Dhaka , Tuesday, 9 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম মডেল সফল, অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া হবে নির্ধারিত ও স্বচ্ছ:- মেয়র ডা. শাহাদাত রূপগঞ্জে শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক গ্রেফতার ৪ কোটি টাকা মূল্যের ৮০ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক, জব্দ প্রাইভেটকার চিরকুটে যুবকের নাম লিখে নবম শ্রেণির ছাত্রীর আত্মহত্যা বাজেট বাস্তবায়ন ও ককাস গঠনে চিফ হুইপের সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তার সাক্ষাৎ শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার পেপারবুক প্রস্তুত, শুনানি শিগগিরই ৭ বছর পর উত্তর কোরিয়ায় শি জিনপিং, লালগালিচা সংবর্ধনা কিমের বাংলাদেশ সিরিজ চ্যালেঞ্জিং হবে : অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক বছরে ১ লাখ ৮০ হাজার বার পরিষ্কার করা হয় মসজিদে নববী নোয়াখালীতে ছাত্রদলের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ ও সমাবেশ রূপগঞ্জে পানি শোধনাগার প্রকল্প চালু হলে দিনে ৫০ কোটি লিটার বিশুদ্ধ পানি ঢাকা শহরে সরবরাহ করা যাবে- মির্জা ফখরুল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নোয়াখালীতে ১১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৪৭ কালীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে ৫ বছর পর সচল কলমাকান্দা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সোলার প্যানেল পুলিশ প্রটোকল ও সরকারি দেহরক্ষী ছাড়াই ব্যক্তিগত গাড়িতে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আমিনবাজার ও আশুলিয়া রাজস্ব সার্কেল আকস্মিক পরিদর্শন জঙ্গল হতে কাতার প্রবাসী চুয়েট প্রকৌশলী অপহরনের দুই ঘন্টার মধ্যে উদ্ধার, ৪ অপহরণকারীকে আটক করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম শরীয়তপুরে প্রধান শিক্ষক সুজিত কর্মকারের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্কের কৌশলগত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে ১৪২ কেজি জেলি মিশ্রিত চিংড়ি জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা লালমনিরহাটে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মানববন্ধন: নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে রূপান্তর ও পরিবেশ আইন সংশোধনের দাবি রামুর খুনিয়াপালংয়ে ছেলের গুলিতে আহত পিতা আয়াছের মৃত্যু জঙ্গল সলিমপুরের আলিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশ সুপারে’র শিক্ষা, স্বপ্ন ও নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময় গ্রীন চট্টগ্রাম গড়তে লাগানো হচ্ছে ১০ লক্ষ গাছ:- মেয়র ডা. শাহাদাত রূপগঞ্জে এনসিপির অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনায় মামলা, গ্রাম পুরুষ শূন্য, গ্রেফতার ২ দুই দশকের মধ্যে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বকাপের বাকি ৪ দিন : ভাইদের গোলের কীর্তি ব্যাংক সংস্কারে রাজনৈতিক সুশাসন জরুরি : তথ্যমন্ত্রী বিএসএফের ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ যুবককে পুশ ইনের চেষ্টা উচ্চ আদালতে রামিসার মামলার শুনানি এগিয়ে আনতে সুপারিশ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি অগ্নিসংযোগ, আহত ৬

সিদ্ধিরগঞ্জে দুই শিশু সন্তানকে পূঁজি করে বহুরূপী মুক্তার অর্থ হাসিলের পায়তারা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:52:57 pm, Monday, 27 January 2025
  • 185 বার পড়া হয়েছে

সিদ্ধিরগঞ্জে দুই শিশু সন্তানকে পূঁজি করে বহুরূপী মুক্তার অর্থ হাসিলের পায়তারা

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি 

  
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শিশু দুই সন্তানকে ঢাল হিসেবে পূজি করে বহুরূপী পুরুষ খেকু ও মামলাবাজ মুক্তা আক্তার নামে এক নারীর বিরুদ্ধে তার দ্বিতীয় স্বামীর কাছ থেকে অনৈতিক ভাবে অর্থ হাসিলের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতিপূর্বে নগদ অর্থসহ জমি-বাড়ি লিখে নিয়েও ক্ষান্ত হননি এই লোভী নারী মুক্তা। পুনরায় মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিতে নতুন করে পায়তারা করছে বলে জানা গেছে।

