Dhaka , Monday, 23 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
জেলার উন্নয়নে ১৮০ দিনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কঠোর নির্দেশনা দিলেন মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু দুর্গাপুরে যথাযথ মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত গার্মেন্টস শ্রমিকদের বকেয়া বেতনের দাবিতে অবস্থান, প্রশাসনের আশ্বাসে শান্তিপূর্ণ সমাপ্তি ঝালকাঠির দুই সংসদ সদস্যের সঙ্গে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময় সভা, উন্নয়ন ও সুশাসনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজের অঙ্গীকার পাইকগাছা হসপিটালে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন করলেন; এমপি আবুল কালাম আজাদ রাঙামাটি জেলা পরিষদের তরুণ সদস্য হাবীব আজমকে ঘিরে প্রাসঙ্গিক পুনর্মূল্যায়ন পাঁচবিবিতে বিশ্ব স্কাউট (বিপি) দিবস পালিত শহিদুল ইসলাম বাবুল এমপি হয়েও মানুষের দ্বারে দ্বারে, শুনছেন সমস্যার কথা—দিচ্ছেন আশ্বাস। ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের কারণে বারবার প্রাণ দিতে হচ্ছে: রফিকুল ইসলাম জামাল ঝালকাঠিতে যথাযোগ্য মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত রূপগঞ্জে মাতৃভাষা দিবসে প্রভাতফেরি আলোচনা সভা শরীয়তপুরে নড়িয়ায় পদ্মা নদীতে নৌযানে চাঁদাবাজির মূলহোতা সহ গ্রেফতার ৩ “মাতৃভাষায় চিত্তের প্রকাশ, সত্তার বিকাশ”: ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা পটিয়ায় সাংবাদিক ইমতিয়াজ ফারুকীর ওপর সন্ত্রাসী হামলা ও অপহরণ চেষ্টা, সিএমপি কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা খন্দকার বাড়ি বাইতুল আমান জামে মসজিদের উদ্যোগে রূপগঞ্জে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে কৃষক সমিতির আয়োজনে কমরেড অনিমা সিংহের ৯৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত দূষ্কৃতীদের ষড়যন্ত্র রুখতে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর ইবিতে মাতৃভাষা দিবসে ছাত্রশিবিরের আঞ্চলিক রম্য বিতর্ক প্রতিযোগিতা বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ৪ লক্ষাধিক টাকার ইয়াবা ও জিরা জব্দ: মাদকবিরোধী লড়াইয়ে কঠোর অবস্থানে ১৫ ব্যাটালিয়ন পলাশ উপজেলা প্রেসক্লাবের ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন লালমনিরহাটে একুশে ফেব্রুয়ারির রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে প্রটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগ: জেলা প্রশাসকের অপেশাদার আচরণে জনমনে ক্ষোভ মহান ২১ ফেব্রুয়ারি: ভাষার জন্য আত্মত্যাগের অমর প্রেরণা পাইকগাছায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিতv মাতৃভাষা দিবসের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন: নতুন কর্মদিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথম কার্যক্রম মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে যুবদলের শ্রদ্ধাঞ্জলি ভাষা শহীদদের প্রতি হাকিমপুর নারী উদ্যোক্তা ফোরামের শ্রদ্ধাঞ্জলি  নোয়াখালীতে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাওয়ার পথে আ.লীগের ৬ নেতাকর্মি আটক রমজানে মানবতার দৃষ্টান্ত: ঝালকাঠিতে মাসব্যাপী ইফতার বিতরণ করছে ইয়াস সীমান্ত এলাকায় অভিযান: অবৈধ অনুপ্রবেশকালে ৬ জন আটক, জব্দ ২টি মোটরসাইকেল “আমি যেন না শুনি আমার নাম ভাঙিয়ে কেউ কিছু করছেন”: লালমনিরহাটে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু

“মানবাধিকার আজ রক্তাক্ত, ন্যায়বিচার আজ প্রহসন!”

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:29:23 pm, Monday, 8 September 2025
  • 620 বার পড়া হয়েছে

শওকত আলম – সংবাদকর্মী ও লেখক:

আজ চারদিকে শুধু হাহাকার! খুন, গুম, সন্ত্রাস, ছিনতাই, রাহাজানি—এ যেন প্রতিদিনের খবর। উচ্ছেদের নামে নিরীহ মানুষকে ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, জমি-জায়গা হারাচ্ছে অসহায় পরিবার। এদেশ কি এভাবেই চলবে?

দেশের মানুষ আজ শান্তিতে নেই। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এক অজানা আতঙ্কে কাটছে তাদের প্রতিটি মুহূর্ত। ঘর থেকে বের হলে ফেরার নিশ্চয়তা নেই। ব্যবসা করলে টিকে থাকার গ্যারান্টি নেই। সন্তানকে স্কুলে পাঠালে ফিরে আসবে কিনা তার কোনো ভরসা নেই। এই ভয়ের নাম কি স্বাধীনতা? এই অনিশ্চয়তার নাম কি মানবাধিকার?

