
তৌহিদ বেলাল, কক্সবাজার।।
চেক জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলায় নাইক্ষ্যংছড়ি কলেজের এক শিক্ষককে ২ বছরের সাজা ও সাড়ে ৬৪ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দিয়েছে কক্সবাজারের একটি আদালত।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নাইক্ষ্যংছড়ি হাজি এমএ কালাম ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক ও কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালি ইউনিয়নের পরানিয়াপাড়ার মৃত আমিরুজ্জামানের পুত্র মোহাম্মদ জাফর আলমের বিরুদ্ধে চেক প্রতারণার অভিযোগে এসপিটি মামলা ৬৫/১৫ দায়ের করেন দক্ষিণ খরুলিয়া এলাকার সিদ্দিকুর রহমানের পুত্র নুর আহমদ।
কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এই মামলায় অভিযুক্ত জাফর আলমকে দোষী সাব্যস্ত করে এক বছরের সাজা ও ৪০ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড দেন।
এছাড়া শিক্ষক জাফর আলমের বিরুদ্ধে নাইক্ষ্যংছড়ির মোহাম্মদ নবি’র পুত্র মোহাম্মদ ইব্রাহিম আজাদ বাদী হয়ে চেক জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে এসপিটি ১৯১/১৪ মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় কক্সবাজারের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক অভিযুক্ত জাফর আলমকে দোষী সাব্যস্ত করে এক বছরের সাজা ও ২৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দন্ডিত জাফর আলম নাইক্ষ্যংছড়ি হাজি এমএ কালাম সরকারি কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের সহকারি অধ্যাপক।
আইনজীবীদের অভিমত, ফৌজদারি মামলায় দন্ডিত কর্মচারীর ক্ষেত্রে আদালতের রায়ে এক বছরের অধিক মেয়াদের কারাদন্ডে দন্ডিত হলে উক্ত দন্ড আরোপের রায় বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে চাকরি হতে প্রাথমিকভাবে বরখাস্ত হবেন।
নাইক্ষ্যংছড়ি হাজি এমএ কালাম সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও.আ.ম রফিকুল ইসলাম জানান, শিক্ষক জাফর আলমের সাজা ও অর্থদন্ডের বিষয়টি তিনি অবগত হয়েছেন। আদালতের রায়ের কপি হাতে পেলে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার সাথে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

