তার এহেন অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গত বৃহস্পতিবার -২৩ জানুয়ারী- ওই নারীর স্বামী আবুল কালাম আজাদ তাকে আইনী নিয়ম মেনে ডিভোর্স দিয়েছেন। ভুক্তভোগী আবুল কালাম আজাদ সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতান পাড়া এলাকার মো: রওশন আলীর ছেলে।
অভিযুক্ত মুক্তা আক্তার রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার দুদুখান পাড়া এলাকার মো: একন খাঁর মেয়ে। বর্তমানে মুক্তার পরিবার ফরিদপুর জেলার সদর থানার মান্দার মোল্লা পাড়া এলাকার ইদ্রিস পালের বাড়িতে বসবাস করছে।

ভুক্তভোগী আবুল কালাম আজাদ রাসেল জানায়, ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারী প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে মুক্তা আক্তারের সাথে ইসলামী শরা-শরীয়তের বিধান মোতাবেক রেজিষ্ট্রি কাবিন মূলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। মুক্তা আক্তার একজন বিবাহিত নারী এবং তার প্রথম সংসারের একজন পুত্র সন্তান থাকা স্বত্ত্বেও বিবাহ বন্ধনের পর ওই পুত্র সন্তানসহ সুখ-শান্তিতে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করে আসছিলাম। দাম্পত্য সংসার জীবনে আমার ঔরসে মুক্তার গর্ভে মো: আল আরাফ রাব্বি -৪- এবং মো: আফরাহিম ইসলাম -১ মাস ২০ দিন- নামে দুইজন ফুটফুটে পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। মুক্তাকে তার পূর্বের সংসারের সন্তানসহ ভরনপোষন ও চিকিৎসাসহ যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করে এসেছি। এছাড়াও মুক্তাকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং সুখ-শান্তির জন্য স্থায়ী আবাস স্থল হিসেবে আমার নিজ অর্থায়নে ফরিদপুর জেলার সদর থানার মান্দার মোল্লা পাড়া এলাকায় ৮ শতাংশ সম্পত্তি ক্রয় করে সেখানে দুইটি বিল্ডিং রুম নির্মাণ করে টিউবওয়েল বসাইয়া বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে বসবাসের উপযোগী করিয়া দিয়াছি। আমি স্বামী ও পিতা হিসেবে সকল প্রকার দায়-দায়িত্ব পালন করা সত্ত্বেও মুক্তা আমার অনুমতি ছাড়া বেপরোয়া চলাফেরা করতো এবং কোন কারণ ছাড়াই আমার সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হত। প্রায়ই আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত এবং আমাকে ব্লাকমেইল করে বিপুর পরিমান টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। সে প্রায়ই আমার সাথে সংসার করতে অনীহা প্রকাশ করে সর্ব সাধারণের সামনে একাধিকবার মৌখিকভাবে আমাকে তালাক দিয়েছে। আমার এবং আমার সন্তানদের প্রতি যত্নবান না হয়ে উল্টো তার কর্মকান্ডে আমার জীবনকে অতিষ্ট করে তুলেছে।

