Dhaka , Monday, 13 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
মধ্যপ্রাচর যুদ্ধের প্রভাবে রূপগঞ্জে টেক্সটাইল খাতে ধসের আশঙ্কা, লোকসানের মুখে ব্যবসায়ীরা পিএমকের উদ্যেগে রূপগঞ্জে বিনামূল্য স্বাস্থ্য ও চক্ষু সেবা, মেডিসিন, চসমা বিতরণ আড়াইহাজারে মামার বাড়ীতে ভাগনে খুন রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তা বলয়, শান্তিপূর্ণ বৈশাখের আশ্বাস শিক্ষার্থীদের জাতির সেবক হয়ে গড়ে উঠতে হবে: এমপি আবুল কালাম আজাদ ১২৫ বছরে মুড়াপাড়া সরকারি পাইলট মডেল হাই স্কুল: বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী উৎসবের ডাক নলছিটিতে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে কুপিয়ে হত্যা ফাঁকা বাড়িতে আমগাছে ঝুলছিল কিশোরীরর মরেদহ ফরিদপুরের সালথায় আগুনে পুড়লো শিক্ষকের স্বপ্ন, সহায়তার আশ্বাস প্রশাসনের। মানুষের সেবায় দিনরাত মাঠে আজিজুল হক আজিজ, হামের টিকা কার্যক্রমে নিজে তদারকি চট্টগ্রামে অভিযানে ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা আটক ২ ফতুল্লায় ভোরে ডাকাতি, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ‘দালাল সহিদ’ গ্রেফতারের দাবি ফতুল্লা সাংবাদিকদের ইরান যুদ্ধ: বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ও উত্তরণের উপায় নারায়ণগঞ্জে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত ফতুল্লায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিসি কার্যালয়ে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি রামু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করলেন সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী সাথে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় স্বাক্ষী দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন স্বল্প সময়ে ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিষ্পত্তিকরণ সংসদীয় গণতন্ত্রের এক অনন্য নজির- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রূপগঞ্জে পারিবারিক বিরোধের জেরে গৃহবধূ ও শিশুর ওপর হামলার অভিযোগ, ঘরে আগুন গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও জ্বালানি তেলের সংকট সমাধানের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বাংলায় যাত্রা শুরু করল আইওআই ওশান একাডেমি পার্বত্য উৎসবের বৈচিত্র্যই আসল বাংলাদেশ, তারেক রহমানের নেতৃত্বে গড়ব রংধনু জাতি: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন এমপি মধুপুরে ৫ বছর বয়সী ফাতেমা নিখোঁজের একদিন পর ভুট্টা খেতে মিললো লাশ সাশ্রয়ী বাজার ব্যবস্থাকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিতে আশ বাজারের ১৪তম আউটলেট উদ্বোধন ঝালকাঠিতে সড়ক দুর্ঘটনায় সাবেক কাউন্সিলর সাগর নিহত, আহত ১ কোম্পানীগঞ্জে ১৯ মামলার আসামি ডাকাত মাইস্যা গ্রেপ্তার   হামের প্রাদুর্ভাব রোধে রাজনীতিবিদদের ঘরে ঘরে গিয়ে টিকার তথ্য দেয়ার আহ্বান : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর ২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কোন উন্নয়ন হয়নি, বিগত সময়ে শিক্ষাক্ষেত্রে নজর না দেয়ায় এইচএসসি পরীক্ষায় পাস করে কেউ বিশ্ববিদ্যালযে চান্স পাওয়ায় লটারী পদ্ধতি চাল করেছিল: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

তিতাসে গোমতীর ভাঙনে বিলীন মসজিদসহ ৬০টি পরিবার আশ্বাস দিলেও ভাঙন রোধে ব্যবস্থা হয়নি গত দেড় যোগেও।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:18:07 am, Monday, 2 September 2024
  • 213 বার পড়া হয়েছে

তিতাসে গোমতীর ভাঙনে বিলীন মসজিদসহ ৬০টি পরিবার আশ্বাস দিলেও ভাঙন রোধে ব্যবস্থা হয়নি গত দেড় যোগেও।।

তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ হয়ে যেনো এবার বন্যা রূপে দেখা দিলো -রাক্ষুসী গোমতী । বন্যার পানি গোমতীর বিপদ সিমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে “সিদ্দেস্বরি রেগুলেটর গোমতি বেড়ীবাঁধ ।ইতোমধ্যেই গোমতীর ভয়াবহ থাবায় কুমিল্লার তিতাসের ৬০টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীর বুকে বিলীন হয়ে গেছে। এসব অঞ্চলে স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গন রোধে প্রকল্প গ্রহণের জন্য বহুবার আশ্বাস দিলে গত দেড় যুগে কোন কর্যত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।সরজমিনে গেলে দেখা যায়- নারান্দিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ও পূর্বপাড়ের নদীর তীরবর্তী ঘরবাড়ী ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে ভিটাবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে ৬০টি পরিবার। এছাড়াও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে মসজিদ- বৈদ্যুতিক খুটি- হাঁস-মুরগির খামার- অর্ধশতাধিক মাছের খামারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। নদীর তীরবর্তী শত শত পরিবার নদী ভাঙনের আতঙ্কে খোলা আকাশের নীচে রাত জেগে ভাগাভাগি করে পাহারা দিচ্ছেন নারী-পুরুষ।এছাড়াও প্রতিবছর অসংখ্য বসতভিটা ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
দিশেহারা হয়ে পড়েছে এখানকার পরিবারগুলো।প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বর্ষার শুরুতে টানা ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গোমতীতে ক্রমশই বাড়ছে স্রোতের গতি। আর স্রোতের টানে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নদী পাড়ের মানুষের স্বপ্নের নীড়গুলো। সর্বক্ষণ ভাঙন আতংকে- অনিদ্রা- অনাহারে প্রহর গুনছেন সহায়- সম্বলহীন মানুষগুলো। ভাঙন থেকে রেহায় পেতে সর্ব মহলের সহায়তা চেয়ে মানববন্ধনও করেছে এখানকার সুশিল সমাজ ও ভুক্তভোগি পরিবারগুলো।স্থানীয়রা জানান- প্রায় পঞ্চাশ বছর যাবৎ আমরা এই ভাঙ্গা ও গড়ার খেলায় প্রতিদিন হেরে যাচ্ছি। আমরা আর পারছিনা-আমরা এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই। গত ৫০ বছরে ভাঙনের এই তাণ্ডবে পড়ে হাজারো পরিবার অন্যত্র চলে গেছে। আমরা আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে অন্যত্র যেতে পারছি না। আমরা দেশবাসীর সহায়তায় বাঁচতে চাই।নারান্দিয়া পুর্বপাড়ের সমাজসেবক গোলাম মহিউদ্দিন জিলানী বলেন- আমাদের এই অঞ্চলে দীর্ঘ ৩০বছরে ভাঙন শুরু হয়। গত ৬- ৭বছরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামান্য কিছু জিও ব্যাগ ও ব্লক এলেও সঠিক জায়গায় স্থাপন হয়নি। তাই নারান্দিয়া গ্রামকে বাঁচাতে হলে দ্রুত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।নারান্দিয়া পশ্চিম পাড়া সাবেক মেম্বার মফিজুল ইসলাম বলেন-আমাদের নারান্দিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া এলাকায় মসজিদ-মাদ্রাসা-বাড়িঘর-প্রাইমারি স্কুলসহ গোমতীর নদীর পানিতে বিলীন হয়ে গেছে অর্ধশতাধিক মৎসপ্রকল্প। এমতাবস্থায় মসজিদ-মাদ্রাসা এবং নারান্দিয়া বেড়িবাঁধসহ যেসব ভিটে মাটি এখনো সুরক্ষিত আছে সেগুলো রক্ষার্থে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্টকে অনুরোধ করবো। যেনো দ্রুত সময়ের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।এ ব্যাপারে তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া মমিন বলেন, আমরা সর্বদাই তাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছি। তাছাড়া তাদের ঘরে ঘরে ত্রাণ দিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্তদের লিস্ট করেছি সরকারি বরাদ্দ এলে তাদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করব এবং তাদের থাকার ব্যাপারে কোন সমস্যা হলে তাদের জন্য আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলো খোলা আছে। সেখানে তারা আশ্রয় নিতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচর যুদ্ধের প্রভাবে রূপগঞ্জে টেক্সটাইল খাতে ধসের আশঙ্কা, লোকসানের মুখে ব্যবসায়ীরা

তিতাসে গোমতীর ভাঙনে বিলীন মসজিদসহ ৬০টি পরিবার আশ্বাস দিলেও ভাঙন রোধে ব্যবস্থা হয়নি গত দেড় যোগেও।।

