Dhaka , Sunday, 15 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় সুন্দরবন দিবস পালিত রূপগঞ্জের শিমুলিয়া বিএনপির কার্যালয়ে দুর্বৃত্তদের অগ্নিসংযোগ ॥ দশ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি ‎মির্জাপুরে শিশু অপহরণের ৭ দিনপর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ ধর্ম মন্ত্রণালয়ে যোগ্য নেতৃত্বের প্রত্যাশা: রফিকুল ইসলাম জামালকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় আলেম সমাজ ও নেতাকর্মীরা ভালোবাসা যখন পরিবার, আত্মীয় ও বন্ধনের উৎসব চবি ল্যাবরেটরী কলেজের ১১ শিক্ষককে অমানবিকভাবে অপসারণ, প্রশ্নবিদ্ধ নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া    চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামফলক উপড়ে ফেলে চিরসত্য ইতিহাসকে মুছে দেয়ার অপচেষ্টা… রূপগঞ্জ ইউনিয়ন ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি কার্যালয়ে পেট্রোল বোমা হামলা; আগুনে পুড়ে ছাঁই ঝালকাঠিতে প্রত্যয় তরুণ সংঘের পরিচ্ছন্নতা ও বৃক্ষরোপণ রাউজান পৌরসভা এলাকা হতে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ০১টি দেশীয় তৈরী পাইপগান, ০৪টি কার্তুজ ও ০২টি পিস্তলের কার্তুজ উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম ফরিদপুর-০৪ আসনে বিপুল ভোটে বিএনপি’র ধানের শীষের বিজয়। রায়পুরে নিখোঁজ অটোরিকশা চালক সোহাগের লাশ বালুর নিচ থেকে উদ্ধার। নেত্রকোণা ১ আসনে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হলেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল গাজীপুরে বিএনপি ৪ টি , জামায়াত ১ টি আসনে বিজয় গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর জয়, PR পদ্ধতিতে উচ্চকক্ষ গঠনের পথে দেশ; সংসদে আসতে পারেন নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী পাইকগাছায় শান্তিপূর্ণভাবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন পাইকগাছা-কয়রায় দাঁড়িপাল্লা প্রার্থীর বিজয় পাইকগাছায় বিএনপি–জামায়াতের উত্তেজনা; ইউএনও’র হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক পাইকগাছায় নির্বাচনী টহল জোরদার; বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পুরো হাটহাজারী-বায়েজিদই আমার ঘর, এলাকাবাসীই আমার পরিবার :- মীর হেলাল। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির অভূতপূর্ব বিজয়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অভিনন্দন বিএনপির বিজয়ে পেশাজীবি পরিষদের অভিনন্দন চট্টগ্রামের উন্নয়ন নিশ্চিত করাই হবে প্রথম অগ্রাধিকার:- ডা. শাহাদাত ফতুল্লার সস্তাপুরে গ্যাস বিস্ফোরণ: নরসুন্দরসহ ৫ পথচারী অগ্নিদগ্ধ আড়াইহাজারে পরিত্যক্ত অবস্থায় পিস্তল ও গুলি উদ্ধার ঈদগাঁও বাজারে ভাড়াটিয়ার বিরুদ্ধে দোকান দখলের অভিযোগ, প্রাণনাশের হুমকির দাবি মালিক পক্ষের: লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীদের জয়জয়কার লালমনিরহাটে ধানের শীষের জয়জয়কার: নেপথ্যে দুলুর একক রাজনৈতিক ক্যারিশমা নরসিংদীতে ৫টি আসনেই বিএনপির বিজয় ঢাকা-১১ আসনে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী নাহিদ ইসলাম

ফুটবলের রাজা পেলের শেষকৃত্য হবে সান্তোসের মাঠে দু’দিনব্যাপী

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:44:45 am, Saturday, 31 December 2022
  • 456 বার পড়া হয়েছে

ফুটবলের রাজা পেলের শেষকৃত্য হবে সান্তোসের মাঠে দু’দিনব্যাপী

দৈনিক আজকের বাংলা ডেস্ক।।

ফুটবল খেলায় পেলে যে দক্ষতা ও পারদর্শিতা দেখিয়েছিলেন, সেটা মানুষের কল্পনার সীমাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। খেলাধুলার বাইরের জগতেও তার গল্প ছড়িয়ে পড়েছিল।

ফুটবলের রাজা পেলের শেষকৃত্য হবে সান্তোসের মাঠে দু’দিনব্যাপী। প্রিয় শহরেই মাঠেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন ফুটবলের রাজা পেলে। আর তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে প্রিয় সান্তোস স্টেডিয়ামে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সাও পাওলোর অ্যালবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে ৮২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে।

