Dhaka , Sunday, 8 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
লালমনিরহাটে বিরল বন্যপ্রাণী উদ্ধার: ডিবির জালে ৩টি তক্ষক লালমনিরহাটে নাটকীয় মোড়: জামিন পেয়ে আদালত চত্বর ছাড়ার আগেই ডিবির জালে ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী লক্ষ্মীপুরে ঈদের বাজার করতে এসে দেওয়াল ধ্বসে যুবকের মৃত্যু মধুপুরে এক সেবনকারীকে ১ বছরের কারাদণ্ড মধুপুরে চাঞ্চল্যকর অটো চুরির মামলার রহস্য উদঘাটন চোর গ্রেফতার পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতার ও মতবিনিময় সভা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ বন্ধে ড্রেনেজ আটকে রূপগঞ্জের স্কুলে ময়লা পানির সয়লাব, মানববন্ধন জলাবদ্ধতা কমাতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সিএমপি ‘র উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সিসিটিভি কার্যক্রমের উদ্বোধন অপরাধ দমনে কোনো ছাড় নয়, দলমত নির্বিশেষে জিরো টলারেন্স: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল টেকনাফে কোস্ট গার্ড ও র‍্যাবের যৌথ অভিযান: ৩২ জন মালয়েশিয়াগামী উদ্ধার লালমনিরহাটে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত: রাজনীতি ও নির্বাচনে নারীর সমান অংশীদারিত্বের আহ্বান রংপুরে র‍্যাবের জোড়া অভিযান: লালমনিরহাটসহ তিন জেলার ৫ মাদক কারবারি আটক লালমনিরহাটে জ্বালানি তেলের নিরাপত্তা ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা কাঁঠালিয়ার তালগাছিয়া দরবার শরীফে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সভা বাংলাদেশ–সুইজারল্যান্ড সম্পর্ক জোরদারে কাজ করার আশাবাদ: রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে :সড়ক ও সেতুমন্ত্রী সাড়ে পাঁচ মাসে কোরআনে হাফেজ ১০ বছরের জুবায়ের ​হরিপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত ইবতেদায়ী বৃত্তি পরীক্ষায় দারুল কুরআন নুরানী মাদ্রাসার উজ্জ্বল সাফল্য সাভারে ভেজাল তেল ও ডিটারজেন্ট কারখানা সিলগালা, ব্যবস্থাপক কারাদণ্ড ও জরিমানা। ডাক্তার দেখানোর ছদ্মবেশে ইয়াবা বিক্রি, নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার পূর্বাচল প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও দুস্থ্যদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মোটরসাইকেল যোগে ছিনতাইকালে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে এক ছিনতাইকারী নিহত। দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে বিজিবি–র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ২৯৯ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপসহ আটক ২ কক্সবাজারের উন্নয়ন: সমস্যা-সম্ভাবনা ও করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত চরভদ্রাসনে ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল। মমতা’র উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সমাজে অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে সরকার সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স নীতি পালন করছে: মীর হেলাল

গজনি অবকাশ পিকনিক স্পটটি দর্শনার্থীর ভিরে মুখরিত।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:05:44 pm, Friday, 10 February 2023
  • 217 বার পড়া হয়েছে

গজনি অবকাশ পিকনিক স্পটটি দর্শনার্থীর ভিরে মুখরিত।

মোঃ রাকিবুল হাসান

শেরপুর প্রতিনিধি।।

 

