Dhaka , Thursday, 9 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সীমান্তে ১৫ বিজিবির অ্যাকশন: মাদক ও বিপুল পরিমাণ ডিজেলসহ কারবারি গ্রেপ্তার ফতুল্লায় ঝুট দখল নিয়ে যুবদলের দুই গ্রুপে বন্দুকযুদ্ধ, গুলিবিদ্ধসহ আহত ১০ টাঙ্গাইলের মধুপুরে খাল খনন উদ্বোধন ঢাকায় সাবেক এমপি সফুরা বেগম রুমী গ্রেফতার: কড়া নিরাপত্তায় আনা হলো লালমনিরহাটে ‘বৈসাবি’ নয়, প্রতিটি সম্প্রদায়ের নিজস্ব স্বকীয়তায় উৎসব পালনের আহ্বান পার্বত্য মন্ত্রীর… ক্ষুধামুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে আশ ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ নোয়াখালীতে ৩ হাজার লিটার অবৈধ জ্বালানি ডিজেল জব্দ মোংলায় জাতীয় গোয়েন্ধা সংস্থার সংবাদে অবৈধ তেলের গোডাউনে র‌্যাবের অভিযান বিজিবির হস্তক্ষেপে দেশে ফিরল লাশ: পাটগ্রামে আলী হোসেনের মরদেহ বুঝে নিল পরিবার রূপগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন ও একটি চুনা কারখানা গুড়িয়ে দেয় তিতাস কর্তৃপক্ষরা। সাতকানিয়ায় ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং ১০ম জাতীয় বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডের বর্ণাঢ্য আয়োজন সাতকানিয়ায় অবৈধ জ্বালানি মজুদ: মধ্যরাতে অভিযানে ৪০০ লিটার অকটেন-ডিজেল জব্দ ফুটবল উন্মাদনায় পাইকগাছা; চ্যাম্পিয়ন মডেল-শিববাটী রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীতে থেকে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার ভোজ্য তেলের মজুদ নিয়ে উপজেলা প্রশাসন ও র‍্যাব-১১ তদারকি ; অবৈধ মজুদে কোন ছাড় নেই ইউএন সিএমপি’র পাঁচলাইশ মডেল থানা এলাকায় ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা’র শুভ উদ্বোধন কাউখালীতে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমেলা শুরু সায়েদাবাদে বাস টার্মিনাল এলাকায় ডিএসসিসির বড় অভিযান: ২৪০টি অবৈধ বাস কাউন্টার উচ্ছেদ শুরু ফেনীতে ভোজ্যতেলের মজুদ এবং অনুমোদন বিহীন লেভেলিং’র বিরুদ্ধে র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম’র উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও  নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের সাঁড়াশি অভিযান ১১ এপ্রিল ইবি রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচন লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামে বিজিবির বিশেষ অভিযান: মাদক ও মালামাল জব্দ পদ্মা সেতুর উভয় প্রান্তে ইটিসি রেজিষ্ট্রেশন শুরু; দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াতে উন্মোচিত হচ্ছে নতুন দিগন্ত রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা থেকে অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার পুষ্টিকর খাবারের নামে শিক্ষার্থীদের দেওয়া হচ্ছে নষ্ট কলা লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত: পতাকা বৈঠকে বিজিবির তীব্র প্রতিবাদ আবারও চবির শাটলে পাথর হামলা: শিক্ষার্থী নয়, এবার রক্তাক্ত অভিভাবক খাদ্যের খোঁজে গাজীপুরে পাখির আনাগোনা, অতিথি পাখি হারানোর শঙ্কা তেল না পেয়ে ফিলিং স্টেশনে হামলা-ভাংচুর, আটক ২ পরিবেশ সংকট মোকাবিলায় তরুণ প্রজন্মকে যুক্ত করার আহবান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্বজুড়ে কাজ করবে ‘হিউম্যান রাইটস অ্যালাইভ’: গুলশানে কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা

“মানবাধিকার আজ রক্তাক্ত, ন্যায়বিচার আজ প্রহসন!”

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:29:23 pm, Monday, 8 September 2025
  • 641 বার পড়া হয়েছে

শওকত আলম – সংবাদকর্মী ও লেখক:

আজ চারদিকে শুধু হাহাকার! খুন, গুম, সন্ত্রাস, ছিনতাই, রাহাজানি—এ যেন প্রতিদিনের খবর। উচ্ছেদের নামে নিরীহ মানুষকে ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, জমি-জায়গা হারাচ্ছে অসহায় পরিবার। এদেশ কি এভাবেই চলবে?

দেশের মানুষ আজ শান্তিতে নেই। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এক অজানা আতঙ্কে কাটছে তাদের প্রতিটি মুহূর্ত। ঘর থেকে বের হলে ফেরার নিশ্চয়তা নেই। ব্যবসা করলে টিকে থাকার গ্যারান্টি নেই। সন্তানকে স্কুলে পাঠালে ফিরে আসবে কিনা তার কোনো ভরসা নেই। এই ভয়ের নাম কি স্বাধীনতা? এই অনিশ্চয়তার নাম কি মানবাধিকার?