ব্রাজিলের সান্তোস ক্লাবের হোম ভেন্যু ভিয়া বেলমিরো স্টেডিয়ামে সোম ও মঙ্গলবার দু’দিন হবে পেলের শেষকৃত্য অনুষ্ঠান। পেলের প্রতি সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন ব্রাজিলীয়রা।– বাসস।

কোলোন ক্যান্সরে আক্রান্ত পেলের চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। এজন্য কেমোথেরাপি দেয়াও বন্ধ করা হয়, কারণ তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ অকেজো হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের চেষ্টা ব্যর্থ করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান পেলে।

সমাহিত করার জন্য হাসপাতাল থেকে পেলের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে সাও পাওলোর ভিলা বেলমিরো স্টেডিয়ামে। সেখানে তার দেহ রাখা হবে ২৪ ঘণ্টা। এরপর সান্তোস ক্লাবের প্রাঙ্গণে নিয়ে যাওয়া হবে পেলেকে। তখন ফুটবলের রাজাকে শ্রদ্ধা জানাবেন ভক্ত-সমর্থকরা।

 

হাসপাতাল থেকে কফিন সান্তোস পর্যন্ত সড়ক পথে পেলের মা সেলেস্তেরের বাড়ির সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বার্ধক্যের কারণে বিছানা থেকে উঠতে পারেন না পেলের মা। নিজ বাড়িতে সন্তানকে শেষবারের মত দেখবেন মা।

সাও পাওলোর যে ক্লাবের হয়ে ফুটবলার হিসেবে বেড়ে উঠা, যে ক্লাবের মাঠে অসংখ্য স্মৃতি সেই ক্লাব সান্তোসের মাঠেই অনুষ্ঠিত হবে পেলের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান।

সান্তোসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পেলেকে ভক্তদের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সাও পাওলোর ভিলা বেলমিরো স্টেডিয়ামকে নির্ধারণ করা হয়েছে। যেটা আবার সান্তোসের হোম ভেন্যু।

বিবৃতিতে ক্লাবটি আরও জানায়, পেলের কফিন সাও পাওলোর আলবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতাল থেকে নিয়ে সোমবার সকালে ভিলা বেলমিরো স্টেডিয়ামে রাখা হবে। ঐদিন সকাল ১০টা থেকে ভক্তরা শেষবারের মত পেলেকে দেখতে পাবেন এবং ৩ জানুয়ারি শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে।

 

পেলের জন্য থেমেছিল নাইজেরিয়ায় ‘গৃহযুদ্ধ’।।

 

ষাটের দশকে বিশ্বের জনপ্রিয় ক্লাবগুলোর একটি ছিল ব্রাজিলের সান্তোস এফসি ফুটবল ক্লাব। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে ক্লাবটি প্রীতি ম্যাচে অংশগ্রহণ করতো। এই খ্যাতির কারণে তারা বাড়তি কিছু সুবিধাও পেয়েছিল।

নাইজেরিয়ায় এরকম একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে যায় সান্তোস। ক্লাবটির হয়ে খেলতে গিয়েছিলেন পেলে। তাতেই ঘটে যায় অভূতপূর্ব এক ঘটনা।

নাইজেরিয়াতে তখন রক্তাক্ত গৃহযুদ্ধ চলছিল। দেশ থেকে বায়াফ্রা রাজ্যটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এই যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে। সান্তোস এফসির ইতিহাস নিয়ে কাজ করেন এমন একজন গবেষক গুইলহের্ম গুয়াশের মতে, এরকম একটি পরিস্থিতিতে নাইজেরিয়াতে খেলোয়াড়দের পাঠানোর ব্যাপারে ব্রাজিলের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেক দুশ্চিন্তা ছিল।

তবে শুধুমাত্র পেলেকে দেখার জন্য বিবদমান পক্ষগুলো তখন যুদ্ধবিরতিতে যেতে সম্মত হয়। ১৯৬৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বেনিন সিটিতে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে সান্তোস ২-১ গোলে স্থানীয় একাদশকে পরাজিত করে।

১৯৭৭ সালে পেলের যে আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় সেখানে এই ঘটনার কোন উল্লেখ ছিল না। তবে পেলের আরেকটি আত্মজীবনী, যা প্রথমটির ৩০ বছর পর প্রকাশিত হয়, সেখানে কিন্তু তিনি ওই যুদ্ধবিরতির কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘এই প্রদর্শনী ম্যাচের জন্য গৃহযুদ্ধ থামানো হবে বলে” খেলোয়াড়দেরকে জানানো হয়েছিল।’

