Dhaka , Thursday, 11 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ঝরে পড়াদের হাতে নিয়োগপত্র, আলো ছড়ালেন ডিসি জাহিদ প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি, ঝরে পড়াদের পাশে মানবিক ডিসি জাহিদ নড়িয়া থানায় যানবাহন সংকট, সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় বিএনপি নেতার পোস্ট ক্রীড়াবান্ধব উদ্যোগ: পাইকগাছার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ফুটবল বিতরণ চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা স্থায়ীভাবে নিরসনে প্রকল্প নেয়া হচ্ছে: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রামের পটিয়া প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকের ওপর হামলা অভিযোগ দক্ষিণ মিঠাছড়ির চাইন্দা ঘোনারপাড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ কালভার্ট, বর্ষার আগেই সংস্কারের দাবি রূপগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মাদক দ্রব্যসহ ৬ মাদক কারবারি গ্রেফতার ২৮ ঘন্টা পর মেঘনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার সরাইলে মায়ের নেতৃত্বে পুত্র হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে মিছিল ও সমাবেশ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত  বাবার জন্য খাবার নিয়ে গিয়ে মেঘনায় নিখোঁজ শিশু শরীয়তপুরে গৃহবধু কনিকা হত্যার রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন জাজিরায় দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আয়োজনে দুর্নীতি বিষয়ক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘চোখের বদলে চোখ’, নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে মার্কিন-ইরান পালটাপালটি হামলা স্বামীর চেয়ে স্ত্রীর আয় বেশি হলে পুরুষের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব পড়ে: গবেষণা বিশ্বকাপ ২০২৬: মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার আট দলের সম্ভাবনা বিশ্লেষণ দলীয় সম্পদ-প্রতীকও কি হারাতে পারেন মমতা? সেভেন আপের বোতলে দুধ ঢেলে গোসল করে সৌদিকে সমর্থন ব্রাজিল সমর্থকের সাফজয়ী ফুটবলার ঋতুপর্ণা চাকমার গৃহনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ নগর গড়তে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে:- মেয়র ডা. শাহাদাত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল আমীন মাদকবিরোধী অভিযানে ৩ জন আটক, জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা আজিজুল হক আজিজের নানাবাড়ি বেড়াতে এসে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু রূপগঞ্জে বৃক্ষরোপন ও বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন  বিশ্বকাপ উন্মাদনায় রামগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ পাইকগাছায় ফ্রেন্ডশিপের পরিবেশ সচেতনতা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে খাল দখলমুক্ত করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উচ্ছেদ অভিযান হামলার ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে মামলার আসামি স্টার নিউজের সাংবাদিক রামুতে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রযুক্তি নির্ভর আর্থিক সেবায় বদলে যাচ্ছে মানুষের জীবন

রাজশাহীর পদ্মার চরে যে সেতু অকার্যকর।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:41:03 am, Tuesday, 24 September 2024
  • 282 বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর পদ্মার চরে যে সেতু অকার্যকর।।

মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি।।
রাজশাহীর পদ্মার চরে এই সেতু কোনো কাজেই আসছে না। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মা চরের মধ্যে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতু থেকে রাস্তা নিচু করায় এটি কোনো কাজেই আসছে না। এতে মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। দুটি সেতুর মধ্যে একটি হলো পলাশি ফতেপুর গ্রামের বাবলু ব্যাপারীর দোকানের সমানে। আরেকটি হলো তার দুইশ গজ পশ্চিমে।
জানা গেছে- উপজেলার পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের পলাশি ফতেপুর-লক্ষীনগর রাস্তার ওপর দুইশ গজের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪০ ফুট করে একই সঙ্গে পরপর দুটি সেতু নির্মাণ করে। এতে ব্যয় হয় ৬১ লাখ ৮০ হাজার ৪০ টাকা।
এই সেতু দিয়ে পলাশি ফতেপুর- দাদপুর- লক্ষীনগর- কালিদাসখালী- চকরাজাপুর- নিচ পলাশি ফতেপুর- উদয়পুর- ফতেপুর পলাশিসহ ৮টি চরের প্রায় ৮ হাজার মানুষ চলাচল করেন। সেতুর মুখ সমান রাস্তায় মাটি না দেওয়ার কারণে এই সেতু দুটি জনগণের চলাচলে কোনো কাজে আসছে না।
পলাশি ফতেপুর চরের বাবলু ব্যাপারী- সোনামুদ্দিন মিস্ত্রি, রেজাউল করিম বলেন, সেতুর ওপারে শত শত বিঘা জমি আছে। এই জমিগুলোর ফসল সংগ্রহ করে আনতে ডবল লেবার খরচ দিতে হচ্ছে। সাত বছর আগে সেতু তৈরি করা হলেও সেতুর সমান রাস্তার কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।
দাদপুর চরের সাইফুল ইসলাম বলেন- আমি সবজির ব্যবসা করি। এই সেতু দিয়ে পার হওয়া যায় না। ফলে দুই কিলোমিটার পথ ছয় কিলোমিটার ঘুরে পলাশি ফতেপুর হাটে আসতে হয়।
চকরাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল আযম বলেন- সেতু নির্মাণের পর সেতু সমান রাস্তা নির্মাণের জন্য বিভিন্ন স্থানে আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি। এছাড়া কৃষি ও গবাদি পশুপালন নির্ভর এলাকা। এলাকাবাসী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় বিক্রয়ের জন্য প্রতিদিন চকরাজাপুর- পলাশি ফতেপুর বাজারগুলো যেতে হয়। ফলে সেতুর মুখ সমান মাটি ভরাট না করায় দুর্দশার মধ্য দিয়ে মানুষ চলাচল করছেন।
উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মাহামুদুল ইসলাম বলেন- এ সেতুর বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

