Dhaka , Saturday, 13 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে তিন প্রতিমন্ত্রীর আকর্ষিক পরিদর্শন বাবার আদর্শকে ধারণ করে চট্টগ্রামবাসীর ভাগ্যবদলে সবসময় পাশে থাকব:- ডা. শাহাদাত হোসেন কাপ্তাইয়ে পাহাড়ধসের ৮ বছর, এখনো ঝুঁকিতে বসবাস করছে শতাধিক পরিবার মাদক বিবাদে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, নোয়াখালীতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ রূপগঞ্জের সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়  ১২৫তম বর্ষপূর্তিতে উৎসবমুখর নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা আনন্দ-উল্লাস আর গান-গল্প-আড্ডায় মাতলেন সবাই পাইকগাছায় স্টার্টআপ ও উদ্ভাবনী ধারণার প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের অবৈধ ঝুকিপূর্ণ সংযোগ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল মধুপুরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী আইডিয়া প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত কুড়ালিয়া ইউনিয়নের জনগণের কাছে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন খালিদুজ্জামান শামীম মরহুম আলহাজ্ব আহমেদুর রহমানের ২১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে খতমে কোরআন, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত সিডিএ চেয়ারম্যান হলেন ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন রায়পুরে বেকার তরুণদের স্বাবলম্বী করতে ফ্রি ফ্রিল্যান্সিং কোর্স। বখাটের এআই ভিডিওর অপপ্রচারে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রীর, মানববন্ধনে ফাঁসির দাবি ফুলবাড়ীতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অটো রিকশায় গাঁজা পাচারকালে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আটক  খাল দখলমুক্ত ও নাগরিক সচেতনতাই জলাবদ্ধতা নিরসনের মূল চাবিকাঠি:- মেয়র ডা. শাহাদাত জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে জেলা পুলিশের উদ্যোগে ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত লালমনিরহাটে উজ্জ্বল হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করে খুনি আনন্দের ফাঁসি চেয়েছেন স্বজনরা প্রান্তিক মানুষের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিতে চসিক কাজ করছে:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের কলম ব্যবহার করতে হবে তরবারীর মতো – খোন্দকার মাশুকুর রহমান মাশুক বিউবো বিতরণ দক্ষিণ’র সহকারী প্রকৌশলীকে লাঞ্চিত ও মারধরের নিন্দায় এ্যাব চট্টগ্রাম ছয় নবজাতকের মৃত্যু: আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল ১১ মামলার আসামি বুলেট ফারুক ৯ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে মাদকের বিরোধে স্কুলছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা, আটক ১ গাড়ির গতি যত বেশি, কর তত বেশি ‘বিশ্বকাপ কারাগার’ বানাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, যারা থাকবে সেখানে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন্য টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা বাংলাদেশের কৃষক কার্ডে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা পাবেন প্রান্তিক কৃষকরা হালিশহর থানার ওসিসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তার বদলি বায়েজিদে বাগানবাড়ি দখলের অভিযোগ, নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ বিজিবির জোড়া অভিযান: ইয়াবা, সুজুকি মোটরসাইকেল ও ইস্কাপ সিরাপ জব্দ

নীলফামারীতে  কারও মাস্ক পকেটে কেউ রেখেছেন থুতনিতে

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:02:37 pm, Saturday, 15 January 2022
  • 677 বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীতে  কারও মাস্ক পকেটে কেউ রেখেছেন থুতনিতে

আমিরুল হক,

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ।।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে যাওয়া ও নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকাতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। গত বৃহস্পতিবার থেকে এই বিধিনিষেধ আরোপ করলেও নীলফামারীতে কোথাও মানা হচ্ছিল না স্বাস্থ্যবিধি। বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের কোনো তৎপরতাও দেখা যায়নি। এমন পরিস্থিতে করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা সচেতন নাগরিকদের।
জানা যায়, করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন প্রতিরোধে শুরু হয়েছে ১১ দফার বিধিনিষেধ। বিধিনিষেধে বলা হয়েছে প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে মাস্ক পরতে হবে, সভা-সমাবেশ বন্ধ থাকবে। কেউ না মানলে তাঁকে জেল-জরিমানার মুখে পড়তে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ব্যত্যয় রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।
সরেজমিন গতকাল ঘুরে দেখা গেছে, শহরের বাসস্ট্যান্ড, চৌরঙ্গীমোড়, কাঁচাবাজার এলাকা, অফিসপাড়া, কলেজ সড়কসহ সব জায়গাতেই দিনের অধিকাংশ সময় মানুষের ভিড়। ছিল না সামাজিক দূরত্ব। অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। শ্রেণিকক্ষে বেঞ্চে গাদাগাদি করে বসে পাঠদান চলছে। শিক্ষার্থী, এমনকি শিক্ষক-কর্মচারীদের মুখেও নেই মাস্ক। নির্দেশনায় থাকলেও নেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও হাত ধোয়ার কোনো ব্যবস্থা। মাপা হচ্ছে না শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা।
এদিকে, উত্তরবঙ্গের মিলন কেন্দ্র সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, বাসে যাত্রী ওঠানামার সময় স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। অনেকের মুখে মাস্ক না থাকলেও হেলপার তাঁকে সাদরে উঠতে দিচ্ছেন। টিকিট কাউন্টারে আসা যাত্রীরাও মাস্ক ছাড়া। যে দুজন টিকিট বিক্রি করছেন, তাঁদের মুখে মাস্ক থাকলেও একজনের রয়েছে থুতনির নিচে। বাসে অনেককে দেখা যায় মাস্ক ব্যবহারে অনীহা। বলতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে বাগবিতন্ডার কথা জানালেন পরিবহনের কর্মচারি।
সৈয়দপুর শহরের রিকশা চালক কামাল উদ্দিন বলেন, আমরা পরিশ্রম করি, তাই আমাদের করোনা হবে না। সরকার বলেছে মাস্ক পরতে, তাই সঙ্গে রেখেছি। আমরা দিন আনি দিন খাই। পেটের দায়ে ঘর থেকে বের হতে হয়। বিধিনিষেধ মানার চেষ্টা করলেও আইনের প্রয়োগ না থাকায় ভুলে যাই। এ ছাড়া শিক্ষিত যাত্রীরাও মাস্ক পরেন না বলে জানান তিনি।
পৌরবাজারে সবজি কিনতে আসেন যমুনা শো রুমের ব্যবস্থাপক আতিক আলম। তিনি বলেন, বিধিনিষেধ তো দুই বছর ধরে দেখছি, শুনছি। করোনা এই কমে তো এই বাড়ে। করোনা কবে যাবে তার ঠিক নাই। নিজে নিরাপদ থাকতে চাই। তবু হয় না, অনেক সময় অজান্তেই মাস্ক পরা হয় না।
নীলফামারী সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর কবির জানান, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। যাঁরা টিকা নিয়েছেন, আর যারা এখনো নেননি, প্রত্যেকের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। সর্বত্রে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া নির্দেশনার একটি বিধি। কিন্তু অনেকেই তা মানছেন না।

