Dhaka , Saturday, 7 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
লক্ষ্মীপুরে ঝগড়া থামাতে গিয়ে অটোরিকশা চালকের কিল-ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু কক্সবাজারে মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ও টাকাসহ গ্রেফতার ৩ শরীয়তপুরের জাজিরায় অনুমোদনহীন সেমাই কারখানায় অভিযান, ১ লাখ জরিমানা চট্টগ্রামে আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ইন্টারকম সেবা উদ্বোধন রূপগঞ্জে মাদদ্রব্যসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রামগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক সাংবাদিক মারাত্মক আহত রূপগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির সীমানা নির্ধারণে মাঠ পরিদর্শন করলো পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। মাদক বিরোধী অভিযান রুপগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেপ্তার-৪ মাদক ব্যবসায়ী সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র সাঁড়াশি অভিযান: দুই জেলায় বিপুল মাদক ও প্রসাধনী উদ্ধার পাইকগাছা পৌরসভায় জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান পাইকগাছায় প্রশাসনের উদ্যোগে ন্যায্যমূল্যের বাজারের উদ্বোধন পাইকগাছায় গ্রাম আদালত বিষয়ক ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত দুই ধাপে টানা ২৩ দিনের ছুটিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ফুটপাত দখলমুক্ত ও যানজট নিরসনে পাঁচবিবিতে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মাত্র ৬ মাসে কুরআনের হাফেজ ১০ বছরের সিদ্দিক কাঁঠালিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে দুইটি বসঘর পুড়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি  অসুস্থ বাবাকে দেখতে যাওয়ার পথে প্রাণ হারালেন ফায়ার ফাইটার রামুতে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদকর্মীদের উপর হামলা ফ্যাসিস্টদের দোসর কর্তৃক উপড়ে ফেলা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামফলক প্রেস ক্লাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠায় উদ্যোগ নেওয়ার আহবান তথ্যমন্ত্রীর পাইকগাছায় সামাজিক সচেতনতা ও প্রেরণামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চবটীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে হত্যা, আহত ১। বাংলাদেশ পল্লী চিকিৎসক সমিতি রূপগঞ্জ  উপজেলা শাখার ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ পল্লী চিকিৎসক সমিতি রূপগঞ্জ  উপজেলা শাখার উদ্যোগে নবনির্বাচিত এমপি মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়াকে ফুলের শুভেচ্ছা ও ইফতার ও দোয়া মাহফিল জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক মধুপুরে এক সেবনকারীকে দেড় বছরের কারাদণ্ড শ্রীপুরে ভিজিএফ তালিকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ শ্রীপুরে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ‘দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় আবির-রঙের উৎসবে দোলযাত্রা ও গৌড় পূর্ণিমা উদযাপন

বাণিজ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছে সরকার ও বিশ্বব্যাংক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:44:37 pm, Thursday, 22 January 2026
  • 21 বার পড়া হয়েছে

মোঃ আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রকল্পের একটি নির্বাহী সারাংশ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় পূর্বাচলস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইপিবি-র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান,সিনিয়র বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ বিশ্বব্যাংক হোসনে ফেরদৌস সুমি,প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং চেয়ারম্যান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট ডঃএম. এ. রাজ্জাক,সিনিয়র অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, ইউএনডিপি বাংলাদেশ বমি ওয়াইস প্যারে,চেয়ারম্যান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ডঃ এম মাসরুর রিয়াজ,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি)
মো: আব্দুর রহিম খান।

প্রধান অতিথি বলেন,বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে নন-পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি অন্তত ২.৫ গুণ বাড়ানো প্রয়োজন। এই লক্ষ্য পূরণে চামড়া, জুতা, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং পণ্য প্রোটোটাইপিংয়ের সুবিধা পাবেন। এছাড়া প্লাস্টিক খাতের উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ প্লাস্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে, যা প্রতি বছর ১,০০০ দক্ষ টেকনিশিয়ান তৈরি করবে। রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ‘এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড’ এর মাধ্যমে ১১০টিরও বেশি কারখানাকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন এবং পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, যা সরাসরি ৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। শুধু পোশাক খাতের ওপর নির্ভর করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে আইসিটি ওষুধ শিল্প এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পণ্যের গুণগত মানোন্নয়নই হবে আগামী দিনে বাংলাদেশের শিল্প প্রকল্পটি কেবল একটি সাময়িক প্রকল্প নয়, বরং এটি বাংলাদেশের শিল্পায়নের পরবর্তী ধাপের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও অংশীজনরা অংশ নেন। উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সরকার রপ্তানি বৃদ্ধিতে আরও সহজ শর্তে ঋণ এবং নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে, যাতে বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের অবস্থান আরও সুসংহত হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে ঝগড়া থামাতে গিয়ে অটোরিকশা চালকের কিল-ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু

বাণিজ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছে সরকার ও বিশ্বব্যাংক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন

আপডেট সময় : 06:44:37 pm, Thursday, 22 January 2026

মোঃ আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রকল্পের একটি নির্বাহী সারাংশ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় পূর্বাচলস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইপিবি-র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান,সিনিয়র বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ বিশ্বব্যাংক হোসনে ফেরদৌস সুমি,প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং চেয়ারম্যান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট ডঃএম. এ. রাজ্জাক,সিনিয়র অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, ইউএনডিপি বাংলাদেশ বমি ওয়াইস প্যারে,চেয়ারম্যান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ডঃ এম মাসরুর রিয়াজ,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি)
মো: আব্দুর রহিম খান।

প্রধান অতিথি বলেন,বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে নন-পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি অন্তত ২.৫ গুণ বাড়ানো প্রয়োজন। এই লক্ষ্য পূরণে চামড়া, জুতা, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং পণ্য প্রোটোটাইপিংয়ের সুবিধা পাবেন। এছাড়া প্লাস্টিক খাতের উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ প্লাস্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে, যা প্রতি বছর ১,০০০ দক্ষ টেকনিশিয়ান তৈরি করবে। রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ‘এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড’ এর মাধ্যমে ১১০টিরও বেশি কারখানাকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন এবং পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, যা সরাসরি ৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। শুধু পোশাক খাতের ওপর নির্ভর করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে আইসিটি ওষুধ শিল্প এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পণ্যের গুণগত মানোন্নয়নই হবে আগামী দিনে বাংলাদেশের শিল্প প্রকল্পটি কেবল একটি সাময়িক প্রকল্প নয়, বরং এটি বাংলাদেশের শিল্পায়নের পরবর্তী ধাপের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও অংশীজনরা অংশ নেন। উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সরকার রপ্তানি বৃদ্ধিতে আরও সহজ শর্তে ঋণ এবং নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে, যাতে বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের অবস্থান আরও সুসংহত হয়।