আর বিচার? বিচার আজ এক প্রহসনে পরিণত হয়েছে। আইন যেন কেবল দুর্বল আর গরিবের জন্য। ক্ষমতাবানরা দিব্যি অন্যায় করে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ নিরীহ মানুষ ভুক্তভোগী হচ্ছে অন্যায়ের। ন্যায়বিচার যেখানে নেই, সেখানে মানবাধিকারের কথা কেবল কাগজে-কলমে লেখা এক নিছক বুলি ছাড়া আর কিছু নয়।

 

মানবাধিকারের মূল কথা হলো—

ন্যায়বিচার সবার জন্য সমান হবে।

দুর্বল ও অসহায় মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

রাষ্ট্র হবে মানুষের মর্যাদার রক্ষক।

 

কিন্তু আজ বাস্তবতা হলো, মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নেই। রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা আজ কেবল ক্ষমতাবানদের জন্য। দুর্বল মানুষ আজ প্রতিনিয়ত অন্যায়ের শিকার হচ্ছে।

 

আমাদের জিজ্ঞাসা—

আর কত?

মানুষের জীবনের মূল্য কি নেই?

নিরাপত্তা কি শুধু কাগজে-কলমে থাকবে?

রাষ্ট্র কি কেবল ভয় দেখানোর জন্য?

 

ভাই ও বোনেরা, সময় এসেছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। সময় এসেছে জুলুম, খুন-গুম আর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলবার। সময় এসেছে মানবাধিকারের নামে এই প্রহসনকে প্রশ্ন করার।

 

আমরা চাই—

মানুষ যেন শান্তিতে ঘুমাতে পারে।

সন্তান যেন নিরাপদে বড় হতে পারে।

দুর্বল মানুষের জীবনের মূল্য যেন আর অন্যায়ের বলি না হয়।

বিচার যেন সবার জন্য সমান হয়।

 

জনগণের শক্তিই সবচেয়ে বড় শক্তি। যখন সাধারণ মানুষ জেগে উঠবে, তখন কোনো সন্ত্রাস, কোনো ক্ষমতার প্রহসন—কিছুই আর টিকতে পারবে না।

আমরা বিশ্বাস করি—মানুষের মর্যাদা রক্ষাই রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রের অস্তিত্বই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে ১৫ বিজিবির অ্যাকশন: মাদক ও বিপুল পরিমাণ ডিজেলসহ কারবারি গ্রেপ্তার

“মানবাধিকার আজ রক্তাক্ত, ন্যায়বিচার আজ প্রহসন!”

আপডেট সময় : 11:29:23 pm, Monday, 8 September 2025

শওকত আলম – সংবাদকর্মী ও লেখক:

আজ চারদিকে শুধু হাহাকার! খুন, গুম, সন্ত্রাস, ছিনতাই, রাহাজানি—এ যেন প্রতিদিনের খবর। উচ্ছেদের নামে নিরীহ মানুষকে ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, জমি-জায়গা হারাচ্ছে অসহায় পরিবার। এদেশ কি এভাবেই চলবে?

দেশের মানুষ আজ শান্তিতে নেই। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এক অজানা আতঙ্কে কাটছে তাদের প্রতিটি মুহূর্ত। ঘর থেকে বের হলে ফেরার নিশ্চয়তা নেই। ব্যবসা করলে টিকে থাকার গ্যারান্টি নেই। সন্তানকে স্কুলে পাঠালে ফিরে আসবে কিনা তার কোনো ভরসা নেই। এই ভয়ের নাম কি স্বাধীনতা? এই অনিশ্চয়তার নাম কি মানবাধিকার?

আর বিচার? বিচার আজ এক প্রহসনে পরিণত হয়েছে। আইন যেন কেবল দুর্বল আর গরিবের জন্য। ক্ষমতাবানরা দিব্যি অন্যায় করে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ নিরীহ মানুষ ভুক্তভোগী হচ্ছে অন্যায়ের। ন্যায়বিচার যেখানে নেই, সেখানে মানবাধিকারের কথা কেবল কাগজে-কলমে লেখা এক নিছক বুলি ছাড়া আর কিছু নয়।

 

মানবাধিকারের মূল কথা হলো—

ন্যায়বিচার সবার জন্য সমান হবে।

দুর্বল ও অসহায় মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

রাষ্ট্র হবে মানুষের মর্যাদার রক্ষক।

 

কিন্তু আজ বাস্তবতা হলো, মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নেই। রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা আজ কেবল ক্ষমতাবানদের জন্য। দুর্বল মানুষ আজ প্রতিনিয়ত অন্যায়ের শিকার হচ্ছে।

 

আমাদের জিজ্ঞাসা—

আর কত?

মানুষের জীবনের মূল্য কি নেই?

নিরাপত্তা কি শুধু কাগজে-কলমে থাকবে?

রাষ্ট্র কি কেবল ভয় দেখানোর জন্য?

 

ভাই ও বোনেরা, সময় এসেছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। সময় এসেছে জুলুম, খুন-গুম আর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলবার। সময় এসেছে মানবাধিকারের নামে এই প্রহসনকে প্রশ্ন করার।

 

আমরা চাই—

মানুষ যেন শান্তিতে ঘুমাতে পারে।

সন্তান যেন নিরাপদে বড় হতে পারে।

দুর্বল মানুষের জীবনের মূল্য যেন আর অন্যায়ের বলি না হয়।

বিচার যেন সবার জন্য সমান হয়।

 

জনগণের শক্তিই সবচেয়ে বড় শক্তি। যখন সাধারণ মানুষ জেগে উঠবে, তখন কোনো সন্ত্রাস, কোনো ক্ষমতার প্রহসন—কিছুই আর টিকতে পারবে না।

আমরা বিশ্বাস করি—মানুষের মর্যাদা রক্ষাই রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রের অস্তিত্বই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।