Dhaka , Wednesday, 9 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
শ্রীপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ পানীয় ও মূল্য তালিকা না থাকায় শিকদার স্টোরকে জরিমানা রূপগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে ৩০ টি আমগাছ কেটে ফেলেছে দূর্বৃত্তরা রূপগঞ্জে চোরাই মোবাইলসহ গ্রেফতার ২ রূপগঞ্জে মাদকের অপরাধে ১৯ জনকে বিনাশ্রম কারাদণ্ড মির্জাপুরে জিয়া সাইবার ফোর্সের ৫১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন, সভাপতি মো:রিহাদ ইসলাম রিতু ও সাধারণ সম্পাদক মো:মাসুম সিকদার পাইকগাছায় নকল লেবেলে নিম্নমানের পণ্য! দুই প্রতিষ্ঠানে ৭০ হাজার জরিমানা পাইকগাছা পৌরসভার দারিদ্র্য নিরসন কমিটির ত্রৈমাসিক সভা পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে র‍্যালি ও আলোচনা সভা নারায়ণগঞ্জে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা সিদ্ধিরগঞ্জে ১১০০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি গ্রেপ্তার কাউখালীতে নতুন পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ: ১৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্যানমার্কস মডেল: লালমনিরহাটে ডিপিএইচই ও ইউনিসেফের দিনব্যাপী জেলা সম্মেলন অপরাধ দমনে ধারাবাহিক সাফল্য: তৃতীয়বারের মতো জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি খন্দকার শাকের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জমির আবাদ কমাই দিছি, চুরি কইরা খামু এহন ” মানিকগঞ্জে অতিরিক্ত সার ক্রয়ে বাধ্য করায় কৃষকের আক্ষেপ লালমনিরহাটে সমবায় সমিতির অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে সিআইডি সীতাকুণ্ডে সংঘর্ষ ও অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় গ্রেফতার; দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার শিশুদের পেটে ইয়াবা পাচার: চট্টগ্রামে মূলহোতা আটক, ৬,৬১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারত সরকারের সাথে যোগাযোগ রাখছে বাংলাদেশ সরকার – মাদারীপুরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বাঁধনের উপর হামলাকারী মনিরুলের গ্রামের বাড়ি তালা বদ্ধ পলাতক পরিবার। CHAYANAGAR RAILWAY STATION হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ১৩ র‍্যাব-সেনাবাহিনী পরিচয়ে প্রতারণা, স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, আটক পারভেজ নোয়াখালীতে মাদ্রাসার ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে মাদক সেবীর দেওয়া আগুনে , পুড়ল ১১ বসতঘর ও ৬ দোকান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু হাতিয়াতে ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১ পিরোজপুরে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা: বিশেষ পারফরম্যান্সে পুরস্কৃত কাউখালী ওসি আনোয়ার হোসেন ধর্মপাশায় পরিত্যক্ত কালিজানা ব্রিজ: ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, ডেঙ্গু ঠেকাতে চট্টগ্রামে ২ হাজার মসজিদে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান:- ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:44:43 pm, Thursday, 15 January 2026
  • 88 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন, চট্টগ্রাম:

বেগম খালেদা জিয়া মানুষের মনের মনিকোঠায় স্মরণিয় হয়ে থাকবেন : ডা. শাহাদাত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে আজীবন আপোষহীন ভূমিকা পালন করেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। গণতন্ত্রের প্রশ্নে তিনি কোনদিন আপোষ করেননি। তিনি নিজের জীবনের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাইতো মৃত্যুর পর এদেশের মানুষ তাকে সর্বোচ্চ সম্মান ও ভালোবাসা দেখিয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এতো বিশাল জানাজা আর কখনো হয়েছে বলে আমাদের জানা নাই। এমনকি পৃথিবীর ইতিহাসে এটি অন্যতম বৃহৎ জানাজা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

তিনি বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) দুপুরে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের জমি বরাদ্দ দাতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের উদ্যোগে হাসপাতাল ক্যাম্পাসে আয়োজিত শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে খতমে কোরআন ও বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারী জাহিদুল হাসানের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

আমীর খসরু বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দক্ষিণ এশিয়ার সকল দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী অতিথিবৃন্দ তাঁকে সম্মান জানানোর জন্য এসেছিলেন। তারা সকলেই বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করে তাদের সমবেদনা জানিয়েছেন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এই বিরল সম্মান দিয়েছেন।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর একজন সাধারণ গৃহবধূ হয়েও বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে ইতিহাস গড়েছেন। ১৯৯১ সালে জনগণের ভালোবাসায় তিনি প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরবর্তী সময়গুলোতেও গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার ও ভোটের মর্যাদা রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা পালন করেন।

