মো.ইমরান হোসেন
স্টাফ রিপোর্টার।।
গাজীপুরের কাশিমপুরে কারখানার শ্রমিকদের দৈনন্দিন কর্মময় জীবনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এক ব্যতিক্রমধর্মী আনন্দের আয়োজন করেছে কারখানার কর্তৃপক্ষ ।
মহানগরীর কাশিমপুর এলাকায় নয়াপাড়া মাল্টিফ্যাবস লিমিটেড পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা শনিবার দুপুরে তাদের কারখানার ছাদে পিঠা উৎসবের আয়োজন করেছে। এতে শ্রমিকেরা নিজ নিজ জেলার পিঠার ঐতিহ্য তুলে ধরেন।
ব্যতিক্রমধর্মী পিঠা উৎসবে ২২টি স্টলে শতাধিক পদের পিঠার পসরা সাজিয়ে বসেছেন ওই কারখানা শ্রমিকরা। পিঠার ক্রেতা ও বিক্রেতা সবাই কারখানায় কর্মরত শ্রমিক ও কর্মকর্তা বৃন্দ। এ উৎসব শেষে সবচেয়ে বেশি বিক্রেতা ও ভালো মানের পিঠার আয়োজকদের প্রতিষ্ঠান থেকে পুরস্কৃত করা হয়। এ সব পিঠার মধ্যে রয়েছে-ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, দুধ চিতই পিঠা, ঝাল পিঠা, মালপোয়া, মেড়া পিঠা, মালাই পিঠা, কুলশি পিঠা, কাটা পিঠা, ক্ষীরকুলি পিঠা, গোকুল পিঠা, গোলাপ ফুল পিঠা, লবঙ্গ লতিকা পিঠা, রসফুল পিঠা, সুন্দরী পাকান পিঠা, সরভাজা পিঠা, পুলি পিঠা পিঠা, পাতা পিঠা, পাটিসাপটা পিঠা, পাকান পিঠা, নারকেলের সেদ্ধ পুলি পিঠা, ছিট পিঠা, পানতোয়া পিঠা, জামদানি পিঠা, হাঁড়ি পিঠা, ঝালপোয়া পিঠা, ঝুরি পিঠা, ছাঁচ পিঠা, ছিটকা পিঠা, বিবিখানা পিঠা, চুটকি পিঠা, চাপড়ি পিঠা, ঝিনুক পিঠা, সূর্যমুখী পিঠা, ফুল পিঠা, বিবিয়ানা পিঠা, সেমাই পিঠা, নকশি পিঠা প্রভূতি।
শ্রমিকেরা জানান ,কারখানা কর্তৃপক্ষ দারুণ এক আয়োজন করেছে। প্রতিদিন কাজ করি, একদিন ব্যতিক্রম কিছু আয়োজন হলে কাজের আগ্রহ বাড়ে। অনেকে গ্রামে যেতে পারি না, আজ পিঠে উৎসবের মধ্যে মনে হলো গ্রামের কোনো অনুষ্ঠানে এসেছি। এ পিঠা উৎসবের বিশেষত্ব হচ্ছে, যে শ্রমিকের বাড়ি যে জেলায়, তিনি সেই জেলার পরিচিত পিঠার তৈরি করেন। এরমধ্যে থেকে সেরাদের নির্বাচিত করা হয়।
কারখানার সহকারী মহা-ব্যবস্থাপক -প্রশাসন-মো. আবু সেহাব বলেন, আমরা চেয়েছি, গ্রাম-বাংলার ঐতিহ্য তুলে ধরতে। আমাদের কারখানায় বিভিন্ন জেলার কর্মীরা রয়েছেন এ জন্য আমরা তাদের নিজ নিজ জেলার পিঠা তৈরি করতে বলেছি। তারা সেটিই করেছেন, এতে একটি দিন তারা আনন্দে কাটাতে পেরেছেন।

