আপডেট সময় : 11:18:07 am, Monday, 2 September 2024
তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ হয়ে যেনো এবার বন্যা রূপে দেখা দিলো -রাক্ষুসী গোমতী । বন্যার পানি গোমতীর বিপদ সিমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে “সিদ্দেস্বরি রেগুলেটর গোমতি বেড়ীবাঁধ ।ইতোমধ্যেই গোমতীর ভয়াবহ থাবায় কুমিল্লার তিতাসের ৬০টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীর বুকে বিলীন হয়ে গেছে। এসব অঞ্চলে স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গন রোধে প্রকল্প গ্রহণের জন্য বহুবার আশ্বাস দিলে গত দেড় যুগে কোন কর্যত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।সরজমিনে গেলে দেখা যায়- নারান্দিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ও পূর্বপাড়ের নদীর তীরবর্তী ঘরবাড়ী ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে ভিটাবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে ৬০টি পরিবার। এছাড়াও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে মসজিদ- বৈদ্যুতিক খুটি- হাঁস-মুরগির খামার- অর্ধশতাধিক মাছের খামারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। নদীর তীরবর্তী শত শত পরিবার নদী ভাঙনের আতঙ্কে খোলা আকাশের নীচে রাত জেগে ভাগাভাগি করে পাহারা দিচ্ছেন নারী-পুরুষ।এছাড়াও প্রতিবছর অসংখ্য বসতভিটা ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
দিশেহারা হয়ে পড়েছে এখানকার পরিবারগুলো।প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বর্ষার শুরুতে টানা ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গোমতীতে ক্রমশই বাড়ছে স্রোতের গতি। আর স্রোতের টানে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নদী পাড়ের মানুষের স্বপ্নের নীড়গুলো। সর্বক্ষণ ভাঙন আতংকে- অনিদ্রা- অনাহারে প্রহর গুনছেন সহায়- সম্বলহীন মানুষগুলো। ভাঙন থেকে রেহায় পেতে সর্ব মহলের সহায়তা চেয়ে মানববন্ধনও করেছে এখানকার সুশিল সমাজ ও ভুক্তভোগি পরিবারগুলো।স্থানীয়রা জানান- প্রায় পঞ্চাশ বছর যাবৎ আমরা এই ভাঙ্গা ও গড়ার খেলায় প্রতিদিন হেরে যাচ্ছি। আমরা আর পারছিনা-আমরা এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই। গত ৫০ বছরে ভাঙনের এই তাণ্ডবে পড়ে হাজারো পরিবার অন্যত্র চলে গেছে। আমরা আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে অন্যত্র যেতে পারছি না। আমরা দেশবাসীর সহায়তায় বাঁচতে চাই।নারান্দিয়া পুর্বপাড়ের সমাজসেবক গোলাম মহিউদ্দিন জিলানী বলেন- আমাদের এই অঞ্চলে দীর্ঘ ৩০বছরে ভাঙন শুরু হয়। গত ৬- ৭বছরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামান্য কিছু জিও ব্যাগ ও ব্লক এলেও সঠিক জায়গায় স্থাপন হয়নি। তাই নারান্দিয়া গ্রামকে বাঁচাতে হলে দ্রুত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।নারান্দিয়া পশ্চিম পাড়া সাবেক মেম্বার মফিজুল ইসলাম বলেন-আমাদের নারান্দিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া এলাকায় মসজিদ-মাদ্রাসা-বাড়িঘর-প্রাইমারি স্কুলসহ গোমতীর নদীর পানিতে বিলীন হয়ে গেছে অর্ধশতাধিক মৎসপ্রকল্প। এমতাবস্থায় মসজিদ-মাদ্রাসা এবং নারান্দিয়া বেড়িবাঁধসহ যেসব ভিটে মাটি এখনো সুরক্ষিত আছে সেগুলো রক্ষার্থে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্টকে অনুরোধ করবো। যেনো দ্রুত সময়ের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।এ ব্যাপারে তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া মমিন বলেন, আমরা সর্বদাই তাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছি। তাছাড়া তাদের ঘরে ঘরে ত্রাণ দিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্তদের লিস্ট করেছি সরকারি বরাদ্দ এলে তাদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করব এবং তাদের থাকার ব্যাপারে কোন সমস্যা হলে তাদের জন্য আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলো খোলা আছে। সেখানে তারা আশ্রয় নিতে পারবে।