Dhaka , Friday, 20 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বরকল ইউনিয়ন প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি কালীগঞ্জে ২১১ বোতল এস্কাফসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার লালমনিরহাটে চলাচলের পথ রুদ্ধ করে প্রাচীর নির্মাণ: রাস্তা ফেরানোর দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সাজেকে আবারও আগুন, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসের সাহসিকতায় রক্ষা পেল পর্যটন কেন্দ্র নগরীর চান্দগাঁও এলাকা হতে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার ১ নারী সিটিসিআরপি প্রকল্পে নির্মিত দুই সড়ক পরিদর্শনে পৌর প্রশাসক পাইকগাছায় ‘শিকড় শিখন কেন্দ্র’ পরিদর্শনে শিক্ষা কর্মকর্তা পাইকগাছায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত রমজান উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি সময়সূচি পরিবর্তন রমজানে হিলি বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান হিলিতে লেবুর হালি ৮০ টাকা দুই দিনের ব্যবধানে দ্বিগুণ দাম, বিপাকে ক্রেতারা লালমনিরহাটে বিএনপির চেয়ারম্যান ও আসাদুল হাবিব দুলুর জন্য যুবদলের দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ধর্ষণ মামলার আসামি সোলাইমান গ্রেপ্তার মোংলায় ইফতার নিয়ে অসহায় ও দুস্থদের পাশে সার্ভিস বাংলাদেশ নোয়াখালীতে আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে ব্যানার টাঙানোর ঘটনায় আটক-৫ ঝালকাঠি–১ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি নির্বাচিত হওয়ায় শোকরানা দোয়া ও কুরআন খতম অবৈধ নিয়োগের প্রতিবাদে পরীক্ষা বর্জন ও অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দিলেন চবি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা লক্ষ্মীপুরে কলেজছাত্র আশরাফুল হত্যা: প্রধান আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন। রূপগঞ্জে বিএনপি নেতার সন্ত্রাসী বাহিনীকে চাঁদা না দেয়ায় শিল্প প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট, থানায় মামলা; গুরুতর আহত ৫ রূপগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার পবিত্র রমজান মাসে হিলি বাজারে মানবতার ঝুরি স্থাপন, অসহায়দের পাশে হিলি যুবশক্তি ফাউন্ডেশন রমজানে যেসব ইবাদত করতে বললেন সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি বুধবার রোজা শুরু হয়েছে যে ১০ দেশে নোয়াখালীতে আ.লীগ কার্যালয়ে ব্যানার টাঙালো নেতাকর্মিরা, কিছুক্ষণ পর উদাও শ্রীপরে সরকারি অ্যাম্বুলেন্স থেকে শিশুরোগীকে নামিয়ে দিলেন টিএইচএ, এলাকায় সমালোচনার ঝড় ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন নেত্রকোণা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা: সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পস্তবক অর্পণ জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গাছের চারা রোপণ করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন নগরীর বায়জিদ এলাকা হতে ০২ টি বিদেশী পিস্তল এবং ৫৬ রাউন্ড গুলিসহ ০২ শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম

পাবনার সুজানগরে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে প্রায় ২০টি গ্রাম।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:27:36 am, Tuesday, 2 July 2024
  • 95 বার পড়া হয়েছে

পাবনার সুজানগরে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে প্রায় ২০টি গ্রাম।।

