
চঞ্চল,
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লিখিত ও মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষার তথ্যে গড়মিল পাওয়ায় তিন পরীক্ষার্থীকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ভাইভা চলাকালীন সন্দেহজনক আচরণের প্রেক্ষিতে অধিকতর তদন্তের জন্য তাদের সদর থানায় সোপর্দ করা হয়।
গত ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অধীনে অফিস সহায়ক, পরিচ্ছন্ন কর্মী ও নৈশ প্রহরীর ৩৭টি শূন্য পদের বিপরীতে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সোমবার সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১৬ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ভাইভা বোর্ডে পরীক্ষার্থীদের মেধা যাচাইয়ের সময় জালিয়াতির বিষয়টি সামনে আসে।
লিখিত পরীক্ষার উত্তরপত্রের লিখনশৈলীর সাথে ভাইভা বোর্ডের পারফরম্যান্সে স্পষ্ট অসামঞ্জস্য ধরা পড়লে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে তিনজনকে আটক করা হয়। তারা হলেন— কালীগঞ্জ উপজেলার সোহাগী খাতুন, হাতীবান্ধা উপজেলার মো. রায়হান এবং সদর উপজেলার লীপন কান্তি রায়।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল মতিন জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখতে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিয়োগ বোর্ডের সংশ্লিষ্টরা জানান, মেধার ভিত্তিতে যোগ্য প্রার্থীদের নির্বাচন নিশ্চিত করতেই এই কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।

























