
চট্টগ্রাম ব্যুরো:
সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্ভূত পরিস্থিতি কেন্দ্র করে শ্রমিক নেতৃবৃন্দের উপর হয়রানি সহ বন্দর এনসিটি, বিদেশী সংস্থাকে ইজারা দেওয়ার ব্যাপারে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিদেশী সংস্থাকে কারো মতামত না নিয়ে ইজারা দেয়া রহস্যজনক। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান ও বন্দরের চেয়ারম্যান ব্যক্তিগত স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে পেশাজীবি নেতৃবৃন্দ মনে করেন। পেশাজীবি নেতৃবৃন্দ মনে করেন নির্বাচনের ঠিক কয়েক দিন আগে এনসিটি ইজারা দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী। এ ধরণের সিদ্ধান্ত নেয়া সম্পূর্ণ বেআইনী ও অগণতান্ত্রিক। অন্তর্ববর্তী সরকারের এ ধরণের সিদ্ধান্ত কোনভাবে কাম্য নয়। এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র রাজনৈতিক সরকার নিতে পারে। অনির্বাচিত কোন সরকার এটি নিলে ভবিষ্যতে নতুন সংকট সৃষ্টি হবে। পেশাজীবি নেতৃবৃন্দ নৌ পরিবহন উপদেষ্টা বিডা ও বন্দরের চেয়ারম্যান এ ধরণের অবান্তর সিদ্ধান্তের পেছনে অন্তর্নিহিত চক্রান্ত রয়েছে। পেশাজীবি নেতৃবৃন্দ এদের সঙ্গে ভিপি ওয়ার্ল্ডের কোন গোপন যোগাযোগ রয়েছে তা তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন দুদক কর্তৃপক্ষকে।
পেশাজীবি নেতা জাহিদুল করিম কচি বলেন, জনগণ ও রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বন্দর সংশ্লিষ্টদের না জানিয়ে অংশীজনকে মুক্ত না করে বন্দর ইজারা দেওয়া গণতন্ত্রের স্বার্থ পরিপন্থি। তদুপরি রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত নেবে আগামী সংসদ। আমলারা এককভাবে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। বিদেশীদের হাতে বন্দর দেয়া হলে সর্বভৌমত্যের নামে ক্ষমতা মাফিয়া ও লুটেরাদের হাতে চলে যাবে। তদুপরি ভিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি করা হলেও চুক্তি হচ্ছে অন্য নামে যা সঙ্গত কারণে গ্রহণযোগ্য নয়।
নেতৃবৃন্দ এ ধরণের চুক্তি অবিলম্বে বন্ধ হুমকি নেতা ও কর্মকর্তাদের হয়রানি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে সকল রাজনৈতিক দলকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে মো. জানে আলম, প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, সুজিত নন্দী, ডা. সারোয়ার, মো. ঈশা, আবদুস সবুর, সাংবাদিক জহুরুল হক প্রমুখ।
























