Dhaka , Thursday, 26 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হবে:- ডা. শাহাদাত হোসেন মধুপুরে যানজট নিরসনে রাস্তায় কাজ করছে ছাত্র দলের নেতৃবৃন্দ বাড়িতে গিয়ে জানলেন তিনি ২ সন্তানের জননী প্রেমিকের আত্মহত্যা পাইকগাছায় গণহত্যা দিবসে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি চমক হোটেলে মল ঢেলে তাণ্ডব ও ভাঙচুর: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচার না পেলে লালমনিরহাটে হোটেল ধর্মঘট নোয়াখালীতে শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়ল ২৪ দোকান কোম্পানীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৪ দোকান ইউনিয়নেই মিলবে প্রাথমিক চিকিৎসা, কমবে ভোগান্তি: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বর্জ্যের অব্যবস্থাপনায় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার নরসিংদীর ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে নয় মাস পর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু ফতুল্লায় টিনসেট বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, ৬ লাখ টাকার ক্ষতি ২৫ মার্চ গণহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কর্ণফুলীতে প্রেসক্লাবের আড়ালে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে স্বৈরাচারের দোসররা তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মূল্যায়িত হলে বিএনপি আরও শক্তিশালী হবে:- ডা. শাহাদাত হোসেন বাহুবলে আ.লীগ নেতার কারামুক্তির মিলাদে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সামছুল আলম বগুড়ার শাজাহানপুরে সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশি অভিযান, গ্রেপ্তার ৩ আসামী ৮৭ জন লাখো পর্যটকে টইটম্বুর কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত রামগঞ্জে মাদক প্রতিরোধে মিনি ম্যারাথন ও ঈদ আনন্দ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় লবণ পানি উত্তোলন বন্ধে ইউএনও’র কাছে অভিযোগ মধুপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি দোকান পুড়ে ছাই লাঙ্গলবন্দ স্নানোৎসব উপলক্ষে প্রস্তুতি পরিদর্শনে ডিসি ও প্রশাসন “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন যে জাতি তার ইতিহাস ভুলে যায়, সে জাতির অস্তিত্ব টিকে থাকতে পারে না—সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী বন্ধ পাটকল চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী রূপগঞ্জে স্বামীর গলায় ছুরি ধরে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় দুই যুবক গ্রেফতার পাইকগাছায় ইউএনও’র সঙ্গে ঢাবি ছাত্র কল্যাণ সমিতির মতবিনিময় পাইকগাছায় বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস পালিত লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের শিল্পায়নের সম্ভাবনা শীর্ষক সভায় ত্রাণমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ১৫ বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে মাদকসহ আটক ১: ইয়াবা ও বিপুল পরিমাণ সিরাপ জব্দ চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবেও ষড়যন্ত্রের ছায়া:- গিয়াস কাদের চৌধুরী

মোরেলগঞ্জে সেরজন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়ম না মেনে বিদ্যালয়ের ১৭টি গাছ বিক্রির অভিযোগ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:50:57 pm, Tuesday, 28 September 2021
  • 318 বার পড়া হয়েছে

মোরেলগঞ্জে সেরজন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়ম না মেনে বিদ্যালয়ের ১৭টি গাছ বিক্রির অভিযোগ

