Dhaka , Friday, 17 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মধুপুটে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড বিতরণের শুভ উদ্বোধন মিষ্টির দোকানে অনিয়ম ও ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন: রায়পুরে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা। শ্রীপুরে ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের অভিযোগ, ভিডিও করায় সাংবাদিককে মারধর করা পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার পাইকগাছায় নারীদের মাঝে বিনামূল্যে সেলাই মেশিন বিতরণ পাইকগাছায় নতুন মৎস্য আড়ৎ উদ্বোধন; কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত পাঁচলাইশ চসিক বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে ডা. শাহাদাত হোসেন বাংলাদেশ ব্যাংকের পাহাড়ে ভূমিদস্যুদের থাবা, নির্বিকার কর্তৃপক্ষ, লড়ছে পরিবেশ অধিদপ্তর আড়াইহাজারে শিক্ষকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ জাতীয় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন সফল করতে পাঁচবিবিতে সমন্বয় সভা ৩ লক্ষ শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দিবে চসিক:- মেয়র ডা. শাহাদাত মখলেছুর রহমান চৌধুরী- আলতাজ খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পুরস্কার বিতরণ ও এসএসসি বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত চরভদ্রাসনে ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন : ইউএনও’র পরিদর্শন। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের অনাগ্রহ, বেড়েছে অনুপস্থিতি রামগঞ্জে ১৬১ প্রাথমিকবিদ্যালয়ের ৯২ টিতেই প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য  নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আপেল, সম্পাদক বাবু বসত বাড়িতে লুকিয়ে রাখা হলো ১২শত লিটার পেট্রোল, গ্রেপ্তার-৩ হযরত খাজা গরীব উল্লাহ শাহ্ (রঃ) মাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনোনীত হলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন “স্মার্ট, পরিচ্ছন্ন ও শিক্ষাবান্ধব চট্টগ্রাম গড়তে কাজ করছি”: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন কাউখালীতে খাল পুর্ন-খনন কাজের উদ্বোধন করলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর সুমন এমপি মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’:- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম কর্তৃক প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এর কেন্দ্র পরিদর্শন জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় বর্ষার আগে বিশেষ পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম শুরু করছে চসিক দুর্গাপুর সংবর্ধিত হলেন কণ্ঠশিল্পী মিজানুর রহমান কাঞ্চন লালমনিরহাটে দুই উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা; প্রধান অতিথি মমিনুল হক নিরাপত্তা বলয়ে পাইকগাছায় বৃত্তি পরীক্ষা শুরু; ইউএনও’র কেন্দ্র পরিদর্শন উচ্চশিক্ষার পথে বাধা দূর করল জেলা প্রশাসন: ঢাবি-জবিতে ভর্তির সুযোগ পেল ৬ অসচ্ছল মেধাবী বিগত ১৭ বছরে কিছু লোক এসেছিল তারা খেলার নামে রং তামাশা করেছে: মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু ভাড়া বাসায় মদের কারবার,বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার-১ নোয়াখালীতে স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা মামলার রায় পেছাল

লালমনিরহাটে একুশে ফেব্রুয়ারির রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে প্রটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগ: জেলা প্রশাসকের অপেশাদার আচরণে জনমনে ক্ষোভ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:23:43 pm, Saturday, 21 February 2026
  • 52 বার পড়া হয়েছে

চঞ্চল,

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি পালিত হলেও অনুষ্ঠান পরিচালনায় প্রটোকল ও শিষ্টাচার অনুসরণে চরম ব্যত্যয়ের অভিযোগ উঠেছে।

জাতীয় এই দিবসের যাবতীয় কর্মসূচি যথাযথ প্রটোকল ও রাষ্ট্রীয় নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালনার আইনি দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের ওপর ন্যস্ত থাকলেও এবারের আয়োজনে মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু-এর পদমর্যাদা অনুযায়ী পৃথক পুষ্পস্তবকের ব্যবস্থা রাখা হয়নি বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের দাবি, রাষ্ট্রীয় ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী একজন দায়িত্বরত মন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রটোকল ও সম্মান নিশ্চিত করা জেলা প্রশাসনের মৌলিক প্রশাসনিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আইন ও প্রশাসনিক বিধি অনুযায়ী, সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীবর্গের অবস্থান, অগ্রাধিকার ও যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের বিষয়টি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলেও লালমনিরহাটের এই অনুষ্ঠানে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