‘আমি জানি না এই ঘটনা পুরোপুরি সত্য কি না। তবে নাইজেরিয়ানরা আমাদের নিশ্চিতভাবে জানিয়েছিলেন, যে আমরা যখন ওখানে খেলতে যাবো তখন বায়াফ্রানরা সেখানে আক্রমণ করবে না।’

 

গোলরক্ষক হিসেবেও সফল ছিলেন পেলে।।

ফুটবল খেলায় পেলে যে দক্ষতা ও পারদর্শিতা দেখিয়েছিলেন, সেটা মানুষের কল্পনার সীমাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। খেলাধুলার বাইরের জগতেও তার গল্প ছড়িয়ে পড়েছিল।

ক্যারিয়ারে তার অর্জন, গোলসংখ্যা নিয়ে অনেকে জানলেও মাঠে তার ভিন্ন এক ভূমিকা অনেকেরই রয়েছে অজানা। বিস্ময়কর হলেও সত্যি, বাস্তব জীবনে পেলে ছিলেন ক্লাব ও দেশের বিকল্প গোলরক্ষক।

পুরো ক্যারিয়ারে কিংবদন্তি এই ফুটবলার সান্তোস এফসি ক্লাবের হয়ে চারবার গোলরক্ষকের গ্লাভস পরেছিলেন। ১৯৬৪ সালে ব্রাজিলিয়ান কাপের সেমিফাইনালেও তাকে গোলপোস্টের সামনে অতন্ত্র প্রহরী হতে হয়েছিল।

গোলরক্ষক হিসেবে পেলেকে একশো নম্বরের মধ্যে একশোই দেয়া যেতে পারে। কারণ তার দল সবকটি খেলায় জিতেছিল এবং তিনি একটি গোলও হজম করেননি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় সুন্দরবন দিবস পালিত

ফুটবলের রাজা পেলের শেষকৃত্য হবে সান্তোসের মাঠে দু’দিনব্যাপী

আপডেট সময় : 02:44:45 am, Saturday, 31 December 2022

দৈনিক আজকের বাংলা ডেস্ক।।

ফুটবল খেলায় পেলে যে দক্ষতা ও পারদর্শিতা দেখিয়েছিলেন, সেটা মানুষের কল্পনার সীমাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। খেলাধুলার বাইরের জগতেও তার গল্প ছড়িয়ে পড়েছিল।

ফুটবলের রাজা পেলের শেষকৃত্য হবে সান্তোসের মাঠে দু’দিনব্যাপী। প্রিয় শহরেই মাঠেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন ফুটবলের রাজা পেলে। আর তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে প্রিয় সান্তোস স্টেডিয়ামে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সাও পাওলোর অ্যালবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে ৮২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে।

ব্রাজিলের সান্তোস ক্লাবের হোম ভেন্যু ভিয়া বেলমিরো স্টেডিয়ামে সোম ও মঙ্গলবার দু’দিন হবে পেলের শেষকৃত্য অনুষ্ঠান। পেলের প্রতি সেখানে শেষ শ্রদ্ধা জানাবেন ব্রাজিলীয়রা।– বাসস।

কোলোন ক্যান্সরে আক্রান্ত পেলের চলতি মাসের মাঝামাঝি সময় স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। এজন্য কেমোথেরাপি দেয়াও বন্ধ করা হয়, কারণ তার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ অকেজো হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকদের চেষ্টা ব্যর্থ করে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান পেলে।

সমাহিত করার জন্য হাসপাতাল থেকে পেলের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে সাও পাওলোর ভিলা বেলমিরো স্টেডিয়ামে। সেখানে তার দেহ রাখা হবে ২৪ ঘণ্টা। এরপর সান্তোস ক্লাবের প্রাঙ্গণে নিয়ে যাওয়া হবে পেলেকে। তখন ফুটবলের রাজাকে শ্রদ্ধা জানাবেন ভক্ত-সমর্থকরা।

 

হাসপাতাল থেকে কফিন সান্তোস পর্যন্ত সড়ক পথে পেলের মা সেলেস্তেরের বাড়ির সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। বার্ধক্যের কারণে বিছানা থেকে উঠতে পারেন না পেলের মা। নিজ বাড়িতে সন্তানকে শেষবারের মত দেখবেন মা।

সাও পাওলোর যে ক্লাবের হয়ে ফুটবলার হিসেবে বেড়ে উঠা, যে ক্লাবের মাঠে অসংখ্য স্মৃতি সেই ক্লাব সান্তোসের মাঠেই অনুষ্ঠিত হবে পেলের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান।