পাবনা প্রতিনিধি।।
   
   
পাবনার সুজানগর উপজেলায় পদ্মানদীর তীরবর্তী এলাকা ও চরাঞ্চলে ভাঙন দেখা দিয়েছে। হঠাৎ করেই উজান থেকে নেমে আসা ঢলে নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের কবলে পড়েছে কৃষি জমি ও বসতবাড়ি।
ভাঙন প্রতিরোধে সরকারি কোনো ব্যবস্থা না থাকায় চরম আতঙ্কের মধ্যে পড়েছে স্থানীয় কৃষক ও নদীর পারের মানুষ। এরই মধ্যে ভাঙনের কবলে পরে নষ্ট হয়েছে প্রায় কয়েক হাজার বিঘা জমির ফসল।
নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে চাষযোগ্য কৃষি জমি।
সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন থেকে শুরু করে প্রায় ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে হঠাৎ করেই ভাঙন দেখা দিয়েছে।
নদীতে দেখা দিয়েছে তীব্র স্রোত- বদলাতে শুরু করেছে নদীর গতিপথ। এরই মধ্যে প্রায় এক কিলোমিটার প্রশস্ত হয়ে কৃষি জমির ফসল তলিয়ে গেছে।
স্থানীয় কৃষকদের পানি থেকে ফসল কেটে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। তবে ফসল ও জমির পাশাপাশি পারের উঁচু ফসলি চর ভেঙে লোকালয়ের দিকে নদী এগিয়ে আসছে। 
ফলে চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। কৃষি সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে পাবনা জেলার সুনাম রয়েছে সারা দেশে। এ অঞ্চলের প্রায় সব ধরনের ফসল সারা দেশে সরবরাহ হয়ে থাকে। 
তবে পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া অঞ্চল থেকে শুরু করে নদীর পূর্ব ও পশ্চিম দিকে প্রায় ২০টি গ্রাম তীব্র ভাঙনের কবলে পড়েছে। 
পানির নিচ থেকে ফসল তুলে নৌকায় করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনছেন কৃষকেরা। তবে এভাবে ভাঙন হতে থাকলে দ্রুতই নদীপারের বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়বে।  
সাতবাড়িয়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়- মূল সড়ক থেকে নদীর পানি অল্প কিছুটা দূরে রয়েছে। মূল নদী থেকে শাখা নদী বের হয়ে বসতির দিকে এগিয়ে আসছে। মাঝে রয়েছে চর- যাতে রয়েছে ফসল। 
দীর্ঘ ১০ বছর ধরে এ নদী ভাঙন দেখছেন এ অঞ্চলের মানুষ। নদীর ওপারে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা। এ দুই জেলার মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে বিশাল পদ্মানদী। আগে মূল সড়ক ও বসতি থেকে নদী প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ছিল। 
কিন্তু ভাঙতে ভাঙতে নদী এখন লোকালয়ের কাছাকাছি চলে এসেছে। শুকনো মৌসুমে এ অঞ্চলের কৃষকেরা পদ্মার চরে পেঁয়াজসহ নানা ফসল চাষাবাদ করে থাকেন। সম্প্রতি চরে লাগানো হয়েছিল বাদাম, তিল। 
যা গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে বাড়া পদ্মার পানিতে তলিয়ে গেছে। শুধু পানিতে তলিয়েই যায়নি, তিল ও বাদামের ক্ষেত নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন- এ নদীর ভাঙন প্রতিরোধের উদ্যোগ নিতে বহুবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বলা হয়েছে। কিন্তু কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেই বললেই চলে। অস্থায়ীভাবে কিছু বালুর বস্তা ফেলে কোনো রকমে টিকে আছি আমরা। 
এ এলাকার অনেককে দুই থেকে তিনবার বসতি সরিয়ে নিতে হয়েছে। নদীর তীর রক্ষায় যে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে, সেই বাঁধের বাইরের অংশে যাদের বসতি, বিশেষ করে নদীর তীরে যারা বসবাস করছেন- তারা সব সময় ভাঙন আতঙ্কে থাকেন।  
পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. জামাল উদ্দিন বলেন- উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি- তারা ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা ও ক্ষতির  পরিমাণ নিরূপণ করবেন। 
পুরো তথ্য এখনো পাইনি। তবে তেমন ফসল নষ্ট হওয়ার কথা নয়। বাদাম ও তিলসহ কিছু জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। আমরা কৃষকদের পাশে আছি- থাকব।  
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন- পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ও স্থানীয় চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। 
উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চল কিছুটা ভেঙেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ওপরের নির্দেশ পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পাবনা সুজানগর উপজেলার এক পাশ দিয়ে বয়ে গেছে পদ্মানদী। সুজানগরের প্রায় ৩০ কিলোমিটার অংশ পদ্মানদীর তীরবর্তী। 
বর্তমানে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে প্রায় ২০টি গ্রাম। পূর্বের নাজিরগঞ্জ অংশ থেকে শুরু করে পশ্চিম দিকের শেষ প্রান্ত তারাবাড়িয়া পর্যন্ত এ ভাঙন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বরকল ইউনিয়ন প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি

পাবনার সুজানগরে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে প্রায় ২০টি গ্রাম।।