আমীর খসরু বলেন, প্রতিটি দুর্যোগে বেগম খালেদা জিয়া রাজনৈতিক পরিচয় ভুলে মানবতার পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকি জীবনের শেষ দিনগুলোতেও তিনি দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তির কথা ভেবেছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক অনন্য মানবিক ও গণতান্ত্রিক নেত্রী।

তিনি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহ দরবারে প্রার্থনা করেন আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতের সুউচ্চ স্থানে অধিষ্টিত করেন। তিনি চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে এই শোক সভা আয়োজনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজীবন অনন্য সংগ্রামী ভূমিকা পালন করেন। চট্টগ্রামের প্রতি ছিল তাঁর অগ্রাধ ভালোবাসা। তাইতো বারবার ছুটে এসেছেন তিনি চট্টগ্রামে। সম্ভবত চট্টগ্রামেই তাঁর সর্বশেষ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ছাড়াও চট্টগ্রামের ইউএসটিসি, ডায়বেটিক হসপিটাল, শাহী কিডনি হাসপাতাল এসকল প্রতিষ্ঠানের জন্য তিনি জমি বরাদ্দের ব্যবস্থা করে দেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলো আজ চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপন, ক্যান্সার বিভাগে ওভাল মেশিন স্থাপন তাঁর আমলেই হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এবং এদেশের মানুষের মনের মনিকোঠায় তিনি আজীবন স্মরণিয় হয়ে থাকবেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট (ডোনার) ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর। বক্তব্য রাখেন কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল মান্নান রানা, জেনারেল সেক্রেটারী রেজাউল করিম আজাদ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য প্রফেসর ডা.মো. আব্বাস উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন কার্যনির্বাহী কমিটির ট্রেজারার অধ্যক্ষ লায়ন ড. মোহম্মদ সানাউল্লাহ, অর্গানাইজিং সেক্রেটারী মো. সাগির, স্পোর্টস এন্ড কালচারাল সেক্রেটারী ডা. ফজল করিম বাবুল, ডোনার মেম্বার মো. হারুন ইউসুফ ও ইঞ্জি. মো. জাবেদ আবছার চৌধুরী, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল ইসলাম তানভীর, সাইফুল আলম, ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা.অসীম কুমার বড়ুয়া, হাসপাতালের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. নূরুল হক, অটিজম ও শিশু বিকাশ কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ডা.মাহমুদ আহমেদ চৌধুরী আরজু, পরিচালক (মেডিকেল এ্যাফেয়ার্স) ডা. এ. কে. এম. আশরাফুল করিম, পরিচলক (ফিন্যান্স) রফিকুল আলম, উপ পরিচালক (প্রশাসন) মোশাররফ হোসাইন, উপ পরিচালক (ফিন্যান্স) মনজুর আলম চৌধুরী, উপ পরিচালক (প্রশাসন, আইসিএইচ) ডা. মো. আবু সৈয়দ চৌধুরী, নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মিসেস স্মৃতি রানী ঘোষ, নার্সিং ইনষ্টিটিউটের অধ্যক্ষ মিসেস ঝিনু রানী দাশ সহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপকবৃন্দ, ডাক্তার, নার্স, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীপুরে মেয়াদোত্তীর্ণ পানীয় ও মূল্য তালিকা না থাকায় শিকদার স্টোরকে জরিমানা

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিলে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

আপডেট সময় : 06:44:43 pm, Thursday, 15 January 2026

ইসমাইল ইমন, চট্টগ্রাম:

বেগম খালেদা জিয়া মানুষের মনের মনিকোঠায় স্মরণিয় হয়ে থাকবেন : ডা. শাহাদাত

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামে আজীবন আপোষহীন ভূমিকা পালন করেছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। গণতন্ত্রের প্রশ্নে তিনি কোনদিন আপোষ করেননি। তিনি নিজের জীবনের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে সবসময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাইতো মৃত্যুর পর এদেশের মানুষ তাকে সর্বোচ্চ সম্মান ও ভালোবাসা দেখিয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এতো বিশাল জানাজা আর কখনো হয়েছে বলে আমাদের জানা নাই। এমনকি পৃথিবীর ইতিহাসে এটি অন্যতম বৃহৎ জানাজা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।

