
তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার তিতাসের কলাকান্দি ইউনিয়নের দড়িমাছিমপুর গ্রামে মারামারির মামলার আসামি খোঁজতে গিয়ে বাড়ি- ঘরে লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।গত রবিবার বিকেলে উপজেলার কলাকান্দি ইউনিয়নের দড়িমাছিমপুর গ্রামের মৃত আছমত আলীর ছেলে আহাম্মদ আলী(৬০) এর ঘর বাড়িতে লুটপাটের এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে এমন অভিযোগ করেছে হাসেনা বেগম(৫০)। কলাকান্দি ইউনিয়নের দড়িমাছিমপুর গ্রামের আহাম্মদ আলীর স্ত্রী হাসেনা বেগম
জানান,একই গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে হানিফ মিয়া (৪০) ও আবুল হোসেন(৩৫)গত বৃহস্পতিবার সকালে আমাদের বসত বাড়িতে আমার ছেলে আবদুল আজিজ ও মো.ময়নুল প্রকাশ এপিএসকে ধরে নিতে আসলে আমরা তাদের বাঁধা দেই,এতে তারা ক্ষীপ্ত হয়ে আমার ছেলে আবদুল আজিজ(৩২) ও ময়নুল প্রকাশ এপিএস(২৮)কে মারধর শুরু করলে, তখন আমি ও আমার স্বামী বাঁধ দেই। তাদেরকে বাঁধা দেওয়ার একপর্যায়ে আমাকেসহ আমার স্বামীকে মারধর করে যাওয়ার পথে টিনে লেগে আবুল হোসেনের মাথা কেটে যায়।এই ঘটনায় আমার স্বামীকেসহ আমার ছেলেদের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছে হানিফ মিয়া।মামলা করার পর থেকেই হানিফ ও আবুল
হোসেন একটি বহিরাগত দল নিয়ে আসামি ধরতে পুলিশ এসেছে বলে এই অজুহাত দেখিয়ে আমাদের ঘর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আমাদেরকে জিম্মি করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে।হানিফ ও আবুলসহ ১০/১২ জনের একটি বহিরাগত দল গত রবিবার বিকেলে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমাদের বাড়ি- ঘরে লুটপাট করে টাকা পয়সাসহ স্বর্ণগহেনা নিয়ে গেছে।এই ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান মো. ইব্রাহিম সরকার লুটপাটের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলেও জানিয়েছে হাসেনা বেগম। তিনি আরো বলেন,হানিফ ও আবুল ১০/১২ জনের একটি বহিরাগত দল অনধিকারে আমাদের বাড়িতে ঢুকে তান্ডব লিলা চালিয়ে গেছে, এতে আমিসহ আমার স্বামী,ছেলের বউরেরা ও তাদের শিশু বাচ্চারাও চরম নিরাপত্তাহীনতায় মধ্যে জীবনযাপন করছে।তাদের তান্ডব লিলায় শিশু বাচ্চারাও ভয়ে থাকে সবসময়।
এবিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো.ইব্রাহিম সরকার বলেন,বিষয়টি খুবই দুঃখজন,তারা আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারেনা।বহিরাগতরা আর আমার ইউনিয়নের কোথাও ঢুকতে পারবে না।আমি পরিষদের সকল ওয়ার্ড সদস্যদের বলে দিয়েছি,যাতে বহিরাগতরা আমার ইউনিয়নে প্রবেশ করে পুনরায় কোন ঘটনা না ঘটাতে পারে।
তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি)সুধীন চন্দ্র দাস বলেন, এই সমস্ত অভিযোগ তারা করেছে কেন আমি জানিনা, তবে তারা কাউন্টার মামলা করার পায়তারা করেছেন হয়তবা। আপনারা জানেন অপর পক্ষের একজন গুরতর আহত হয়েছে, তার নয়টা সেলাই লেগেছে। এই মামলা হালালকা করার জন্য হয়তোবা এই কাহিনি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তার পরেও আপনারা সাংবাদিকরা তথ্য নেন, এমন অভিযোগ থাকলে ব্যাবস্থা নেব।

