 

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে তিন প্রতিমন্ত্রীর আকর্ষিক পরিদর্শন

নীলফামারীতে  কারও মাস্ক পকেটে কেউ রেখেছেন থুতনিতে

আপডেট সময় : 09:02:37 pm, Saturday, 15 January 2022

আমিরুল হক,

নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ।।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে যাওয়া ও নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকাতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে সরকার। গত বৃহস্পতিবার থেকে এই বিধিনিষেধ আরোপ করলেও নীলফামারীতে কোথাও মানা হচ্ছিল না স্বাস্থ্যবিধি। বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনের কোনো তৎপরতাও দেখা যায়নি। এমন পরিস্থিতে করোনার সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা সচেতন নাগরিকদের।
জানা যায়, করোনা ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন প্রতিরোধে শুরু হয়েছে ১১ দফার বিধিনিষেধ। বিধিনিষেধে বলা হয়েছে প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে মাস্ক পরতে হবে, সভা-সমাবেশ বন্ধ থাকবে। কেউ না মানলে তাঁকে জেল-জরিমানার মুখে পড়তে হবে। স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে ব্যত্যয় রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।
সরেজমিন গতকাল ঘুরে দেখা গেছে, শহরের বাসস্ট্যান্ড, চৌরঙ্গীমোড়, কাঁচাবাজার এলাকা, অফিসপাড়া, কলেজ সড়কসহ সব জায়গাতেই দিনের অধিকাংশ সময় মানুষের ভিড়। ছিল না সামাজিক দূরত্ব। অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। শ্রেণিকক্ষে বেঞ্চে গাদাগাদি করে বসে পাঠদান চলছে। শিক্ষার্থী, এমনকি শিক্ষক-কর্মচারীদের মুখেও নেই মাস্ক। নির্দেশনায় থাকলেও নেই হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও হাত ধোয়ার কোনো ব্যবস্থা। মাপা হচ্ছে না শিক্ষার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা।
এদিকে, উত্তরবঙ্গের মিলন কেন্দ্র সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, বাসে যাত্রী ওঠানামার সময় স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। অনেকের মুখে মাস্ক না থাকলেও হেলপার তাঁকে সাদরে উঠতে দিচ্ছেন। টিকিট কাউন্টারে আসা যাত্রীরাও মাস্ক ছাড়া। যে দুজন টিকিট বিক্রি করছেন, তাঁদের মুখে মাস্ক থাকলেও একজনের রয়েছে থুতনির নিচে। বাসে অনেককে দেখা যায় মাস্ক ব্যবহারে অনীহা। বলতে গিয়ে অনেকের সঙ্গে বাগবিতন্ডার কথা জানালেন পরিবহনের কর্মচারি।
সৈয়দপুর শহরের রিকশা চালক কামাল উদ্দিন বলেন, আমরা পরিশ্রম করি, তাই আমাদের করোনা হবে না। সরকার বলেছে মাস্ক পরতে, তাই সঙ্গে রেখেছি। আমরা দিন আনি দিন খাই। পেটের দায়ে ঘর থেকে বের হতে হয়। বিধিনিষেধ মানার চেষ্টা করলেও আইনের প্রয়োগ না থাকায় ভুলে যাই। এ ছাড়া শিক্ষিত যাত্রীরাও মাস্ক পরেন না বলে জানান তিনি।
পৌরবাজারে সবজি কিনতে আসেন যমুনা শো রুমের ব্যবস্থাপক আতিক আলম। তিনি বলেন, বিধিনিষেধ তো দুই বছর ধরে দেখছি, শুনছি। করোনা এই কমে তো এই বাড়ে। করোনা কবে যাবে তার ঠিক নাই। নিজে নিরাপদ থাকতে চাই। তবু হয় না, অনেক সময় অজান্তেই মাস্ক পরা হয় না।
নীলফামারী সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর কবির জানান, স্বাস্থ্যবিধি না মানলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। যাঁরা টিকা নিয়েছেন, আর যারা এখনো নেননি, প্রত্যেকের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা উচিত। সর্বত্রে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া নির্দেশনার একটি বিধি। কিন্তু অনেকেই তা মানছেন না।