ঝরে পড়াদের হাতে নিয়োগপত্র, আলো ছড়ালেন ডিসি জাহিদ প্রশিক্ষণ শেষে চাকরি, ঝরে পড়াদের পাশে মানবিক ডিসি জাহিদ

রাজশাহীর পদ্মার চরে যে সেতু অকার্যকর।।

আপডেট সময় : 05:41:03 am, Tuesday, 24 September 2024
মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি।।
রাজশাহীর পদ্মার চরে এই সেতু কোনো কাজেই আসছে না। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মা চরের মধ্যে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতু থেকে রাস্তা নিচু করায় এটি কোনো কাজেই আসছে না। এতে মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। দুটি সেতুর মধ্যে একটি হলো পলাশি ফতেপুর গ্রামের বাবলু ব্যাপারীর দোকানের সমানে। আরেকটি হলো তার দুইশ গজ পশ্চিমে।
জানা গেছে- উপজেলার পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের পলাশি ফতেপুর-লক্ষীনগর রাস্তার ওপর দুইশ গজের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪০ ফুট করে একই সঙ্গে পরপর দুটি সেতু নির্মাণ করে। এতে ব্যয় হয় ৬১ লাখ ৮০ হাজার ৪০ টাকা।
এই সেতু দিয়ে পলাশি ফতেপুর- দাদপুর- লক্ষীনগর- কালিদাসখালী- চকরাজাপুর- নিচ পলাশি ফতেপুর- উদয়পুর- ফতেপুর পলাশিসহ ৮টি চরের প্রায় ৮ হাজার মানুষ চলাচল করেন। সেতুর মুখ সমান রাস্তায় মাটি না দেওয়ার কারণে এই সেতু দুটি জনগণের চলাচলে কোনো কাজে আসছে না।
পলাশি ফতেপুর চরের বাবলু ব্যাপারী- সোনামুদ্দিন মিস্ত্রি, রেজাউল করিম বলেন, সেতুর ওপারে শত শত বিঘা জমি আছে। এই জমিগুলোর ফসল সংগ্রহ করে আনতে ডবল লেবার খরচ দিতে হচ্ছে। সাত বছর আগে সেতু তৈরি করা হলেও সেতুর সমান রাস্তার কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।
দাদপুর চরের সাইফুল ইসলাম বলেন- আমি সবজির ব্যবসা করি। এই সেতু দিয়ে পার হওয়া যায় না। ফলে দুই কিলোমিটার পথ ছয় কিলোমিটার ঘুরে পলাশি ফতেপুর হাটে আসতে হয়।
চকরাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল আযম বলেন- সেতু নির্মাণের পর সেতু সমান রাস্তা নির্মাণের জন্য বিভিন্ন স্থানে আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি। এছাড়া কৃষি ও গবাদি পশুপালন নির্ভর এলাকা। এলাকাবাসী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় বিক্রয়ের জন্য প্রতিদিন চকরাজাপুর- পলাশি ফতেপুর বাজারগুলো যেতে হয়। ফলে সেতুর মুখ সমান মাটি ভরাট না করায় দুর্দশার মধ্য দিয়ে মানুষ চলাচল করছেন।
উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মাহামুদুল ইসলাম বলেন- এ সেতুর বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।