আপডেট সময় : 09:27:36 am, Tuesday, 2 July 2024
পাবনা প্রতিনিধি।।
   
   
পাবনার সুজানগর উপজেলায় পদ্মানদীর তীরবর্তী এলাকা ও চরাঞ্চলে ভাঙন দেখা দিয়েছে। হঠাৎ করেই উজান থেকে নেমে আসা ঢলে নদীর পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের কবলে পড়েছে কৃষি জমি ও বসতবাড়ি।
ভাঙন প্রতিরোধে সরকারি কোনো ব্যবস্থা না থাকায় চরম আতঙ্কের মধ্যে পড়েছে স্থানীয় কৃষক ও নদীর পারের মানুষ। এরই মধ্যে ভাঙনের কবলে পরে নষ্ট হয়েছে প্রায় কয়েক হাজার বিঘা জমির ফসল।
নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে চাষযোগ্য কৃষি জমি।
সাতবাড়িয়া ইউনিয়ন থেকে শুরু করে প্রায় ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে হঠাৎ করেই ভাঙন দেখা দিয়েছে।
নদীতে দেখা দিয়েছে তীব্র স্রোত- বদলাতে শুরু করেছে নদীর গতিপথ। এরই মধ্যে প্রায় এক কিলোমিটার প্রশস্ত হয়ে কৃষি জমির ফসল তলিয়ে গেছে।
স্থানীয় কৃষকদের পানি থেকে ফসল কেটে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। তবে ফসল ও জমির পাশাপাশি পারের উঁচু ফসলি চর ভেঙে লোকালয়ের দিকে নদী এগিয়ে আসছে। 
ফলে চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন স্থানীয় কৃষক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। কৃষি সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে পাবনা জেলার সুনাম রয়েছে সারা দেশে। এ অঞ্চলের প্রায় সব ধরনের ফসল সারা দেশে সরবরাহ হয়ে থাকে। 
তবে পাবনার সুজানগর উপজেলার সাতবাড়িয়া অঞ্চল থেকে শুরু করে নদীর পূর্ব ও পশ্চিম দিকে প্রায় ২০টি গ্রাম তীব্র ভাঙনের কবলে পড়েছে। 
পানির নিচ থেকে ফসল তুলে নৌকায় করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনছেন কৃষকেরা। তবে এভাবে ভাঙন হতে থাকলে দ্রুতই নদীপারের বসতবাড়ি হুমকির মুখে পড়বে।  
সাতবাড়িয়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়- মূল সড়ক থেকে নদীর পানি অল্প কিছুটা দূরে রয়েছে। মূল নদী থেকে শাখা নদী বের হয়ে বসতির দিকে এগিয়ে আসছে। মাঝে রয়েছে চর- যাতে রয়েছে ফসল। 
দীর্ঘ ১০ বছর ধরে এ নদী ভাঙন দেখছেন এ অঞ্চলের মানুষ। নদীর ওপারে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা। এ দুই জেলার মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে বিশাল পদ্মানদী। আগে মূল সড়ক ও বসতি থেকে নদী প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে ছিল। 
কিন্তু ভাঙতে ভাঙতে নদী এখন লোকালয়ের কাছাকাছি চলে এসেছে। শুকনো মৌসুমে এ অঞ্চলের কৃষকেরা পদ্মার চরে পেঁয়াজসহ নানা ফসল চাষাবাদ করে থাকেন। সম্প্রতি চরে লাগানো হয়েছিল বাদাম, তিল। 
যা গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি আর উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে বাড়া পদ্মার পানিতে তলিয়ে গেছে। শুধু পানিতে তলিয়েই যায়নি, তিল ও বাদামের ক্ষেত নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।
স্থানীয় কৃষকরা বলেন- এ নদীর ভাঙন প্রতিরোধের উদ্যোগ নিতে বহুবার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের বলা হয়েছে। কিন্তু কার্যত কোনো পদক্ষেপ নেই বললেই চলে। অস্থায়ীভাবে কিছু বালুর বস্তা ফেলে কোনো রকমে টিকে আছি আমরা। 
এ এলাকার অনেককে দুই থেকে তিনবার বসতি সরিয়ে নিতে হয়েছে। নদীর তীর রক্ষায় যে বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে, সেই বাঁধের বাইরের অংশে যাদের বসতি, বিশেষ করে নদীর তীরে যারা বসবাস করছেন- তারা সব সময় ভাঙন আতঙ্কে থাকেন।  
পাবনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. জামাল উদ্দিন বলেন- উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছি- তারা ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা ও ক্ষতির  পরিমাণ নিরূপণ করবেন। 
পুরো তথ্য এখনো পাইনি। তবে তেমন ফসল নষ্ট হওয়ার কথা নয়। বাদাম ও তিলসহ কিছু জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। আমরা কৃষকদের পাশে আছি- থাকব।  
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ বলেন- পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ও স্থানীয় চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করা হয়েছে। 
উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চল কিছুটা ভেঙেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ওপরের নির্দেশ পেলেই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
পাবনা সুজানগর উপজেলার এক পাশ দিয়ে বয়ে গেছে পদ্মানদী। সুজানগরের প্রায় ৩০ কিলোমিটার অংশ পদ্মানদীর তীরবর্তী। 
বর্তমানে নদী ভাঙনের কবলে পড়েছে প্রায় ২০টি গ্রাম। পূর্বের নাজিরগঞ্জ অংশ থেকে শুরু করে পশ্চিম দিকের শেষ প্রান্ত তারাবাড়িয়া পর্যন্ত এ ভাঙন রয়েছে।