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনিতে দির্ঘ ৪ যোগেরও বেশি সময় ধরে অবকাশ নামক স্থানে একটি পিকনিক স্পর্ট গড়ে উঠে। পরবর্তিতে তৎকালিন সময়ের জেলা প্রশাসক আব্দুস সালামের উদ্যেগে আধুনিকায়নে আদলে গড়ে তুলার উদ্যেগ গ্রহন করেন। এর পর থেকে দেশের দূর দুরান্ত থেকে ভ্রমন পিপাসুরা ছুটে আসে উক্ত পিকনিক স্পটে। প্রতিদিনি হাজার হাজার দর্শনার্থীরা এই গজনি অবকাশে বেড়াতে আসে। তবে প্রতি শুক্রবারে দেশের দূর দুরান্ত থেকে শত শত পরিবহনে হাজার হাজার লোক আসায় উপচে পরে উক্ত অবকাশ পিকনিক স্পটটিতে। তাই জেলা প্রশাসনের উদ্যেগে গজনির গারো পাহাড়ের ৯০ একর জমির ওপর গজনী অবকাশ কেন্দ্রেটি গড়ে তুলেছে। এবং উক্ত পিকনিক স্পটটির নানা কারু কার্যে প্রকৃতির পরিবেশে নান্দনিক গজনি অবকাশ পিকনিক স্পটটি গড়ে তোলা হয়। প্রতিদিন গজনী অবকাশে পযর্টন কেন্দ্রে হাজারো প্রকৃতিপ্রেমীর পদভারে মুখরিত। পর্যটন ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন- মৌসুমের শেষে ব্যবসায় লাভবান হচ্ছেন। দূর-দুরান্তের পযর্টকরা বেশী আসছেন বলে জানান, ঝিনাইগাতী থানার ওসি মো. মনিরুল আলম ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টরা। প্রকৃতি প্রেমীদের ভিড়ে বনাঞ্চল ঘেরা গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্র এখন মুখরিত। সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও পর্যটকের ঢল নেমেছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক আল মাসুদ।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নতুন দৃষ্টিনন্দন ঝুলন্ত ব্রিজ, ক্যাবলকার, জিপলাইনিং, হ্রদের পাশে বোট ক্লাব ও আনন্দপার্ক পর্যটন কেন্দ্রে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। রয়েছে পাহাড়ে সুদীর্ঘ ওয়াকওয়ে। পাহাড়ের স্পর্শ নিয়ে লেকের পাড় হেঁটে যাওয়া পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে। গারো মা ভিলেজেও ছোঁয়া লেগেছে নতুনত্বের। মাশরমি ছাতার নিচে বা পাখি বেঞ্চে বসে পাহাড়ের ঢালে উপজাতীয়দের বিচিত্র জীবনযাত্রা, দিগন্তজোড়া পাহাড়িদের ভিন্ন জীবনমান উপভোগ করার মত। শিশু দর্শনার্থীদের চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্কের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে শিশু কর্নার। প্রতিটি রাইডে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়। চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্ক সকাল থেকেই মুখরিত। শিশুদের ভিড় বাড়ায় পার্কের ফটকে লম্বা লাইন। পদচারণায় মুখরিত শিশুপার্কও। বিভিন্ন রাইডে চড়ে ও খোলামেলা পরিবেশে আনন্দে মেতে ওঠছে শিশুরা।
ফরিদপুর থেকে আগত কয়েকজন দর্শনার্থীরা বলেন, পর্যটন কেন্দ্রের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুবই আকৃষ্ট করছে। প্রকৃতি যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। রয়েছে পাহাড়ি, টিলা আর সমতল ভূমিতে সবুজের সমারোহ। শাল, গজারি, সেগুন, ছোট-বড় মাঝারি টিলা, লতাপাতার বিন্যাস দারুণ উপভোগ করছি। কত সুন্দর অপরূপ চাদর মোড়ানো পাহাড়। পাহাড়ের পাশ ঘেঁষেই ভারতের মেঘালয় রাজ্য। ওহ! কি দারুণ মজা! পড়ন্ত বিকালে ছোট নৌকায় ঘুরতে রয়েছে লেক। নৌকায় চড়ে পাহাড়ে কফি আড্ডা আর গান অন্যরকম অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে। গজনি অবকাশে ঘুরতে এসে গারো পাহাড় ও পর্যটন কেন্দ্রে তৈরি প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো মনে আনন্দ দিয়েছে। নতুন রাইডগুলো স্থাপনের জন্য জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তারা। পর্যটন কেন্দ্রের ব্যবসায়ী মিজান বলেন, বতর্মানে প্রচুর দর্শনার্থী আসছে। ফলে ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হচ্ছি। পর্যটন কেন্দ্রের প্রবেশদারের ইজারাদার হান্নান সরকার বলেন, ছোট-বড় প্রায় তিন শতাধিক গাড়ি, মোটরসাইকেল এসেছে। ওইসব যানবাহনে হাজারো পর্যটকের আগমন ঘটেছে। যেন গোটা পরিবেশই পাল্টে গেছে। উল্লেখ্য উক্ত পিকনিক স্পট থেকে প্রতি বছর সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় আসে।
ঝিনাইগাতী থানার ওসি মো. মনিরুল আলম ভূঁইয়া বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল, নিরাপত্তায় কোন সমস্যা নেই। পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.ফারুক আল মাসুদ বলেন, উপজেলা প্রশাসন দর্শনার্থীদের নির্বিঘেœ নিরাপদে ঘোরাফেরার জন্য পোশাকে ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করছেন। শতভাগ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

