে থাকে। তবে নৌকায় পারাপারে জনপ্রতি আগের থেকে ৫ টাকা বাড়িয়ে এখন ১০ টাকা- চালকসহ মোটরসাইকেল আগের থেকে ১০ টাকা বাড়িয়ে এখন ২০ টাকা এবং মোটরসাইকেলসহ দুইজনের এখন ৩০ টাকা,সিএনজি ও অটোরিক্সা থেকে নেয়া হয় ইচ্ছে মতো ভাড়া।
অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে মোবারক হোসেন নামের এক যাত্রী বলেন- আগে নৌকা ভাড়া দিতে হতো ৫ টাকা- বর্তমানে দিতে হচ্ছে ১০ টাকা। আমাদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে তারা। আগের ৫ টাকা ভাড়া সঠিক ছিল।
শামছুল আলম খান নামের আরেক যাত্রী বলেন,আমরা দুর্গাপুরের মানুষ জেলা শহরে যোগাযোগ করতে হলে একমাত্র ডেওটুকোন ফেরিঘাট পার হয়ে যেতে হয়। আমরা বাড়তি টাকা দিয়েই যাচ্ছি কিন্তু সবার পক্ষে তো সম্ভব না। এটা জুলুম।
শিক্ষক জুয়েল মিয়া বলেন- ইঞ্চিনচালিত নৌকায় এটুকু নদী পার হতে দুই মিনিটের বেশি লাগে না কিন্তু জনপ্রতি ১০ টাকা আর মোটরসাইকেল ১০ টাকা মোট ২০ টাকা নিচ্ছে। এমন ঘটনা কোথাও দেখিনি।
মাসুদ মিয়া নামের এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, মোটরসাইকেলসহ ৩০ টাকায় এই নদী পার হয়েছি। আগে ১০ টাকায় পার হতাম। কিন্তু এখন আগের চেয়ে ২০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। দুইজন লোক নিয়ে গেলে যে টাকা ভাড়া পায় তার মধ্যে থেকে ৬০ টাকা নৌকা পারাপারের দিতে হয়। খুবই খারাপ লাগে কিন্তু বলার মতো জায়গা দেখিনা।
এদিকে নির্ধারিত ভাড়া আদায়ের চার্ট গণমাধ্যমকর্মীদের দেখাতে বললে নৌকার মাঝি জানায় বাড়িতে আছে চার্ট। এ সময় তার নাম জানতে চাইলে নাম বলতে অস্বীকৃতিও জানায় নৌকার চালক।
বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়ে ইজারাদার বাবুল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,প্রায় ৪০ লাখ টাকায় ফেরিঘাট ইজারাদার নিয়েছেন। নৌকা পারাপারের যে ভাড়া নিচ্ছেন এটি জেলা পরিষদের নির্ধারিত করা। অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন- জেলা পরিষদে কেউ অভিযোগ দিলে পরিষদ ডিসিশন নেবে।
এ ব্যাপারে নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা খন্দকার জানান- গত বছর এবং এ বছর -চলমান- লিজ নেওয়া দুইজন আলাদা ব্যক্তি। গত বছর কোনো অভিযোগ বা আপত্তি না আসলেও এ বছর একাধিকবার অভিযোগ পেয়েছেন।
তিনি বলেন- ফেরিঘাট লিজ নেওয়া ব্যক্তিকে আমরা ইনফর্ম -জানালে- করি যে ওনি বেশি টাকা নিচ্ছেন এরপর প্রায় দুই মাসের মতো বন্ধ ছিল। ওনাদের ফোন করা হলে কিছুদিন বন্ধ রেখে আবারও বেশি টাকা নেওয়া শুরু করে। এখন আবারও গত সপ্তাহে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ এসেছে। আমাদের ইন্জিনিয়ার সাহেব দ্রুতই সরেজমিনে তদন্ত করবেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জাজিরায় মাদক ও চুরির বিরুদ্ধে মানববন্ধন, খলিল-লাকি দম্পতির বিচারের দাবি

দুর্গাপুরে নৌকায় নদী পারাপারে দুইগুণ বাড়তি টাকা আদায় ক্ষুব্ধ যাত্রীরা।।

আপডেট সময় : 02:42:16 pm, Wednesday, 4 September 2024
পলাশ সাহা
দুর্গাপুর -নেত্রকোনা- প্রতিনিধি।।
  
   
  
নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার শেষ সীমানাস্থল ঘেঁষে কংস নদ। আর এই নদের ডেওটুকোন ফেরিঘাটে নৌকায় পারি দিয়ে প্রতিদিনই জেলাশহরে বিভিন্ন কাজে যেতে হয় এ উপজেলার বাসিন্দাদের। তবে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। চলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিবাদ ও সমালোচনা।
যাত্রীদের অভিযোগ,একবার নৌকায় উঠলেই আগের চেয়ে দুইগুণ বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে। পারাপারে  নির্ধারিত ভাড়া আদায়ের চার্ট টানানো নেই ফেরিঘাটে। বাড়তি টাকার বিষয়টি প্রতিবাদ করলে মাঝির বাগবিতণ্ডার রোষানলে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। অপরদিকে ঘাটের ইজারাদার বলেছেন,বেশি টাকায় ফেরিঘাট ইজারা নেওয়া হয়েছে। তাই নেওয়া হচ্ছে বেশি টাকা।
সূত্র জানায়- কংস নদের ডেওটুকোন ফেরিঘাট পারাপারের ইজারা পরিচালনা করছেন নেত্রকোনা জেলা পরিষদ। প্রতিবছর বাংলা সনের চৈত্র মাসের শেষ দিকে নতুন করে ইজারা মূল্য নির্ধারণ করা হয়। কার্যকর করা হয় পহেলা বৈশাখের প্রথম দিন থেকে। পূর্বের সময়ে নৌকায় পারাপারে সঠিকভাবে ভাড়া আদায় করলেও এ বছর পারাপারে ইজারাদার বাড়তি টাকা আদায় করছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
জানা গেছে- প্রতিনিয়ত জেলায় দাপ্তরিক কাজ,কোর্ট-কাচারি- ব্যবসা-বাণিজ্য,কলেজসহ বিভিন্ন কাজে এই ডেওটুকোন ফেরিঘাট পার হয়ে সার্বক্ষণিক যাওয়া-আসা করতে হয় দুর্গাপুর উপজেলার বাসিন্দাদের। প্রতিদিন হাজারো মানুষের যাতায়াত হয়ে থাকে। তবে নৌকায় পারাপারে জনপ্রতি আগের থেকে ৫ টাকা বাড়িয়ে এখন ১০ টাকা- চালকসহ মোটরসাইকেল আগের থেকে ১০ টাকা বাড়িয়ে এখন ২০ টাকা এবং মোটরসাইকেলসহ দুইজনের এখন ৩০ টাকা,সিএনজি ও অটোরিক্সা থেকে নেয়া হয় ইচ্ছে মতো ভাড়া।
অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে মোবারক হোসেন নামের এক যাত্রী বলেন- আগে নৌকা ভাড়া দিতে হতো ৫ টাকা- বর্তমানে দিতে হচ্ছে ১০ টাকা। আমাদের থেকে অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছে তারা। আগের ৫ টাকা ভাড়া সঠিক ছিল।
শামছুল আলম খান নামের আরেক যাত্রী বলেন,আমরা দুর্গাপুরের মানুষ জেলা শহরে যোগাযোগ করতে হলে একমাত্র ডেওটুকোন ফেরিঘাট পার হয়ে যেতে হয়। আমরা বাড়তি টাকা দিয়েই যাচ্ছি কিন্তু সবার পক্ষে তো সম্ভব না। এটা জুলুম।
শিক্ষক জুয়েল মিয়া বলেন- ইঞ্চিনচালিত নৌকায় এটুকু নদী পার হতে দুই মিনিটের বেশি লাগে না কিন্তু জনপ্রতি ১০ টাকা আর মোটরসাইকেল ১০ টাকা মোট ২০ টাকা নিচ্ছে। এমন ঘটনা কোথাও দেখিনি।
মাসুদ মিয়া নামের এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, মোটরসাইকেলসহ ৩০ টাকায় এই নদী পার হয়েছি। আগে ১০ টাকায় পার হতাম। কিন্তু এখন আগের চেয়ে ২০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। দুইজন লোক নিয়ে গেলে যে টাকা ভাড়া পায় তার মধ্যে থেকে ৬০ টাকা নৌকা পারাপারের দিতে হয়। খুবই খারাপ লাগে কিন্তু বলার মতো জায়গা দেখিনা।
এদিকে নির্ধারিত ভাড়া আদায়ের চার্ট গণমাধ্যমকর্মীদের দেখাতে বললে নৌকার মাঝি জানায় বাড়িতে আছে চার্ট। এ সময় তার নাম জানতে চাইলে নাম বলতে অস্বীকৃতিও জানায় নৌকার চালক।
বাড়তি ভাড়া আদায়ের বিষয়ে ইজারাদার বাবুল মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান,প্রায় ৪০ লাখ টাকায় ফেরিঘাট ইজারাদার নিয়েছেন। নৌকা পারাপারের যে ভাড়া নিচ্ছেন এটি জেলা পরিষদের নির্ধারিত করা। অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন- জেলা পরিষদে কেউ অভিযোগ দিলে পরিষদ ডিসিশন নেবে।
এ ব্যাপারে নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা খন্দকার জানান- গত বছর এবং এ বছর -চলমান- লিজ নেওয়া দুইজন আলাদা ব্যক্তি। গত বছর কোনো অভিযোগ বা আপত্তি না আসলেও এ বছর একাধিকবার অভিযোগ পেয়েছেন।
তিনি বলেন- ফেরিঘাট লিজ নেওয়া ব্যক্তিকে আমরা ইনফর্ম -জানালে- করি যে ওনি বেশি টাকা নিচ্ছেন এরপর প্রায় দুই মাসের মতো বন্ধ ছিল। ওনাদের ফোন করা হলে কিছুদিন বন্ধ রেখে আবারও বেশি টাকা নেওয়া শুরু করে। এখন আবারও গত সপ্তাহে আমার কাছে লিখিত অভিযোগ এসেছে। আমাদের ইন্জিনিয়ার সাহেব দ্রুতই সরেজমিনে তদন্ত করবেন।