আবুল কালাম আজাদ আরো জানায়, আমি বহুবার তাকে বুঝানোর সত্ত্বেও কোনরূপ সংশোধন না হয়ে নেশার জগতে প্রবেশ করে বেপরোয়া চলাফেরা করতে থাকে এবং বিভিন্ন লোকের কুপরামর্শে আমার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ আদালতে ২টি যৌতুক মামলা এবং ফরিদপুর আদালতে ১টি যৌতুক মামলা ও ২টি নারী শিশু মামলা করেন। তারপরেও আমার শিশু সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সংসার চালিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু গত ১৫ জানুয়ারী বেলা ১২টার দিকে আমার ১ মাস ২০ দিন বয়সী দুধের শিশু সন্তান আফরাহাম ইসলামকে আমার কাছে রেখে মুক্তা তার আগের সংসারের ছেলেকে মাদ্রাসা থেকে আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে যান এবং দীর্ঘক্ষণ অতিবাহিত হলেও বাসায় ফিরে না আসায় তার মোবাইলে ফোন দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তার সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় ১৮ তারিখ সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি জিডি করি। আমি জিডি করার ৫ দিন পর ২০ জানুয়ারী সে থানায় হাজির হয়ে আমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করলে থানা পুলিশ আমার বাড়িতে এসে আমার শিশু সন্তানের বাস্তবিক অবস্থা দেখে আমাকে থানায় যেতে বলে। পরে আমি আমার মা ও বোনকে সাথে নিয়ে থানায় গিয়ে মুক্তাকে গালমন্দ করি এবং পুলিশের উপস্থিতিতে মুচলেখা রেখে আমার শিশু সন্তানকে তার কাছে বুঝিয়ে দেই এবং বাচ্চাদের ভরন-পোষনের জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা, কাপড়-চোপড় এবং খাবার কিনে দেই। তথাপিও মুক্তা সর্বসাধারণ এবং পুলিশের উপস্থিতিতে থানা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় আমার ও আমার পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মামলা-মোকদ্দার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে চলে যায়। তার এহেন কর্মকান্ড বিবেচনা করে তার সাথে সংসার করা সম্ভব নয় বিধায় গত ২১ জানুয়ারী কাজী অফিসে তালাক রেজিষ্ট্রি করে তার সাথে বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করিয়াছি। আমার দুই শিশু সন্তানের ব্যাপারে আদালতের মাধ্যমে যে সিদ্ধান্ত হয় তা আমি পালন করতে বদ্ধ পরিকর।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রাম মডেল সফল, অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া হবে নির্ধারিত ও স্বচ্ছ:- মেয়র ডা. শাহাদাত

সিদ্ধিরগঞ্জে দুই শিশু সন্তানকে পূঁজি করে বহুরূপী মুক্তার অর্থ হাসিলের পায়তারা

আপডেট সময় : 07:52:57 pm, Monday, 27 January 2025

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি 

  
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে শিশু দুই সন্তানকে ঢাল হিসেবে পূজি করে বহুরূপী পুরুষ খেকু ও মামলাবাজ মুক্তা আক্তার নামে এক নারীর বিরুদ্ধে তার দ্বিতীয় স্বামীর কাছ থেকে অনৈতিক ভাবে অর্থ হাসিলের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ইতিপূর্বে নগদ অর্থসহ জমি-বাড়ি লিখে নিয়েও ক্ষান্ত হননি এই লোভী নারী মুক্তা। পুনরায় মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিতে নতুন করে পায়তারা করছে বলে জানা গেছে।

তার এহেন অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গত বৃহস্পতিবার -২৩ জানুয়ারী- ওই নারীর স্বামী আবুল কালাম আজাদ তাকে আইনী নিয়ম মেনে ডিভোর্স দিয়েছেন। ভুক্তভোগী আবুল কালাম আজাদ সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতান পাড়া এলাকার মো: রওশন আলীর ছেলে।
অভিযুক্ত মুক্তা আক্তার রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ থানার দুদুখান পাড়া এলাকার মো: একন খাঁর মেয়ে। বর্তমানে মুক্তার পরিবার ফরিদপুর জেলার সদর থানার মান্দার মোল্লা পাড়া এলাকার ইদ্রিস পালের বাড়িতে বসবাস করছে।