মোঃ রাকিবুল হাসান, শেরপুর প্রতিনিধিঃ

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনিতে দির্ঘ ৪ যোগেরও বেশি সময় ধরে অবকাশ নামক স্থানে একটি পিকনিক স্পর্ট গড়ে উঠে। পরবর্তিতে তৎকালিন সময়ের জেলা প্রশাসক আব্দুস সালামের উদ্যেগে আধুনিকায়নে আদলে গড়ে তুলার উদ্যেগ গ্রহন করেন। এর পর থেকে দেশের দূর দুরান্ত থেকে ভ্রমন পিপাসুরা ছুটে আসে উক্ত পিকনিক স্পটে। প্রতিদিনি হাজার হাজার দর্শনার্থীরা এই গজনি অবকাশে বেড়াতে আসে। তবে প্রতি শুক্রবারে দেশের দূর দুরান্ত থেকে শত শত পরিবহনে হাজার হাজার লোক আসায় উপচে পরে উক্ত অবকাশ পিকনিক স্পটটিতে। তাই জেলা প্রশাসনের উদ্যেগে গজনির গারো পাহাড়ের ৯০ একর জমির ওপর গজনী অবকাশ কেন্দ্রেটি গড়ে তুলেছে। এবং উক্ত পিকনিক স্পটটির নানা কারু কার্যে প্রকৃতির পরিবেশে নান্দনিক গজনি অবকাশ পিকনিক স্পটটি গড়ে তোলা হয়। প্রতিদিন গজনী অবকাশে পযর্টন কেন্দ্রে হাজারো প্রকৃতিপ্রেমীর পদভারে মুখরিত। পর্যটন ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন- মৌসুমের শেষে ব্যবসায় লাভবান হচ্ছেন। দূর-দুরান্তের পযর্টকরা বেশী আসছেন বলে জানান, ঝিনাইগাতী থানার ওসি মো. মনিরুল আলম ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টরা। প্রকৃতি প্রেমীদের ভিড়ে বনাঞ্চল ঘেরা গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্র এখন মুখরিত। সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও পর্যটকের ঢল নেমেছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক আল মাসুদ।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নতুন দৃষ্টিনন্দন ঝুলন্ত ব্রিজ, ক্যাবলকার, জিপলাইনিং, হ্রদের পাশে বোট ক্লাব ও আনন্দপার্ক পর্যটন কেন্দ্রে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। রয়েছে পাহাড়ে সুদীর্ঘ ওয়াকওয়ে। পাহাড়ের স্পর্শ নিয়ে লেকের পাড় হেঁটে যাওয়া পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে। গারো মা ভিলেজেও ছোঁয়া লেগেছে নতুনত্বের। মাশরমি ছাতার নিচে বা পাখি বেঞ্চে বসে পাহাড়ের ঢালে উপজাতীয়দের বিচিত্র জীবনযাত্রা, দিগন্তজোড়া পাহাড়িদের ভিন্ন জীবনমান উপভোগ করার মত। শিশু দর্শনার্থীদের চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্কের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে শিশু কর্নার। প্রতিটি রাইডে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়। চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্ক সকাল থেকেই মুখরিত। শিশুদের ভিড় বাড়ায় পার্কের ফটকে লম্বা লাইন। পদচারণায় মুখরিত শিশুপার্কও। বিভিন্ন রাইডে চড়ে ও খোলামেলা পরিবেশে আনন্দে মেতে ওঠছে শিশুরা।
ফরিদপুর থেকে আগত কয়েকজন দর্শনার্থীরা বলেন, পর্যটন কেন্দ্রের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুবই আকৃষ্ট করছে। প্রকৃতি যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। রয়েছে পাহাড়ি, টিলা আর সমতল ভূমিতে সবুজের সমারোহ। শাল, গজারি, সেগুন, ছোট-বড় মাঝারি টিলা, লতাপাতার বিন্যাস দারুণ উপভোগ করছি। কত সুন্দর অপরূপ চাদর মোড়ানো পাহাড়। পাহাড়ের পাশ ঘেঁষেই ভারতের মেঘালয় রাজ্য। ওহ! কি দারুণ মজা! পড়ন্ত বিকালে ছোট নৌকায় ঘুরতে রয়েছে লেক। নৌকায় চড়ে পাহাড়ে কফি আড্ডা আর গান অন্যরকম অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে। গজনি অবকাশে ঘুরতে এসে গারো পাহাড় ও পর্যটন কেন্দ্রে তৈরি প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো মনে আনন্দ দিয়েছে। নতুন রাইডগুলো স্থাপনের জন্য জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তারা। পর্যটন কেন্দ্রের ব্যবসায়ী মিজান বলেন, বতর্মানে প্রচুর দর্শনার্থী আসছে। ফলে ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হচ্ছি। পর্যটন কেন্দ্রের প্রবেশদারের ইজারাদার হান্নান সরকার বলেন, ছোট-বড় প্রায় তিন শতাধিক গাড়ি, মোটরসাইকেল এসেছে। ওইসব যানবাহনে হাজারো পর্যটকের আগমন ঘটেছে। যেন গোটা পরিবেশই পাল্টে গেছে। উল্লেখ্য উক্ত পিকনিক স্পট থেকে প্রতি বছর সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় আসে।
ঝিনাইগাতী থানার ওসি মো. মনিরুল আলম ভূঁইয়া বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল, নিরাপত্তায় কোন সমস্যা নেই। পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.ফারুক আল মাসুদ বলেন, উপজেলা প্রশাসন দর্শনার্থীদের নির্বিঘেœ নিরাপদে ঘোরাফেরার জন্য পোশাকে ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করছেন। শতভাগ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লালমনিরহাটে বিরল বন্যপ্রাণী উদ্ধার: ডিবির জালে ৩টি তক্ষক

