শংকর কান্তি দাশ-চট্টগ্রাম।।
চট্টগ্রামে বাকলিয়া থানার ক্ষেতচর বঙ্গমাতা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যথাযোগ্য মর্যায় পালিত হয়েছে মহান আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। সকাল বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক -শিক্ষিকা অতিথীবৃন্দ শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। স্কুল পরিচালনা পরিষদের সভাপতি লায়ন দীলিপ কুমার শীলের সভাপতিত্বে ও অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজুর রহমানের পরিচালনায় আরোচনা সভায় প্রধান অতিথী ছিলেন বাস্তুহারা বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি মো,ফারুক, প্রধান আলোচক ছিলেন বাস্তুহারা বহুমুখী সমবায় সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক মুহাম্মদ সালাউদ্দীন।
বিশেষ অতিথী ছিলেন, বাস্তুহারা বহুমুখী সমবায় সমিতির সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম বাপ্পী, সাধারন সম্পাদক সোহেল কুটুম, সহ- সাধারন সম্পাদক আনিসুর রহমান, অর্থ সম্পাদক মনির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক রনি দাশ,ক্রীড়া সম্পাদক আলাউদ্দীন,প্রচার সমাপাদক সাহাবউদ্দীন, সদস্য রমিজ উদ্দীন, আবদুল্লাহ, মনছুরা বেগম রোন্টু দাশ, শাহেদ, কোরবান, সাংবাদিক শংকর কান্তি দাশসহ আরো অনেকে। এসময় বক্তারা বলেন
আজ একুশে ফেব্রুয়ারি। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা। বাঙালি জাতির জন্য এই দিবসটি যেমন শোক ও বেদনার, অন্যদিকে মায়ের ভাষা বাংলার অধিকার আদায়ের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত বলে গৌরবের।
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায়, বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হবে।
ভাষা আন্দোলনের সেই বীরদের প্রতি
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-ঢাবি-ক্যাম্পাস থেকে ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্র-ছাত্রীরা মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও কয়েকজন মাটির বীর সন্তানের।
অনুষ্টান শেষে গত বাষিক পরীক্ষায় উর্ত্তিন ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে পুস্কার বিতরণ করা হয়।

























