Dhaka , Thursday, 13 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান, নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকরণে ৫০টির অধিক ফিশিং বোট তল্লাশি, আটক ২৪ রূপগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময়ের সভা অনুষ্ঠিত মিয়ানমারে পাচার হচ্ছিল ১,৩৬০ বস্তা সিমেন্ট, গ্রেপ্তার ৩ লবণ বোঝাই বলগেট ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু মেয়র নির্বাচিত হলে প্রতিটি ওয়ার্ডে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করবো: ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হাই সিকদার সিলেটের রায়নগর মিতালি এলাকায় স্বামী স্ত্রী ও বাসার কাজের মেয়ে সহ ট্রিপল মার্ডার’র ঘটনা কেউ চান মাথা গোঁজার ঠাঁই, কেউ চিকিৎসার টাকা,গণশুনানিতে পাশে দাঁড়ালেন মানবিক ডিসি জাহিদ সিএমপি ডবলমুরিং থানা এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের ০৬ (ছয়) নেতাকর্মী গ্রেপ্তার পাইকগাছায় পুশ বিরোধী অভিযান; দুই চিংড়ি ব্যবসায়ীকে জরিমানা হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা, দুর্গাপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা-সংস্কৃতি রক্ষায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত  অসহায় হাজং দম্পতির পাশে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার, বদলে যাচ্ছে জীবনের চিত্র রামুতে ইপসা ও আই আর সি এর উদ্যোগে মাদক, শিশুশ্রম, বাল্যবিয়ে ও ইভটিজিং প্রতিরোধে মুখোমুখি সংলাপ কেন ট্রাম্পের পোস্ট থেকে সরানো হলো টেইলর সুইফটের গান? ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য ধর্মান্তর ঠেকাতে ও জমি কেনাবেচায় কঠোর আইন করছে পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের হাল ধরবেন কে? তালিকায় আছেন যারা সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী মানিকগঞ্জে গরু চড়ানো নিয়ে বিরোধে হামলা, মা-ছেলেসহ আহত ৩ মধুপুরের মির্জাবাড়ীতে পারিবারিক বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ৪ চট্টগ্রামের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জরুরি :- অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বিপ্লব উদ্যান থেকে রাঙ্গুনিয়া: চট্টগ্রামে শহীদ জিয়ার স্মৃতি-ভূগোল ও ইতিহাসের বাঁক ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের উদ্যোগে হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নিশ্চিতে সোলার ইনভার্টার স্থাপন পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নির্মাণাধীন মাদরাসার তদন্তে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, নারীসহ গ্রেপ্তার ৭ শ্রীপুরে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটের গোলাপগঞ্জ থেকে অনলাইন জুয়া চক্রের ০৪ জন সদস্য গ্রেফতার মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে যোগদান করলেন জহিরুল আলম সৈরাচারী সরকারের মদতে খাল বেদখল ও ভরাট হয়ে গেছে- পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে :- প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

রাজশাহীর পদ্মার চরে যে সেতু অকার্যকর।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:41:03 am, Tuesday, 24 September 2024
  • 313 বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর পদ্মার চরে যে সেতু অকার্যকর।।

মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি।।
রাজশাহীর পদ্মার চরে এই সেতু কোনো কাজেই আসছে না। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মা চরের মধ্যে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতু থেকে রাস্তা নিচু করায় এটি কোনো কাজেই আসছে না। এতে মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। দুটি সেতুর মধ্যে একটি হলো পলাশি ফতেপুর গ্রামের বাবলু ব্যাপারীর দোকানের সমানে। আরেকটি হলো তার দুইশ গজ পশ্চিমে।
জানা গেছে- উপজেলার পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের পলাশি ফতেপুর-লক্ষীনগর রাস্তার ওপর দুইশ গজের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪০ ফুট করে একই সঙ্গে পরপর দুটি সেতু নির্মাণ করে। এতে ব্যয় হয় ৬১ লাখ ৮০ হাজার ৪০ টাকা।
এই সেতু দিয়ে পলাশি ফতেপুর- দাদপুর- লক্ষীনগর- কালিদাসখালী- চকরাজাপুর- নিচ পলাশি ফতেপুর- উদয়পুর- ফতেপুর পলাশিসহ ৮টি চরের প্রায় ৮ হাজার মানুষ চলাচল করেন। সেতুর মুখ সমান রাস্তায় মাটি না দেওয়ার কারণে এই সেতু দুটি জনগণের চলাচলে কোনো কাজে আসছে না।
পলাশি ফতেপুর চরের বাবলু ব্যাপারী- সোনামুদ্দিন মিস্ত্রি, রেজাউল করিম বলেন, সেতুর ওপারে শত শত বিঘা জমি আছে। এই জমিগুলোর ফসল সংগ্রহ করে আনতে ডবল লেবার খরচ দিতে হচ্ছে। সাত বছর আগে সেতু তৈরি করা হলেও সেতুর সমান রাস্তার কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।
দাদপুর চরের সাইফুল ইসলাম বলেন- আমি সবজির ব্যবসা করি। এই সেতু দিয়ে পার হওয়া যায় না। ফলে দুই কিলোমিটার পথ ছয় কিলোমিটার ঘুরে পলাশি ফতেপুর হাটে আসতে হয়।
চকরাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল আযম বলেন- সেতু নির্মাণের পর সেতু সমান রাস্তা নির্মাণের জন্য বিভিন্ন স্থানে আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি। এছাড়া কৃষি ও গবাদি পশুপালন নির্ভর এলাকা। এলাকাবাসী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় বিক্রয়ের জন্য প্রতিদিন চকরাজাপুর- পলাশি ফতেপুর বাজারগুলো যেতে হয়। ফলে সেতুর মুখ সমান মাটি ভরাট না করায় দুর্দশার মধ্য দিয়ে মানুষ চলাচল করছেন।
উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মাহামুদুল ইসলাম বলেন- এ সেতুর বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান, নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকরণে ৫০টির অধিক ফিশিং বোট তল্লাশি, আটক ২৪