এ ধরনের স্পর্শকাতর ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রটোকল অনুসরণে এমন বিচ্যুতিকে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনিক চরম ত্রুটি, অবহেলা ও দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য হিসেবে দেখছেন, যার দায়ভার ও জবাবদিহিতা সরাসরি জেলা প্রশাসনের ওপর বর্তায়।

প্রশাসনিক প্রচলিত নীতি অনুযায়ী জেলা প্রশাসক জেলার সর্বোচ্চ সমন্বয়কারী হিসেবে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকেন এবং অধীনস্থ কোনো কর্মকর্তা বা কমিটির গাফিলতি হলেও চূড়ান্ত দায়ভার নেতৃত্বের ওপরই পড়ে।

এই ঘটনার পর এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা দুঃখ প্রকাশ করা হয়নি, যা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নাগরিক সমাজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আলোচনার ঝড় উঠেছে।

জেলার সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, একজন জেলা প্রশাসকের এমন অপেশাদার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং এটি রাষ্ট্রীয় কাঠামোর শৃঙ্খলার পরিপন্থী। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতে এড়াতে প্রশাসনের ভেতর সমন্বয় জোরদার এবং কঠোর পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মধুপুটে স্মার্ট ফুয়েল কার্ড বিতরণের শুভ উদ্বোধন

লালমনিরহাটে একুশে ফেব্রুয়ারির রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে প্রটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগ: জেলা প্রশাসকের অপেশাদার আচরণে জনমনে ক্ষোভ

আপডেট সময় : 11:23:43 pm, Saturday, 21 February 2026

চঞ্চল,

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি পালিত হলেও অনুষ্ঠান পরিচালনায় প্রটোকল ও শিষ্টাচার অনুসরণে চরম ব্যত্যয়ের অভিযোগ উঠেছে।

জাতীয় এই দিবসের যাবতীয় কর্মসূচি যথাযথ প্রটোকল ও রাষ্ট্রীয় নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালনার আইনি দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের ওপর ন্যস্ত থাকলেও এবারের আয়োজনে মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু-এর পদমর্যাদা অনুযায়ী পৃথক পুষ্পস্তবকের ব্যবস্থা রাখা হয়নি বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের দাবি, রাষ্ট্রীয় ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী একজন দায়িত্বরত মন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রটোকল ও সম্মান নিশ্চিত করা জেলা প্রশাসনের মৌলিক প্রশাসনিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আইন ও প্রশাসনিক বিধি অনুযায়ী, সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীবর্গের অবস্থান, অগ্রাধিকার ও যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের বিষয়টি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলেও লালমনিরহাটের এই অনুষ্ঠানে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

এ ধরনের স্পর্শকাতর ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রটোকল অনুসরণে এমন বিচ্যুতিকে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনিক চরম ত্রুটি, অবহেলা ও দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য হিসেবে দেখছেন, যার দায়ভার ও জবাবদিহিতা সরাসরি জেলা প্রশাসনের ওপর বর্তায়।

প্রশাসনিক প্রচলিত নীতি অনুযায়ী জেলা প্রশাসক জেলার সর্বোচ্চ সমন্বয়কারী হিসেবে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকেন এবং অধীনস্থ কোনো কর্মকর্তা বা কমিটির গাফিলতি হলেও চূড়ান্ত দায়ভার নেতৃত্বের ওপরই পড়ে।

এই ঘটনার পর এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা দুঃখ প্রকাশ করা হয়নি, যা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নাগরিক সমাজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আলোচনার ঝড় উঠেছে।

জেলার সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, একজন জেলা প্রশাসকের এমন অপেশাদার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং এটি রাষ্ট্রীয় কাঠামোর শৃঙ্খলার পরিপন্থী। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতে এড়াতে প্রশাসনের ভেতর সমন্বয় জোরদার এবং কঠোর পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।