তিনি বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারী) দুপুরে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের জমি বরাদ্দ দাতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের উদ্যোগে হাসপাতাল ক্যাম্পাসে আয়োজিত শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে খতমে কোরআন ও বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ মোরশেদ হোসেনের সভাপতিত্বে এবং জয়েন্ট জেনারেল সেক্রেটারী জাহিদুল হাসানের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

আমীর খসরু বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর দক্ষিণ এশিয়ার সকল দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী অতিথিবৃন্দ তাঁকে সম্মান জানানোর জন্য এসেছিলেন। তারা সকলেই বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যদের সাথে দেখা করে তাদের সমবেদনা জানিয়েছেন। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এই বিরল সম্মান দিয়েছেন।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর একজন সাধারণ গৃহবধূ হয়েও বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে রাজপথে নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে ইতিহাস গড়েছেন। ১৯৯১ সালে জনগণের ভালোবাসায় তিনি প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন এবং পরবর্তী সময়গুলোতেও গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার ও ভোটের মর্যাদা রক্ষায় আপসহীন ভূমিকা পালন করেন।

আমীর খসরু বলেন, প্রতিটি দুর্যোগে বেগম খালেদা জিয়া রাজনৈতিক পরিচয় ভুলে মানবতার পাশে দাঁড়িয়েছেন। এমনকি জীবনের শেষ দিনগুলোতেও তিনি দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও শান্তির কথা ভেবেছেন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এক অনন্য মানবিক ও গণতান্ত্রিক নেত্রী।

তিনি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহ দরবারে প্রার্থনা করেন আল্লাহ যেন তাঁকে জান্নাতের সুউচ্চ স্থানে অধিষ্টিত করেন। তিনি চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে এই শোক সভা আয়োজনের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতান্ত্রিক সংগ্রামে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজীবন অনন্য সংগ্রামী ভূমিকা পালন করেন। চট্টগ্রামের প্রতি ছিল তাঁর অগ্রাধ ভালোবাসা। তাইতো বারবার ছুটে এসেছেন তিনি চট্টগ্রামে। সম্ভবত চট্টগ্রামেই তাঁর সর্বশেষ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল ছাড়াও চট্টগ্রামের ইউএসটিসি, ডায়বেটিক হসপিটাল, শাহী কিডনি হাসপাতাল এসকল প্রতিষ্ঠানের জন্য তিনি জমি বরাদ্দের ব্যবস্থা করে দেন। এই প্রতিষ্ঠানগুলো আজ চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ স্থাপন, ক্যান্সার বিভাগে ওভাল মেশিন স্থাপন তাঁর আমলেই হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এবং এদেশের মানুষের মনের মনিকোঠায় তিনি আজীবন স্মরণিয় হয়ে থাকবেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য ইসরাফিল খসরু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট (ডোনার) ডা. কামরুন নাহার দস্তগীর। বক্তব্য রাখেন কার্যনির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুল মান্নান রানা, জেনারেল সেক্রেটারী রেজাউল করিম আজাদ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য প্রফেসর ডা.মো. আব্বাস উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন কার্যনির্বাহী কমিটির ট্রেজারার অধ্যক্ষ লায়ন ড. মোহম্মদ সানাউল্লাহ, অর্গানাইজিং সেক্রেটারী মো. সাগির, স্পোর্টস এন্ড কালচারাল সেক্রেটারী ডা. ফজল করিম বাবুল, ডোনার মেম্বার মো. হারুন ইউসুফ ও ইঞ্জি. মো. জাবেদ আবছার চৌধুরী, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল ইসলাম তানভীর, সাইফুল আলম, ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা.অসীম কুমার বড়ুয়া, হাসপাতালের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. নূরুল হক, অটিজম ও শিশু বিকাশ কেন্দ্রের পরিচালক প্রফেসর ডা.মাহমুদ আহমেদ চৌধুরী আরজু, পরিচালক (মেডিকেল এ্যাফেয়ার্স) ডা. এ. কে. এম. আশরাফুল করিম, পরিচলক (ফিন্যান্স) রফিকুল আলম, উপ পরিচালক (প্রশাসন) মোশাররফ হোসাইন, উপ পরিচালক (ফিন্যান্স) মনজুর আলম চৌধুরী, উপ পরিচালক (প্রশাসন, আইসিএইচ) ডা. মো. আবু সৈয়দ চৌধুরী, নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মিসেস স্মৃতি রানী ঘোষ, নার্সিং ইনষ্টিটিউটের অধ্যক্ষ মিসেস ঝিনু রানী দাশ সহ বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, অধ্যাপকবৃন্দ, ডাক্তার, নার্স, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ।