Dhaka , Friday, 1 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নোয়াখালী সরকারি কলেজে শিক্ষক হেনস্তার প্রতিবাদে মানববন্ধন, পাল্টাপাল্টি স্লোগানে উত্তেজনা লালমনিরহাট ব্যাটালিয়নের সফল অভিযান: সীমান্তে ১২ কেজি গাঁজা ও বিপুল সিরাপ জব্দ দিনাজপুরে র‍্যাবের বড় মাদক উদ্ধার: ঘর তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ মদ ও ফেন্সিডিল জব্দ, গ্রেপ্তার ১ নরসিংদী রাস্তায় পড়ে থাকা এসএসসি পরীক্ষার ২৬৮ টি উত্তর পএ উদ্ধার গাইয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ। পাইকগাছায় লাইসেন্সবিহীন করাতকল ও বেকারিকে জরিমানা শরীয়তপুরে জেলেদের বকনা বাছুর বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, মানহীন বিতরণে ক্ষুব্ধ জেলেরা মাদকে জিরো টলারেন্স ঘোষিত আড়াইহাজারে মাদক নিয়ন্ত্রণে বড় বাধা পুলিশ ভবিষ্যতে মন্দিরের জন্য বরাদ্দ প্রদানে বিন্দুমাত্র অবহেলা করা হবে না,পুরোহিতদের সঙ্গে সাক্ষাতে ডেপুটি স্পিকার চট্টগ্রাম মা ও হাসপাতালে সন্তান সম্ভবা চিকিৎসকসহ কর্তব্যরত চিকিৎসকদের উপর রোগীর স্বজনদের হামলার ঘটনায় ড্যাব চট্টগ্রাম এর প্রতিবাদ চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ১৯ সদস্যের সমন্বয় কমিটি গঠন রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলায় আহত মৎস্য খামারির মৃত্যু ৩৪৪ বোতল ফেনসিডিলসহ আটক: সারপুকুর ইউপি চেয়ারম্যানের ৫ বছরের জেল রামুতে বন্যহাতির আক্রমনে মা-মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু র‍্যাব ৭’র অভিযান এক লাখ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেফতার চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে সমন্বয় কমিটি করবে সরকার:- প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রবাসীদের জন্য প্রথম অনলাইন গণশুনানি, সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানের নির্দেশ দিলেন চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক সদরপুরে হত্যা চেষ্টা মামলায় বিতর্ক, আসামি তালিকা নিয়ে প্রশ্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র রূপগঞ্জে মাদকসেবীদের হামলায় আহত বৃদ্ধের মৃত্যু কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিদ্যালয়ের চাল উড়ে গেল, পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক ইউপি সদস্যসহ ২ জন কারাগারে ভারতের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জনের সাথে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাইকগাছায় রাতে দোকান খোলা রাখায় জরিমানা পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত গাজীপুরে ৬৪ কেজি গাঁজা ও ১২ বোতল বিদেশি মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা: গৃহশিক্ষকের ফাঁসির আদেশ গণসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে শব্দদূষণ প্রতিরোধ সম্ভব : বিভাগীয় কমিশনার নরসিংদী বৃষ্টির মধ্যে হাঁটু পানির নিচে সড়ক ঢালাই, এলাকাবাসীর ক্ষোভ শিট না আনায় ক্লাস থেকে বের করে দেয় শিক্ষক, প্যানিক অ্যাটাকে মেডিকেলে এক শিক্ষার্থী নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে রামু থেকে ৩২ লাখ টাকা চুরি ও অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলায় সুপেয় পানির সংকট।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:13:25 pm, Tuesday, 3 January 2023
  • 159 বার পড়া হয়েছে

শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলায় সুপেয় পানির সংকট।

মেঃ রাকিবুল হাসান,

(শেরপুর) প্রতিনিধি।।

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার অন্য যে কোন এলাকার চেয়ে উচু ভূমি ও পাহাড়ি টিলা ভূমি এলাকা। উচু ভূমি ও পাহাড়ি এলাকা হওয়ার কারনে অগভীর নলকূপের মাধ্যমে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা যায় না। ইতি পূর্বে অত্র এলাকায় বেক্তিগত সরকারি বেসরকারি (এন.জি.ও) এর মাধ্যমে সুপেয় পানির জন্য অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছিল, তা বর্তমানে অচল অবস্থা। কারন পানির স্তর অনেক নিচের লেভেলে চলে যাওয়ার কারনে স্থাপিত টিউবওয়েল গুলি সম্পূর্ণ ভাবে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। যে কারনে গ্রাম অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। গ্রামের ভাষায় একটি কথার প্রচলন আছে ”প্রয়োজন নাকি আইন মানে না”। তাই অনেকেই পানির চাহিদা পূরণ করতে ১৫/২০ ফুট অগভীর নলকূপ স্থাপন করে আয়রন যুক্ত অনিরাপদ খাবার পানি সংগ্রহ করছে এই অগভীর নলকূপ থেকে। যা পানের জন্য ঝুকি মুক্ত নয়। অনেক গ্রাম অঞ্চলের পরিবারের লোকেরা সুপেয় পানি সংগ্রহের জন্য প্রায় ১ কি.মি রাস্তা পাড়ি দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভীর নলকূপের সুপেয় পানি কষ্ট করে সংগ্রহ করে। আগে গ্রাম অঞ্চলের লোকেরা সুপেয় পানির উৎস হিসাবে মাটির কুয়া পাকা কুয়া থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতো। এছাড়া পাহাড়ি এলাকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকেরা খাবার পানি সংগ্রহ করতো বিভিন্ন পাহাড়ের ঝর্ণা থেকে। বর্তমানে পাহাড়ি ঝর্ণা গুলিতে তেমন ভালো পানির প্রবাহ নেই। তাই সুপেয় পানির সংকট দূর করার জন্য সরকারি ভাবে পাহাড়ি অঞ্চলের রিংওয়েল টিউবওয়েল দিয়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু এই সমস্ত সরকারি রিংওয়েল টিউবওয়েল গুলি কার্যত অধিকাশই অকেজো হয়ে পরে আছে। পানির স্তর অধিকতর নিচে নেমে যাওয়ায় প্রায় সব ধরনের অগভির নলকূপ থেকে সুপেয় পানি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। উল্লেখ্য ঝিনাইগাতি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়ন উচু ভূমি এলাকা যথা-ক্রমে নলকুড়া, কাংশা, ধানশাইল, গৌরিপুর ও ঝিনাইগাতি। এই ৫টি ইউনিয়নের সিংহভাগ লোক দরিদ্র কৃষক শ্রমিক ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকের বসবাস। এই সমস্ত পরিবারের পক্ষে গভির নলকূপ স্থাপন করে সুপেয় পানি সংগ্রহ করা সম্ভব না। তাই এই সমস্ত দরিদ্র কৃষক শ্রমিক ও আদিবাসী সম্প্রদায়দের জন্য সরকারি ভাবে গভির নলকূপ স্থাপন করে সুপেয় পানি ব্যবস্থা গ্রহন করা জরুরি প্রয়োজন বলে অত্র এলাকাবাসীর দাবি। প্রকাশ থাকে যে, সরকারি ভাবে প্রতি বছর প্রায় ২”শত গভীর নলকূপ বরাদ্দ দেওয়া হয়। যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যান্ত অপ্রতুল। ঝিনাইগাতি উপজেলা জনস্বাস্থ প্রকৌশলি রাধাবল্লভ সরকারের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, গভীর নলকূপ সরকারি বরাদ্দের চেয়ে এলাকায় চাহিদা অনেক বেশি। বরাদ্দ কৃত গভীর নলকূপ বিতরণ করতে আমাদের অনেক হিমসীম খেতে হচ্ছে। অত্র উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সহ গ্রাম অঞ্চলের সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হলে বরাদ্দ বৃদ্ধি না হলে সুপেয় পানির সংকট কাটানো অনেকটা কঠিন। এ ব্যপারে সদর ইউপি চেয়ারম্যান শাহদাৎ হোসেন , নলকূড়া ইউপি চেয়ারম্যান রুকুন্নুজ্জামান ও গৌরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান পলাশ এর সঙ্গে কথা হলে তারা জানায় সুপেয় পানির জন্য গভীর নলকূপের চাহিদা অনেক। প্রতিদিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও গ্রাম অঞ্চলের লোকের গভীর নলকূপের চাহিদা পূর্ণ করতে না পারায় আমাদের অনেক জবাব দিহিতার মূখমূখি হতে হচ্ছে। তাই আমাদের দাবি সরকারি ভাবে গভীর নলকূপের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে সুপেয় পানির সংকট দূর করার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট জুর দাবি জানাই।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালী সরকারি কলেজে শিক্ষক হেনস্তার প্রতিবাদে মানববন্ধন, পাল্টাপাল্টি স্লোগানে উত্তেজনা

