
সাইফুল ইসলাম, নোয়াখালী বেগমগঞ্জ:
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌরাস্তা থেকে শুরু করে কেন্দুরবাগ পর্যন্ত ৪২০ টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এসময় জেলা এক্সিএন ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা ম্যাজিস্ট্রেট এর বিরুদ্ধে চৌরাস্তা প্রাইম হসপিটাল-২ এর সামনের জায়গা না ভেঙে রাস্তার উত্তর পাশের মানুষের বসত ভিটা নিদিষ্ট জায়গা ছাড়াও মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে বেশি ভাঙ্গার অভিযোগ করে ভুক্তভোগী পরিবার।
সোমবার সকাল ১০টায় চৌরাস্তা থেকে এই অভিযান শুরু করে প্রশাসন। কিন্তু অর্থ লেনদেন করে প্রাইম হসপিটাল-২ এর জায়গা সামনে সার্ভার কর্তৃক নির্দিষ্ট লাল দাগ পর্যন্ত না ভেঙ্গে উত্তরের বেশি ভাঙ্গার অভিযোগের কারণে এক এলাকার মানুষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জেলা এক্সিএন কে অবরুদ্ধ করে রাখে।
পরে সেনাবাহিনীর সহযোগিতা তাদেরকে উদ্ধার করে করে উচ্ছেদ অভিযান আবার শুরু করে।
বেগমগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার ( ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদাত হোসেনর নেতৃত্বে উক্ত অভিযানের শুরুতেই ব্যবসায়ীদের বক্লেডের মুখে পড়ে প্রশাসন। পরে বক্লেড কর্মসূচির নেতাদের বলেন আমরা সরকারী জায়গার বাহিরে কোন স্থাপনা উচ্ছেদ করবো না। ফোরলেন সড়ক নির্মাণে আপনারা আমাদের সহযোগীতা করেন। পরে সকাল ১১টার দিকে শুরু করে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় চৌরাস্তা থেকে শুরু করে কেন্দুরবাগ বাজার পর্যন্ত রাস্তার উত্তর পার্শ্বের সরকারী জায়গায় অবস্থিত দোকান পাট ও কাঁচা পাঁকা বসতঘর উচ্চেদ করা হয়।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন নাইমুজ্জামান, ওয়ারেন্ট অফিসার নাছির উদ্দিন, নোয়াখালী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকোশলী ফরিদ উদ্দিন, সহকারী সার্ভেয়ারসহ সার্বিক সহযোগীতায় ছিলেন, সেনাবাহিনী, টহল পুলিশ, গ্রাম পুলিশ, বিদ্যুৎ বিভাগ, ও ফায়ার সার্ভিস।
এসময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, হাই ওয়ে রোড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা বেশ কয়েকদিন থেকে চৌরাস্তা থেকে চন্দ্রগঞ্জ পর্যন্ত অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া প্রচার প্রচারনা চালিয়ে আসছি। আজ আমরা ৪২০ টি স্থাপনা উচ্ছেদ করি, এবং ধারাবাহিক ভাবে চন্দ্রগঞ্জ পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। উল্লেখ অবৈধ স্থাপনাকারীদের সরকার ১৯৮২ সালে ভূমির মূল্যের ৩ গুন টাকা দিয়ে সরকার জায়গা গুলো অধিগ্রহণ করেন।

