গজনি অবকাশ পিকনিক স্পটটি দর্শনার্থীর ভিরে মুখরিত।

আপডেট সময় : 07:05:44 pm, Friday, 10 February 2023

মোঃ রাকিবুল হাসান

শেরপুর প্রতিনিধি।।

 

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনিতে দির্ঘ ৪ যোগেরও বেশি সময় ধরে অবকাশ নামক স্থানে একটি পিকনিক স্পর্ট গড়ে উঠে। পরবর্তিতে তৎকালিন সময়ের জেলা প্রশাসক আব্দুস সালামের উদ্যেগে আধুনিকায়নে আদলে গড়ে তুলার উদ্যেগ গ্রহন করেন। এর পর থেকে দেশের দূর দুরান্ত থেকে ভ্রমন পিপাসুরা ছুটে আসে উক্ত পিকনিক স্পটে। প্রতিদিনি হাজার হাজার দর্শনার্থীরা এই গজনি অবকাশে বেড়াতে আসে। তবে প্রতি শুক্রবারে দেশের দূর দুরান্ত থেকে শত শত পরিবহনে হাজার হাজার লোক আসায় উপচে পরে উক্ত অবকাশ পিকনিক স্পটটিতে। তাই জেলা প্রশাসনের উদ্যেগে গজনির গারো পাহাড়ের ৯০ একর জমির ওপর গজনী অবকাশ কেন্দ্রেটি গড়ে তুলেছে। এবং উক্ত পিকনিক স্পটটির নানা কারু কার্যে প্রকৃতির পরিবেশে নান্দনিক গজনি অবকাশ পিকনিক স্পটটি গড়ে তোলা হয়। প্রতিদিন গজনী অবকাশে পযর্টন কেন্দ্রে হাজারো প্রকৃতিপ্রেমীর পদভারে মুখরিত। পর্যটন ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন- মৌসুমের শেষে ব্যবসায় লাভবান হচ্ছেন। দূর-দুরান্তের পযর্টকরা বেশী আসছেন বলে জানান, ঝিনাইগাতী থানার ওসি মো. মনিরুল আলম ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টরা। প্রকৃতি প্রেমীদের ভিড়ে বনাঞ্চল ঘেরা গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্র এখন মুখরিত। সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও পর্যটকের ঢল নেমেছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক আল মাসুদ।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নতুন দৃষ্টিনন্দন ঝুলন্ত ব্রিজ, ক্যাবলকার, জিপলাইনিং, হ্রদের পাশে বোট ক্লাব ও আনন্দপার্ক পর্যটন কেন্দ্রে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। রয়েছে পাহাড়ে সুদীর্ঘ ওয়াকওয়ে। পাহাড়ের স্পর্শ নিয়ে লেকের পাড় হেঁটে যাওয়া পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে। গারো মা ভিলেজেও ছোঁয়া লেগেছে নতুনত্বের। মাশরমি ছাতার নিচে বা পাখি বেঞ্চে বসে পাহাড়ের ঢালে উপজাতীয়দের বিচিত্র জীবনযাত্রা, দিগন্তজোড়া পাহাড়িদের ভিন্ন জীবনমান উপভোগ করার মত। শিশু দর্শনার্থীদের চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্কের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে শিশু কর্নার। প্রতিটি রাইডে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়। চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্ক সকাল থেকেই মুখরিত। শিশুদের ভিড় বাড়ায় পার্কের ফটকে লম্বা লাইন। পদচারণায় মুখরিত শিশুপার্কও। বিভিন্ন রাইডে চড়ে ও খোলামেলা পরিবেশে আনন্দে মেতে ওঠছে শিশুরা।
ফরিদপুর থেকে আগত কয়েকজন দর্শনার্থীরা বলেন, পর্যটন কেন্দ্রের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুবই আকৃষ্ট করছে। প্রকৃতি যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। রয়েছে পাহাড়ি, টিলা আর সমতল ভূমিতে সবুজের সমারোহ। শাল, গজারি, সেগুন, ছোট-বড় মাঝারি টিলা, লতাপাতার বিন্যাস দারুণ উপভোগ করছি। কত সুন্দর অপরূপ চাদর মোড়ানো পাহাড়। পাহাড়ের পাশ ঘেঁষেই ভারতের মেঘালয় রাজ্য। ওহ! কি দারুণ মজা! পড়ন্ত বিকালে ছোট নৌকায় ঘুরতে রয়েছে লেক। নৌকায় চড়ে পাহাড়ে কফি আড্ডা আর গান অন্যরকম অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে। গজনি অবকাশে ঘুরতে এসে গারো পাহাড় ও পর্যটন কেন্দ্রে তৈরি প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো মনে আনন্দ দিয়েছে। নতুন রাইডগুলো স্থাপনের জন্য জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তারা। পর্যটন কেন্দ্রের ব্যবসায়ী মিজান বলেন, বতর্মানে প্রচুর দর্শনার্থী আসছে। ফলে ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হচ্ছি। পর্যটন কেন্দ্রের প্রবেশদারের ইজারাদার হান্নান সরকার বলেন, ছোট-বড় প্রায় তিন শতাধিক গাড়ি, মোটরসাইকেল এসেছে। ওইসব যানবাহনে হাজারো পর্যটকের আগমন ঘটেছে। যেন গোটা পরিবেশই পাল্টে গেছে। উল্লেখ্য উক্ত পিকনিক স্পট থেকে প্রতি বছর সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় আসে।
ঝিনাইগাতী থানার ওসি মো. মনিরুল আলম ভূঁইয়া বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল, নিরাপত্তায় কোন সমস্যা নেই। পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.ফারুক আল মাসুদ বলেন, উপজেলা প্রশাসন দর্শনার্থীদের নির্বিঘেœ নিরাপদে ঘোরাফেরার জন্য পোশাকে ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করছেন। শতভাগ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