মোরেলগঞ্জ(বাগেরহাট) প্রতিনিধি।।

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পল্লীর একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই প্রায় দুই লক্ষ টাকার ১৭টি গাছ অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে ।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগসূত্রে জানাগেছে, উপজেলার জিউধরা সেরজন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সিমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ চলছে। ওই সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি বা অনুমোদন ছাড়াই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি মিলে বিশাল আকৃতির বেশ কয়েকটি চাম্বল গাছ বিক্রি করে দিয়েছেন। রোববার বিকেলে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় গাছগুলো কেটে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে কাটা গাছের কয়েকটি টুকরা দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ ছাড়া অনেকগুলো গাছ কাটার চিহ্ন দৃশ্যমান রয়েছে। বিদ্যালয়ের নাইটগার্ড দেলোয়ার চৌকিদার ও সিমানা প্রাচীর নির্মানে কর্মরত শ্রমিকরা জানালেন, সিমানা প্রাচীরের সেন্টারিং এবং বিদ্যালয়ের বেঞ্চ তৈরির জন্য গাছ কাটা হয়েছে বলে জেনেছি। সর্বমোট ১৭টি গাছ কেটে কিছু গাছ বিক্রি করে গাছকাটা শ্রমিকদের পারিশ্রমীক দেয়া হয়েছে। তবে অপর একটি সূত্র থেকে জানাগেছে, সেন্টারিং ও বিদ্যালয়ের বেঞ্চ বানানোর অজুহাতে একটি গাছের কয়েকটি টুকরো রাখা হলেও দেড় লক্ষাধিক টাকার গাছ বিক্রি করা হয়েছে এবং ক্রেতারা গাছ কেটে নিয়েও গেছে।
সরেজমিনে দেখাগেছে, সিমানা প্রাচীর নির্মাণ সিমানায় ২/১ গাছ কাটার প্রয়োজন থাকলেও সিমানা প্রাচীরের বাইরে রাস্তার পাশের পুরানো আমলের সবকটি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। গাছগুলো ক্রেতারা নিয়ে গেলেও গাছ কাটার চিহ্ন (গোড়ালী)বিরাজমান রয়েছে।
সরকারি বিধান অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন গাছ কাটা বা বিক্রির প্রয়োজন হলে উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ ও বনবিভাগের অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের তোয়াক্কা না করেই সভাপতিকে সাথে নিয়ে পুরোনো আমলের এ গাছগুলি বিক্রি করে দিয়েছেন।
গাছ কাটার বিষয় স্থানীয় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসও অবগত নন বলে জানালেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবদুল হান্নান। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটা এবং বিক্রির বিধান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায় এ সংক্রান্ত একটি কমিটি রয়েছে যার সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ বিক্রি করতে হলে ওই প্রতিষ্ঠান প্রধান উপজেলা কমিটির কাছে লিখিত আবেদন করলে উপজেলা কমিটি সভা করে গাছ বিক্রির সিন্ধান্ত নিবে এরপর বন বিভাগ কর্তৃক গাছের পরিমাপ ও মূল্য নির্ধারণ করবে। গাছের মুল্য ৫ লক্ষ টাকার নিচে হলে মাইকিং করে এবং গাছের মূল্য ৫লক্ষ টাকার বেশি হলে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে গাছ বিক্রি করতে হবে।
বিদ্যালয়ের গাছ কাটার বিষয় যথাযত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন আছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম একবার বলেন অনুমতি ছাড়া কি গাছ কাটা যায়। আবার ইনিয়ে বিনিয়ে প্রসংগ এড়িয়ে এ প্রতিনিধিসহ অন্যান্য সাংবাদিকের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে স্বাক্ষাত করবেন বলে প্রলোভন দেখান।
বিদ্যালয়ের সভাপতি ইউসুফ আলী মৃধার সঙ্গে কথা বলার জন্য একাধিকবার ফোন দিলে তিনি দু’বার রিসিভ করেও কথা বলেননি। পরে অন্য নাম্বার দিয়ে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মো. রফিকুল ইসলাম স্বপনের কাছে জানতে চাইলে, বিদ্যালয়ের গাছ কাটা বা বিক্রির সিন্ধান্তের বিষয় তিনি অবহিত নন বলে জানান।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটা বা বিক্রি সংক্রান্ত উপজেলা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটা বা বিক্রির বিষয় তিনি অবহিত নন। 

 

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হবে:- ডা. শাহাদাত হোসেন

মোরেলগঞ্জে সেরজন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়ম না মেনে বিদ্যালয়ের ১৭টি গাছ বিক্রির অভিযোগ