শেরপুরের ঝিনাইগাতি উপজেলায় সুপেয় পানির সংকট।

আপডেট সময় : 06:13:25 pm, Tuesday, 3 January 2023

মেঃ রাকিবুল হাসান,

(শেরপুর) প্রতিনিধি।।

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলার অন্য যে কোন এলাকার চেয়ে উচু ভূমি ও পাহাড়ি টিলা ভূমি এলাকা। উচু ভূমি ও পাহাড়ি এলাকা হওয়ার কারনে অগভীর নলকূপের মাধ্যমে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা যায় না। ইতি পূর্বে অত্র এলাকায় বেক্তিগত সরকারি বেসরকারি (এন.জি.ও) এর মাধ্যমে সুপেয় পানির জন্য অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছিল, তা বর্তমানে অচল অবস্থা। কারন পানির স্তর অনেক নিচের লেভেলে চলে যাওয়ার কারনে স্থাপিত টিউবওয়েল গুলি সম্পূর্ণ ভাবে অকার্যকর হয়ে পড়েছে। যে কারনে গ্রাম অঞ্চলে সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। গ্রামের ভাষায় একটি কথার প্রচলন আছে ”প্রয়োজন নাকি আইন মানে না”। তাই অনেকেই পানির চাহিদা পূরণ করতে ১৫/২০ ফুট অগভীর নলকূপ স্থাপন করে আয়রন যুক্ত অনিরাপদ খাবার পানি সংগ্রহ করছে এই অগভীর নলকূপ থেকে। যা পানের জন্য ঝুকি মুক্ত নয়। অনেক গ্রাম অঞ্চলের পরিবারের লোকেরা সুপেয় পানি সংগ্রহের জন্য প্রায় ১ কি.মি রাস্তা পাড়ি দিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গভীর নলকূপের সুপেয় পানি কষ্ট করে সংগ্রহ করে। আগে গ্রাম অঞ্চলের লোকেরা সুপেয় পানির উৎস হিসাবে মাটির কুয়া পাকা কুয়া থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করতো। এছাড়া পাহাড়ি এলাকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকেরা খাবার পানি সংগ্রহ করতো বিভিন্ন পাহাড়ের ঝর্ণা থেকে। বর্তমানে পাহাড়ি ঝর্ণা গুলিতে তেমন ভালো পানির প্রবাহ নেই। তাই সুপেয় পানির সংকট দূর করার জন্য সরকারি ভাবে পাহাড়ি অঞ্চলের রিংওয়েল টিউবওয়েল দিয়ে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করেছিল। কিন্তু এই সমস্ত সরকারি রিংওয়েল টিউবওয়েল গুলি কার্যত অধিকাশই অকেজো হয়ে পরে আছে। পানির স্তর অধিকতর নিচে নেমে যাওয়ায় প্রায় সব ধরনের অগভির নলকূপ থেকে সুপেয় পানি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। উল্লেখ্য ঝিনাইগাতি উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি ইউনিয়ন উচু ভূমি এলাকা যথা-ক্রমে নলকুড়া, কাংশা, ধানশাইল, গৌরিপুর ও ঝিনাইগাতি। এই ৫টি ইউনিয়নের সিংহভাগ লোক দরিদ্র কৃষক শ্রমিক ও আদিবাসী সম্প্রদায়ের লোকের বসবাস। এই সমস্ত পরিবারের পক্ষে গভির নলকূপ স্থাপন করে সুপেয় পানি সংগ্রহ করা সম্ভব না। তাই এই সমস্ত দরিদ্র কৃষক শ্রমিক ও আদিবাসী সম্প্রদায়দের জন্য সরকারি ভাবে গভির নলকূপ স্থাপন করে সুপেয় পানি ব্যবস্থা গ্রহন করা জরুরি প্রয়োজন বলে অত্র এলাকাবাসীর দাবি। প্রকাশ থাকে যে, সরকারি ভাবে প্রতি বছর প্রায় ২”শত গভীর নলকূপ বরাদ্দ দেওয়া হয়। যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যান্ত অপ্রতুল। ঝিনাইগাতি উপজেলা জনস্বাস্থ প্রকৌশলি রাধাবল্লভ সরকারের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, গভীর নলকূপ সরকারি বরাদ্দের চেয়ে এলাকায় চাহিদা অনেক বেশি। বরাদ্দ কৃত গভীর নলকূপ বিতরণ করতে আমাদের অনেক হিমসীম খেতে হচ্ছে। অত্র উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সহ গ্রাম অঞ্চলের সুপেয় পানির ব্যবস্থা করতে হলে বরাদ্দ বৃদ্ধি না হলে সুপেয় পানির সংকট কাটানো অনেকটা কঠিন। এ ব্যপারে সদর ইউপি চেয়ারম্যান শাহদাৎ হোসেন , নলকূড়া ইউপি চেয়ারম্যান রুকুন্নুজ্জামান ও গৌরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান পলাশ এর সঙ্গে কথা হলে তারা জানায় সুপেয় পানির জন্য গভীর নলকূপের চাহিদা অনেক। প্রতিদিন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও গ্রাম অঞ্চলের লোকের গভীর নলকূপের চাহিদা পূর্ণ করতে না পারায় আমাদের অনেক জবাব দিহিতার মূখমূখি হতে হচ্ছে। তাই আমাদের দাবি সরকারি ভাবে গভীর নলকূপের বরাদ্দ বৃদ্ধি করে সুপেয় পানির সংকট দূর করার জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট জুর দাবি জানাই।