মোঃ রাকিবুল হাসান, শেরপুর প্রতিনিধিঃ

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনিতে দির্ঘ ৪ যোগেরও বেশি সময় ধরে অবকাশ নামক স্থানে একটি পিকনিক স্পর্ট গড়ে উঠে। পরবর্তিতে তৎকালিন সময়ের জেলা প্রশাসক আব্দুস সালামের উদ্যেগে আধুনিকায়নে আদলে গড়ে তুলার উদ্যেগ গ্রহন করেন। এর পর থেকে দেশের দূর দুরান্ত থেকে ভ্রমন পিপাসুরা ছুটে আসে উক্ত পিকনিক স্পটে। প্রতিদিনি হাজার হাজার দর্শনার্থীরা এই গজনি অবকাশে বেড়াতে আসে। তবে প্রতি শুক্রবারে দেশের দূর দুরান্ত থেকে শত শত পরিবহনে হাজার হাজার লোক আসায় উপচে পরে উক্ত অবকাশ পিকনিক স্পটটিতে। তাই জেলা প্রশাসনের উদ্যেগে গজনির গারো পাহাড়ের ৯০ একর জমির ওপর গজনী অবকাশ কেন্দ্রেটি গড়ে তুলেছে। এবং উক্ত পিকনিক স্পটটির নানা কারু কার্যে প্রকৃতির পরিবেশে নান্দনিক গজনি অবকাশ পিকনিক স্পটটি গড়ে তোলা হয়। প্রতিদিন গজনী অবকাশে পযর্টন কেন্দ্রে হাজারো প্রকৃতিপ্রেমীর পদভারে মুখরিত। পর্যটন ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টরা বলছেন- মৌসুমের শেষে ব্যবসায় লাভবান হচ্ছেন। দূর-দুরান্তের পযর্টকরা বেশী আসছেন বলে জানান, ঝিনাইগাতী থানার ওসি মো. মনিরুল আলম ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টরা। প্রকৃতি প্রেমীদের ভিড়ে বনাঞ্চল ঘেরা গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্র এখন মুখরিত। সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকেও পর্যটকের ঢল নেমেছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক আল মাসুদ।
জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নতুন দৃষ্টিনন্দন ঝুলন্ত ব্রিজ, ক্যাবলকার, জিপলাইনিং, হ্রদের পাশে বোট ক্লাব ও আনন্দপার্ক পর্যটন কেন্দ্রে যোগ করেছে নতুন মাত্রা। রয়েছে পাহাড়ে সুদীর্ঘ ওয়াকওয়ে। পাহাড়ের স্পর্শ নিয়ে লেকের পাড় হেঁটে যাওয়া পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে। গারো মা ভিলেজেও ছোঁয়া লেগেছে নতুনত্বের। মাশরমি ছাতার নিচে বা পাখি বেঞ্চে বসে পাহাড়ের ঢালে উপজাতীয়দের বিচিত্র জীবনযাত্রা, দিগন্তজোড়া পাহাড়িদের ভিন্ন জীবনমান উপভোগ করার মত। শিশু দর্শনার্থীদের চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্কের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে শিশু কর্নার। প্রতিটি রাইডে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়। চুকুলুপি চিলড্রেনস পার্ক সকাল থেকেই মুখরিত। শিশুদের ভিড় বাড়ায় পার্কের ফটকে লম্বা লাইন। পদচারণায় মুখরিত শিশুপার্কও। বিভিন্ন রাইডে চড়ে ও খোলামেলা পরিবেশে আনন্দে মেতে ওঠছে শিশুরা।
ফরিদপুর থেকে আগত কয়েকজন দর্শনার্থীরা বলেন, পর্যটন কেন্দ্রের মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুবই আকৃষ্ট করছে। প্রকৃতি যেন হাতছানি দিয়ে ডাকছে। রয়েছে পাহাড়ি, টিলা আর সমতল ভূমিতে সবুজের সমারোহ। শাল, গজারি, সেগুন, ছোট-বড় মাঝারি টিলা, লতাপাতার বিন্যাস দারুণ উপভোগ করছি। কত সুন্দর অপরূপ চাদর মোড়ানো পাহাড়। পাহাড়ের পাশ ঘেঁষেই ভারতের মেঘালয় রাজ্য। ওহ! কি দারুণ মজা! পড়ন্ত বিকালে ছোট নৌকায় ঘুরতে রয়েছে লেক। নৌকায় চড়ে পাহাড়ে কফি আড্ডা আর গান অন্যরকম অভিজ্ঞতা তৈরি করেছে। গজনি অবকাশে ঘুরতে এসে গারো পাহাড় ও পর্যটন কেন্দ্রে তৈরি প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো মনে আনন্দ দিয়েছে। নতুন রাইডগুলো স্থাপনের জন্য জেলা প্রশাসককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তারা। পর্যটন কেন্দ্রের ব্যবসায়ী মিজান বলেন, বতর্মানে প্রচুর দর্শনার্থী আসছে। ফলে ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হচ্ছি। পর্যটন কেন্দ্রের প্রবেশদারের ইজারাদার হান্নান সরকার বলেন, ছোট-বড় প্রায় তিন শতাধিক গাড়ি, মোটরসাইকেল এসেছে। ওইসব যানবাহনে হাজারো পর্যটকের আগমন ঘটেছে। যেন গোটা পরিবেশই পাল্টে গেছে। উল্লেখ্য উক্ত পিকনিক স্পট থেকে প্রতি বছর সরকারের লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব আয় আসে।
ঝিনাইগাতী থানার ওসি মো. মনিরুল আলম ভূঁইয়া বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল, নিরাপত্তায় কোন সমস্যা নেই। পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.ফারুক আল মাসুদ বলেন, উপজেলা প্রশাসন দর্শনার্থীদের নির্বিঘেœ নিরাপদে ঘোরাফেরার জন্য পোশাকে ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যগণ দায়িত্ব পালন করছেন। শতভাগ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।