Dhaka , Friday, 23 October 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠনে লতা ইউনিয়নের দুর্গাপূজা হয়ে থাকবে অনন্য দৃষ্টান্ত মধুপুরে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় প্রধান আসামি গ্রেপ্তার ত্যাগী নেতাকর্মীরা ভালো থাকলে দল ভালো থাকবে: এমপি নাদিয়া পাঠান পাইকগাছায় জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন কাটছে বৃদ্ধ দম্পতির রূপগঞ্জে আদালতের ১৪৫ ধারা জারির পরও জমিতে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ মাদারীপুরে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে যুবকদের দূরে রাখার প্রত্যয় নিয়ে ফুটবল টুর্নামেন্ট মায়ের ভাষা ও শেকড়ের সন্ধানে কবি রিয়াজুল হক সরকারের ‘আও’ উচ্চতা চার ফুট ১৬ বছর ধরে মোবাইল মেরামত করে জীবিকা চালান আল-আমিন সাগরে মাছ নেই, নিষেধাজ্ঞার পরও কমছে উৎপাদন: গণহারে মাছ ধরা, নদী দূষণ ও িঅবৈধ জালকে দায়ী করছেন গবেষক নির্ভেজাল ও পুষ্টিকর ফল উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী রামুর ঈদগড় ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি নুরুল আজিম মাইজ্জার ইন্তেকাল বিবাহিত বনাম অবিবাহিতদের ফুটবল খেলায়, জোড়া খাসি উপহার দিলেন জামাল উদ্দিন মাস্টার দুর্গাপুরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিজয়া পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত আমিন জুট মিলসকে উৎপাদনমুখী করে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে কাজ করছে সরকার:- বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী বাঁশখালীতে SRB পরিচয়ে ব্যবসায়ী অপহরণ, ভিকটিম উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৬ রূপগঞ্জে ট্রাক-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই জন নিহত \ আহত তিন শামীম তালুকদারকে দেখতে হাসপাতালে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ফরিদ খান গাইবান্ধায় ঘাঘট নদীতে গোসল করতে নেমে ঢাকাফেরত যুবক নিখোঁজ মাদারীপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে নেত্রকোনা মদন পৌরসভার বিভিন্ন দুর্গাপূজা মণ্ডপে পরিদর্শন করলেন বিএনপি নেতাবৃন্দ দীঘিনালায় নিজ বাড়িতে কিশোরীর মৃত্যু, কারণ অনুসন্ধান করছে পুলিশ নিউইয়র্কে গ্ল্যামারাস লুকে ধরা দিলেন তমা মির্জা তিনশ বলে ১৬০, টাইগাররা কি পারবে ৪১ রানে জিততে নিজ দেশে বিক্ষোভের মধ্যেই হঠাৎ সৌদি সফরে ম্যাক্রোঁ মৌলভীবাজারে ১,০২২ মণ্ডপে প্রতিমা বিসর্জনে শেষ হলো দুর্গোৎসব হিমছড়ি সৈকতে সাগরে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও ২ ধর্মের শিক্ষা শুধু উৎসবে নয়, প্রতিফলিত হোক কর্মেও: ডিসি জাহিদ নির্বিঘ্নে দুর্গাপূজা উদযাপন সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের প্রতিফলন : আবু সুফিয়ান এমপি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করতে হবে: এরশাদ উল্লাহ এমপি উত্তরাধিকার সূত্রে ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছে সরকার: অর্থ উপদেষ্টা

তিতাসে গোমতীর ভাঙনে বিলীন মসজিদসহ ৬০টি পরিবার আশ্বাস দিলেও ভাঙন রোধে ব্যবস্থা হয়নি গত দেড় যোগেও।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:18:07 am, Monday, 2 September 2024
  • 271 বার পড়া হয়েছে

তিতাসে গোমতীর ভাঙনে বিলীন মসজিদসহ ৬০টি পরিবার আশ্বাস দিলেও ভাঙন রোধে ব্যবস্থা হয়নি গত দেড় যোগেও।।

তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ হয়ে যেনো এবার বন্যা রূপে দেখা দিলো -রাক্ষুসী গোমতী । বন্যার পানি গোমতীর বিপদ সিমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে “সিদ্দেস্বরি রেগুলেটর গোমতি বেড়ীবাঁধ ।ইতোমধ্যেই গোমতীর ভয়াবহ থাবায় কুমিল্লার তিতাসের ৬০টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীর বুকে বিলীন হয়ে গেছে। এসব অঞ্চলে স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গন রোধে প্রকল্প গ্রহণের জন্য বহুবার আশ্বাস দিলে গত দেড় যুগে কোন কর্যত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।সরজমিনে গেলে দেখা যায়- নারান্দিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ও পূর্বপাড়ের নদীর তীরবর্তী ঘরবাড়ী ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে ভিটাবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে ৬০টি পরিবার। এছাড়াও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে মসজিদ- বৈদ্যুতিক খুটি- হাঁস-মুরগির খামার- অর্ধশতাধিক মাছের খামারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। নদীর তীরবর্তী শত শত পরিবার নদী ভাঙনের আতঙ্কে খোলা আকাশের নীচে রাত জেগে ভাগাভাগি করে পাহারা দিচ্ছেন নারী-পুরুষ।এছাড়াও প্রতিবছর অসংখ্য বসতভিটা ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
দিশেহারা হয়ে পড়েছে এখানকার পরিবারগুলো।প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বর্ষার শুরুতে টানা ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গোমতীতে ক্রমশই বাড়ছে স্রোতের গতি। আর স্রোতের টানে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নদী পাড়ের মানুষের স্বপ্নের নীড়গুলো। সর্বক্ষণ ভাঙন আতংকে- অনিদ্রা- অনাহারে প্রহর গুনছেন সহায়- সম্বলহীন মানুষগুলো। ভাঙন থেকে রেহায় পেতে সর্ব মহলের সহায়তা চেয়ে মানববন্ধনও করেছে এখানকার সুশিল সমাজ ও ভুক্তভোগি পরিবারগুলো।স্থানীয়রা জানান- প্রায় পঞ্চাশ বছর যাবৎ আমরা এই ভাঙ্গা ও গড়ার খেলায় প্রতিদিন হেরে যাচ্ছি। আমরা আর পারছিনা-আমরা এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই। গত ৫০ বছরে ভাঙনের এই তাণ্ডবে পড়ে হাজারো পরিবার অন্যত্র চলে গেছে। আমরা আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে অন্যত্র যেতে পারছি না। আমরা দেশবাসীর সহায়তায় বাঁচতে চাই।নারান্দিয়া পুর্বপাড়ের সমাজসেবক গোলাম মহিউদ্দিন জিলানী বলেন- আমাদের এই অঞ্চলে দীর্ঘ ৩০বছরে ভাঙন শুরু হয়। গত ৬- ৭বছরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামান্য কিছু জিও ব্যাগ ও ব্লক এলেও সঠিক জায়গায় স্থাপন হয়নি। তাই নারান্দিয়া গ্রামকে বাঁচাতে হলে দ্রুত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।নারান্দিয়া পশ্চিম পাড়া সাবেক মেম্বার মফিজুল ইসলাম বলেন-আমাদের নারান্দিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া এলাকায় মসজিদ-মাদ্রাসা-বাড়িঘর-প্রাইমারি স্কুলসহ গোমতীর নদীর পানিতে বিলীন হয়ে গেছে অর্ধশতাধিক মৎসপ্রকল্প। এমতাবস্থায় মসজিদ-মাদ্রাসা এবং নারান্দিয়া বেড়িবাঁধসহ যেসব ভিটে মাটি এখনো সুরক্ষিত আছে সেগুলো রক্ষার্থে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্টকে অনুরোধ করবো। যেনো দ্রুত সময়ের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।এ ব্যাপারে তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া মমিন বলেন, আমরা সর্বদাই তাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছি। তাছাড়া তাদের ঘরে ঘরে ত্রাণ দিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্তদের লিস্ট করেছি সরকারি বরাদ্দ এলে তাদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করব এবং তাদের থাকার ব্যাপারে কোন সমস্যা হলে তাদের জন্য আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলো খোলা আছে। সেখানে তারা আশ্রয় নিতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সম্প্রীতির বাংলাদেশ গঠনে লতা ইউনিয়নের দুর্গাপূজা হয়ে থাকবে অনন্য দৃষ্টান্ত

তিতাসে গোমতীর ভাঙনে বিলীন মসজিদসহ ৬০টি পরিবার আশ্বাস দিলেও ভাঙন রোধে ব্যবস্থা হয়নি গত দেড় যোগেও।।