আর বিচার? বিচার আজ এক প্রহসনে পরিণত হয়েছে। আইন যেন কেবল দুর্বল আর গরিবের জন্য। ক্ষমতাবানরা দিব্যি অন্যায় করে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ নিরীহ মানুষ ভুক্তভোগী হচ্ছে অন্যায়ের। ন্যায়বিচার যেখানে নেই, সেখানে মানবাধিকারের কথা কেবল কাগজে-কলমে লেখা এক নিছক বুলি ছাড়া আর কিছু নয়।

 

মানবাধিকারের মূল কথা হলো—

ন্যায়বিচার সবার জন্য সমান হবে।

দুর্বল ও অসহায় মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

রাষ্ট্র হবে মানুষের মর্যাদার রক্ষক।

 

কিন্তু আজ বাস্তবতা হলো, মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নেই। রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা আজ কেবল ক্ষমতাবানদের জন্য। দুর্বল মানুষ আজ প্রতিনিয়ত অন্যায়ের শিকার হচ্ছে।

 

আমাদের জিজ্ঞাসা—

আর কত?

মানুষের জীবনের মূল্য কি নেই?

নিরাপত্তা কি শুধু কাগজে-কলমে থাকবে?

রাষ্ট্র কি কেবল ভয় দেখানোর জন্য?

 

ভাই ও বোনেরা, সময় এসেছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। সময় এসেছে জুলুম, খুন-গুম আর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলবার। সময় এসেছে মানবাধিকারের নামে এই প্রহসনকে প্রশ্ন করার।

 

আমরা চাই—

মানুষ যেন শান্তিতে ঘুমাতে পারে।

সন্তান যেন নিরাপদে বড় হতে পারে।

দুর্বল মানুষের জীবনের মূল্য যেন আর অন্যায়ের বলি না হয়।

বিচার যেন সবার জন্য সমান হয়।

 

জনগণের শক্তিই সবচেয়ে বড় শক্তি। যখন সাধারণ মানুষ জেগে উঠবে, তখন কোনো সন্ত্রাস, কোনো ক্ষমতার প্রহসন—কিছুই আর টিকতে পারবে না।

আমরা বিশ্বাস করি—মানুষের মর্যাদা রক্ষাই রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রের অস্তিত্বই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জেলার উন্নয়নে ১৮০ দিনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কঠোর নির্দেশনা দিলেন মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু

“মানবাধিকার আজ রক্তাক্ত, ন্যায়বিচার আজ প্রহসন!”

আপডেট সময় : 11:29:23 pm, Monday, 8 September 2025

শওকত আলম – সংবাদকর্মী ও লেখক:

আজ চারদিকে শুধু হাহাকার! খুন, গুম, সন্ত্রাস, ছিনতাই, রাহাজানি—এ যেন প্রতিদিনের খবর। উচ্ছেদের নামে নিরীহ মানুষকে ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে, জমি-জায়গা হারাচ্ছে অসহায় পরিবার। এদেশ কি এভাবেই চলবে?

দেশের মানুষ আজ শান্তিতে নেই। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এক অজানা আতঙ্কে কাটছে তাদের প্রতিটি মুহূর্ত। ঘর থেকে বের হলে ফেরার নিশ্চয়তা নেই। ব্যবসা করলে টিকে থাকার গ্যারান্টি নেই। সন্তানকে স্কুলে পাঠালে ফিরে আসবে কিনা তার কোনো ভরসা নেই। এই ভয়ের নাম কি স্বাধীনতা? এই অনিশ্চয়তার নাম কি মানবাধিকার?

আর বিচার? বিচার আজ এক প্রহসনে পরিণত হয়েছে। আইন যেন কেবল দুর্বল আর গরিবের জন্য। ক্ষমতাবানরা দিব্যি অন্যায় করে ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ নিরীহ মানুষ ভুক্তভোগী হচ্ছে অন্যায়ের। ন্যায়বিচার যেখানে নেই, সেখানে মানবাধিকারের কথা কেবল কাগজে-কলমে লেখা এক নিছক বুলি ছাড়া আর কিছু নয়।

 

মানবাধিকারের মূল কথা হলো—

ন্যায়বিচার সবার জন্য সমান হবে।

দুর্বল ও অসহায় মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে।

রাষ্ট্র হবে মানুষের মর্যাদার রক্ষক।

 

কিন্তু আজ বাস্তবতা হলো, মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নেই। রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা আজ কেবল ক্ষমতাবানদের জন্য। দুর্বল মানুষ আজ প্রতিনিয়ত অন্যায়ের শিকার হচ্ছে।

 

আমাদের জিজ্ঞাসা—

আর কত?

মানুষের জীবনের মূল্য কি নেই?

নিরাপত্তা কি শুধু কাগজে-কলমে থাকবে?

রাষ্ট্র কি কেবল ভয় দেখানোর জন্য?

 

ভাই ও বোনেরা, সময় এসেছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর। সময় এসেছে জুলুম, খুন-গুম আর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তুলবার। সময় এসেছে মানবাধিকারের নামে এই প্রহসনকে প্রশ্ন করার।

 

আমরা চাই—

মানুষ যেন শান্তিতে ঘুমাতে পারে।

সন্তান যেন নিরাপদে বড় হতে পারে।

দুর্বল মানুষের জীবনের মূল্য যেন আর অন্যায়ের বলি না হয়।

বিচার যেন সবার জন্য সমান হয়।

 

জনগণের শক্তিই সবচেয়ে বড় শক্তি। যখন সাধারণ মানুষ জেগে উঠবে, তখন কোনো সন্ত্রাস, কোনো ক্ষমতার প্রহসন—কিছুই আর টিকতে পারবে না।

আমরা বিশ্বাস করি—মানুষের মর্যাদা রক্ষাই রাষ্ট্রের প্রথম দায়িত্ব। সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রের অস্তিত্বই প্রশ্নবিদ্ধ হবে।