সান্তোসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পেলেকে ভক্তদের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সাও পাওলোর ভিলা বেলমিরো স্টেডিয়ামকে নির্ধারণ করা হয়েছে। যেটা আবার সান্তোসের হোম ভেন্যু।

বিবৃতিতে ক্লাবটি আরও জানায়, পেলের কফিন সাও পাওলোর আলবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতাল থেকে নিয়ে সোমবার সকালে ভিলা বেলমিরো স্টেডিয়ামে রাখা হবে। ঐদিন সকাল ১০টা থেকে ভক্তরা শেষবারের মত পেলেকে দেখতে পাবেন এবং ৩ জানুয়ারি শেষ শ্রদ্ধা জানানো হবে।

 

পেলের জন্য থেমেছিল নাইজেরিয়ায় ‘গৃহযুদ্ধ’।।

 

ষাটের দশকে বিশ্বের জনপ্রিয় ক্লাবগুলোর একটি ছিল ব্রাজিলের সান্তোস এফসি ফুটবল ক্লাব। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে ক্লাবটি প্রীতি ম্যাচে অংশগ্রহণ করতো। এই খ্যাতির কারণে তারা বাড়তি কিছু সুবিধাও পেয়েছিল।

নাইজেরিয়ায় এরকম একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে যায় সান্তোস। ক্লাবটির হয়ে খেলতে গিয়েছিলেন পেলে। তাতেই ঘটে যায় অভূতপূর্ব এক ঘটনা।

নাইজেরিয়াতে তখন রক্তাক্ত গৃহযুদ্ধ চলছিল। দেশ থেকে বায়াফ্রা রাজ্যটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে এই যুদ্ধের সূত্রপাত ঘটে। সান্তোস এফসির ইতিহাস নিয়ে কাজ করেন এমন একজন গবেষক গুইলহের্ম গুয়াশের মতে, এরকম একটি পরিস্থিতিতে নাইজেরিয়াতে খেলোয়াড়দের পাঠানোর ব্যাপারে ব্রাজিলের কর্মকর্তাদের মধ্যে অনেক দুশ্চিন্তা ছিল।

তবে শুধুমাত্র পেলেকে দেখার জন্য বিবদমান পক্ষগুলো তখন যুদ্ধবিরতিতে যেতে সম্মত হয়। ১৯৬৯ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বেনিন সিটিতে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে সান্তোস ২-১ গোলে স্থানীয় একাদশকে পরাজিত করে।

১৯৭৭ সালে পেলের যে আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় সেখানে এই ঘটনার কোন উল্লেখ ছিল না। তবে পেলের আরেকটি আত্মজীবনী, যা প্রথমটির ৩০ বছর পর প্রকাশিত হয়, সেখানে কিন্তু তিনি ওই যুদ্ধবিরতির কথা উল্লেখ করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘এই প্রদর্শনী ম্যাচের জন্য গৃহযুদ্ধ থামানো হবে বলে” খেলোয়াড়দেরকে জানানো হয়েছিল।’

‘আমি জানি না এই ঘটনা পুরোপুরি সত্য কি না। তবে নাইজেরিয়ানরা আমাদের নিশ্চিতভাবে জানিয়েছিলেন, যে আমরা যখন ওখানে খেলতে যাবো তখন বায়াফ্রানরা সেখানে আক্রমণ করবে না।’

 

গোলরক্ষক হিসেবেও সফল ছিলেন পেলে।।

ফুটবল খেলায় পেলে যে দক্ষতা ও পারদর্শিতা দেখিয়েছিলেন, সেটা মানুষের কল্পনার সীমাকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল। খেলাধুলার বাইরের জগতেও তার গল্প ছড়িয়ে পড়েছিল।

ক্যারিয়ারে তার অর্জন, গোলসংখ্যা নিয়ে অনেকে জানলেও মাঠে তার ভিন্ন এক ভূমিকা অনেকেরই রয়েছে অজানা। বিস্ময়কর হলেও সত্যি, বাস্তব জীবনে পেলে ছিলেন ক্লাব ও দেশের বিকল্প গোলরক্ষক।

পুরো ক্যারিয়ারে কিংবদন্তি এই ফুটবলার সান্তোস এফসি ক্লাবের হয়ে চারবার গোলরক্ষকের গ্লাভস পরেছিলেন। ১৯৬৪ সালে ব্রাজিলিয়ান কাপের সেমিফাইনালেও তাকে গোলপোস্টের সামনে অতন্ত্র প্রহরী হতে হয়েছিল।

গোলরক্ষক হিসেবে পেলেকে একশো নম্বরের মধ্যে একশোই দেয়া যেতে পারে। কারণ তার দল সবকটি খেলায় জিতেছিল এবং তিনি একটি গোলও হজম করেননি।