আপডেট সময় : 11:18:07 am, Monday, 2 September 2024
তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ হয়ে যেনো এবার বন্যা রূপে দেখা দিলো -রাক্ষুসী গোমতী । বন্যার পানি গোমতীর বিপদ সিমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে “সিদ্দেস্বরি রেগুলেটর গোমতি বেড়ীবাঁধ ।ইতোমধ্যেই গোমতীর ভয়াবহ থাবায় কুমিল্লার তিতাসের ৬০টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীর বুকে বিলীন হয়ে গেছে। এসব অঞ্চলে স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গন রোধে প্রকল্প গ্রহণের জন্য বহুবার আশ্বাস দিলে গত দেড় যুগে কোন কর্যত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।সরজমিনে গেলে দেখা যায়- নারান্দিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ও পূর্বপাড়ের নদীর তীরবর্তী ঘরবাড়ী ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে ভিটাবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে ৬০টি পরিবার। এছাড়াও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে মসজিদ- বৈদ্যুতিক খুটি- হাঁস-মুরগির খামার- অর্ধশতাধিক মাছের খামারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। নদীর তীরবর্তী শত শত পরিবার নদী ভাঙনের আতঙ্কে খোলা আকাশের নীচে রাত জেগে ভাগাভাগি করে পাহারা দিচ্ছেন নারী-পুরুষ।এছাড়াও প্রতিবছর অসংখ্য বসতভিটা ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
দিশেহারা হয়ে পড়েছে এখানকার পরিবারগুলো।প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বর্ষার শুরুতে টানা ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গোমতীতে ক্রমশই বাড়ছে স্রোতের গতি। আর স্রোতের টানে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নদী পাড়ের মানুষের স্বপ্নের নীড়গুলো। সর্বক্ষণ ভাঙন আতংকে- অনিদ্রা- অনাহারে প্রহর গুনছেন সহায়- সম্বলহীন মানুষগুলো। ভাঙন থেকে রেহায় পেতে সর্ব মহলের সহায়তা চেয়ে মানববন্ধনও করেছে এখানকার সুশিল সমাজ ও ভুক্তভোগি পরিবারগুলো।স্থানীয়রা জানান- প্রায় পঞ্চাশ বছর যাবৎ আমরা এই ভাঙ্গা ও গড়ার খেলায় প্রতিদিন হেরে যাচ্ছি। আমরা আর পারছিনা-আমরা এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই। গত ৫০ বছরে ভাঙনের এই তাণ্ডবে পড়ে হাজারো পরিবার অন্যত্র চলে গেছে। আমরা আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে অন্যত্র যেতে পারছি না। আমরা দেশবাসীর সহায়তায় বাঁচতে চাই।নারান্দিয়া পুর্বপাড়ের সমাজসেবক গোলাম মহিউদ্দিন জিলানী বলেন- আমাদের এই অঞ্চলে দীর্ঘ ৩০বছরে ভাঙন শুরু হয়। গত ৬- ৭বছরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামান্য কিছু জিও ব্যাগ ও ব্লক এলেও সঠিক জায়গায় স্থাপন হয়নি। তাই নারান্দিয়া গ্রামকে বাঁচাতে হলে দ্রুত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।নারান্দিয়া পশ্চিম পাড়া সাবেক মেম্বার মফিজুল ইসলাম বলেন-আমাদের নারান্দিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া এলাকায় মসজিদ-মাদ্রাসা-বাড়িঘর-প্রাইমারি স্কুলসহ গোমতীর নদীর পানিতে বিলীন হয়ে গেছে অর্ধশতাধিক মৎসপ্রকল্প। এমতাবস্থায় মসজিদ-মাদ্রাসা এবং নারান্দিয়া বেড়িবাঁধসহ যেসব ভিটে মাটি এখনো সুরক্ষিত আছে সেগুলো রক্ষার্থে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্টকে অনুরোধ করবো। যেনো দ্রুত সময়ের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।এ ব্যাপারে তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া মমিন বলেন, আমরা সর্বদাই তাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছি। তাছাড়া তাদের ঘরে ঘরে ত্রাণ দিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্তদের লিস্ট করেছি সরকারি বরাদ্দ এলে তাদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করব এবং তাদের থাকার ব্যাপারে কোন সমস্যা হলে তাদের জন্য আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলো খোলা আছে। সেখানে তারা আশ্রয় নিতে পারবে।