আপডেট সময় : 07:50:57 pm, Tuesday, 28 September 2021

মোরেলগঞ্জ(বাগেরহাট) প্রতিনিধি।।

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পল্লীর একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই প্রায় দুই লক্ষ টাকার ১৭টি গাছ অবৈধভাবে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে ।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগসূত্রে জানাগেছে, উপজেলার জিউধরা সেরজন স্মৃতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সিমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ চলছে। ওই সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি বা অনুমোদন ছাড়াই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি মিলে বিশাল আকৃতির বেশ কয়েকটি চাম্বল গাছ বিক্রি করে দিয়েছেন। রোববার বিকেলে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় গাছগুলো কেটে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তবে কাটা গাছের কয়েকটি টুকরা দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এ ছাড়া অনেকগুলো গাছ কাটার চিহ্ন দৃশ্যমান রয়েছে। বিদ্যালয়ের নাইটগার্ড দেলোয়ার চৌকিদার ও সিমানা প্রাচীর নির্মানে কর্মরত শ্রমিকরা জানালেন, সিমানা প্রাচীরের সেন্টারিং এবং বিদ্যালয়ের বেঞ্চ তৈরির জন্য গাছ কাটা হয়েছে বলে জেনেছি। সর্বমোট ১৭টি গাছ কেটে কিছু গাছ বিক্রি করে গাছকাটা শ্রমিকদের পারিশ্রমীক দেয়া হয়েছে। তবে অপর একটি সূত্র থেকে জানাগেছে, সেন্টারিং ও বিদ্যালয়ের বেঞ্চ বানানোর অজুহাতে একটি গাছের কয়েকটি টুকরো রাখা হলেও দেড় লক্ষাধিক টাকার গাছ বিক্রি করা হয়েছে এবং ক্রেতারা গাছ কেটে নিয়েও গেছে।
সরেজমিনে দেখাগেছে, সিমানা প্রাচীর নির্মাণ সিমানায় ২/১ গাছ কাটার প্রয়োজন থাকলেও সিমানা প্রাচীরের বাইরে রাস্তার পাশের পুরানো আমলের সবকটি গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। গাছগুলো ক্রেতারা নিয়ে গেলেও গাছ কাটার চিহ্ন (গোড়ালী)বিরাজমান রয়েছে।
সরকারি বিধান অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোন গাছ কাটা বা বিক্রির প্রয়োজন হলে উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ ও বনবিভাগের অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কোন কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের তোয়াক্কা না করেই সভাপতিকে সাথে নিয়ে পুরোনো আমলের এ গাছগুলি বিক্রি করে দিয়েছেন।
গাছ কাটার বিষয় স্থানীয় উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসও অবগত নন বলে জানালেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আবদুল হান্নান। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটা এবং বিক্রির বিধান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলা পর্যায় এ সংক্রান্ত একটি কমিটি রয়েছে যার সভাপতি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ বিক্রি করতে হলে ওই প্রতিষ্ঠান প্রধান উপজেলা কমিটির কাছে লিখিত আবেদন করলে উপজেলা কমিটি সভা করে গাছ বিক্রির সিন্ধান্ত নিবে এরপর বন বিভাগ কর্তৃক গাছের পরিমাপ ও মূল্য নির্ধারণ করবে। গাছের মুল্য ৫ লক্ষ টাকার নিচে হলে মাইকিং করে এবং গাছের মূল্য ৫লক্ষ টাকার বেশি হলে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রচারণা চালিয়ে ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে গাছ বিক্রি করতে হবে।
বিদ্যালয়ের গাছ কাটার বিষয় যথাযত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন আছে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম একবার বলেন অনুমতি ছাড়া কি গাছ কাটা যায়। আবার ইনিয়ে বিনিয়ে প্রসংগ এড়িয়ে এ প্রতিনিধিসহ অন্যান্য সাংবাদিকের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে স্বাক্ষাত করবেন বলে প্রলোভন দেখান।
বিদ্যালয়ের সভাপতি ইউসুফ আলী মৃধার সঙ্গে কথা বলার জন্য একাধিকবার ফোন দিলে তিনি দু’বার রিসিভ করেও কথা বলেননি। পরে অন্য নাম্বার দিয়ে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির অন্যতম সদস্য সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এ্যাডভোকেট মো. রফিকুল ইসলাম স্বপনের কাছে জানতে চাইলে, বিদ্যালয়ের গাছ কাটা বা বিক্রির সিন্ধান্তের বিষয় তিনি অবহিত নন বলে জানান।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটা বা বিক্রি সংক্রান্ত উপজেলা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটা বা বিক্রির বিষয় তিনি অবহিত নন।