রাজশাহীর পদ্মার চরে যে সেতু অকার্যকর।।

আপডেট সময় : 05:41:03 am, Tuesday, 24 September 2024
মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি।।
রাজশাহীর পদ্মার চরে এই সেতু কোনো কাজেই আসছে না। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মা চরের মধ্যে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সেতু নির্মাণ করা হয়। সেতু থেকে রাস্তা নিচু করায় এটি কোনো কাজেই আসছে না। এতে মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। দুটি সেতুর মধ্যে একটি হলো পলাশি ফতেপুর গ্রামের বাবলু ব্যাপারীর দোকানের সমানে। আরেকটি হলো তার দুইশ গজ পশ্চিমে।
জানা গেছে- উপজেলার পদ্মার মধ্যে চকরাজাপুর ইউনিয়নের পলাশি ফতেপুর-লক্ষীনগর রাস্তার ওপর দুইশ গজের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪০ ফুট করে একই সঙ্গে পরপর দুটি সেতু নির্মাণ করে। এতে ব্যয় হয় ৬১ লাখ ৮০ হাজার ৪০ টাকা।
এই সেতু দিয়ে পলাশি ফতেপুর- দাদপুর- লক্ষীনগর- কালিদাসখালী- চকরাজাপুর- নিচ পলাশি ফতেপুর- উদয়পুর- ফতেপুর পলাশিসহ ৮টি চরের প্রায় ৮ হাজার মানুষ চলাচল করেন। সেতুর মুখ সমান রাস্তায় মাটি না দেওয়ার কারণে এই সেতু দুটি জনগণের চলাচলে কোনো কাজে আসছে না।
পলাশি ফতেপুর চরের বাবলু ব্যাপারী- সোনামুদ্দিন মিস্ত্রি, রেজাউল করিম বলেন, সেতুর ওপারে শত শত বিঘা জমি আছে। এই জমিগুলোর ফসল সংগ্রহ করে আনতে ডবল লেবার খরচ দিতে হচ্ছে। সাত বছর আগে সেতু তৈরি করা হলেও সেতুর সমান রাস্তার কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।
দাদপুর চরের সাইফুল ইসলাম বলেন- আমি সবজির ব্যবসা করি। এই সেতু দিয়ে পার হওয়া যায় না। ফলে দুই কিলোমিটার পথ ছয় কিলোমিটার ঘুরে পলাশি ফতেপুর হাটে আসতে হয়।
চকরাজাপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুল আযম বলেন- সেতু নির্মাণের পর সেতু সমান রাস্তা নির্মাণের জন্য বিভিন্ন স্থানে আবেদন করেও কোনো লাভ হয়নি। এছাড়া কৃষি ও গবাদি পশুপালন নির্ভর এলাকা। এলাকাবাসী নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয় বিক্রয়ের জন্য প্রতিদিন চকরাজাপুর- পলাশি ফতেপুর বাজারগুলো যেতে হয়। ফলে সেতুর মুখ সমান মাটি ভরাট না করায় দুর্দশার মধ্য দিয়ে মানুষ চলাচল করছেন।
উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মাহামুদুল ইসলাম বলেন- এ সেতুর বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।