Dhaka , Sunday, 8 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হলে আন্দোলন চলবে: বোন মাসুমা হাদির হুঁশিয়ারি বিরিয়ানি খাওয়ানোর প্রলোভনে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ ‎রামগঞ্জে সরকারি খাল দখল করে অবৈধ সেতু নির্মাণ লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামে ১৫ বিজিবির বিশেষ অভিযান: ৩ মাদককারবারী আটকসহ বিপুল মাদক জব্দ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সেনাবাহিনীর সাথে মধুপুরে সাংবাদিকদের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত খুলনা জেলা পুলিশের নির্বাচনী ব্রিফিং; সততা ও নিরপেক্ষতার বার্তা দিলেন পুলিশ সুপার ২৬ বছরের সাহিত্যযাত্রা: পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের রজত জয়ন্তী উদযাপন চট্টগ্রাম বন্দরের ধর্মঘটের প্রতি সর্বাত্মক সমর্থন : পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ নোয়াখালীতে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচনী পথযাত্রা ন্যায়-ইনসাফের লড়াইয়ে শহীদ হাদির আদর্শে দাঁড়িপাল্লায় ভোটের আহ্বান ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমের আবেগ নয় বিবেককে কাজে লাগিয়ে যোগ্য প্রতিনিধি নির্বাচনের আহ্বান ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সম্প্রীতির ডাক: একটি হাত ‘হিন্দু’, অন্যটি ‘মুসলিম’- ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সকল ধর্মের অনুসারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার; মাওঃ আবুল কালাম আজাদ ভোটকেন্দ্র দখলের যেকোনো অপচেষ্টায় শক্ত হাতে প্রতিরোধের আহ্বান জামায়াত আমিরের ঠাকুরগাঁও হরিপুর উপজেলায় চৌরঙ্গী বাজারে এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে  রামগঞ্জে পুলিশের দাপট, বেড়া দিয়ে একমাস যাবত অবরুদ্ধ করে রেখেছে একটি পরিবার সকলকে সম্পৃক্ত করে  হাটহাজারীর উন্নয়ন নিশ্চিত করতে চাই:- মীর হেলাল। আলেম সমাজ বিএনপির পাশে, ব্যালেটেই মিলবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রমাণ: সালাহউদ্দিন আহমদ শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে যমুনার সামনে ছাত্র-জনতার অবস্থান উপকূলীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ফলক উদ্ধার ঈদগাঁওতে যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী আটক শ্রীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রবাসী যুবকের মৃত্যু কলোনি’ নয় এখন থেকে ‘শহীদ শাহজাহান নিবাস’; ভাড়াটিয়া প্রার্থী দিয়ে লালমনিরহাটকে অপমান করা হয়েছে: আসাদুল হাবিব দুলু ইবিতে বর্ণাঢ্য সাইকেল র‍্যালি ও সমাবেশ ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গণভোটের মাধ্যমেই নির্ধারণ হবে আগামীর বাংলাদেশ ইনসাফ নাকি জুলুমের পথে চলবে: আল্লামা মামুনুল হক রূপগঞ্জে ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ চন্দনাইশে দোহাজারীতে অবৈধ রোহিঙ্গা কলোনীতে যৌথবাহিনীর অভিযানে ৩৪৫ জন নারী পুরুষ আটক বিএনপির নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ে দেশ দুর্নীতিতে ৫বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে: সৈয়দ রেজাউল করীম আগামীকাল শুক্রবার ঝালকাঠি আসছেন জামায়াত আমির, অর্ধলক্ষাধিক মানুষের জনসমাগমের প্রস্তুতি

বাণিজ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছে সরকার ও বিশ্বব্যাংক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:44:37 pm, Thursday, 22 January 2026
  • 14 বার পড়া হয়েছে

মোঃ আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রকল্পের একটি নির্বাহী সারাংশ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় পূর্বাচলস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইপিবি-র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান,সিনিয়র বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ বিশ্বব্যাংক হোসনে ফেরদৌস সুমি,প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং চেয়ারম্যান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট ডঃএম. এ. রাজ্জাক,সিনিয়র অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, ইউএনডিপি বাংলাদেশ বমি ওয়াইস প্যারে,চেয়ারম্যান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ডঃ এম মাসরুর রিয়াজ,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি)
মো: আব্দুর রহিম খান।

প্রধান অতিথি বলেন,বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে নন-পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি অন্তত ২.৫ গুণ বাড়ানো প্রয়োজন। এই লক্ষ্য পূরণে চামড়া, জুতা, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং পণ্য প্রোটোটাইপিংয়ের সুবিধা পাবেন। এছাড়া প্লাস্টিক খাতের উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ প্লাস্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে, যা প্রতি বছর ১,০০০ দক্ষ টেকনিশিয়ান তৈরি করবে। রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ‘এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড’ এর মাধ্যমে ১১০টিরও বেশি কারখানাকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন এবং পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, যা সরাসরি ৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। শুধু পোশাক খাতের ওপর নির্ভর করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে আইসিটি ওষুধ শিল্প এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পণ্যের গুণগত মানোন্নয়নই হবে আগামী দিনে বাংলাদেশের শিল্প প্রকল্পটি কেবল একটি সাময়িক প্রকল্প নয়, বরং এটি বাংলাদেশের শিল্পায়নের পরবর্তী ধাপের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও অংশীজনরা অংশ নেন। উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সরকার রপ্তানি বৃদ্ধিতে আরও সহজ শর্তে ঋণ এবং নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে, যাতে বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের অবস্থান আরও সুসংহত হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হলে আন্দোলন চলবে: বোন মাসুমা হাদির হুঁশিয়ারি

বাণিজ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছে সরকার ও বিশ্বব্যাংক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন

আপডেট সময় : 06:44:37 pm, Thursday, 22 January 2026

মোঃ আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রকল্পের একটি নির্বাহী সারাংশ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় পূর্বাচলস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইপিবি-র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান,সিনিয়র বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ বিশ্বব্যাংক হোসনে ফেরদৌস সুমি,প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং চেয়ারম্যান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট ডঃএম. এ. রাজ্জাক,সিনিয়র অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, ইউএনডিপি বাংলাদেশ বমি ওয়াইস প্যারে,চেয়ারম্যান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ডঃ এম মাসরুর রিয়াজ,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি)
মো: আব্দুর রহিম খান।

প্রধান অতিথি বলেন,বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে নন-পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি অন্তত ২.৫ গুণ বাড়ানো প্রয়োজন। এই লক্ষ্য পূরণে চামড়া, জুতা, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং পণ্য প্রোটোটাইপিংয়ের সুবিধা পাবেন। এছাড়া প্লাস্টিক খাতের উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ প্লাস্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে, যা প্রতি বছর ১,০০০ দক্ষ টেকনিশিয়ান তৈরি করবে। রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ‘এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড’ এর মাধ্যমে ১১০টিরও বেশি কারখানাকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন এবং পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, যা সরাসরি ৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। শুধু পোশাক খাতের ওপর নির্ভর করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে আইসিটি ওষুধ শিল্প এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পণ্যের গুণগত মানোন্নয়নই হবে আগামী দিনে বাংলাদেশের শিল্প প্রকল্পটি কেবল একটি সাময়িক প্রকল্প নয়, বরং এটি বাংলাদেশের শিল্পায়নের পরবর্তী ধাপের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও অংশীজনরা অংশ নেন। উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সরকার রপ্তানি বৃদ্ধিতে আরও সহজ শর্তে ঋণ এবং নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে, যাতে বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের অবস্থান আরও সুসংহত হয়।