ভুক্তভোগী আবুল কালাম আজাদ রাসেল জানায়, ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারী প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে মুক্তা আক্তারের সাথে ইসলামী শরা-শরীয়তের বিধান মোতাবেক রেজিষ্ট্রি কাবিন মূলে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। মুক্তা আক্তার একজন বিবাহিত নারী এবং তার প্রথম সংসারের একজন পুত্র সন্তান থাকা স্বত্ত্বেও বিবাহ বন্ধনের পর ওই পুত্র সন্তানসহ সুখ-শান্তিতে দাম্পত্য জীবন অতিবাহিত করে আসছিলাম। দাম্পত্য সংসার জীবনে আমার ঔরসে মুক্তার গর্ভে মো: আল আরাফ রাব্বি -৪- এবং মো: আফরাহিম ইসলাম -১ মাস ২০ দিন- নামে দুইজন ফুটফুটে পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। মুক্তাকে তার পূর্বের সংসারের সন্তানসহ ভরনপোষন ও চিকিৎসাসহ যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করে এসেছি। এছাড়াও মুক্তাকে প্রতিষ্ঠিত করা এবং সুখ-শান্তির জন্য স্থায়ী আবাস স্থল হিসেবে আমার নিজ অর্থায়নে ফরিদপুর জেলার সদর থানার মান্দার মোল্লা পাড়া এলাকায় ৮ শতাংশ সম্পত্তি ক্রয় করে সেখানে দুইটি বিল্ডিং রুম নির্মাণ করে টিউবওয়েল বসাইয়া বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে বসবাসের উপযোগী করিয়া দিয়াছি। আমি স্বামী ও পিতা হিসেবে সকল প্রকার দায়-দায়িত্ব পালন করা সত্ত্বেও মুক্তা আমার অনুমতি ছাড়া বেপরোয়া চলাফেরা করতো এবং কোন কারণ ছাড়াই আমার সাথে ঝগড়ায় লিপ্ত হত। প্রায়ই আমাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত এবং আমাকে ব্লাকমেইল করে বিপুর পরিমান টাকা-পয়সা হাতিয়ে নিয়েছে। সে প্রায়ই আমার সাথে সংসার করতে অনীহা প্রকাশ করে সর্ব সাধারণের সামনে একাধিকবার মৌখিকভাবে আমাকে তালাক দিয়েছে। আমার এবং আমার সন্তানদের প্রতি যত্নবান না হয়ে উল্টো তার কর্মকান্ডে আমার জীবনকে অতিষ্ট করে তুলেছে।

আবুল কালাম আজাদ আরো জানায়, আমি বহুবার তাকে বুঝানোর সত্ত্বেও কোনরূপ সংশোধন না হয়ে নেশার জগতে প্রবেশ করে বেপরোয়া চলাফেরা করতে থাকে এবং বিভিন্ন লোকের কুপরামর্শে আমার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ আদালতে ২টি যৌতুক মামলা এবং ফরিদপুর আদালতে ১টি যৌতুক মামলা ও ২টি নারী শিশু মামলা করেন। তারপরেও আমার শিশু সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে সংসার চালিয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু গত ১৫ জানুয়ারী বেলা ১২টার দিকে আমার ১ মাস ২০ দিন বয়সী দুধের শিশু সন্তান আফরাহাম ইসলামকে আমার কাছে রেখে মুক্তা তার আগের সংসারের ছেলেকে মাদ্রাসা থেকে আনার কথা বলে বাসা থেকে বের হয়ে যান এবং দীর্ঘক্ষণ অতিবাহিত হলেও বাসায় ফিরে না আসায় তার মোবাইলে ফোন দিলে তা বন্ধ পাওয়া যায়। তার সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় ১৮ তারিখ সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি জিডি করি। আমি জিডি করার ৫ দিন পর ২০ জানুয়ারী সে থানায় হাজির হয়ে আমার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করলে থানা পুলিশ আমার বাড়িতে এসে আমার শিশু সন্তানের বাস্তবিক অবস্থা দেখে আমাকে থানায় যেতে বলে। পরে আমি আমার মা ও বোনকে সাথে নিয়ে থানায় গিয়ে মুক্তাকে গালমন্দ করি এবং পুলিশের উপস্থিতিতে মুচলেখা রেখে আমার শিশু সন্তানকে তার কাছে বুঝিয়ে দেই এবং বাচ্চাদের ভরন-পোষনের জন্য নগদ ৫০ হাজার টাকা, কাপড়-চোপড় এবং খাবার কিনে দেই। তথাপিও মুক্তা সর্বসাধারণ এবং পুলিশের উপস্থিতিতে থানা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সময় আমার ও আমার পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে মামলা-মোকদ্দার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে চলে যায়। তার এহেন কর্মকান্ড বিবেচনা করে তার সাথে সংসার করা সম্ভব নয় বিধায় গত ২১ জানুয়ারী কাজী অফিসে তালাক রেজিষ্ট্রি করে তার সাথে বিবাহ বন্ধন ছিন্ন করিয়াছি। আমার দুই শিশু সন্তানের ব্যাপারে আদালতের মাধ্যমে যে সিদ্ধান্ত হয় তা আমি পালন করতে বদ্ধ পরিকর।